12/10/2025
📌তালাকের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
↘️
তালাক আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল কাজ
➡️ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর নিকট হালাল জিনিসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হলো তালাক।”
তালাক বৈধ হয় যখন স্বামী স্পষ্টভাবে (যেমন: "আমি তোমাকে তালাক দিলাম") উচ্চারণ করে।
তালাক হাসি-ঠাট্টা, রাগ কিংবা সিরিয়াস – তিন অবস্থাতেই কার্যকর হয়।
👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:
“তিনটি জিনিস আছে, যেগুলো মজা হোক বা সিরিয়াস হোক, সেগুলো বাস্তবায়িত হবে:
১. নিকাহ (বিয়ে)
২. তালাক
৩. রাজ’আ (তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে আবার ফিরিয়ে নেয়া)
একসাথে তিন তালাক দেয়া জায়েজ নয়; বরং এটা বিদআত। একবারে এক তালাক দিতে হবে।
আল্লাহ কুরআনে বলেছেন:
“তালাক দুইবার পর্যন্ত। এরপর হয় ভালোভাবে রেখে দেয়া অথবা সুন্দরভাবে ছেড়ে দেয়া।”
— (সুরা বাকারা 2:229)
অর্থাৎ: একবার তালাক দিলে স্ত্রী ইদ্দত (৩ হায়েজ বা ৩ মাসিক সময়) পর্যন্ত স্বামীর ঘরে থাকবে। এ সময় স্বামী চাইলে তাকে ফিরিয়ে নিতে পারবে।
তিন তালাকের হুকুম
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
রাসূল ﷺ এর সময়ে, আবু বকর (রাঃ) এর সময়ে, এবং উমর (রাঃ)-এর খেলাফতের প্রথম দিকে তিন তালাক একসাথে দিলে তাকে এক তালাক ধরা হতো
পরে হযরত উমর (রাঃ) জনগণের অবহেলার কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এটিকে তিন হিসেবে কার্যকর ঘোষণা করেছিলেন।
(এটা হলো রাষ্ট্রের আইন)
👉 তাই অনেক বড় আলেম বলেন: শরিয়তের আসল নিয়ম হলো একসাথে তিন তালাক দিলে সেটা এক তালাক হিসেবেই গণ্য হবে।
(সহীহ হাদীস ও বড় আলেমদের মতে)
তালাক দেওয়ার সময়ে সুন্দর আচরণ করতে হবে, অপমানজনক কিছু করা যাবে না।
স্বামীর দেওয়া জিনিস গুলো ফেরত না নিয়ায় ভালো ওটা স্ত্রীকে দিয়ে দেওয়াই ভালো ❤️
তিন মাসে তিনটা তালাক দেয়ার পর তাকে আর ফিরিয়ে নিতে পারবে না,
সে তার জন্য হারাম হয়ে যায়,
যতক্ষণ না তার বিবাহ অন্য জায়গায় না হয়
ততক্ষণ পর্যন্ত সে হারাম থাকে তার জন্য
তবে সমাজে যেটা প্রচলিত আছে
(হালা) বা (হালালা) মানে অন্য জায়গায় বিবাহ হবে ওই জায়গায় ছাড়াছাড়ি ছাড়লে
তারপরে আবার আগের স্বামীর কাছে আসবে। এটা একদম নিষেধ হারাম ইসলামে ❌️
1, যে অবস্থাতেই তালাক দেন না কেন তিনবার দেন 10,20,100 বার দেন এটা শুধু হিসাব হবে একটাই
এক মাস বা এক (হায়েজ) এর ভিতর তালাক দিলে সেটা একবারই হবে
2, তালাক দিয়ে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর সে তার জন্য হারাম হয়ে যায়
3, তিন তালাকের পর স্ত্রীকে ফেরত নেওয়ার একমাত্র পথ হলো, সে অন্য কাউকে সত্যিকারেরভাবে বিবাহ করে, তারপর স্বাভাবিকভাবে তালাক বা মৃত্যু ঘটলে ইদ্দত শেষে আবার প্রথম স্বামীর সাথে বিয়ে করতে পারে।
পরিকল্পিত “হালালা” ইসলামে হারাম ও অভিশপ্ত কাজ।
(সূরা আল-বাকারা ২:২৩o, আবু দাউদ ২০৭৬)
4, এটা অনেক জটিল একটা বিষয় এটাতে অনেক প্যাচ আছে তবে আমি সহজ করে ক্লিয়ার করে বললাম
শেষ একটা কথা বলি শয়তানের মূল কাজ হলো স্বামী স্ত্রীর ভিতরে গন্ডগোল সৃষ্টি করা