Adv. Noor E Jannat

Adv. Noor E Jannat LL.B(UAP), LL.M(EU), Land Management, Vetting, Tax & vat consultant, Criminal and Civil Lawyer

Legal PositionUnlike immovable property (land/buildings), there is no broad legal framework in Bangladesh for requisitio...
20/08/2025

Legal Position

Unlike immovable property (land/buildings), there is no broad legal framework in Bangladesh for requisition of movable property (like vehicles, equipment, goods) — except in special/emergency laws.

Some relevant legal bases are:

Code of Criminal Procedure (CrPC), 1898 – Section 160–172, 491, etc. → Police can require vehicles/services in emergencies (like carrying injured, maintaining order), but usually must issue a written order.
Essential Services / Defense Laws → In wartime, emergencies, or disaster situations, government may requisition movable property (e.g., transport, food, medical supplies).

Acquisition & Requisition of Immovable Property Act, 2017 does not cover movables, so requisition of movable property is only allowed under special provisions.

🔹 Remedies if Movable Property is Requisitioned

1. Check the Legal Order

Ask for a written requisition order or direction.

If requisition is done verbally or forcefully
→ it is illegal.

2. Right to Compensation

The Constitution (Art. 42) protects property rights: property cannot be taken without compensation as determined by law.

Even for temporary use (requisition) of movable property, the owner must be compensated for:

Use of the property (like rent/fare of vehicle).

Damage, loss, or depreciation caused.
3. Administrative Remedy

File a complaint/representation before the Deputy Commissioner (DC) or higher authority (Divisional Commissioner, Ministry of Home Affairs).

Often, disputes are solved administratively by negotiating compensation.

4. Judicial Remedy

Magistrate’s Court: If police/DC illegally requisition and refuse return, you can apply under Sections 523–525 CrPC for return of property.

Civil Court: You can sue for damages and compensation for unlawful requisition.

High Court Division (Writ under Art. 102):

If requisition was without lawful authority, arbitrary, or violatedfundamental rights, you can seek:

Mandamus → order return/release of property.

Certiorari/Prohibition → stop unlawful requisition.

Compensation (court may order state to pay).

5. Criminal Liability (if abuse of power)

If requisition was in bad faith or for personal use, the officer may be liable for criminal misconduct or misappropriation.

Complaint can be lodged with the Anti-Corruption Commission (ACC) or regular criminal court.

If Police, DC, or ADC requisitions any movable property in Bangladesh:

They must have legal authority & written order.

The owner has the right to compensation for use/damage.

Remedies available:

Administrative complaint to higher authority.

Application before Magistrate (CrPC 523–525).

Civil suit for damages/compensation.

Writ petition in High Court for illegal requisition.

Criminal complaint if misuse of power.

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর যুগান্তকারী সংস্কার - 𝐂𝐨𝐝𝐞 𝐨𝐟 𝐂𝐫𝐢𝐦𝐢𝐧𝐚𝐥 𝐏𝐫𝐨𝐜𝐞𝐝𝐮𝐫𝐞 (𝘚𝘦𝘤𝘰𝘯𝘥 𝘈𝘮𝘦𝘯𝘥𝘮𝘦𝘯𝘵) 𝐎𝐫𝐝𝐢𝐧𝐚𝐧𝐜𝐞, 𝟐𝟎𝟐𝟓 এর সারসংক...
12/08/2025

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর যুগান্তকারী সংস্কার - 𝐂𝐨𝐝𝐞 𝐨𝐟 𝐂𝐫𝐢𝐦𝐢𝐧𝐚𝐥 𝐏𝐫𝐨𝐜𝐞𝐝𝐮𝐫𝐞 (𝘚𝘦𝘤𝘰𝘯𝘥 𝘈𝘮𝘦𝘯𝘥𝘮𝘦𝘯𝘵) 𝐎𝐫𝐝𝐢𝐧𝐚𝐧𝐜𝐞, 𝟐𝟎𝟐𝟓 এর সারসংক্ষেপঃ

✰ ম্যাজিস্ট্রেটের জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি (ধারা ৩২)
১ম শ্রেণি: ১০,০০০ → ৫,০০,০০০ টাকা
২য় শ্রেণি: ৫,০০০ → ৩,০০,০০০ টাকা
৩য় শ্রেণি: ২,০০০ → ২,০০,০০০ টাকা

✰ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির সুরক্ষা (নতুন ধারা ৪৬এ)
গ্রেপ্তারকারীকে নাম, পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক
গ্রেপ্তারের পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবার/নিকটজনকে জানানো
আঘাত বা অসুস্থতায় চিকিৎসকের সনদ গ্রহণ
আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ প্রদান

✰ মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট (ধারা ৪৬এ)
গ্রেপ্তারের সময় চেকলিস্টসহ ফর্ম প্রস্তুত
ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন ও তদারকি

✰ গ্রেপ্তারের তথ্য সরবরাহ (ধারা ৫৪এ, ৪৬বি, ৪৬সি)
গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
থানার রেজিস্টার ও জিডিতে এন্ট্রি
প্রতিদিন থানা/জেলা/মহানগরে গ্রেপ্তারের তালিকা প্রকাশ

✰ টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা (ধারা ৫১)
পৃথক তালিকা, সাক্ষীর স্বাক্ষর, পরিবারকে কপি প্রদান

✰ ধারা ৫৪-তে অধিকতর সতর্কতা
বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারে যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখাতে হবে
নিবারণমূলক আটক নিষিদ্ধ
গ্রেপ্তার বা না করার উভয় ক্ষেত্রেই কারণ ব্যাখ্যা বাধ্যতামূলক

✰ আদালতের তদারকি (ধারা ৬৭এ)
গ্রেপ্তার সংক্রান্ত বিধি প্রতিপালন পর্যবেক্ষণ
লঙ্ঘন হলে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

✰ পুলিশ রিমান্ড (ধারা ১৬৭)
এক মামলায় সর্বোচ্চ ১৫ দিন
রিমান্ডের আগে-পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা
আঘাত পেলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা নেবেন

✰ শ্যোন অ্যারেস্ট (ধারা ১৬৭এ)
অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে শুনানি ও ডায়েরি প্রদর্শন বাধ্যতামূলক

✰ তদন্তের সময়সীমা (ধারা ১৭৩বি)
সাধারণত ৬০ কর্মদিবস
সময় বৃদ্ধি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
বিলম্বে কারণ ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনে তদন্তকারী পরিবর্তন/শাস্তি

✰ সংক্ষিপ্ত বিচার (ধারা ২৬৪এ)
মামলার মূল্যসীমা ১০,০০০ → ৫,০০,০০০ টাকা
একই বৈঠকে চার্জ থেকে রায় পর্যন্ত কার্যক্রম সম্ভব

✰ অনুপস্থিত আসামির বিচার (ধারা ৩৩৯বি)
ক্রোকি ও হুলিয়া পরোয়ানা বাধ্যতামূলক নয়
নোটিশ ১টি বাংলা পত্রিকা ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ

✰ আপসযোগ্য মামলা
দণ্ডবিধি ১৪৩ ধারা আপসযোগ্য
আদালত ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিস আপসে সহায়তা করবে
আপস-চুক্তি আদালত দ্বারা বাস্তবায়নযোগ্য

✰ শর্তযুক্ত জামিন (ধারা ৪৯৮)
আদালত যুক্তিসঙ্গত শর্ত দিতে পারবে (যেমন ডোপটেস্ট, সমাজসেবা)

✰ ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি (ধারা ৫৪০এ)
তদন্ত চলাকালে জামিনপ্রাপ্ত আসামি আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দিতে পারবে
সাক্ষ্যগ্রহণে আসামি অনুপস্থিত থাকলেও আইনজীবী জেরা করতে পারবে

✰ সাক্ষীর খরচ ও সুরক্ষা (ধারা ৫৪৪)
বিধির পরিবর্তে সরকারি আদেশে খরচ প্রদান
আদালত সাক্ষী/ভিকটিম সুরক্ষায় আদেশ দিতে পারবে

✰ দণ্ডবিধি ৩২৫ ধারা জামিনঅযোগ্য
গুরুতর জখমে জামিন কঠিন হবে, অস্ত্র প্রমাণের প্রয়োজন নেই

✰ মিথ্যা মামলার শাস্তি বৃদ্ধি (ধারা ২৫০)
শাস্তি বাধ্যতামূলক
সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ৩,০০০ → ১,০০,০০০ টাকা
ক্ষতিপূরণ ১,০০০ → ৫০,০০০ টাকা

✰ বিবিধ পরিবর্তন
ডিজিটাল সমন, অনলাইন বেল বন্ড
বেত্রাঘাত সাজা বিলুপ্ত
আপিলঅযোগ্য অর্থদণ্ড সীমা ৫০ → ৫,০০০ টাকা।

সংগৃহীত

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তালিকাখুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়ে...
25/05/2025

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি

শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

উত্তরাধিকার বিষয়ে প্রায়ই শুনি ছেলে মেয়ের সমান হিস্যা পাওয়ার বিষয়ে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে খুব যে ধর্ম কর্ম করি তা না। তবে আ...
11/05/2025

উত্তরাধিকার বিষয়ে প্রায়ই শুনি ছেলে মেয়ের সমান হিস্যা পাওয়ার বিষয়ে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে খুব যে ধর্ম কর্ম করি তা না। তবে আমি সবসময় সামাজিক ব্যাবস্থাপনায় দেখেছি সবাই অধিকার এই চাই অধিকার সেই চাই নিয়ে হট্টগোল। উত্তরাধিকার বিষয়ে আমার একান্তই ব্যাক্তিগত কিছু মত আছে৷

ইসলামে মেয়েকে একটা ছেলের অর্ধেক সম্পত্তির অধিকার দিয়েছে। কোন মেয়ের ভাই না থাকলে তার চাচা মামা, চাচাতো/মামাতো ভাইয়ের তার পিতা/মাতার সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায়। এবার এই থিওরির পেছনে আসি।
ইসলামে একটা মেয়ের দায়িত্ব তার বাবার উপর। বাবার অনুপস্থিতিতে ভাই, বিয়ের পর স্বামী, অত:পর ছেলে। কোন মেয়ের বিবাহের পর স্বামী মারা গেলে বা কোন প্রকার ক্ষতিগ্রস্থ হলে যখন তার দায়িত্ব গ্রহনের নিজের এই চারজনের কেও নাই তখন সেই নারীর দায়িত্ব তার দাদা/নানা,চাচা/মামা, চাচাতো/মামাতো ভাই, বা তাদের ছেলে সন্তানের উপর ন্যাস্ত হয়। অর্থাৎ একজন নারীর দায়িত্ব সবসময়ই কারো না কারো উপর ন্যাস্ত থাকবে। অনেকটা অফিসে বসের মত। উনি আসে, কে কি করলো খোজ খবর নেয়, কাজ না করলে এমপ্লয়ি ছাটাই করে। একজন এমপ্লয়ি গেলে আরেকজন আসে। সেই এমপ্লয়ি বসের কাজ করে বসকে ব্যাবসা আগায় দেয়, টাকা এনে দেয়। বস এসি রুমে বসে বসে নজরদারি করে আর মাস শেষে আমারই রোদে পুরে বৃষ্টিতে ভিজে কষ্ট করা আয়ের থেকে নাম মাত্র অংশ স্যালারি হিসেবে আমাকে বুঝায় দেয় এই আর কি।

ইন্টারন্যাশনাল আইন হোক, বা ন্যাশনাল। কোথাও আমি দেখিনাই(হতে পারে আমার জানার দূর্বলতা) দায়িত্ব বিষয়ক কোন আইন আছে। যেমন: যুদ্ধের সময় হাসপাতালে হামলা করা যাবেনা। সাপোস কোন দেশ করসে। তো কি হইসে? এই কাজ করলে তার পরিনতি বা শাস্তি কি জানা নাই। বা আমার খাদ্যের অধিকার আছে, শিক্ষার অধিকার আছে। কে এই অধিকার নিশ্চিত করবে? ধরে নেই সরকার৷ সরকার করলো না। তারপর? তারপর আর কি। অধিকারের ফাকা ঠোঙ্গা নিয়ে বসে থাকি।

কিন্তু ইসলাম অধিকারের সাথে দায়িত্ব জুড়ে দিসে। এবং দায়িত্ব যাকে দেয়া হইসে তার বিচার, হিসাব ও শাস্তির বিষয়েও বলা আছে। একটা মেয়েকে যে সম্পত্তি দেয়া হইসে সেটা সে একান্তই নিজ মনে মত খরচ করতে পারে। এই সম্পত্তির বিনিময়ে বাবা মার দায়িত্ব পালন ব্যাতীত দ্বিতীয় কোন দায়িত্ব নাই। কিন্তু একটা ছেলের উপর ঐ সম্পত্তির বিনিময়ে তার বাবা মা, স্ত্রী, মেয়ে, বোন, খালা, ফুপু, খালাতো ফুপাতো বোন, ছেলে বা মেয়ের ঘরের নাতী নাতনী how low so ever সবার দায়িত্ব অর্পন করা আছে। বিনিময় কথাটা কেন বললাম? আমরা তো মানুষ। এক বেলা অন্যের কাজে গেলে রিকশা ভাড়াটাও সে দিবে আশা করি। আর একটা মানুষকে তো নিজের পকেটের টাকা দিয়ে ভরনপোষণ দিবেনা এটা আল্লাহ তা'আলা আরো আগে জানেন। তাই ঐ যার সম্পত্তি আপনে মাগনা পাইসি ভেবে হজম করলেন সেটার দায়িত্ব যথাযথ পালন না৷ করলে আখিরাতে পরিনতি যে ভয়াবহ তা আগেই বলে দিসে। কিন্তু আমরা ঐ পার্ট টুকু স্কিপ করতে পছন্দ করি। এখন বলতে পারেন বাবা মায়ের সম্পত্তিতে তো বাবা মা মারা যাবার আগে ওয়ারিশ হয় না তার সন্তানেরা। এটা অনেকটা অফিস করার মত। সারা মাস কাজ করলে মাস শেষে বেতন দেয়৷

একজন সন্তানকে পৃথিবীতে আনসি। তার প্রতি আমার কি কি দায়িত্ব আছে সেটাও আল্লাহ বলে দিসেন। আমাকে আমার সন্তানের হক আদায় করতে হবে যেমন, তেমন তারও সবার হক আদায় করতে হবে।

শিরক ছাড়া আল্লাহ সকল গুনাহ একটা পর্যায়ে মাফ করে দিবেন। কিন্তু বান্দার হক নষ্ট করে যে ফুর্তি করতেসে সেই ব্যাক্তি মাফ না করা পর্যন্ত ঐ ব্যাক্তিকে আল্লাহ মাফ করবেন না।
আখিরাতে শুধু থাকবে ইয়া নাফসি। হিসাব নেয়া হবে তোমার দায়িত্ব তুমি পালন করসো নাকি শুধু মজ মাস্তি করসো। হক/অধিকার নষ্ট করসো। সন্তান মানুষ করসো নাকি ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট বানায়ে চাপসো।। বিচার সবার হবে একক। সেটা তুমি যে ই হও।

তাই আমার মতে আমি চাই ইসলাম নারীদের যে সকল অধিকার দিসে। এই অধিকার গুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব যাদের উপর দেয়া হইসে, সেই দায়িত্ব যেন তারা পালন করতে বাধ্য থাকে এমন আইন করতে।

আমার আম্মার থেকে শুনসি, আমার দাদা একটা কথা বলত। 'রিজিক হল একটা কলসের মত। সবাই এই কলসটা নিয়েই দুনিয়ায় আসে। এই কলসটা ভরে গেলে অতিরিক্ত যা-ই দেয়া হোক তা উপচে পড়েই যাবে।'

তুমি অন্যেরটা দিয়ে নিজেরটা ভরবা, তোমার নিজেরটার যায়গা হবেনা। তুমি অন্যের হক মেরে আজকে ভাবলা খুব জিতে গেসো। কিন্তু তোমার রিজিকে হয়ত আরো ভাল কিছু ছিল তুমি সেটা থেকে বঞ্চিত হবা কারন কলস ভরে গেসে। অতিরিক্ত যা আসবে সব পড়ে যাবে।

সব কিছুর মালিক আল্লাহ। তাই আমি সবসময় আমার আম্মা আব্বাকে বলি সম্পত্তি কি দিবেন কারে এটা ভাইবেন না। দোয়া করেন। যেন নিজেই এতটা অর্জন করতে পারি,যেন ঐ সম্পত্তি সম্পর্কের কাটা না হয়৷ ভাই বোনের সম্পর্ক যেন ভালবাসায় বেধে রাখে। কারন বাবা মায়ের দোয়া ভাগ্য বদলায় দেয়ার ক্ষমতা রাখে।

Address

Mohanogor Law House
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Noor E Jannat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share