09/05/2026
চলমান বাস্তবতা এমন যে, বর্তমানে বিবাহিত নারীদের ৯৫% স্বামীর প্রতি চরম অকৃতজ্ঞ! অথচ যে খাবার পাকস্থলীতে আছে, সেটা স্বামীর। যে স্মার্টফোন দিয়ে অভিযোগ করে, সে অ্যান্ড্রয়েড, মেগাবাইট, ওয়াইফাই সবই স্বামীর উপার্জনে চলে। যে পোশাক পরিধান করে তর্ক করছে, সেটিও স্বামীর! অর্থাৎ পুরুষের আশ্রয়ে থেকেই পুরুষের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বিদ্রোহে লিপ্ত। তারপরেও চির অকৃতজ্ঞ, আংশিক উন্মাদ প্রাণীকূলের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেই যাচ্ছে পুরুষ জাতি।
পুরুষরা জানে— এই দায়িত্ব তাঁদের উপরে ফরজ করা হয়েছে, কিন্তু স্ত্রীরা জানে না— স্বামীর আনুগত্য ফরজ, স্বামীর মুখে মুখে তর্ক করা বেয়াদবি, স্বামীকে কষ্ট দেওয়া হারাম! ভরণপোষণের ক্ষেত্রে স্বামীর অধীনস্থ মানলেও আনুগত্যের ক্ষেত্রে তারা ঔদ্ধত্য ও বিদ্রোহ করে। অর্থাৎ অধিকার চাইবে ঠিকই, কিন্তু আনুগত্য করবে না!
কতটা হিপোক্রেট মাইন্ডসেট সিংহভাগ নারীর- গোটা দুনিয়া এনে দিলেও কৃতজ্ঞ হবে না, কোনো একটা আবদার পূরণে ব্যর্থ হলে মুহূর্তেই সবকিছু ভুলে যাবে, বলবে, তোমার কাছ থেকে কখনোই কিছু পাইনি! তর্কের এক পর্যায়ে বলবে, আগে জানলে বিয়েই করতাম না। কী এমন দিয়েছো, তিনবেলা ভাত ছাড়া? মানুষ তো দাসীকেও তিনবেলা ভাত কাপড় দেয়...! আমি দেখে সংসার করি, অন্য মেয়ে হলে লাথি মেরে চলে যেতো ইত্যাদি ইত্যাদি! অর্থাৎ তারা মুহূর্তেই ৫/১০/২০/৩০ বছরের অবদান ভুলে যায়! অথচ একজন পুরুষ দিনে ৮–১০ ঘণ্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে শুধু স্ত্রী-সন্তানের সুখের জন্য! নিজের সুখ, আহলাদ বিসর্জন দেয়, স্ত্রী-সন্তানের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে। এ পরিশ্রমের ন্যূনতম মূল্য দিতেও অস্বীকার করে অকৃতজ্ঞ স্ত্রীরা; স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, আনুগত্য প্রদর্শন তো দূরের কথা, তাঁর অক্লান্ত ত্যাগকে এমনভাবে অগ্রাহ্য করে, যেন স্বামী দাস- সে কোনো মর্যাদারই যোগ্য নয়!
বাংলাদেশে এমন হাজারো স্বামী আছেন— যারা প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী, না পারেন বলতে, না পারেন সইতে। এই দেশে তো 'পুরুষ নির্যাতন' আইনে প্রতিকার পাওয়ারও সুযোগ নাই?