01/03/2026
পশ্চিমা মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা এবং আমাদের ভুল ধারণা!
ছোটবেলা থেকে পশ্চিমা মিডিয়া আমাদের মগজে সুকৌশলে ঢুকিয়েছে— ইরান হলো শিয়া, তারা নবীকে মানে না, তারা নাকি মুসলমানই না! কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতির মারপ্যাঁচ আর বিশ্ব পরিস্থিতি যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, তখন থেকে সমীকরণটা পুরোই বদলে গেছে।
বাস্তবতা হলো, আজ বিশ্বজুড়ে যখন সাম্রাজ্যবাদ আর আগ্রাসন চলছে, তখন এই ইরানই আমেরিকা ও ইসরায়েলের মতো বিশ্ব মোড়লদের চোখে চোখ রেখে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়ে আছে। বছরের পর বছর অবরোধ, চরম অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, আর একের পর এক হামলার শিকার হয়েও তারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি। বরং তাদের এই অবিচল প্রতিবাদী চরিত্রই যেন নবীজি (সা.) ও সাহাবিদের সেই হার না মানা আদর্শের কথা মনে করিয়ে দেয়।
অন্যদিকে, যে রাষ্ট্রটিকে পশ্চিমা মিডিয়া আমাদের সামনে ‘ইসলামের ধারক ও বাহক’ হিসেবে উপস্থাপন করে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তাদের ভূমিকা আজ চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের অনেক তথাকথিত নেতাই আজ পশ্চিমা আগ্রাসনের নীরব সমর্থক বা দোসর। ভোগবিলাস আর দুনিয়াবি মোহে মত্ত হয়ে তারা যেন নিজেদের আসল দায়িত্বই ভুলে বসেছে। এটা বললে মোটেও অত্যুক্তি হবে না যে, কেবল পবিত্র মক্কা ও মদিনা— এবং সেখানে শায়িত সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কারণেই হয়তো এই ভূখণ্ডটি এখনো আল্লাহর গজব থেকে সুরক্ষিত আছে।
বিশ্ব মোড়লদের আধিপত্যবাদ আর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একাই বুক চিতিয়ে লড়াই করার যে অদম্য সাহস ইরান দেখাচ্ছে— সেটাই তো প্রকৃত মুসলমানের চরিত্র। অন্যায়ের সামনে মাথানত না করাটাই তো ঈমানি শক্তি!
মুসলমান বীরের জাতি, আমাদের হারানোর কিছুই নেই। "মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী"— এই চিরায়ত বিশ্বাস বুকে ধারণ করে বীরের মতো আমৃত্যু লড়াই করে যাওয়াই আমাদের ইতিহাস।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই প্রেক্ষাপট নিয়ে আপনাদের মতামত কী? কমেন্টে জানাতে পারেন।
অ্যাডভোকেট আমীর হামজা
01575-639337
ঠিকানা:- রুম নং ৪০০১, এনেক্স ২, আইনজীবী সমিতি বিল্ডিং, ৪ তলা।
৬/৭ কোর্ট হাউজ স্ট্রীট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০।