The Legal Point

The Legal Point The one stop point for all legal services.

17/08/2019

পাসপোর্ট সংক্রান্ত কিছু জরুরী তথ্য জেনে নিন
***********************************************

পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে সাধারণ- ৩৪৫০/- টাকা ও জরুরী- ৬৯০০/- টাকা এর মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট হাতে পাওয়া পর্যন্ত সকল খরচ দিয়ে দিয়েছেন।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে তদন্তকারী অফিসারকে কোন টাকা প্রদান করবেন না। বড় জোর উনাকে নাস্তা করাতে পারেন মেহমানদারীর খাতিরে।
যদি তদন্তকারী অফিসার আপনাকে বলে আপনার পাসপোর্ট পেতে অনেক সময় লাগবে বা হবে না। এ ধরনের হুমকি দিয়ে থাকলে আপনার নিজ জেলার পুলিশ সুপার কে সরাসরি অবহিত করুন।
সকল জেলার পুলিশ সুপার গণের মোবাইল নম্বর:
ঢাকা বিভাগ:
শরীয়তপুর-- 01713373606
নরসিংদী-- 01713373406
গাজীপুর-- 01713373356
নারায়নগঞ্জ-- 01713373339
টাঙ্গাইল-- 01713373447
কিশোরগঞ্জ-- 01713373471
মানিকগঞ্জ-- 01713373373
ঢাকা-- 01713373320
মুন্সিগঞ্জ-- 01713373390
রাজবাড়ী-- 01713373594
মাদারীপুর-- 01713373582
গোপালগঞ্জ-- 01713373569
ফরিদপুর-- 01713373550
সিলেট বিভাগ:
সিলেট-- 01713374368
মৌলভীবাজার- 01713374433
হবিগঞ্জ-- 01713374392
সুনামগঞ্জ-- 01713374414
বরিশাল বিভাগ:
ঝালকাঠি-- 01713374281
পটুয়াখালী-- 01713374311
পিরোজপুর-- 01713374330
বরিশাল-- 01713374260
ভোলা-- 01713374294
বরগুনা-- 01713374347
চট্রগ্রাম_বিভাগ:
কুমিল্লা-- 01713373678
ফেনী-- 01713373773
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-- 01713373724
রাঙ্গামাটি-- 01713373675
নোয়াখালী-- 01713373742
চাঁদপুর-- 01713373705
লক্ষ্মীপুর-- 01713373760
চট্রগ্রাম-- 01713373627
কক্সবাজার-- 01713373657
খাগড়াছড়ি-- 01713373677
বান্দরবান-- 01713373676
রাজশাহী বিভাগ:
সিরাজগঞ্জ-- 01713374030
পাবনা-- 01713374008
বগুড়া-- 01713374054
রাজশাহী-- 01713373792
নাটোর-- 01713373851
জয়পুরহাট-- 01713374077
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-- 01713373813
নওগা-- 01713373828
খুলনা বিভাগ:
যশোর-- 01713374153
সাতক্ষীরা-- 01713374135
মেহেরপুর-- 01713374244
নড়াইল-- 01713374202
চুয়াডাঙ্গা-- 01713374231
কুষ্টিয়া-- 01713374214
মাগুরা-- 01713374175
খুলনা-- 01713374095
বাগেরহাট-- 01713374116
ঝিনাইদহ-- 01713374186
ময়মনসিংহ বিভাগ:
শেরপুর-- 01713373519
ময়মনসিংহ-- 01713373422
জামালপুর-- 01713373532
নেত্রকোণা-- 01713373497
রংপুর বিভাগ:
পঞ্চগড়-- 01713373994
দিনাজপুর-- 01713373955
লালমনিরহাট-- 01713373941
নীলফামারী-- 01713373903
গাইবান্ধা-- 01713373886
ঠাকুরগাঁও-- 01713373980
রংপুর-- 01713373868
কুড়িগ্রাম-- 01713373920
আসুন আমরা আইন মেনে চলি, অপরকে আইন মানতে উৎসাহিত করি।

17/05/2019

বিপ্লবের পর চীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ১২ বছর তাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়েভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলো। চীন সরকারের বক্তব্য ছিল, এত ছেলেমেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কি করবে? কোথায় চাকরি পাবে? কেই বা চাকরী দিবে? এত হাজার হাজার বেকারকে চাকরী দেয়ার মত প্রতিষ্ঠান চীনে নেই।
এই সময়টায় চীন ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক প্রশিক্ষন দিয়েছিল নানা ধরনের ট্রেড কোর্সে। স্বল্প মেয়াদী ট্রেড কোর্স শিখে চীনের ছেলেমেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে গেলো। প্রতিটি বাড়ি গড়ে উঠল একটা করে ছোট ছোট কারখানায়। পরিবারের সবাই সেখানে কাজ করে। বড় ফ্যাক্টরী করার আলাদা খরচ নেই। ফলে পন্যের উৎপাদন খরচ কমে গেলো। বর্তমানে যে কোন পন্য স্বস্তায় উৎপাদন করার সক্ষমতায় তাদের ধারে কাছে কেউ নেই। পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে চাইনিজ পন্যের প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে তারা বিশ্ব বানিজ্যের এক অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তি। উপযুক্ত মুল্য দিলে তারা এমন জিনিস বানিয়ে দেবে যার গ্যারান্টি আপনি চাইলে ১০০ বছরও দিতে পারবেন।
বাংলাদেশে সিমফোনি, ওয়ালটনসহ বহু প্রতিষ্ঠান এই চায়নার বদৌলতেই কিছু করে খাচ্ছে। অপর দিকে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে বেকার বানানোর কারখানা। এর আধুনিক নাম বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রতি বছরই দুই একটা নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হচ্ছে আর বের হচ্ছে কয়েক হাজার বেকার। দল বেঁধে পড়ানো হচ্ছে বিবিএ, এমবিএ অথবা চিরচরিত সেই ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ানিং। এত বেকারের ভীড়ে চাকরী বাংলাদেশে একটি সোনার হরিন। কোম্পানীরাও এটা বুঝে। ফলে এই দেশের শিক্ষিত ছেলেরা প্রত্যাশা অনুযায়ী বেতন পায় না, চাকরী পায় না আর পেলেও সহ্য করতে হয় মালিক অথবা বসের নানাবিদ অদ্ভুত পরীক্ষা ও অপেশাদার আচরন।
অবশ্য, দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতির শোষনের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে আমাদের জাতির জীনে প্রবেশ করেছে ভৃত্যগিরির মানসিকতা। আমরা মনে করি স্যুট, টাই পড়ে কোন কাজ করতে পারলেই বুঝি সেখানেই জাতির সফলতা। এটা আসলে একটি অপ্রকাশ্য দৈন্যতা, যে কেউ স্বীকার করছেন না।
এই দেশের অর্থনীতির জন্য সামনে খুব ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে। তাই, বাংলাদেশের উচিত চীনের মত একটা পদক্ষেপ নেয়া। চাকরী করে দেশের উন্নতি হয় না, আমাদের উদ্যোক্তা প্রয়োজন। তাই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন প্রয়োজন, গুরুত্ব দেয়া উচিত কর্মমুখী শিক্ষায়। সরকার একটু সচেতন হলেই খুব অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা এই দেশের চেহারা পালটে দিতে পারি।
কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা কে বাঁধবে?

মোটরযান আইন’ অনুযায়ী কোন অপরাধে জরিমানা কত???সারা দেশে মোটরগাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনাও। মোটরগা...
29/04/2019

মোটরযান আইন’ অনুযায়ী কোন অপরাধে জরিমানা কত???

সারা দেশে মোটরগাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনাও। মোটরগাড়ি চালানোর আইনকানুন না জানা কিংবা আইনকানুনকে তোয়াক্কা না করার প্রবণতাসহ কয়েকটি কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশে মোটরগাড়ির জন্য প্রযোজ্য বিশেষ আইন আছে। আইন অমান্য করলে জরিমানা কিংবা মামলা হতে পারে। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামার আগে জানতে হবে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিগুলো। ডিএমপি এ বিষয়ে তাদের নিজস্ব অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডিএমপি নিউজে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছে।

১৯৮৩ সালের ‘মোটরযান আইন’ অনুযায়ী কোন অপরাধে কী শাস্তির বিধান আছে, তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

১. নিষিদ্ধ হর্ন/হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করলে জরিমানা গুনতে হবে ১০০ টাকা। এটি ১৩৯ ধারার শাস্তি

২. আদেশ অমান্য, বাধা সৃষ্টি ও তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে ১৪০(১) ধারায় জরিমানা হবে ৪০০ টাকা

৩. ওয়ানওয়ে সড়কে বিপরীত দিকে গাড়ি চালালে ১৪০(২) ধারায় গুনতে হবে ২০০ টাকা জরিমানা

৪. অতিরিক্ত গতি বা নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে গেলে জরিমানা ৩০০ টাকা। এ অপরাধ আবার করলে জরিমানা ৫০০ টাকা

৫. দুর্ঘটনাসংক্রান্ত যেসব অপরাধ থানায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেসব অপরাধে জরিমানা হবে ৫০০ টাকা। একই অপরাধ আবার করলে জরিমানা দিতে হবে ১ হাজার টাকা।

৬. নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানো ১৪৯ ধারায় ২৫০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে

৭. কালো বা অতিরিক্ত ধোঁয়া বের হওয়া মোটরযান সড়কে ব্যবহার করলে ১৫০ ধারায় জরিমানা ২০০ টাকা

৮. মোটরযান আইনের সঙ্গে সংগতিবিহীন অবস্থায় গাড়ি বিক্রয় বা ব্যবহার, গাড়ির পরিবর্তন করলে মোটরযান আইনে ১৫১ ধারায় জরিমানা দিতে হবে দুই হাজার টাকা

৯. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা ফিটনেস সার্টিফিকেট অথবা রুট পারমিট ব্যতীত মোটরযান ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করলে জরিমানা ১ হাজার ৫০০ টাকা। আবার একই অপরাধ করলে জরিমানা ২ হাজার ৫০০ টাকা

১০. অনুমোদনবিহীন এজেন্ট বা ক্যানভাসার নিয়োগ করলে ১৫৩ ধারায় জরিমানা ৫০০ টাকা; অপরাধের পুনরাবৃত্তি হলে জরিমানা গুনতে হবে ১ হাজার টাকা

১১. অতিরিক্ত মাল বা অনুমোদিত ওজনের বেশি নিয়ে গাড়ি চালানো হলে ১৫৪ ধারায় জরিমানা ১ হাজার টাকা। আবার একই ধরনের অপরাধ করলে জরিমানা ২ হাজার টাকা

১২. বিমা/ইন্স্যুরেন্স ব্যতীত যানবাহন চালানো ১৫৫ ধারায় জরিমানা দিতে হবে ৭৫০ টাকা

১৩. অনুমতি ব্যতীত গাড়ি চালালে ১৫৬ ধারায় জরিমানা ৭৫০ টাকা

১৪. প্রকাশ্য সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে ১৫৭ ধারায় জরিমানা ৫০০ টাকা

১৫. যেসব অপরাধের জন্য মোটরযান আইনে সুনির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেই, সে ক্ষেত্রে ১৩৭ ধারায় জরিমানা ২০০ টাকা। অপরাধের পুনরাবৃত্তিতে জরিমানা ৪০০ টাকা......

29/04/2019
27/04/2019

মেনে চলার চেষ্টা করি আমরা সবাই..........

13/04/2019

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারবেন নাগরিকরা। এজন্য গঠন করা হয়েছে ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন সেল’। সেলটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে। এছাড়া মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৫-৩৬ এই দুই নম্বরে সাধারণ মানুষ অভিযোগ করতে পারবেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিআইডি পুলিশের ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
পোস্টে বলা হয়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অসামান্য অবদানের বিষয়টি আমাদের সকলের জানা। এছাড়াও রয়েছে পুলিশের অনেক সাফল্যগাঁথা ও গৌরবময় ইতিহাস। কিন্তু কতিপয় পুলিশ সদস্যের অপেশাদার আচারণ ও কর্মকাণ্ডের জন্য ম্লান হয়ে যায় সে সমস্ত সাফল্য। শুধু একজন ব্যক্তি বা মুষ্টিমেয় কয়েকজন অপেশাদার পুলিশ সদস্যের জন্য পুরো বাহিনী কলুষিত হতে পারে না। সেই ভাবনা থেকে সে সব অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে শাস্তির আওতায় আনতে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন সেল’ চালু করা হয়েছে। নেয়া হচ্ছে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত পূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে এ কমপ্লেইন সেলের মাধ্যমে অনেক অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই কমপ্লেইন সেল দিনের ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকে।
পোস্টে আরও বলা হয়, ইতোপূর্বে পুলিশের অপেশাদার কর্মকাণ্ডের জন্যে ভূক্তভোগীরা কোথায় গিয়ে অভিযোগ করবেন তা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতেন। অনেক সময় বিভিন্ন কারণে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন না। তবে এ কমপ্লেইন সেল চালু হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসছে এবং অভিযোগ করে প্রতিকার পাচ্ছেন। জনসাধারণ পুলিশ সদস্যের যে কোনও অপেশাদার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরাসরি, কুরিয়ার সার্ভিস ও ডাকযোগে অথবা ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৫, ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৬ মোবাইল নম্বরে এবং [email protected] ই-মেইলে এ সেলে অভিযোগ করতে পারবেন।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিএন্ডপিএস-১) এর সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে সেলটি পরিচালিত হচ্ছে বলে পোস্টে জানানো হয়।

কাল হচ্ছে না চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নির্বাচনচট্রগ্রাম প্রতিনিধি॥চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করেছেন...
31/01/2019

কাল হচ্ছে না চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নির্বাচন
চট্রগ্রাম প্রতিনিধি॥
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি আশিস রঞ্জন দাসের সমন্বয় গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপর রুল জারি করেছেন আদালত।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য হাসান ফেরদৌসের দায়ের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন।আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মো. খলিলুর রহমান ও নুরুল করিম বিপ্লব।
রিটকারীর আইনজীবি জানান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অনুমোদিত গঠনতন্ত্র বাদ দিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে তাদের নিজেদের তৈরী করা একটি গঠনতন্ত্র দিয়ে এই নির্বাচনের আয়োজন করে। ওই নির্বাচনের ভোটার তালিকায় স্থায়ী সদস্য হাসান ফেরদৌসের নাম বাদ দেয়া হলে তিনি ২০১৭ সালে প্রণীত গঠনতন্ত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রামের প্রথম অতিরিক্ত যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ডিক্লারেশন স্যুট করেন। আদালত চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং নির্বাচন কমিশনকে শোকজ করেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।
চট্টগ্রামের প্রথম যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে হাসান ফেরদৌস আবেদন করলে আদালত ৩০ জানুয়ারি বুধবার অনুষ্ঠিতব্য চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ দেন এবং রুল জারি করেন।

12/01/2019

পুলিশি হয়রানী থেকে বাচার উপায়..........................................
ফৈাজদারী আইন.............

১) সন্দেহবশতঃ ৫৪ ধারায় যদি বিনা দোষে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হয়- জেনে নিন, ২৪ ঘন্টার বেশি আপনাকে আটক করে রাখার উপায় নেই। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে দ্রুত কোন আত্মীয়কে থানায় আসতে বলুন। অনেক সময় দেখা যায় বখাটেদের সাথে সাথে ওখানের নিরীহ ছেলেও ধরা পড়ে।
এক্ষেত্রে নিকটাত্মীয় যদি থানায় এসে লিখিত দিতে পারে যে ধৃত ব্যক্তি তাঁর সাথে সম্পর্কিত, এবং সে যা পরিচয় দিচ্ছে সেটি সঠিক- এক্ষেত্রে আপনি ছাড়া পেয়ে যাবেন।

২) ধরে আনার কাজটা মূলতঃ করে কনষ্টেবল থেকে এস.আই পর্যায়ের অফিসারেরা। একটি থানায় তাদের নেতা হচ্ছেন ওসি। আপনি যদি ওসির সাথে (ওসি না থাকলে ইন্সপেক্টর-তদন্ত সাহেব) সরাসরি দেখা করে বা যোগাযোগ করে আপনার আত্মীয়ের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে পারেন সেক্ষেত্রেও বিপদ কেটে যাবার কথা।

৩) এবার সবচাইতে স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলি। পুলিশ কর্তৃক নিরীহ মানুষকে আটক করে হয়রানির ভয় দেখিয়ে দুর্নীতি করার অভিযোগ খুব কমন এবং প্রচলিত। এসব ক্ষেত্রে যেটা হয়, ওই অসৎ অফিসার আপনাকে ভয় দেখান এবং আপনিও ভয়ে তার কথামত কাজ করেন। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ডিএমপি এ্যাপ, এই দুটি নিজের মোবাইলে রাখুন, সেই সাথে নিজ থানার ওসি/ ওসি তদন্ত / ডিউটি অফিসার - এদের নম্বর রাখুন। আপনি যে এলাকার বাসিন্দা সে এলাকার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার/এসপি/সহকারী পুলিশ কমিশনার/ এএসপি - এঁদের ফোন নম্বর অবশ্যই ফোনে সেইভ করে রাখুন।আপনি যদি বিনা কারণে আটক হন এবং আপনি নিজে বা আপনার কোন আত্মীয় যদি এই সিনিয়র অফিসারদেরকে ফোনে জানাতে পারেন- তিনি অবশ্যই খোঁজ নেবেন ব্যাপারটি কি সেটা জানতে। এঁদের কাছ থেকেও আপনি সহায়তা পেতে পারেন।

৪) ধরে নিচ্ছি উপরের কোন স্টেপেই কোন কাজ হলনা, আপনি ওই অসৎ অফিসারের পাল্লায় পড়ে হয়রানির শিকার হলেন। এক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য হচ্ছে ছাড়া পাবার পর পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ সহ লিখিত আকারে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এলাকার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (মেট্রোপলিটন এলাকায় হলে) বা এসপি (জেলাতে) স্যার বরাবর পাঠানো। প্রয়োজনে আপনি সহকারী পুলিশ সুপার/ এডিশনাল এসপি এমনকী প্রয়োজনে এসপি/ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার স্যারের সাথেও দেখা করতে পারেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে ধাপে ধাপে স্বয়ং পুলিশ প্রধানের সাথে দেখা করার অধিকারও আপনার আছে। প্রয়োজন পড়লে এটি প্রয়োগ করুন।

৫) প্র্যাকটিকাল টিপস হচ্ছে, কোন অবস্থাতেই মাথা গরম করবেন না, নমনীয় থাকুন। নমনীয়তা মানে দুর্বলতা নয়, এর মানে আপনি নিজেকে ওই কর্কশ ব্যবহারকারী দুষ্ট অফিসারের পর্যায়ে নামিয়ে নিচ্ছেন না। খুব শান্তভাবে এবং সুকৌশলে তার নাম জেনে নিন এবং পরবর্তীতে ওই অফিসারের সিনিয়র অফিসারের কাছে এ ব্যাপারে তথ্য দিন।

৬) যে কাজটি করা থেকে বিরত থাকতে বারংবার অনুরোধ জানাচ্ছি সেটি হচ্ছে, বিপদ কেটে যাবার পর অন্যায়টিকে “হজম” করে ফেলা। ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়া সমান অপরাধ- মাত্র ১০০/২০০ টাকা দিয়ে “ঝামেলা” এড়াতে এড়াতে আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি, যথাস্থানে নালিশ জানাতে অস্বীকার করছি। আমরা যেটা করি তা হচ্ছে, ওই ২০০/৩০০ টাকা ঘুষ বিনা প্রতিবাদে দিয়ে দিই, তারপর ফেইসবুকে পুলিশের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করি- যাতে মানসিক তৃপ্তি হলেও কাজের কাজ কিচ্ছু হয়না। আপনার ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ওই ঘুষখোরের কিচ্ছু যায় আসে না। বরং আপনি যদি সুকৌশলে ওর নেমপ্লেট আর কাঁধের ব্যাজ-এ কয়টা দাগ আছে দেখে নিতেন (অথবা সুযোগ পেয়ে মোবাইলে ভিডিও/ছবি তুলে নিতেন)- এরপর সেগুলো দিয়ে তার উপর মহলে (ওসি ও তদোর্ধ্ব) নালিশ জানাতেন, তাতে ও ওই অপকর্মটি করার আগে দুইবার চিন্তা করত।

যে কথাটি বার বার বলি সেটিই আবার বলছি- ২০০ বছরের জঞ্জাল এক দিনে যাবেনা। কিন্তু আমরা পুলিশ বাহিনীর লোকজন যখন দেখব, “আরে, আমাদের দেশের মানুষ তো আইন কানুন জানে, তাদের তো বেয়াড়া ধমক দিয়ে হয়রানি করা যায়না” তখন আমাদের ভেতরেও পরিবর্তন আসবে।
সংগৃহীত

28/12/2018

পর্নোগ্রাফি
পর্নোগ্রাফি বলতে বুঝায় যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোন শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই।
এছাড়াও যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কাটুর্ন বা লিফলেটও পর্নোগ্রাফি বলে ধরা হবে।
পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ করা এমন কি বহন, সরবরাহ, ক্রয়, বিক্রয়, ধারণ বা প্রদর্শন করা ও গুরুতর অপরাধ।
কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করলে বা ভয় ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে ঐ ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করলে তিনি এ ধরণের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ করলে তিনি এ ধরণের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনের মাধ্যমে গণউপদ্রব সৃষ্টি করলে তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যে কোন ভাবে প্রচার করলে অথবা যে কোন উদ্দেশ্যে প্রস্ত্তত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করলে অথবা কোথায় কোন পর্নোগ্রাফি পাওয়া যাবে এমন স্থান সম্পর্কে কোন প্রকারের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
তবে কেউ কোন যুক্তিসঙ্গত কারন ছাড়া এই আইনে কারো বিরদ্ধে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা করলে বা অভিযোগ করলে তিনি সর্বোচ্চ ২(দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
কারণ কোন আইনই কাউকে হয়রানি করা হোক তা সমর্থন করে না। এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করলে তা আমলযোগ্য এবং অজামিনযোগ্য।
Collected

If any one interested to learn something about civil law, corporate practice and writ matters please come to our chamber...
08/12/2018

If any one interested to learn something about civil law, corporate practice and writ matters please come to our chamber, our descission session will arrange every Saturday at 10:30 A.M to 1:00 P.M, our next topics- Civil Revision, against order

Address

Zaman Tower, Level-09, 37/2, Box Culvert Road, Purana Paltan
Dhaka
1000

Telephone

01818650987

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Legal Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to The Legal Point:

Share