Legal Assistance Organization

Legal Assistance Organization This is a page that is solely committed to provide all sorts of legal help and services to all those who need. We also offer legal advices 24/7.

Many a time rises when people are left helpless, and have to turn to legal assistance to resolve their troubles. It is an endless worry- where to go, how to proceed on etc. This page is solely dedicated to the service of all those people. Our objective is to make the matter of "Legal help" no longer a tension but a matter of ease.. Our firm has as its head a very senior lawyer named Md. Iqbal Hoss

ain (EX PRESIDENT & GENERAL SECRETARY of Dhaka Bar Association and very renown figure in Supreme Court). Among his associates are Barristers and Advocate who possess a good background in advising Civil & Criminal Laws, the Banking & Insurance Companies, Sector Corporations, Nationalized Enterprises, Private, Public and Multinational Companies on Corporate, Insurance and Banking Laws, Arbitration Laws, Laws of Intellectual Properties, employment laws, Labour & Industrial Laws and in drafting various types of documents and papers including bonds, mortgage deeds, agreements and contracts, and are also praiseworthy legal advisers of various firms and companies. Our goal is to help the common people, especially those who are in the time of urgent need for legal help. Please DO NOT hesitate or feel shy to contact us. Contact no.s are mentioned below. In case of emergency please call (+8801717402722)..

ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান চালনার উপর বিধি-নিষেধ:কোনো ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্...
01/10/2021

ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান চালনার উপর বিধি-নিষেধ:

কোনো ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করিয়া পাবলিক প্লেসে কোনো মোটরযান চালাইতে বা চালাইবার অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন না এবং যে শ্রেণি বা ক্যাটাগরির মোটরযান চালনার লাইসেন্স প্রাপ্ত হইয়াছেন, সেই শ্রেণি বা ক্যাটাগরি ব্যতীত অন্য কোনো শ্রেণি বা ক্যাটাগরির মোটরযান চালাইতে পারিবেন না ।

তবে শর্ত থাকে যে, ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী কোনো ব্যক্তি হালকা ও মধ্যম শ্রেণি বা ক্যাটাগরির মোটরযান চালাইতে পারিবেন।

(যদি কোনো ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যাতীত মোটরযান ও গণপরিবহণ চালনার বিধি-নিষেধ লঙ্ঘন করেন, তাহলে উক্ত অপরাধ এর জন্য তিনি অনধিক ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড, বা অনধিক ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন)

23/10/2017

বাংলাদেশে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা

এখানে জরিমানা আপনাকে দিতে যদি আপনি বাংলাদেশের যে কোন ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘন প্রয়োজন একটি তালিকা করা হয়. যদি আপনি কোন বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ, চেকপোস্ট, বা পুলিশ পেট্রোল গাড়ি ধরা জরিমানা, ডবল হবে.

1-সাধারণ জরিমানা - 200 টাকা.
2-hydrolic শিং ব্যবহার - 100 টাকা.
3- পুলিশ আদেশ অমান্য সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি - 500 টাকা. (একই হিসাবে বিশেষ জরিমানা.)
4-লাল সংকেত অমান্য -. 500 টাকা (বিশেষ জরিমানা হিসাবে একই.)
5 - উদ্বেগহীন ড্রাইভিং - 300 টাকা.
6- দুর্ঘটনা জরিমানা সম্পর্কিত - 500 টাকা.
7- 300 টাকা - নিরাপত্তা ছাড়া ড্রাইভিং.
8 - কালো ধোঁয়া নির্গমন - 200 টাকা.
9- অনুমতি ছাড়া গাড়ী এবং বিক্রয় সংশোধন - 1250 টাকা.
10- 700 টাকা - নিবন্ধীকরণ, ফিটনেস, বা রুট পারমিট ছাড়া ড্রাইভিং.
11 - 500 টাকা - গাড়ী ওভারলোডিং.
12 - 500 টাকা - বীমা ছাড়া ড্রাইভিং.
13 - 500 টাকা - অনুমতি ছাড়া ড্রাইভিং.
14 - ব্লকিং রাস্তা বা প্রকাশ্য স্থানে - 250 টাকা.
15 - 250 টাকা - অননুমোদিত স্পর্শ / গাড়ী ব্যবহার.
16 - লেনে লঙ্ঘন - 1,000 টাকা.

বাংলাদেশে কোনো ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘন এর জরিমানা।

ধারা ১৩৭ – কোন সাধারণ বিধান বা আইন লঙ্ঘন। জরিমানা – ২০০ টাকা
ধারা ১৩৮ – ডাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কোন মোটর যান চালানো করা। জরিমানা– ৫০০ টাকা
ধারা ১৩৯ – নিষিদ্ধ হর্ণ বা অন্যান্য শব্দ উৎপাদনকারী ডিভাইসের ব্যবহার করা। জরিমানা– ১০০ টাকা
ধারা ১৪০ – আদেশ অমান্য, অবাধ্যতা ও তথ্য অস্বীকার করা। জরিমানা- ৫০০ টাকা
ধারা ১৪২ – অত্যধিক গতিতে গাড়ি চালানো। জরিমানা – ৩০০ টাকা
ধারা ১৪৩ – বেপরোয়া বা বিপজ্জনকভাবে যানচলানো। জরিমানা – ৫০০ টাকা
ধারা ১৪৪ – কোন প্রভাবে যেমন মদ্য পান অবস্থায় যান চলানো। জরিমানা – ১০০০ টাকা
ধারা ১৪৫ – মানসিকভাবে বা শারীরিকভাবে অযোগ্য অবস্থায় যান চলানো। জরিমানা – ৫০০ টাকা
ধারা ১৫০ – অস্বাস্থ্যকর ধোঁয়া নির্গমকারী যান চলানো। জরিমানা – ২০০ টাকা
ধারা ১৫২ – রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেস পারমিট সার্টিফিকেট ছাড়া মোটর যান ব্যবহার। জরিমানা- ২০০০ টাকা
ধারা ১৫৫ – অনুমোদনকৃত নয় এমন যান চলানো। জরিমানা – ২০০০ টাকা
ধারা ১৫৭ – পাবলিক রাস্তা এবং স্থানে মোটর যান দিয়ে কোনবাধা সৃষ্টি করা। জরিমানা – ৫০০ টাকা

Bar Council Enrolment MCQ Exam on 02-06-2017. Circular date 13.04.2017
13/04/2017

Bar Council Enrolment MCQ Exam on 02-06-2017. Circular date 13.04.2017

18/01/2017

ব্যক্তিগত গাড়িতে সুপ্রিম কোর্টের নাম সম্বলিত স্টিকার বা মনোগ্রাম ব্যবহার না করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. আজিজু...

09/01/2017

বাংলাদেশের আদালত আজ এক রায়ে চিকিৎসকদের পরিষ্কার হস্তাক্ষরে পাঠোপযোগী ব্যবস্থাপত্র লিখতে বলেছে। দেশটিতে চিকিৎসকদের লেখা ব্যবস্থাপত্রের পাঠোদ্ধার যে সাধারণ মানুষ করতে পারে না, তা রীতিমত মিথ। এর কারণ কি?

"""বাড়ি ভাড়া আইন"""জীবিকার খোঁজে, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সন্ধানে, প্রয়োজনের তাগিদে অনেককেই নিজ বাড়ি-ঘর, পরিবার-পরিজন ছেড়ে অন্...
21/12/2016

"""বাড়ি ভাড়া আইন"""

জীবিকার খোঁজে, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সন্ধানে, প্রয়োজনের তাগিদে অনেককেই নিজ বাড়ি-ঘর, পরিবার-পরিজন ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করতে হয়। তখন প্রয়োজন হয় মাথা গোজার জন্য এক চিলতে ছাদ। তখন ভাড়া বাড়িই একমাত্র ভরসা।

রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের সকল জেলা শহর, পৌরসভায় বাসা ভাড়া দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। দেশের সিংহভাগ মানুষ ভাড়া বাসার উপর নির্ভরশীল। প্রায়শই ভাড়াটিয়ারা বাড়িওয়ালা কর্তৃক নানা ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হন। যেমন – যখন তখন ভাড়া বৃদ্ধি করা, বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করা সহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম। বর্তমান সময়ে এ সমস্যা আরও প্রকট হয়ে দাড়িয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম ও হয়রানি প্রতিরোধে বাংলাদেশে প্রচলিত রয়েছে ১৯৯১ সালের বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন। ভাড়াটে হিসেবে আপনার অধিকার এই আইনে লেখা আছে। এই অধিকার কোনো বাড়িওয়ালা লঙ্ঘন করলে তাঁকে পেতে হবে শাস্তি। আইন অনুযায়ী বাড়িভাড়া-সংক্রান্ত সমস্যা নিষ্পত্তির জন্য ভাড়ানিয়ন্ত্রক রয়েছেন। সাধারণত জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতগুলো এ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এ আইনের কিছুটা হলেও যদি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো তাহলে ভাড়াটিয়াদের জিম্মি অবস্থা অনেকটা লাঘব হতো। আসুন দেখে নিই আইনে কী বলা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী ভাড়া কেমন হবে
আইনে বাড়ির ভাড়া মানসম্মতভাবে নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। মানসম্মত ভাড়া সম্পর্কে এই আইনের ১৫ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়ির বাজার মূল্যের শতকরা ১৫ ভাগের বেশি হবে না। বাড়ির বাজার মূল্য নির্ধারণ করার পদ্ধতিও বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ১৯৬৪ তে স্পষ্ট করে উল্লেখ আছে। এ ভাড়া বাড়ির মালিক ও ভাড়াটের মধ্যে আপসে নির্ধারিত হতে পারে। আবার ভাড়ানিয়ন্ত্রকও নির্ধারণ করতে পারেন। এটাকে সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য করতে ঢাকা সিটি করপোরেশান ঢাকা মহানগরীকে দশটি রাজস্ব অঞ্চলে ভাগ করে ক্যাটাগরি ভিত্তিক সম্ভাব্য বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে।

ভাড়া বৃদ্ধি
দুই বছরের আগে বাড়ির ভাড়া বাড়ানো যাবে না। কোনো বিরোধ দেখা দিলে বাড়ির মালিক বা ভাড়াটের দরখাস্তের ভিত্তিতে দুই বছর পর পর নিয়ন্ত্রক মানসম্মত ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করতে পারবেন। বাড়িওয়ালা যদি মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া ভাড়াটের কাছ থেকে আদায় করেন, তাহলে প্রথমবার অপরাধের জন্য মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং পরবর্তী প্রতিবার অপরাধের জন্য ওই অতিরিক্ত টাকার তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বাড়ি থেকে উচ্ছেদ
এই আইনের ১৮নং ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বা ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের বিধানে যাই থাকুক না কেন, ভাড়াটিয়া যদি নিয়মিতভাবে ভাড়া পরিশোধ করতে থাকেন এবং বাড়ি ভাড়ার শর্তসমূহ মেনে চলেন তাহলে যতদিন ভাড়াটিয়া এভাবে করতে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। এমনকি ১৮(২) ধারা মতে বাড়ির মালিক পরিবর্তিত হলেও ভাড়াটিয়া যদি আইনসম্মত ভাড়া প্রদানে রাজি থাকেন তবে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। চুক্তিপত্র না থাকলে যদি কোনো ভাড়াটে প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করেন, তাহলেও ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। যুক্তিসংগত কারণে ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করতে চাইলে যদি মাসিক ভাড়ায় কেউ থাকে, সে ক্ষেত্রে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে। চুক্তি যদি বার্ষিক ইজারা হয় বা শিল্পকারখানা হয়, তবে ছয় মাস আগে নোটিশ দিতে হবে।

অগ্রিম জামানত গ্রহণ
কোনো ব্যক্তি ভাড়ার অতিরিক্ত প্রিমিয়াম, সালামি বা জামানত ভাড়াটেয়াকে দেওয়ার জন্য বলতে পারবেন না। ১৯৯১-এর ১০ ও ২৩ ধারা মোতাবেক বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রকের লিখিত আদেশ ছাড়া অন্য কোনোভাবেই বাড়ি মালিক তার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ এক মাসের বাড়ি ভাড়ার অধিক কোনো প্রকার ভাড়া, জামানত, প্রিমিয়াম বা সেলামি গ্রহণ করতে পারবেন না। তা হলে দণ্ডবিধি ২৩ ধারা মোতাবেক তিনি দণ্ডিত হবেন।

ভাড়ার রসিদ প্রদান
এই আইনে বাড়ির মালিককে ভাড়ার রসিদ প্রদানের কথা বলা হয়েছে। এ রসিদ সম্পন্ন করার দায়দায়িত্ব বাড়িওয়ালার। রসিদ প্রদানে ব্যর্থ হলে ভাড়াটের অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়িওয়ালা আদায়কৃত টাকার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

লিখিত চুক্তি
বাড়িভাড়ার চুক্তি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনে নিবন্ধন করে নেওয়া যেতে পারে। এর ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। চুক্তিপত্রে ভাড়া, ভাড়া বৃদ্ধি, বাড়ি ছাড়ার নোটিশ সহ বিভিন্ন বিষয় স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে।

বাড়ি মেরামত
কোনো কারণে ভাড়াটিয়ার ভাড়া নেওয়া অংশ মেরামত করার প্রয়োজন হলে বাড়িওয়ালাকে তা মেরামতের নির্দেশ দিতে পারেন এবং মেরামতের খরচ বাড়িওয়ালাকেই বহন করতে হবে। জরুরি মেরামতের ক্ষেত্রে নোটিশ পরবর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভাড়াটিয়া তার নিজ উদ্যোগে মেরামত করতে পারবেন এবং যাবতীয় খরচ ভাড়া থেকে কেটে রাখতে পারবেন।

বাসযোগ্য বাসস্থান
বাড়ি ভাড়া আইন অনুযায়ী বাড়ির মালিক তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখতে আইনত বাধ্য। বাড়ির মালিক ইচ্ছা করলেই ভাড়াটিয়াকে বসবাসের অনুপযোগী বা অযোগ্য অবস্থায় রাখতে পারেন না। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বসবাসের উপযোগী করে বাড়িটি প্রস্তুত রাখতে বাড়ির মালিকের উপর এই বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ২১নং ধারায় বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। অর্থাৎ ভাড়াটিয়াকে পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালী নিষ্কাশন ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনবোধে লিফটের সুবিধাও দিতে হবে। কিন্তু উক্তরূপ সুবিধা প্রদানে বাড়ি মালিক অনীহা প্রকাশ করলে কিংবা বাড়িটি মেরামতের প্রয়োজন হলেও ভাড়াটিয়া নিয়ন্ত্রকের কাছে দরখাস্ত করতে পারবেন।

আদালতে ভাড়া জমা দেওয়া
বাড়ির মালিক ন্যায়সংগত কারণ ছাড়াই ভাড়াটিয়াকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলতে পারবেন না। অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির মালিক ভাড়া নিতে চান না। এক্ষেত্রে চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা যদি চুক্তি না থাকে সেক্ষেত্রে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মানি অর্ডার এর মাধ্যমে বাড়ির মালিকের ঠিকানায় ভাড়া পাঠাতে হবে। বাড়ির মালিক যদি ভাড়ার টাকা গ্রহণ না করে সেক্ষেত্রে টাকা ফেরত আসার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভাড়াটেকে ভাড়ানিয়ন্ত্রক, অর্থাৎ সহকারী জজের কাছে আইনজীবীর মাধমে দরখাস্ত দিতে হবে। আদালত অনুমোদন দিলে প্রতি মাসে ভাড়া আদালতে জমা দেওয়া যাবে।

08/12/2016

মৃত ব্যক্তির ব্যাংকের টাকা নমিনি পাবেনা: হাইকোর্ট

29/11/2016
সার্টিফিকেট, মার্কসীট বা জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে থানায় জিডি করতে হবে এভাবে .....
16/11/2016

সার্টিফিকেট, মার্কসীট বা জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে থানায় জিডি করতে হবে এভাবে .....

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩এই আইনের ধারা ৩ মোতাবেক,(১) প্রত্যেক সন্তানকে তাহার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করিতে হইবে।...
15/11/2016

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩
এই আইনের ধারা ৩ মোতাবেক,
(১) প্রত্যেক সন্তানকে তাহার পিতা-
মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করিতে হইবে।
(২) কোন পিতা-মাতার একাধিক সন্তান
থাকিলে সেইক্ষেত্রে সন্তানগণ নিজেদের
মধ্যে আলাপ-আলোচনা করিয়া তাহাদের
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন পিতা-মাতার ভরণ-
পোষণ নিশ্চিত করিবার ক্ষেত্রে প্রত্যেক
সন্তানকে পিতা-মাতার একইসঙ্গে একই
স্থানে বসবাস নিশ্চিত করিতে হইবে।
(৪) কোন সন্তান তাহার পিতা বা মাতাকে
বা উভয়কে তাহার, বা ক্ষেত্রমত, তাহাদের
ইচ্ছার বিরুদ্ধে, কোন বৃদ্ধ নিবাস কিংবা
অন্য কোথাও একত্রে কিংবা আলাদা
আলাদাভাবে বসবাস করিতে বাধ্য করিবে
না।
(৫) প্রত্যেক সন্তান তাহার পিতা এবং
মাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ
খবর রাখিবে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা
ও পরিচর্যা করিবে।
(৬) পিতা বা মাতা কিংবা উভয়, সন্তান
হইতে পৃথকভাবে বসবাস করিলে,
সেইক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানকে
নিয়মিতভাবে তাহার, বা ক্ষেত্রমত,
তাহাদের সহিত সাক্ষাত করিতে হইবে।
(৭) কোন পিতা বা মাতা কিংবা উভয়ে,
সন্তানদের সহিত বসবাস না করিয়া
পৃথকভাবে বসবাস করিলে, সেইক্ষেত্রে উক্ত
পিতা বা মাতার প্রত্যেক সন্তান তাহার
দৈনন্দিন আয়-রোজগার, বা ক্ষেত্রমত,
মাসিক আয় বা বাৎসরিক আয় হইতে
যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ পিতা বা মাতা,
বা ক্ষেত্রমত, উভয়কে নিয়মিত প্রদান
করিবে।
এই আইনের ধারা ৪ এর বিধান মোতাবেক:-
প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে
দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে
নানা-নানীকে ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য
থাকবে।
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করিবার দণ্ড
ধারা ৫ মোতাবেক,
৫। (১) কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে
কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর
বিধান লংঘন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং
উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ
টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে; বা উক্ত
অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩
(তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
(২) কোন সন্তানের স্ত্রী, বা ক্ষেত্রমত,
স্বামী কিংবা পুত্র-কন্যা বা অন্য কোন
নিকট আত্নীয় ব্যক্তি—
(ক) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা
নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধা
প্রদান করিলে; বা
(খ) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা
নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে
অসহযোগিতা করিলে—
তিনি উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা
করিয়াছে গণ্যে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত
দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

Address

21, Rajar Dewri, Kotowali
Dhaka
DHAKA-1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 11:00 - 23:00
Saturday 11:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

8801617402722

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Assistance Organization posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Legal Assistance Organization:

Share