Lex Fori & Associates

Lex Fori & Associates Lighthouse of Justice

03/12/2025

চেকের মামলা সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ

অর্থ পরিশোধের জন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত চেক ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃক উক্ত চেক প্রত্যাখ্যাত হলে চেকের মামলা করার কারণ উদ্ভব হয়।
শুধু কারণ উদ্ভব হলেই চলবে না, চেকের মামলা দায়ের করার ক্ষেত্রে The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুসারে নির্ধারিত কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। তা হলোঃ

ক) চেকে উল্লিখিত তারিখের ৬ মাসের মধ্যে চেক ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে;
খ) অপর্যাপ্ত ব্যালেন্স বা তহবিল কিংবা একাউন্ট ক্লোজড এমন কয়েকটি কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত হতে হবে;
গ) চেক প্রত্যাখ্যান বা ডিজঅনার হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধের জন্য লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করতে হবে।
ঘ) লিগ্যাল নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে বা লিগ্যাল নোটিশ গৃহীত হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

চেকের মামলা দায়ের এবং বিচার প্রক্রিয়াঃ

ক) লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ বা গৃহীত হওয়ার তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে বা আমলী আদালতে The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারায় Complaint Registrar (CR) মামলা দায়ের করতে হয়।
খ) মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হলে সংশ্লিষ্ট আমলী আদালত মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন।
গ) দায়রা আদালত (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ বা মহানগর যুগ্ম দায়রা জজ আদালত) প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীকে পরীক্ষা করা, যুক্তিতর্ক শুনানী ইত্যাদি শেষে মামলার রায় প্রদান করবেন।

চেকের মামলার শাস্তিঃ

The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক আসামীকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং চেকে উল্লিখিত টাকার ৩ গুণ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবে। এখানে উল্লেখ্য যে, জরিমানার টাকা হতে বাদীকে চেকে উল্লিখিত টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (সাধারণত ৬০ দিনের মধ্যে) পরিশোধের জন্য বিজ্ঞ আদালত আসামীকে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

06/04/2025
নামজারি : নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।না...
08/11/2024

নামজারি :
নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।

নামজারির প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

নামজারি করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস।
1. জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
2. এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
3. ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
4. ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
5. বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
6. মোবাইল নাম্বার
7. এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
8. কর/খাজনার রশিদ

✅ ১ম ধাপঃ
সকল ডকুমেন্ট নিয়ে mutation.land.gov.bd প্রবেশ করে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

✅ ২য় ধাপ:
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

✅৩য় ধাপ: এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

নামজারি প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

নামজারি খতিয়ান আবেদন বিষয়ক তথ্যের জন্য কলসেন্টারের 16122 নম্বরে অথবা ভূমিসেবা সংক্রান্ত সমস্যা জানানোর জন্য hotline.land.gov.bd লিংক ব্যবহার করুন।

কামরুল হাসান
এডভোকেট
০১৯১৩৪৪০০৭৭

আদালতের শুনানি শেষে আমরা।অসহায় মানুষের জন্য যথাযথ প্রতিকার নিয়ে আসতে পারলে বিচারপ্রার্থীদের সাথে সাথে আমাদের মুখেও হাসি ...
07/11/2024

আদালতের শুনানি শেষে আমরা।

অসহায় মানুষের জন্য যথাযথ প্রতিকার নিয়ে আসতে পারলে বিচারপ্রার্থীদের সাথে সাথে আমাদের মুখেও হাসি ফুটে ❤️

১৯৭২ বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা- সংসদ(প্রনীত সংবিধান মতে)১৯৭৫ বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা- রাষ্ট্রপতি(৪র্থ সংশোধনী মতে)১৯৭৭ বিচার...
20/10/2024

১৯৭২ বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা- সংসদ
(প্রনীত সংবিধান মতে)

১৯৭৫ বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা- রাষ্ট্রপতি
(৪র্থ সংশোধনী মতে)

১৯৭৭ বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (সামরিক ফরমান)
(৫ম সংশোধনী মতে)

২০১৪ বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা- সংসদ (ষোড়শ সংশোধনী মতে)

বর্তমানে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ( রিভিউ পেন্ডিং)
আজ ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় রিভিউ কোর্ট বহাল রাখলে; সংবিধান কোন অবস্থায় ফেরত যাবে?
১৯৭৫ এ?
নাকি ১৯৭৭ এ?

যদি ৭৫ এ ফেরত যায় ৭৭ এর কি হবে?
যদি ৭৭ এ ফেরত যায়; ২০০৫ এ ৫ম সংশোধনী বাতিল করেছিলেন হাইকোর্ট; তার কি হবে?
এছাড়াও অনুচ্ছেদ ১১৬ এর বৈধতা কি?

আপনার মত কি?

09/10/2024

খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সালে পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।

07/10/2024

Lex Fori And Associates একটি আধুনিক ল চেম্বার। মেধাবী, উদ্দ্যমী এবং পরিশ্রমী আইনজীবীদের দ্বারা অত্র ল ফার্ম পরিচালিত হয়।
সিভিল, ক্রিমিনাল, পারিবারিক, ট্যাক্স, ভ্যাট, রীট, এডমিরালটি সহ সকল ধরনের আইনী সহযোগিতা দিতে সদা প্রস্তুত ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

১. জজ কোর্ট চেম্বার-
রুম নাম্বার ১, নিচ তলা, ২০ রাজার দেওড়ী(খাজা বেইস টাওয়ার, কোতোয়ালি, ঢাকা।
২. সান্ধ্যকালীন চেম্বার-
রুম- ১২জি (১২তম ফ্লোর), ট্রপিকানা টাওয়ার, পুরান পল্টন মোড়, ঢাকা।

Address

21, Rajar Dewri, Khaja Base Tower, Ground Floor, Kotwali
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lex Fori & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share