বৈষম্যবিরোধী শ্রমিক আন্দোলন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বৈষম্যবিরোধী শ্রমিক আন্দোলন

বৈষম্যবিরোধী শ্রমিক আন্দোলন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বৈষম্যবিরোধী শ্রমিক আন্দোলন, Labor & Employment Lawyer, Dhaka.

Anti-discrimination Labour Movement in Bangladesh.
বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের সকল প্রকার অধিকার আদায়ের জন্য সক্রিয় থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে একটি বৈষম্যবিরোধী স্বতন্ত্র গ্রুপ

তেল-সার সবকিছুরই হাহাকার। দেশটা কাদের হাতে গেল, হে আল্লাহ তুমি আমাদের এই সোনার দেশটাকে রক্ষা করো, আমিন
21/09/2026

তেল-সার সবকিছুরই হাহাকার। দেশটা কাদের হাতে গেল, হে আল্লাহ তুমি আমাদের এই সোনার দেশটাকে রক্ষা করো, আমিন

গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের ১৫ বছরেও মেলেনি আইনসিদ্ধ ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পাওনা টাকা, আজ ৩০/০৬/২০২৬ ইং মঙ্গলবার জিপি হাউ...
30/06/2026

গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের ১৫ বছরেও মেলেনি আইনসিদ্ধ ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পাওনা টাকা, আজ ৩০/০৬/২০২৬ ইং মঙ্গলবার জিপি হাউজের সামনে পূর্ব ঘোষিত শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করার সময় পুলিশের অত্যাধিক ধর পাকড়াও অব্যাহত ছিল। প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার ২ ঘন্টা পূর্বেই আনুমানিক সকাল ৯ ঘটিকার সময় ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ এছাড়াও গত তিনদিন থেকে পুলিশ বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রামীনফোনের প্রাক্তন কর্মীদেরকে বেআইনিভাবে জোর করে গ্রেপ্তার করছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিট সেগুনবাগিচায় বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানিয়েছেন আন্দোলনকারীর আহবায়ক মোঃ শোয়েব হোসেন সহ অন্যান্য নেত্রবৃন্দরা। নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তৃতায় উল্লেখ করেন গ্রামীণফোনের কাছে প্রায় ৪০০০ শ্রমিকের এক এক জন শ্রমিক ৩৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা করে পাওনা রয়েছে। যেহেতু গ্রামীণফোন শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করতে কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করছে না তাই গ্রামীণফোনের প্রকৃত মালিক এখন এই শ্রমিকেরা সে কারণেই গ্রামীণফোনের সমস্ত সম্পত্তি এখন থেকে তারা নিজের সম্পত্তি হিসাবে দাবি করে উল্লেখ করেন গ্রামীণফোনের কোন অপারেশন চালাতে গেলে আমাদের নিকট থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। সর্বশেষ তারা সরকারের কাছে আবেদন করেন বিষয়টি অতি দ্রুততার সাথে হস্তক্ষেপ করে গ্রামীণফোনের নিকট হতে শ্রমিকের পাওনা আদায় করার মাধ্যমে সমস্যাটার স্থায়ী সমাধান করবেন।

গ্রামীণফোনের প্রাক্তন শ্রমিকরা আজ ২৭ জুন ২০২৬ খ্রিঃ তাং প্রেসক্লাবের এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে জানান:‎‎১৬ বছরের পাওনা, ১৯ ...
27/06/2026

গ্রামীণফোনের প্রাক্তন শ্রমিকরা আজ ২৭ জুন ২০২৬ খ্রিঃ তাং প্রেসক্লাবের এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে জানান:
‎
‎১৬ বছরের পাওনা, ১৯ মাসেও আন্দোলনের মাধ্যমে সমাধান না হওয়ায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন: গ্রামীণফোনকে ২৯ জুন পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা, ৩০ শে জুন তারিখে জিপি হাউজে নৈতিকভাবে শ্রমিকরা গ্রামীণফোনের মালিকানা দাবী করবেন।
‎
‎‎দীর্ঘ ১৯ মাসের শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত আন্দোলনের পরও ২০১০-২০১২ সালের ৫% বিলম্ব বকেয়া পরিশোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সাবেক কর্মচারীদের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপে বসতে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক অনীহার প্রতিবাদে আজ ২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের সর্বশেষ অবস্থা, দীর্ঘদিনের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ, আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং গ্রামীণফোনের প্রতি চূড়ান্ত আহ্বান তুলে ধরা হবে।
‎
‎আন্দোলনকারীরা জানান, ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার মোবাইল ফোন অপারেটরদের Industrial Undertaking হিসেবে ঘোষণা করলে শ্রমিক-কর্মচারীরা আইন অনুযায়ী Workers Profit Participation Fund (WPPF) ও Workers Welfare Fund (WWF)-এর আওতায় ৫% প্রাপ্যের অধিকার অর্জন করেন। পরবর্তীতে গ্রামীণফোন এ বিষয়ে আদালতে রিট দায়ের করলেও ৬ মার্চ ২০২৩ রিটটি প্রত্যাহার করে নেয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, এর ফলে ২০১০ সালের সরকারি এসআরও বহাল থাকে এবং আইন অনুযায়ী বিলম্বিত প্রাপ্য নিষ্পত্তির আর কোনো বাধা অবশিষ্ট ছিল না। তবুও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বিলম্ব বকেয়া এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
‎
‎আন্দোলনকারীরা আরও জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী হিসাব করলে ১৬ বছর ধরে আটকে থাকা বিলম্ব বকেয়াসহ ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের এক একজনের প্রাপ্যের পরিমাণ প্রায় ৩৩,১৪৭ কোটি টাকা। তাদের মতে, এটি কেবল একটি আর্থিক দাবি নয়; এটি হাজারো শ্রমিক পরিবারের ন্যায়বিচার, আইনি অধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রশ্ন।
‎
‎তারা অভিযোগ করেন, গত ১৯ মাসে তারা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোতে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেছেন। শ্রম অধিদপ্তর একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্যোগ নিলেও আন্দোলনকারীদের দাবি, গ্রামীণফোন সেই আলোচনায় অংশ নেয়নি।
‎
‎এছাড়া ২ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ধারাবাহিক অবস্থান কর্মসূচি, মানববন্ধন, গণঅবস্থান, প্রতিবাদ সমাবেশ, দোয়া মাহফিল, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, গণস্বাক্ষর, দেয়াললিখন, গ্রাফিতি এবং দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি।
‎
‎আন্দোলনকারীরা বলেন,
‎
‎"আমরা ১৯ মাস ধরে ধৈর্য, সংযম ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সংলাপ চাই, সংঘাত নয়; ন্যায়বিচার চাই, অনিশ্চয়তা নয়। কিন্তু একটি দায়িত্বশীল করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোনের নীরবতা অত্যন্ত হতাশাজনক।"
‎
‎তারা পুনরায় গ্রামীণফোন ও এর মূল শেয়ারহোল্ডার টেলিনরের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ২৯ জুন ২০২৬-এর মধ্যে সাবেক কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনায় বসে ২০১০-২০১২ সালের ৫% বিলম্ব বকেয়া সংক্রান্ত সমস্যার ন্যায়সঙ্গত, মানবিক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।
‎
‎একইসঙ্গে আন্দোলনকারীরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর মধ্যস্থতার আহ্বান জানান।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা আরও জানান, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো অর্থবহ অগ্রগতি না হয়, তাহলে ৩০ জুন ২০২৬ গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি বৃহৎ গণকর্মসূচি পালিত হবে। আমরা ৩০ জুন গ্রামীণফোনের সদর দপ্তরে অবস্থান করব।নৈতিকভাবে আমরা কোম্পানির মালিকানা দাবি করব ।আমরা নতুন পরিচালনা পর্ষদ ঘোষণা করে কোম্পানি পরিচালনা করার ঘোষণা দিব ।
‎ওই কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীরা শ্রমিকদের অধিকার, করপোরেট জবাবদিহি, গ্রাহকস্বার্থ, প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিচালনা, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং টেকসই সংস্কারের বিষয়ে তাদের নিজস্ব নীতিগত রূপরেখা জাতির সামনে উপস্থাপন করবেন।
‎
‎আন্দোলনকারীরা বলেন,
‎ন্যায্য পাওনা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

18/06/2026

১৫ বছরেও মেলেনি পাওনা, গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচি:
১৫ বছর ধরে আইনসিদ্ধ ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পরিশোধ না করার অভিযোগ তুলে দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে গণ-অবস্থান ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশগ্রহণকারীরা ৪০০০ পরিবারের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ নানা স্লোগানে বকেয়া পরিশোধের দাবি জানান।

02/06/2026

গ্রামীণফোনের ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের কর্মরত প্রতিটি শ্রমিকের ৫% বিলম্ব বকেয়া বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ২৩৪ ও ২৪০(৩) অনুযায়ী একটি বৈধ ও আইনগত অধিকার।
‎
‎এই ভিডিওতে আমরা ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কীভাবে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ক্ষতিপূরণের হিসাব করে প্রত্যেক শ্রমিকের প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ ৩৩,১৪৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
‎
‎অনেকের কাছেই সংখ্যাটি বড় মনে হতে পারে। তাই আবেগ নয়, যুক্তি ও আইনের ভিত্তিতে তৈরি এই উপস্থাপনাটি মনোযোগ দিয়ে দেখার অনুরোধ রইলো। ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখলে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন—এই হিসাব কোথা থেকে এসেছে এবং কেন এটি শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা

#শ্রমিকদের_অধিকার

15/04/2026

আজ ৫% বিলম্ব বকেয়া পাওয়ানার দাবিতে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মচারীদের মানববন্ধন করেছে গ্রামীনফোনের হেড অফিসের সামনে বসুন্ধরা বারিধারায়

12/04/2026
21/03/2026

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৈষম্যবিরোধী শ্রমিক আন্দোলন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share