The Legal Bliss

The Legal Bliss "Don't let legal issues stress you out. Let us handle it and bring you Legal bliss". Finding a solution to your legal problems shouldn't be complicated.

At Legal Bliss, we make it easy. Our team of skilled lawyers has the knowledge and experience to handle even the most complex legal matters with ease. We'll work with you every step of the way to ensure that your legal needs are met and you experience Legal Bliss. Services :

Litigation
1. Civil Matters
2. Criminal Matters
3. Family Matters
4. Alternative Dispute Resolution
Corporate:
1. Income Tax Services

স্বামী বা স্ত্রী তালাক যেই দিক না কেন, আইনানুসারে নোটিশ প্রদান বাধ্যতামূলক।..................................এবং...........
23/05/2026

স্বামী বা স্ত্রী তালাক যেই দিক না কেন, আইনানুসারে নোটিশ প্রদান বাধ্যতামূলক।
..................................এবং.................................
​যেখানে স্ত্রী নিজেই স্বামীকে তালাক দিয়ে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চেয়েছেন, সেখানে জোরপূর্বক তাকে স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া বা দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের রায় কার্যকর করা আইনত ভুল এবং বলবৎ অযোগ্য।
Reference:
DLR 51 (HD) 512.
BLD 20 (HD) 159.
MLR 5 (HD) 81.

মামলার পটভূমি:
​বিবাহ ও বিচ্ছেদ: ১৯৭৮ সালের ১ অক্টোবর শেরইন আক্তার (আবেদনকারী বা স্ত্রী) এবং মোঃ ইসমাইল (বিবাদী বা স্বামী) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দেনমোহর ধার্য করা হয়েছিল ৩৫,০০০ টাকা। পরবর্তীতে দাম্পত্য কলহের জেরে ১৯৯১ সালের ৫ জানুয়ারি স্ত্রী তার অর্পিত তালাকের অধিকার (তালাক-ই-তৌফিজ) প্রয়োগ করে স্বামীকে তালাক দেন।

​নোটিশ সংক্রান্ত জটিলতা:
তালাকের নোটিশটি যেখানে বিবাহ রেজিস্ট্রি হয়েছিল অর্থাৎ কুমিল্লার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু স্ত্রী তা না করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠান এবং একটি অনুলিপি (কপি) স্বামীকে দেন। স্বামী ওই সময় ঢাকার তেজকুনিপাড়ায় থাকতেন।

​নিম্ন আদালতের রায়:
স্বামী (মোঃ ইসমাইল) ১৯৯১ সালে ফ্যামিলি কোর্টে এই তালাককে অবৈধ দাবি করে এবং দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করেন। ফ্যামিলি কোর্ট এবং পরবর্তীতে অধস্তন জজ আদালত (Subordinate Judge) উভয় আদালতই স্বামীর পক্ষে রায় দেন। নিম্ন আদালতগুলোর যুক্তি ছিল— নোটিশ সঠিক জায়গায় (কুমিল্লার ইউনিয়ন পরিষদে) পাঠানো হয়নি, তাই তালাকটি বৈধ হয়নি এবং স্বামী দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকারী।

​হাইকোর্ট বিভাগের আইনি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত:

​অধস্তন আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে স্ত্রী হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করেন। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই চূড়ান্ত রায় দেন, যেখানে নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের প্রধান আইনি সিদ্ধান্তগুলো নিম্নরূপ:-

​ক. নোটিশের মূল উদ্দেশ্য এবং গ্রহণযোগ্যতা
​মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭(১) ও ৮ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী তালাক দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে এই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট 'নেলী জামান বনাম গিয়াসউদ্দিন' মামলার নজির টেনে বলেন:
​নোটিশ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বামী যেন জানতে পারেন যে তার স্ত্রী তালাকের অধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং প্রয়োজনে যেন সালিশি কাউন্সিল গঠন করে আপিল বা মীমাংসার চেষ্টা করা যায়।
​যেহেতু স্বামী নোটিশের অনুলিপি পেয়েছেন এবং তিনি স্পষ্টভাবে জানতেন যে স্ত্রী তাকে তালাক দিয়েছেন, তাই নোটিশ প্রেরণে সামান্য প্রশাসনিক ত্রুটি (কুমিল্লার বদলে ঢাকায় পাঠানো) থাকলেও তালাকটি অকার্যকর হয়ে যায় না। সাব-সেকশন (১) এর মূল উদ্দেশ্য এখানে বাস্তবায়িত হয়েছে।

​খ. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে
​হাইকোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক ও মানবিক পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন:
​"যেখানে স্ত্রী নিজেই স্বামীকে তালাক দিয়ে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চেয়েছেন, সেখানে জোরপূর্বক তাকে স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া বা দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের রায় কার্যকর করা আইনত ভুল এবং বলবৎ অযোগ্য।"

​আদালত উল্লেখ করেন যে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে স্বামীর সাথে সংসার করতে বাধ্য করা বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ এবং ৩১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

​চূড়ান্ত ফলাফল:

​তালাক বৈধ:
হাইকোর্ট ঘোষণা করেন যে, আবেদনকারী (স্ত্রী) কর্তৃক প্রদত্ত তালাক-ই-তৌফিজ সম্পূর্ণ বৈধ এবং কার্যকর হয়েছে।

​মামলা খারিজ:
নিম্ন আদালতের দেওয়া "দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার"-এর ডিক্রিটি বাতিল করা হয় এবং স্বামীর দায়ের করা মূল পারিবারিক মামলাটি পুরোপুরি খারিজ করে দেওয়া হয়।

“Where law meets integrity – every case deserves precision, every client deserves justice.”
02/10/2025

“Where law meets integrity – every case deserves precision, every client deserves justice.”

স্বচ্ছ কর রেকর্ড মানেই শক্তিশালী ভবিষ্যৎ। আজই রিটার্ন দাখিল করুন।🕰️ ৩০ নভেম্বরের আগে রিটার্ন দাখিল করুন-জরিমানা নয়, সম্ম...
02/10/2025

স্বচ্ছ কর রেকর্ড মানেই শক্তিশালী ভবিষ্যৎ। আজই রিটার্ন দাখিল করুন।
🕰️ ৩০ নভেম্বরের আগে রিটার্ন দাখিল করুন-জরিমানা নয়, সম্মান অর্জন করুন।

In the  library of the Noakhali Bar Association, Noakhali  after a hearing for a special case. Always a privilege to ser...
28/08/2025

In the library of the Noakhali Bar Association, Noakhali after a hearing for a special case. Always a privilege to serve our clients.

এই বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'জিরো রিটার্ন' বলে যে ধারণাটি প্রচলিত হয়েছে, আয়...
10/08/2025

এই বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'জিরো রিটার্ন' বলে যে ধারণাটি প্রচলিত হয়েছে, আয়কর আইনে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। করদাতার প্রকৃত আয়, ব্যয় ও সম্পদ না থাকলে এবং শুধুমাত্র শূন্য তথ্যের ভিত্তিতে রিটার্ন দাখিল করলে তা আইনত ভুল। করদাতাকে অবশ্যই তার প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় সঠিকভাবে উল্লেখ করে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তা না হলে এটি আয়কর আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।


ব্যক্তি করদাতাগণের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ⛔সতর্কতা: নিজে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে ...
03/08/2025

ব্যক্তি করদাতাগণের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

⛔সতর্কতা: নিজে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে নির্ভুলভাবে করুন, কারন ফাঁকি ধরা এখন অটোমেটেড হয়ে গেছে। বিশেষ করে গাড়ি, ব্যাংক, সন্চয়পত্র, ডিজিটালি রেজিষ্টার্ড যেকোনো কিছুর একসেস রাজস্ব বোর্ডের রয়েছে।

এফিডেভিট বা হলফনামা (Affidavit) বলতে আমরা সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হলফ বা শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি প্রদানকে বুঝি। প...
26/07/2025

এফিডেভিট বা হলফনামা (Affidavit) বলতে আমরা সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হলফ বা শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি প্রদানকে বুঝি। প্রাত্যহিক জীবনে আমাদের অনেক সময় এফিডেভিটের প্রয়োজন হয়ে থাকে। সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট ইত্যাদিতে নিজের নাম কিংবা মাতা-পিতার নামের ভুল সংশোধন, বয়স সংশোধন, কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা ইত্যাদি কারণে প্রায়ই এফিডেভিট বা হলফনামার প্রয়োজন হয়।

এফিডেভিট বা হলফনামা (Affidavit) যেভাবে করবেন :

যে ভুল সংশোধন করা প্রয়োজন কিংবা যা আপনি ঘোষণা দিতে ইচ্ছুক অর্থাৎ যে কারণে আপনি এফিডেভিট করবেন তা অবশ্যই ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী দিয়ে লিখিয়ে তাতে ছবি সংযুক্ত করে আপনি এফিডেভিট বা হলফনামা প্রদানকারী উক্ত এফিডেভিটে স্বাক্ষর দিয়ে সেটি ফটোকপি করে উভয় কপি একজন বিজ্ঞ আইনজীবীকে দিয়ে সত্যায়িত করে এখতিয়ার সম্পন্ন কোন প্রথম শ্রেণীর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উক্ত এফিডেভিট উপস্থাপন করতে হয়। উক্ত এফিডেভিট বা হলফনামা বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত শুনানী অন্তে আপনার এফিডেভিটটি গ্রহণ (Accept) করলে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট মূল স্ট্যাম্পে রেজিস্ট্রি নম্বর বসিয়ে তাতে তাঁর স্বাক্ষর ও সীল সংযুক্ত করে এফিডেভিটটি আপনি এফিডেভিট প্রদানকারী বরাবরে প্রদান করবেন। অর্থাৎ আপনার এফিডেভিটটি হয়ে গেল যা আপনি যেখানে প্রয়োজন ব্যবহার করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এফিডেভিটের একটি কপি জমা দিতে হয় যা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সংরক্ষিত থাকে। আপনি ইচ্ছে করলে এরূপ এফিডেভিটের বিষয়টি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য পত্রিকায় দিতে পারেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এফিডেভিট সরাসরি কোন নোটারী পাবলিকের নিকট গিয়েও করানো যায়।

১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সন্চয়পত্র ক্রয়ে লাগবে না আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমানপত্র।
23/07/2025

১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সন্চয়পত্র ক্রয়ে লাগবে না আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমানপত্র।

Chief Metropolitan Magistrate- CMM Court এর নতুন করে বন্টনকৃত CR আমলী আদালত।। যাহা আগামী ২৭/০৭/২০২৫ ইং তারিখ হতে কার্যকর...
23/07/2025

Chief Metropolitan Magistrate- CMM Court এর নতুন করে বন্টনকৃত CR আমলী আদালত।। যাহা আগামী ২৭/০৭/২০২৫ ইং তারিখ হতে কার্যকর হবে।

Address

16/10, Indira Road, Farmgate
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Legal Bliss posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to The Legal Bliss:

Share