Adv Monirul Islam Miah

Adv Monirul Islam Miah Advocate
Supreme Court of Bangladesh
LL.B (Hon's), LLM

Chamber: Suite: 408, 22/1, Bangladesh Shishu Kollayan, Topkhana Road, Dhaka. Advocate Md. Mr.
(1)

Website: www.Lexzonelawchambers.com

Email: [email protected]

Cell: 01841700461, 01724700461 Monirul Islam Miah completed his Bachelor of Law in the year 2015 and has been providing services in various fields of Anticipatory Bail, Arbitration, Banking, Constitutional matters, Civil Matters, Criminal Matters, Property Matters, Cheque Bounce Matters, Labour & Service Matters, Family,

Divorce, Child Custody, Consumer Court and drafting and vetting of various agreements and documents. Advocate Miah enrolled with the Bangladesh Bar Council in 2018. He is permitted to practice in Supreme Court of Bangladesh.He has been practicing and handling cases independently with a result oriented approach, both professionally and ethically and has now acquired excellent professional experience in providing legal consultancy and advisory services. Miah is a Member of Dhaka Bar Association, Dhaka, Dhaka Income Tax Bar Association, Dhaka, as well as Administrative Tribunal Bar Association, Dhaka.

(Legal vs Compliance: Understanding the distinction)Legal and Compliance are closely related functions, but they serve d...
24/05/2026

(Legal vs Compliance: Understanding the distinction)

Legal and Compliance are closely related functions, but they serve different purposes within an organisation.

Legal focuses on legal risk, contracts, disputes, and ensuring the organisation is protected under applicable laws.

Compliance focuses on regulatory obligations, internal policies, and ensuring the organisation operates in line with supervisory and regulatory expectations.

A simple way to differentiate:

Legal is concerned with legal protection and interpretation of law.

Compliance is concerned with ongoing regulatory adherence and control ex*****on.

Both functions are complementary and essential in strengthening governance, risk management, and organisational accountability.

When properly aligned, Legal and Compliance work together to ensure the organisation is both legally protected and operationally compliant.
Collected

গুরুত্বপূর্ণ আইনগত Terms ;
24/05/2026

গুরুত্বপূর্ণ আইনগত Terms ;

24/05/2026
24/05/2026

দেশের বাজারে দিন দিন বাড়ছে নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের দৌরাত্ম্য। প্রসাধনী, খাদ্যপণ্য, ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, শিশু....

23/05/2026

ভূমি অধিগ্রহণ (Land Acquisition) এর আইনি বিধান ও ধাপ সমূহ :  ভূমি অধিগ্রহণ (Land Acquisition) সাধারণ মানুষের জন্য জীবনের সবচেয়ে...

হিন্দু নারীদের সম্পত্তির অধিকার সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক রায়: যদি কোনো হিন্দু বিধবা বা জীবনস্বত্...
23/05/2026

হিন্দু নারীদের সম্পত্তির অধিকার সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক রায়: যদি কোনো হিন্দু বিধবা বা জীবনস্বত্ব (life interest) প্রাপ্ত হিন্দু নারীকে এজমালি সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণপূর্বক (metes and bounds) বাটোয়ারা প্রার্থনার সুযোগ প্রদান না করা হয়, তবে তিনি তাঁর প্রাপ্ত সেই অধিকার ভোগ করা থেকে বঞ্চিত হবেন। কারণ সীমানা নির্ধারণপূর্বক বাটোয়ারা না হলে তিনি উক্ত সম্পত্তিতে তাঁর জীবনস্বত্ব কার্যকরভাবে ভোগ করতে সক্ষম হবেন না।

আর যদি এ মর্মে ধরা হয় যে, কোনো হিন্দু বিধবা বা জীবনস্বত্বসম্পন্ন হিন্দু নারী বাটোয়ারা মামলা দায়ের করতে পারবেন না, তাহলে এজমালি সম্পত্তির অন্যান্য সহ-শরিকগণ ঐ সিদ্ধান্তকে তাঁর বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে এবং এর মাধ্যমে উক্ত হিন্দু নারীর জীবনস্বত্ব ভোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

অতএব, এই যুক্তিতে আমরা কোনো সারবস্তু খুঁজে পাই না যে, বাদী নং-১ উক্ত খতিয়ানের সহ-শরিক না হওয়ায় এবং কেবলমাত্র জীবনস্বত্বের অধিকারী হওয়ায় বাটোয়ারা মামলা রুজু করতে সক্ষম নন। বরং আমরা এই মর্মে অভিমত প্রদান করছি যে, কোনো হিন্দু বিধবা বা জীবনস্বত্বসম্পন্ন হিন্দু নারী এজমালি সম্পত্তিতে তাঁর উক্ত অধিকার পূর্ণাঙ্গভাবে ভোগের উদ্দেশ্যে বাটোয়ারা মামলা দায়ের ও পরিচালনা করতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।
Collect from SOB,
#আইনি_পরামর্শ

বিদ্যুৎ মিটার ফেরত ও সংযোগ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্টবিদ্যুৎ মিটার ফেরত ও সংযোগ তিনদিনের মধ্যে দেওয়ার নির্দ...
22/05/2026

বিদ্যুৎ মিটার ফেরত ও সংযোগ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট

বিদ্যুৎ মিটার ফেরত ও সংযোগ তিনদিনের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

তিনটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সম্প্রতি এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম মিয়া।

এডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম মিয়া বলেন, রাজউক কোন নোটিশ ব্যতিত ও বক্তব্য প্রদানের সুযোগ না দিয়ে আবেদনকারীদের বিদ্যুৎতের সংযোগ বিছিন্ন করে মিটার নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ আইনের ২০১৮ ধারা অনুযায়ী কোন গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ব্যর্থ হইলে অথবা কোন ব্যক্তি অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করিলে, লাইসেন্সি নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরনপূর্বক উক্ত গ্রাহক বা বাক্তির বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করিতে পারিবে কিন্তু রাজউক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটার নিয়ে গেছে যা আইনবহিভ্যুত ।

আবেদনে, নির্মাণাধীন ও আংশিক সম্পন্ন ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে সেখানে বসবাসরত পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পাশাপাশি নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টরা কর্মহীন হয়ে যান এবং ডেভেলপাররা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

গত কয়েক মাসে রাজউক, ডেসকো, ডিপিডিসি ও অন্যান্য বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সহায়তায় রাজধানীর বিভিন্ন নির্মাণাধীন ও আংশিক সম্পন্ন ভবনের এক হাজার ২০০টির বেশি বিদ্যুৎ মিটার বিচ্ছিন্ন করা হয়।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় MPO সংক্রান্ত একটি মামলার রায় আলোচনা করবো। বেসরকারি শিক্...
22/05/2026

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় MPO সংক্রান্ত একটি মামলার রায় আলোচনা করবো।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (মাধ্যমিক বিদ্যালয়) একজন সহকারী শিক্ষকের (ইংরেজি) নিবন্ধন নীতিমালার ভূতাপেক্ষ (Retrospective) প্রয়োগ এবং বিধিবহির্ভূতভাবে Monthly Payment Order (MPO) তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি আবদেন Reject করার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।

একই সাথে পিটিশনার ২০০৮ সালের নীতিমালায় নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৫ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও, ২০০৯ সালের সংশোধিত নীতিমালার অজুহাতে তার এমপিও (MPO) সুবিধা Reject করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

#মামলার বিবরণ ও ঘটনাপ্রবাহ (Facts of the Case).
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও NTRCA নিবন্ধন: রিট পিটিশনার যথাক্রমে ১৯৮৬ ও ১৯৮৯ সালে এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি পাস করেন। ২০০২ সালে স্নাতক (BSS) এবং ২০০৭ সালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বি.এড (B.Ed) ডিগ্রি অর্জন করেন।

#২০০৮ সালে তিনি এনটিআরসিএ (NTRCA) কর্তৃক আয়োজিত ৪র্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে সফলভাবে উত্তীর্ণ ও নিবন্ধিত হন।

#সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ: একটি বৈধ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পিটিশনার ২৩/০৪Court তারিখে লালমনিরহাটের 'কাজীর চওড়া উচ্চ বিদ্যালয়'-এ সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) পদে যোগদান করেন।

of MPO enlistment application: যোগদানের পর প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে যথাযথ নিয়মে এমপিওভুক্তির আবেদন করা হলে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অনলাইন পোর্টাল (গত ১৬/১১/২০১৮) থেকে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

of Authority:
রেসপন্ডেন্ট নং ২ (মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর) এবং রেসপন্ডেন্ট নং ৫ কর্তৃক পিটিশনারের আবেদনটি প্রধানত দুটি কারণে Reject করা হয়:

No. 1: ৩০০ নম্বরের অজুহাত:** স্নাতক (ডিগ্রি) পর্যায়ে পিটিশনারের ইংরেজি বিষয়ে ন্যূনতম ৩০০ নম্বর ছিল না, যা জনবল কাঠামো অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) পদের জন্য বাধ্যতামূলক।

No. 2: স্বীকৃতিপত্রের অভাব: ২০০৭ সালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জিত বি.এড (B.Ed) ডিগ্রির প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিপত্র (Recognition Letter) আবেদনের সাথে পাওয়া যায়নি।

#পিটিশনার যেভাবে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন (How he Aggrieved):

#পিটিশনার আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নিবন্ধিত ও নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অযৌক্তিকভাবে তার এমপিও Reject করা হয়।

২০০৮ সালের ৪র্থ শিক্ষক নিবন্ধনের সার্কুলারে স্নাতক পর্যায়ে ৩০০ নম্বরের কোনো শর্ত ছিল না (শর্তটি ২০০৯ সালে ৫ম নিবন্ধনে যুক্ত করা হয়)। কর্তৃপক্ষের এই ভূতাপেক্ষ নীতিমালার প্রয়োগ পিটিশনারের বৈধ অধিকার খর্ব করেছে।

#বি.এড ডিগ্রির স্বীকৃতিপত্র যথাযথভাবে দাখিল করা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা "পাওয়া যায়নি" মর্মে মন্তব্য করে, যা পিটিশনারকে চরম আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির সম্মুখীন করেছে এবং সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭, ৩১ এবং ৪০ দ্বারা স্বীকৃত মৌলিক অধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।

#পিটিশনারের আইনজীবীর বক্তব্য (Submissions of the Advocate): বিজ্ঞ আইনজীবী আদালতে নিম্নোক্ত আইনি যুক্তি উপস্থাপন করেন:

↗️আইনের ভূতাপেক্ষ প্রয়োগের অবৈধতা: পিটিশনার ২০০৮ সালের সার্কুলার অনুযায়ী পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন, যেখানে ৩০০ নম্বরের কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। ২০০৯ সালের নীতিমালার শর্ত ২০১৫ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের ওপর চাপানো সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত।

↗️নথিপত্র পর্যালোচনায় অবহেলা: পিটিশনার বি.এড ডিগ্রির স্বীকৃতিপত্র (তারিখ: ১১/০৫/২০১৮) যথাযথভাবে জমা দিয়েছিলেন। রেসপন্ডেন্টদের তা খুঁজে না পাওয়া বা "Recognition letter not found" বলা তাদের নিজস্ব প্রশাসনিক গাফিলতি।

↗️বৈষম্যমূলক আচরণ: উক্ত বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকেরা নিয়মিত এমপিও সুবিধা ভোগ করছেন। শুধুমাত্র পিটিশনারকে বঞ্চিত করা রিট কর্তৃপক্ষের চরম খামখেয়ালি এবং বৈষম্যমূলক (Discriminatory) আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

↗️আদালতের পর্যবেক্ষণসমূহ (Observations of the Court)
মামলার নথিপত্র ও আইনি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নোক্ত পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন:

✅২০০৮ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী স্নাতক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয় পাঠ্যসূচিতে থাকলেই চলতো। ৩০০ নম্বরের শর্তটি ২০০৯ সালের ১২ আগস্টের স্মারকে প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সুতরাং, পিটিশনারের ক্ষেত্রে ২০০৮ সালের নিয়মটিই প্রযোজ্য হবে।

✅কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনা:** অনলাইন রিজেকশন অর্ডারের মন্তব্য কলামে পিটিশনারকে "পে-কোড ১০"-এ এমপিওভুক্ত করার সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও চূড়ান্তভাবে তা বাতিল করা বৈপরীত্য প্রকাশ করে।

✅বিবেচনাবোধের অভাব (Non-application of mind): রেসপন্ডেন্টদের ০৪/০২/২০২০ তারিখের জবাবটি ছিল যান্ত্রিক (Mechanical)। তারা নথিপত্র সঠিকভাবে যাচাই না করেই আবেদনটি খারিজ করেছেন, যা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী, খামখেয়ালি এবং আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত (Arbitrary, capricious and mala fide)।

✅অধিকারের সুরক্ষা:আদালত স্পষ্ট করে বলেন যে, এমপিওভুক্তির যোগ্যতা প্রার্থীর "নিয়োগের সময়ে" বিদ্যমান নিয়মের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে; পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া কোনো নতুন শর্ত বা মার্কস (Marks) পূর্বের নিয়োগের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

#আদালতের রায় (Judgment / Order of the Court)
মহামান্য আদালত পিটিশনারের পক্ষে রুলটি চূড়ান্ত (Absolute) ঘোষণা করে নিম্নোক্ত রায় প্রদান করেন:

✅রেসপন্ডেন্ট নং ২ কর্তৃক পিটিশনারের এমপিও আবেদন নাকচের অনলাইন সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনগত আইনি কার্যকারিতাহীন (Without lawful authority and is of no legal effect) ঘোষণা করা হলো।

✅এই রায় ও আদেশের অনুলিপি প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পিটিশনার মো: ইকবাল কবিরের নাম এমপিও (MPO) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য রেসপন্ডেন্টদের নির্দেশ প্রদান করা হলো।

✅পিটিশনার আইনানুযায়ী যেদিন থেকে এমপিও পাওয়ার যোগ্য (Eligible) হয়েছিলেন, ঠিক সেই দিন থেকেই তার এই এমপিও সুবিধা কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হলো।

অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মিয়া
লেক্সজোন ল' চেম্বারস
(অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার ও লিগ্যাল কনসালটেন্টস)
ঠিকানা: রুম নং ৪০৮ এ, ৪র্থ তলা, বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদ ভবন, তোপখানা, ঢাকা (মেট্রোরেল সচিবালয় স্টেশন এর উত্তর পাশে)।
মোবাইল: 01841700461, 01724700461
Email: [email protected]
www.Lexzonelawchambers.com

#আইনি_পরামর্শ

17/05/2026

ওয়ারিশান সম্পত্তি বুঝে নেয়া যায় কিভাবে?

১। প্রত্যেক দাগে দাগে অংশ হারে নামজারি করে নেয়া।

২। রেজিস্ট্রার্ড বন্টননামা দলিল করে নেয়া, এতে সবাই আপোষে পছন্দমতো জায়গা নিতে পা বণ্টননামায় স্বাক্ষর করতে হবে। কিন্তু

৩। দেওয়ানী আদালতে বাটোয়ারার মামলা করে। এখানে দেওয়ানী আদালতে ব আদালত বন্টন করে দিবে।

15/05/2026

অ্যাডমিরালটি কেস একধরনের অভিজাত কেস হিসেবে পরিচিত। খুব অল্প সংখ্যক বিজ্ঞ আইনজীবী এই মামলার সাথে পরিচিত। লিটিগ্যান্টরা এটি সম্পর্কে খুব কম জানে। আজকে মো. শাহজাহান খান এবং অন্যান্য বনাম এম.টি. ফজল-এ-রাব্বি (M.T. FADL-E-RABBI) ও অন্যান্য মামলার রায়ের ওপর ভিত্তি করে একটি বিস্তারিত আইনি পর্যালোচনা করবো।

মামলার সারসংক্ষেপ ও আইনি বিশ্লেষণ:
১. মামলার প্রেক্ষাপট (Fact of the Case)
এই মামলার বাদীরা হলেন বাংলাদেশি নাগরিক, যারা পানামার পতাকাবাহী জাহাজ 'এমটি ফজল-এ-রাব্বি' (MT FADL-E-RABBI)-তে যথাক্রমে প্রধান প্রকৌশলী এবং ২য় প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাদীরা তাদের নিয়োগকর্তা ও জাহাজের মালিকপক্ষের সঙ্গে সম্পাদিত 'স্ট্যান্ডার্ড সিফেয়ারার এমপ্লয়মেন্ট এগ্রিমেন্ট' অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করলেও দীর্ঘ সময় ধরে তাদের মাসিক মজুরি নিয়মিতভাবে পাননি। জাহাজে চাকরির মেয়াদ শেষ করে যখন তারা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (Sign off) নেন, তখন তাদের বিপুল পরিমাণ মজুরি বকেয়া ছিল। মালিকপক্ষ বকেয়া পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা না করায় বাদীরা আদালতের শরণাপন্ন হন।

২. মামলা দায়ের (Filing of the Suit)
২০১৭ সালের ১৬ মার্চ বাদীরা হাইকোর্ট বিভাগের অ্যাডমিরালটি এখতিয়ারে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার ধরন: এটি একইসাথে জাহাজটির বিরুদ্ধে বস্তুগত (In Rem) এবং মালিক ও পরিচালনাকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত (In Personam) মামলা।

দাবিকৃত অর্থ: বাদীরা বকেয়া মজুরি ও আইনি খরচসহ মোট ৪১,৯২১.০৭ মার্কিন ডলার (তৎকালীন বিনিময় হার অনুযায়ী ৩২,৯৪,৯৯৭ টাকা) দাবি করেন।

বিবাদী: জাহাজের নিবন্ধিত মালিক 'ইডেন লাইন লিমিটেড', ম্যানেজার 'পানাম শিপ ম্যানেজমেন্ট' এবং স্থানীয় এজেন্টসহ মোট ৫ জন প্রধান বিবাদী।

৩. আদালতের পর্যবেক্ষণ (Court’s Observation)
মামলাটি একতরফা (Ex-parte) শুনানির পর মাননীয় বিচারপতি জাফর আহমেদ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন:

রক্ষণীয়তা (Maintainability): আদালত জানান, 'অ্যাডমিরালটি কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০০' এর ধারা ৩(২)(ন) অনুযায়ী নাবিকদের বকেয়া মজুরি আদায়ের মামলা অ্যাডমিরালটি কোর্টে সম্পূর্ণভাবে রক্ষণীয়।

প্রমাণক দলিল: আদালত নাবিকদের CDC (Continuous Discharge Certificate)-কে নিয়োগের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেন। যেহেতু শিপিং মাস্টার এই দলিলে সিল ও স্বাক্ষর করেন, তাই এটি জাহাজে চাকরির অকাট্য দলিল।

মেরিটাইম লিয়েন (Maritime Lien): আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, 'বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৩' এর ৪৭৭ ও ৪৭৯ ধারা অনুযায়ী, নাবিকদের মজুরির দাবি জাহাজের ওপর একটি অগ্রাধিকারমূলক অধিকার (Lien) তৈরি করে। এই অধিকার জাহাজের ওপর থাকা অন্য যেকোনো ঋণের চেয়ে আগে পরিশোধযোগ্য।

আইনি খরচ: আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, বাদীরা ৪,০০০ ডলার আইনি খরচ দাবি করলেও তা কোনো চুক্তি বা আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, তাই এটি ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।

৪. আদালতের রায় (Judgment)
আদালত সার্বিক তথ্য-প্রমাণ ও নথি পর্যালোচনার পর বাদীদের পক্ষে আংশিক রায় প্রদান করেন:

আসল দাবি মঞ্জুর: আদালত প্রকৃত বকেয়া মজুরি বাবদ ৩৭,৯২১.০৭ মার্কিন ডলার (২৯,৮০,৫৯৭ টাকা) প্রদানের নির্দেশ দেন।

সুদ প্রদান: ডিক্রির তারিখ থেকে শুরু করে অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত বার্ষিক ১০% হারে সুদ প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়।

দায়বদ্ধতা: বিবাদী মালিকপক্ষ এবং জাহাজ পরিচালনাকারী এজেন্টরা যৌথ ও পৃথকভাবে এই অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য।

অর্থ প্রাপ্তির উৎস: যেহেতু জাহাজটি অন্য একটি মামলায় ইতিমধ্যে নিলামে বিক্রি হয়েছে, তাই আদালত নির্দেশ দেন যে সেই বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকেও বাদীরা তাদের পাওনা সংগ্রহ করতে পারবেন।

এই রায়ের মাধ্যমে এটি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, সমুদ্রগামী জাহাজে কর্মরত নাবিকদের অধিকার বাংলাদেশে অত্যন্ত সুরক্ষিত। জাহাজের মালিকপক্ষ দেউলিয়া হোক বা জাহাজ বিক্রি হয়ে যাক, নাবিকদের বকেয়া মজুরি 'মেরিটাইম লিয়েন' হিসেবে অন্য সব পাওনার ওপর অগ্রাধিকার পাবে।

অ্যাডভোকেট মো: মনিরুল ইসলাম মিয়া
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা
হেড অব চেম্বারস
Lexzone Law Chambers
Cell: 019841700461
Email: [email protected]
Website: Lexzonelawchambers.com..

# law.
Judgment date: 27.10.2025

Address

Supreme Court Of Bangladesh
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv Monirul Islam Miah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adv Monirul Islam Miah:

Share