Six Squares Legal

Six Squares Legal Six Squares Legal Ally (SSLA) is a vibrant Law Firm with an extensive legal network in Bangladesh and other countries worldwide.

We have connections with domestic and international Law Chambers. We provide customized services based on our clients' needs.

18/02/2026

17/02/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে সরাসরি সম্প্রচার
তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

Live from: Bangladesh Television

10/02/2026

আপনার ভোট, আপনার অধিকার: গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ধাপসমূহ

Credit: https://www.facebook.com/reel/1653302026112488


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার চারটি পদ্ধতি চালু করেছে নির্বাচন কমিশন বা...
07/02/2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার চারটি পদ্ধতি চালু করেছে নির্বাচন কমিশন বা ইসি।

প্রথমত, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার নম্বর এবং ভোটেকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এজন্য মোবাইলের প্লে স্টোর থেকে Smart Election Management BD অ্যাপ ইনস্টল করে এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে খুঁজলেই ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম এবং কেন্দ্রের ঠিকানা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, হটলাইন নম্বর ১০৫ এ কল করে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন ভোটাররা। প্রতিদিন ভোর ছয়টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেবা চালু থাকবে। এই পদ্ধতিতে তথ্য জানতে ভোটারের এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ প্রয়োজন হবে।

তৃতীয়ত, এসএমএস এর মাধ্যমেও ভোটাররা এসব তথ্য জানতে পারবেন। মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার কিংবা মোবাইল থেকে ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে 'ভোটকেন্দ্র' মেনুতে ক্লিক করলেই ভোটকেন্দ্র অনুসন্ধানের অপশন পাওয়া যাবে।

এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়েও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করা যাবে। যেখানে গুগল ম্যাপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের দূরত্ব এবং যাওয়ার পথ সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন।

Source: https://www.tbsnews.net/bangla/bbc/news-details-450131?fbclid=IwVERDUAP0FC1leHRuA2FlbQIxMABzcnRjBmFwcF9pZAwzNTA2ODU1MzE3MjgAAR46M4M-T1LN2pXKTr8LJNcwy6AJe0bPjQZ3c7IMv_gyy6BKIbKoh48Rda1WJw_aem_lSETuvTcHQEhx04d5od4bA

আজ কমিশনের জনসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

বাংলাদেশের ২৬ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জ...
24/12/2025

বাংলাদেশের ২৬ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, বিদায়ী বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাবেন। বঙ্গভবনে ২৮ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপন-এ বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।



সাফ কবলা দলিলে জমি-ফ্ল্যাট জমি হস্তান্তরে ফি নিতে পারবে না ডেভেলপারDevelopers will not be able to charge fees for the tr...
15/12/2025

সাফ কবলা দলিলে জমি-ফ্ল্যাট জমি হস্তান্তরে ফি নিতে পারবে না ডেভেলপার

Developers will not be able to charge fees for the transfer of land and flats under clear deed.

সাফ কবলা দলিলমূলে ফ্ল্যাট বা জমি বিক্রয়, হস্তান্তর বা নামজারির অনুমোদনকালে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের হয়রানি ও দুর্ভোগ দূর করার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে ফ্ল্যাট-জমি হস্তান্তরে ফি নিতে পারবে না ডেভেলপার কোম্পানি।

The government has taken steps to remove the harassment and hardship of the sellers and buyers while approving the sale, transfer or namzari of flats or land on the basis of clear Kabla documents. In this case, the developer company will not be able to charge a fee for the transfer of flat-land.

অর্থ নিলে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

If the real estate developer takes the money, action will be taken.

বিক্রেতা ও ক্রেতাদের হয়রানি ও দুর্ভোগ দূর করার জন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার (১২ নভেম্বর) গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

The government has taken this decision to alleviate the harassment and suffering of the sellers and buyers. A gazette notification in this regard was issued by the Ministry of Housing and Public Works on Wednesday (November 12).

সরকারের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার সাফ কবলা দলিলমূলে বিক্রিত ও হস্তান্তরিত ভূমি অথবা ফ্ল্যাট পরবর্তী সময়ে পুনঃবিক্রয় বা হস্তান্তরকালে বিক্রয়, হস্তান্তর বা নামজারির অনুমোদনের নামে ক্রেতাদের হয়রানি এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত।

Highlighting the government's decision, the circular said, "It is completely illegal for real estate developers to harass and collect money from buyers in the name of approval of sale, transfer or namazzari during the subsequent resale or transfer of land or flats sold and transferred by real estate developers."

তাই কোনো ডেভেলপার ভূমি বা ফ্ল্যাটের পরবর্তী হস্তান্তরকালে বিক্রয় অনুমোদন প্রদান, নামজারি বা অন্য যেকোনো নামেই হোক না কেন, ক্রেতা বা বিক্রেতার কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় করতে পারবে না। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই আদেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ও রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিধিমালাসহ প্রচলিত অন্যান্য আইন এবং সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

Therefore, no developer will be able to collect any money from the buyer or seller during the subsequent transfer of the land or flat, whether in the name of sale approval, title or any other name. If any person or organisation violates the order, necessary action will be taken against him in the light of the Real Estate Development and Management Act, Real Estate Development and Management Rules, other laws and related regulations.

Source: https://www.jugantor.com/national/1028521




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

সাফ কবলা দলিলমূলে ফ্ল্যাট বা জমি বিক্রয়, হস্তান্তর বা নামজারির অনুমোদনকালে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের হয়রানি ও দুর্ভো....

13/12/2025

General Mohammad Ataul Gani Osmani

M.A.G. Osmani, a Bangladeshi military officer, revolutionary and politician. His military career spanned three decades, beginning with his service in the British Indian Army in 1939. He fought in the Burma Campaign during World War II, and after the partition of India in 1947, he joined the Pakistan Army and served in the East Bengal Regiment, retiring as a colonel in 1967. Osmani joined the Provisional Government of Bangladesh in 1971 as the commander-in-chief of the nascent Bangladesh Forces. Regarded as the founder of the Bangladesh Armed Forces, Osmani retired as a four star general from the Bangladesh Army in 1972.

Osmani entered politics in independent Bangladesh, serving as a member of parliament and cabinet minister in the government of Sheikh Mujibur Rahman. Along with Mainul Hosein, he resigned from parliament in opposition to the creation of the one party state of BAKSAL. He advised the government on restoring the chain of command in the military after the 15 August coup. He contested the 1978 Bangladeshi presidential election against Ziaur Rahman.

In 1983, at age 65, Osmani was diagnosed with cancer at the Combined Military Hospital (CMH) in Dhaka and was flown to London for treatment at St Bartholomew's Hospital at government expense. He died on 16 February 1984. Osmani's body was flown to Bangladesh, and he was buried with full military honours adjacent to his mother's grave in Darga, Sylhet.

Video Source: https://www.facebook.com/share/v/1ZcJ8pgQFw/

Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

10/12/2025

Bangladeshi asylum seekers are set to face tougher scrutiny and faster rejection under a new European Union migration policy, as Bangladesh has been included in a proposed joint EU “safe country” list. The Council of the European Union on Monday finalised its...

"The question "What is the cost of a human life in Bangladesh?" must not have a finite answer. A life is priceless. But ...
28/10/2025

"The question "What is the cost of a human life in Bangladesh?" must not have a finite answer. A life is priceless. But our actions suggest we have assigned it a bargain-basement value, paid in compensation checks that insult more than console. Until those responsible for these deaths—through negligence, corruption, or wilful disregard—face consequences proportionate to their failures, the deaths will continue. Justice delayed is justice denied; justice absent is complicity in murder."

Source: https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/the-metro-rail-tragedy-what-the-cost-human-life-bangladesh-4020441




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

The right to cross a street, ride public transport, work in a factory, or walk near a drain without risking death should not be a privilege.

23/10/2025

Non-Legal Post.

Source/Credit: https://www.facebook.com/share/v/16LyTZF6ab/

Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.



কার্ডিয়াক সার্জন ব্যাখ্যা করেছেন যে কীভাবে বুকে ব্যথাকে অ্যাসিডিটি বনাম হার্ট অ্যাটাক থেকে আলাদা করা যায়?দুর্বল জীবনযা...
16/09/2025

কার্ডিয়াক সার্জন ব্যাখ্যা করেছেন যে কীভাবে বুকে ব্যথাকে অ্যাসিডিটি বনাম হার্ট অ্যাটাক থেকে আলাদা করা যায়?

দুর্বল জীবনযাত্রার কারণে, হার্ট অ্যাটাক এখন আর মধ্যবয়সী সংকট নয় তবে তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদেরও প্রভাবিত করে

হার্ট অ্যাটাক বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লুএইচও) মতে, আনুমানিক 17.9 মিলিয়ন জীবন হৃদরোগে মারা যায় এবং পাঁচটির মধ্যে চারটি কার্ডিওভাসকুলার মৃত্যু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক থেকে হয়।

ইদানীং, দুর্বল জীবনযাত্রার কারণে, হার্ট অ্যাটাক এখন আর মধ্যবয়সী সংকট নয়, তবে তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদেরও প্রভাবিত করে, তাদের 20 এবং 30 এর দশকের প্রথম দিকে, হার্ট অ্যাটাক সনাক্ত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে একটি যা আপনাকে সম্ভাব্যভাবে বিভ্রান্ত করতে পারে তা হ'ল অ্যাসিডিটি।

মুম্বইয়ের স্যার এইচএন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন ডাঃ বিপীনচন্দ্র ভামরে এইচটি লাইফস্টাইলকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এটি নিশ্চিত করেছেন যে হ্যাঁ, বুকের অস্বস্তিকে অনেকে প্রায়শই অ্যাসিডিটি বা বদহজম বলে মনে করেন, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেন।

অনুমানের ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়, কারণ বুকে ব্যথা বদহজমের অম্বলের মতো হতে পারে, এটি হার্ট অ্যাটাকের সংকেতও দিতে পারে, যা জরুরি চিকিত্সার যত্ন না দেওয়া হলে মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিটি অ্যাসিডিটি এবং হার্ট অ্যাটাক কেমন অনুভব করে তা ব্যাখ্যা করে ডাঃ ভামরে বলেন, "অ্যাসিডিটি, যা অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) নামেও পরিচিত, যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীতে ফিরে আসে তখন ঘটে। এটি বুকে বা গলায় জ্বলন্ত সংবেদন, এমনকি মুখের মধ্যে টক স্বাদ, পেট ফেলতে এবং খাওয়ার পরে হালকা অস্বস্তি হতে পারে যা বিরক্তিকর হতে পারে। করোনারি ধমনীতে জমাট বাঁধার কারণে হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ অবরুদ্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। এটি অসহনীয় বুকে ব্যথা বা চাপ, শ্বাসকষ্ট, ঘাম, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা এবং বাহু, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া ব্যথার কারণ হতে পারে।

লোকেরা কেন হার্ট অ্যাটাকের সাথে অ্যাসিডিটিকে বিভ্রান্ত করে?

বেশিরভাগই বুকের অস্বস্তি থেকে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এখন, বুকে একটি অস্বস্তিকর সংবেদন অন্যান্য অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার সাথে ওভারল্যাপ করতে পারে। কার্ডিওলজিস্ট তাদের মধ্যে কয়েকটি হিসাবে অ্যাসিডিটি এবং স্ট্রেস উল্লেখ করেছেন, যার ফলে অনেকে কেবল ধরে নিতে পারেন যে ডিফল্টরূপে কোনও বুকে ব্যথা নিরীহ, যা বিপজ্জনক।

ডাঃ ভামরে ব্যাখ্যা করেছিলেন যে কীভাবে হার্ট অ্যাটাক নিয়মিত বুকে ব্যথার চেয়ে বেশি মারাত্মক, "অ্যাসিডিটির সাথে খাওয়ার পরে জ্বলন্ত সংবেদন বা অস্বস্তি থাকে এবং অ্যান্টাসিডের সাথে উন্নতি হয়। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলি হঠাৎ উপস্থিত হয় এবং গুরুতর হয়। অনেকে ঘাম, বমি বমি ভাব বা শ্বাসকষ্ট অনুভব করবেন।

যদিও কেউ যদি নিশ্চিত না হন তবে কার্ডিওলজিস্ট চিকিত্সা হস্তক্ষেপের জন্য অনুরোধ করেছিলেন, কারণ এটি 'জীবন এবং মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য' তৈরি করতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক ও অ্যাসিডিটির বুকে ব্যথা আলাদা করে কীভাবে বুঝবেন?
যেহেতু বুকে ব্যথা নিয়মিত অ্যাসিডিটি এবং সম্ভাব্য মারাত্মক হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম ওভারল্যাপিং লক্ষণ, তাই আপনি পার্থক্যগুলি উড়িয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখতে পারবেন না।

অ্যাসিডিটির কারণে বুকে ব্যথা কেমন লাগে তা ভাগ করে নিয়ে কার্ডিওলজিস্ট শেয়ার করেছেন, "অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট বুকে ব্যথার সাথে বুকে বা গলায় জ্বালাপোড়া, মুখের টক স্বাদ এবং খাওয়ার পরে বা শুয়ে থাকার সময় অস্বস্তি আরও খারাপ হয়। এটি সাধারণত অ্যান্টাসিডগুলির সাথে উন্নত হয় যা ডাক্তারের পরামর্শ দেওয়া হয়। মনে রাখবেন যে অ্যাসিডিটি সাধারণ এবং পরিচালনাযোগ্য, তবে যখন বুকে ব্যথা বা এমনকি শ্বাসকষ্টের সাথে থাকে তখন এটি হার্টের সমস্যাগুলি নির্দেশ করতে পারে।

বিপরীতে, হার্ট অ্যাটাকের বুকে ব্যথা আরও তীব্র হয়। "হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা বুকের মাঝখান বা বাম দিকে তীব্র এবং চূর্ণবিচূর্ণ চাপ হবে। তদুপরি, এই ব্যথা বাহু, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং ঘাম, শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরার মাধ্যমেও দেখা যেতে পারে।

আপনি কীভাবে হজম এবং হার্টের স্বাস্থ্য উভয়ই রক্ষা করতে পারেন?
স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করে আপনি আপনার হজম এবং হার্টের স্বাস্থ্য উভয়ের যত্ন নিতে পারেন। ডাঃ ভামরে পরামর্শ দেন, "গভীর রাতে ভারী বা মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন, ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল গ্রহণ হ্রাস করুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন এবং যোগব্যায়াম এবং ধ্যানের মতো শিথিলকরণ কৌশলগুলি বেছে নিয়ে স্ট্রেস পরিচালনা করুন। অ্যান্টাসিড দ্বারা উপশম না হওয়া ধ্রুবক বুকে ব্যথা, চাপ বা অস্বস্তির মতো সতর্কতা লক্ষণগুলির দিকে নজর রাখুন, যার জন্য ডাক্তারের তাত্ক্ষণিক মনোযোগ প্রয়োজন। সুস্বাস্থ্যের জন্য, একটি সুষম ডায়েট অনুসরণ করুন, প্রতিদিন 45 মিনিটের জন্য ব্যায়াম করুন এবং ধূমপান ত্যাগ করুন।

এর পাশাপাশি তিনি নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের পরামর্শ দিয়েছেন, যার মধ্যে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করা এবং হৃদরোগের প্রাথমিক ঝুঁকির কারণগুলি সনাক্ত করার জন্য হার্টের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

**Translated Post

Main Source: https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/cardiac-surgeon-explains-how-differentiate-chest-pain-acidity-vs-heart-attack?




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

Because of poor lifestyle, heart attack is no longer a middle-aged crisis but impacts young adults too

প্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩ কে আইন হিসেবে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ...
10/09/2025

প্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩ কে আইন হিসেবে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধে ১৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি ১৭ দফা নির্দেশনা:
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৪ মোতাবেক ৩-৫ সদস্যবিশিষ্ট বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৪.২ মোতাবেক শিক্ষা বছরের শুরুতে এবং পরবর্তী সময়ে ৩ মাস অন্তর অন্তর শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সভা/মতবিনিময় সভা/সেমিনার/সিম্পোজিয়াম/ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে হবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৪.৪ মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি সবার নজরে আসে এমন উন্মুক্ত স্থানে অভিযোগ বক্স রাখার ব্যবস্থা করবে এবং প্রত্যেক দিন শেষে অভিযোগ বক্স খুলে যদি সেখানে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তা দ্রুত পরদিনই প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে উপস্থাপন করবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৪.৪ মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেসব জায়গায় বুলিং ও র‍্যাগিং হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেসব জায়গায় কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৩ মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (আবাসিক হলসহ) কর্তৃপক্ষ তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে বুলিং ও র‍্যাগিংয়ের ঘটনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন প্রেরণ করবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৪ মোতাবেক বুলিং ও র‍্যাগিংয়ের উদাহরণ এবং পরিণতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট এবং প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৫ মোতাবেক প্রত্যেক শিক্ষা বছরের শুরুতে একদিন বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ দিবস পালন করে বুলিং ও র‍্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৬ মোতাবেক বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী/শিক্ষক/অভিভাবকরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বুলিং ও র‍্যাগিং করবে না, কাউকে বুলিং ও র‍্যাগিংয়ের শিকার হতে দেখলে রিপোর্ট করবে, প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করবে এবং তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিসে ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সংরক্ষণ করতে হবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৭ মোতাবেক বুলিং ও র‍্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কিত সিনেমা, কার্টুন, টিভি সিরিজের প্রদর্শন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে অনলাইন আচরণ (Online Behavior) সম্পর্কিত কর্মশালা ইত্যাদিসহ সহপাঠ্যক্রমিক কর্মশালা আয়োজনের নিমিত্ত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং গৃহীত কর্মশালা বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।

- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৮ মোতাবেক কর্তৃপক্ষ বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করবে। যেমন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, গণিত অলিম্পিয়াড, বই পড়ার প্রতিযোগিতা, দাবা খেলা, কেরাম খেলা ও বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহমর্মিতা এবং সহানুভূতিশীলতার শিক্ষা দিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কাজে নিযুক্ত করতে হবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.৯ মোতাবেক বুলিং/র‍্যাগিং এর কুফল কিংবা এর ফলে কীভাবে একজন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য এবং সেই সঙ্গে বুলিং ও র‍্যাগিং সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান তারা নিজেরাই বের করতে উদ্যোগী হওয়ার জন্য শিক্ষকরা রোল প্লে মাধ্যমে উপস্থাপন করবেন।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.১০ মোতাবেক সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুনির্দিষ্ট কোনো শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কাউন্সেলিংয়ের দায়িত্ব দিতে হবে। তাদের ‘কাউন্সিলর’ হিসেবে অভিহিত করা হবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.১১ মোতাবেক বুলিং ও র‍্যাগিং নীতিমালা বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৫.১২ মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত বুলিং ও র‍্যাগিং বিষয়ে পরিবীক্ষণ করবেন এবং নীতিমালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৬.১ মোতাবেক বুলিং ও র‍্যাগিংয়ে কোনো শিক্ষক, অশিক্ষক অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন/বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফৌজদারী আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার প্রতিবেদন প্রতি ৩ মাস অন্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর দাখিল করতে হবে।
- আইন হিসেবে ঘোষিত নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৬.২ মোতাবেক বুলিং ও র‍্যাগিংয়ে বোর্ড অব ট্রাস্টিজ/গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটি/এডহক কমিটি/বিশেষ কমিটির কোনো সভাপতি/সদস্যদের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৫০৩, ৫০৪ ও ৫০৯ ধারায় আইনানুযায়ী মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে।
- উপরিউল্লিখিত নির্দেশনা ১ থেকে নির্দেশনা ১৬ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিপালন করছে কিনা তা সম্পর্কে প্রতিবেদন সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতি ৩ মাস অন্তর হলফনামা সহকারে অত্র বিভাগের সংশ্লিষ্ট এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিল করবেন।

বুলিং ও র‍্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগ দাখিল এবং নিষ্পত্তির পদ্ধতি:
- বুলিং ও র‍্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগ ই-মেইল অথবা লিখিতভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বরাবর দাখিল করতে হবে।
- বুলিং ও র‍্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগ ই-মেইল অথবা লিখিতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রাপ্ত হওয়ার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ওই অভিযোগ প্রতিষ্ঠান প্রধান অনুচ্ছেদ ৪ এর আওতায় গঠিত কমিটির কাছে পাঠাবেন।
- বুলিং ও র‍্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রাপ্ত হওয়া সর্বোচ্চ ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে অনুচ্ছেদ ৪ এর আওতায় গঠিত বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত কমিটি তা তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছে দাখিল করবে।
- অনুচ্ছেদ-৪ এর আওতায় গঠিত বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত কমিটি থেকে প্রাপ্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে প্রাপ্তির ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে দণ্ডবিধি ৩৫৪, ৫০৩, ৫০৪ ও ৫০৯ ধারায় আইন অনুযায়ী মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান যদি উপরিউল্লিখিতভাবে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করবে।

হাইকোর্টের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
- সুশিক্ষিত, সৎ, দক্ষ এবং সচ্চরিত্রবান নাগরিক গঠন করতে হলে এর কারিগর তথা মাধ্যমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। যেন কোনোভাবেই অসৎ, দুশ্চরিত্র, দুর্ব্যবহারকারী এবং মানসিকভাবে অসুস্থ শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ না পান। কারণ মানসিকভাবে অসুস্থ, অসৎ, দুশ্চরিত্র, দুর্ব্যবহারকারী ব্যক্তিরা যদি শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ পান, তাহলে তাদের সংস্পর্শে আমাদের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য। এ বিষয়ে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে উপরিউল্লিখিত বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিয়োগ করলে অবশ্যই আমরা আমাদের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩ কে যুগোপযোগী এবং কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ২১ জন খ্যাতনামা, সর্বজন শ্রদ্ধেয় এবং বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি প্রণয়নের জন্য সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হলো। ওই কমিটির মেয়াদ থাকবে ০৩ বছর। কমিটির অন্যতম কাজ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩ কে বিশ্বের উন্নত দেশসমূহের সমপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উন্নত দেশসমূহের নীতিমালা এবং আইন পর্যালোচনা করে আমাদের আইনটিকে প্রতি বছর হালনাগাদ করা।
- প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি ০৩ মাস অন্তর অন্তর বাধ্যতামূলকভাবে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হলো।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩ কে দ্রুত পূর্ণ আইনের মর্যাদা দেওয়ার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া হলো।

Source/Credit: https://lawyersclubbangladesh.com/2025/09/10/bullying-ragging-prevention-law-bangladesh/




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধ নীতিমালা-২০২৩ কে আইন ঘোষণা করেছে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্....

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Six Squares Legal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share