Mushfikur Rahman & Associates

Mushfikur Rahman & Associates Laws are spider webs through which the big flies pass and the little ones get caught.

01/01/2026
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ❤️🇧🇩
16/12/2025

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ❤️🇧🇩

09/12/2025
27/07/2025

কীভাবে বুঝবেন মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে

👉 একটি মামলা সাধারণত ৬টি মূল পর্যায়ে (ধাপে) চলে, শুরু থেকে রায় বা নিষ্পত্তি পর্যন্ত। নিচে ধাপগুলো এবং সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝতে পারেন মামলাটি এখন কোন পর্যায়ে আছে, তা সহজ ভাষায় বোঝানো হলো:

---

🔴 ১. মামলা দায়ের বা রেজিস্ট্রেশন (Institution/ Filing)

কি হয়: বাদী (যে মামলা করে) আদালতে অভিযোগপত্র বা আবেদন জমা দেন।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট থেকে একটি মামলা নম্বর (Case Number) পাওয়া যাবে। এটি মানে মামলাটি গৃহীত হয়েছে।

---

🟠 ২. সমন ইস্যু ও জবাব (Summons and Written Statement)

কি হয়: প্রতিপক্ষকে আদালতে হাজির হতে বলা হয় (সমন পাঠানো হয়)। তারা উত্তর দেয় লিখিত আকারে (Written Statement)।
📌 কিভাবে বুঝবেন: আদালত থেকে বিবাদীপক্ষকে ডাক পাঠানো হয়েছে কিনা বা তারা উত্তর জমা দিয়েছে কিনা তা কোর্টে খোঁজ নিয়ে বা মামলার তারিখে দেখে বোঝা যায়।

---

🟡 ৩. ফ্রেমিং অব ইস্যু (Framing of Issues)

কি হয়: আদালত মামলার মূল প্রশ্ন বা বিতর্ক ঠিক করে দেয় — কিসের উপর সিদ্ধান্ত দিতে হবে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট অর্ডারে লেখা থাকে “Issue is framed” বা “Issue settled”।

---

🟢 ৪. গবেষণা ও সাক্ষ্য গ্রহণ (Evidence and Hearing)

কি হয়: দুই পক্ষ সাক্ষ্য দেয়, প্রমাণ দেয়। উকিলেরা জেরা করে। আদালত সব শোনে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: আদালতে সাক্ষীরা হাজির হয়, নোটে লেখা থাকবে “PW” (Prosecution Witness), “DW” (Defence Witness) ইত্যাদি।

---

🔵 ৫. আর্গুমেন্ট বা যুক্তিতর্ক (Argument)

কি হয়: উভয় পক্ষের উকিলরা যুক্তি উপস্থাপন করে – কে ঠিক আর কে ভুল তা বোঝানোর চেষ্টা করে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্টের অর্ডারে লেখা থাকবে “Argument heard” বা “Fix for Argument”।

---

⚫ ৬. রায় / আদেশ (Judgment or Order)

কি হয়: বিচারক সিদ্ধান্ত দেন কে সঠিক এবং কে ভুল, এবং আদেশ দেন কী হবে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট অর্ডারে লেখা থাকবে “Judgment delivered” বা “Fix for Judgment”।

---

✅ একজন সাধারণ মানুষ মামলার অবস্থান কীভাবে বুঝবে?

➤ ১. কোর্টের অর্ডার শিট দেখলে বোঝা যায়
যেমন:

"Summons issued" → ২য় ধাপে

"PW 1 examined" → সাক্ষ্য ধাপে

"Fix for argument" → যুক্তি ধাপে

"Judgment delivered" → রায় ধাপে

➤ ২. আইনজীবীর মাধ্যমে জানা যায়
→ আপনার উকিল কোর্টের পরবর্তী তারিখ ও কাজ সম্পর্কে জানাতে পারেন।

➤ ৩. অনলাইনে (ডিজিটাল কোর্ট হলে)
→ MyCourt App বা জুডিশিয়ারি ওয়েবসাইট থেকেও কেস ট্র্যাকিং করা যায়।

---
কপি

---

#মামলার_ধাপ #বাংলাদেশেরআইন

World Intellectual Property Day-2025 Seminar and Cultural Program Held on 30th April, 2025 Organized by Bangladesh Intel...
03/05/2025

World Intellectual Property Day-2025 Seminar and Cultural Program Held on 30th April, 2025 Organized by Bangladesh Intellectual Property Attorneys Association (BIPAA).

07/12/2024

কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে প্রাপ্তি স্বীকারোক্তিমূলক দলিল
কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়ে টাকা ঋণ নেওয়ার সময়ে যে দলিল দেওয়া হয়
কোলা ভূমি = বসত বাড়ি সংলগ্ন নাল জমি
কিত্তা = জমির অংশ
কিঃ = কিস্তি
খাইখন্দক = ডোবা, গর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমি
খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি (রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ এবং খসড়া ও খতিয়ানের কলাম/ ঘর পূরণ করে)
খারিজ = বাতিল
খিরাজ = কর/খাজনা
খং = খতিয়ান
গং = সকল
চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি
চৌঃ = চৌহদ্দি (চারদিকের সীমানা)
ছানি = পুনঃবিবেচনার জন্য প্রার্থনা
ছোলেনামা = মীমাংসা
জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয়
জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল
জমা বন্দী = খাজনার তালিকা
জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ব
জং/ আং = স্বামী
জঃ = জমা
জে. এল নং = গ্রাম/ মৌজা নম্বর
টাভার্স = ঘের জরিপ
ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকার বা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই
ডি.সি.আর (Duplicate Carbon Copy) = ভূমি কর ব্যতীত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর নির্ধারিত ফর্মে যে রশিদ দেওয়া হয়
তরমিম = শুদ্ধকরণ
তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি
তঞ্চকতা = প্রতারণা
তঃ/ তপঃ = তফসিল (বিক্রিত জমির তালিকা)
তমঃ = তমসুক (ঋণগ্রহীতা যে লিখিত পত্রে বিশেষত সরকারি স্ট্যাম্প বা ঋণ-স্বীকারপত্রে বা দলিলে ঋণদাতার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। অর্থাৎ, এক কথায় বন্ধকনামা হিসেবে পরিচিত)
তামাদি = নির্ধারিত সময়সীমা
তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ব
তৌজি = প্রাপ্য খাজনার বিবরণপত্র
দরবস্ত = সমুদয়
দাখিলা = খাজনার রশিদ
দাগ নং = জমি নম্বর
দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা
দিয়ারা = পলিমাটি দিয়ে গঠিত চর
দং = দখল
পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত
পর্চা = প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
পয়স্তি = পূর্বে যে জমি নদী বা সাগরে বিলুপ্ত হয়েছিল তা যদি পুনরায় চর রূপে জেগে উঠে
পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যম
পঃ = পঞ্চম বা পাঁচের স্থানীয়
পিং = পিতা
পোঃ = পোস্ট অফিস/ ডাকঘর
ফর্দ = দলিলের পাতা
বদল সূত্র/ এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো জিনিস বা জমি দিয়ে সমপরিমাণ অন্য জিনিস বা জমি গ্রহণ করা
বাস্তু = বসত ভিটা
বায়া = বিক্রেতা
বং = বকলম (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে)
বিং/ বিতং = বিস্তারিত
ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল
মং = মোট
মহঃ = মহকুমা (ব্রিটিশ আমলে জেলার একটি প্রশাসনিক অংশকে মহকুমা বলা হত)
মাং/ মাঃ = মারফত (মাধ্যম)
মোং = মোকাম (দোকান বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়)
মুসাবিদা = খসড়া তৈরি করা
মৌজা = গ্রাম
মৌরশী ভূমি = পৈত্রিক সম্পত্তি (পুরুষানুক্রমে কোনো জমি ভোগদখল করা)
নিং = নিরক্ষর
সহঃ = সহকারী
সাং = ঠিকানা
সুদিখত = এক প্রকার বন্ধকনামা/ বন্ধকী দলিল
হাল/ অধুনা = বর্তমান
হিঃ = হিসাব
নথি = রেকর্ড
নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি
নিম = অধীন
রায়ত = প্রজা/ কৃষক
রোক = নগদ
আধি/ বর্গ = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখলে তাকে আধি বা বর্গ বলে
আসলি = মূল ভূমি
ইজারা = ঠিকা (নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুকের বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া)
ইশতেহার/ ইস্তেহার = ঘোষণাপত্র
ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি
এজমালি = যৌথ মালিকানা
হেবা বিল এওয়াজ = কোনো জিনিসের পরিবর্তে জমি দান করা
একুনে = যোগফল/ সমষ্টি

04/12/2024

জমির রেকর্ড বা খতিয়ান কেন সংশোধন করবেন? কিভাবে করবেন?

ধরুন আপনার জমি আপনি মালিক, দখলেও আছেন কিন্তু খতিয়ানে একই ভূমি অন্যের নামে লিপিবদ্ধ হয়েছে বা করণিক ভুল থাকে তখন আপনি কী করবেন?

সর্বশেষ চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত রেকর্ডের করনিক ভুল (ছোট ভুল) সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড হিসেবে কাজ করেন তিনিই সংশোধন করতে পারেন।

এইজন্য আপনাকে খতিয়ানে দৃষ্ট #করণিক ভুল সংশোধনের জন্য প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর পূর্ববর্তী জরিপের কাগজপত্র, প্রাথমিক #খাজনা বিবরণী, কালেক্টরের দপ্তরে সংরক্ষিত খতিয়ানের কপি এবং ২ নং রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা ক্রমে এবং তিনি যে ধরনের অনুসন্ধান প্রয়োজন মনে করেন, তা করে এরূপ করণিক ভুল সংশোধনের নির্দেশ দেবেন। #কালেক্টর কর্তৃক বা ইউনিয়ন (ভূমি) সহকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সংরক্ষিত খতিয়ান এবং ২ নম্বর রেজিস্ট্রার অনুযায়ী সংশোধন করার নির্দেশ প্রদান করত সংশোধনলিপির কপি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রদান করবেন।

সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্তৃক বিবেচনাযোগ্য করণিক ভুলের মধ্যে নামের ভুল, অংশ বসানোর হিসেবে ভুল, দাগসুচিতে ভুল, ম্যাপের সংঙ্গে রেকর্ডের ভুল, জরিপকালে বাবার মৃত্যুর কারণে সন্তানদের নামে সম্পত্তি রেকর্ড হবার কথা থাকলেও জরিপকারকদের ভুল বা অজ্ঞাত কারণে তা মূল প্রজা বা বাবার নামে রেকর্ড হওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এসব ক্ষেত্রে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে থেকে প্রতিবেদন পাঠানোর পর যার নামে খতিয়ানে ভুল নাম এসেছে বা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ প্রদান করা হয়। তারপর একটি নির্ধারিত তারিখে উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ ও দাখিলিয় গজপত্রাদি বিবেচনায় কোনো আপত্তি না থাকলে খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধনের আদেশ দেওয়া হয়। সংশোধিত আদেশ অনুসারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সংশোধিত খতিয়ান প্রস্তুত করে পেশ করেন এবং কানুনগো প্রয়োজনীয় রেকর্ড সংশোধন করেন।

আবেদনের সাথে যেসব কাগজপত্র জাম দিতে হবে:
১। সর্বশেষ নামজারি, সিএস, আর.এস, এসএ, বিএস, খতিয়ানের সত্যায়িত ফটোকপি/ সার্টিফাইড কপি
২। সংশ্লিষ্ট মৌজার এসএ ও বিএস মৌজা ম্যাপ
৩। ওয়ারিশ সনদপত্র ((প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) [অনধিক ০৩ মাসের মধ্যে ইস্যুকৃত]
৪। মূল দলিলের ফটোকপি/ সার্টিফাইড কপি( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
৫। সর্বশেষ জরিপের পর থেকে ভায়া/পিট দলিল(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
৬। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা পত্র
৭। আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রির সার্টিফাইড কপি
৮। আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রি থাকলে আরজির সার্টিফাইড কপি
৯। বিএস জরিপের #মাঠপর্চা ডিপি খতিয়ান ইত্যাদি

খতিয়ান সংশোধন ফি ১১৫০ টাকা জমা দিয়ে #ডিসিআর এবং সংশোধিত খতিয়ানের কপি উপজেলা/সার্কেল ভূমি অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

আদালতের মাধ্যমে রেকর্ড সংশোধন -

কিভাবে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত একটি খতিনের ভুল সংশোধন করা যায়ঃ-
চূড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশিত হয়ে গেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে #সেটেলমেন্ট অফিসার রেকর্ড সংশোধন করতে পারে, যেমন উক্ত ভুলগুলো যদি হয় শুধুমাত্র কারণিক ভুল / প্রিন্টিং -এ ভুল সেক্ষেত্রে এধরনের সামান্য ভুল গুলো অবশ্য সেটেলমেন্ট অফিসার সংশোধন করতে পারে, তবে অন্যান্য সকল প্রকারের ভুল সংশোধনের ক্ষমতা একমাত্র কোর্টের।

মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আইনজীবীকে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে / দেওয়ানী আদালতে রেকর্ড সংশোধনীর জন্য একটি “ঘোষণা মূলক” মোকাদ্দমা করতে হবে।উল্লেখ্য, ভুলক্রমে কোনো ব্যক্তির জমি ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে একই পদ্ধতিতে তা সংশোধন করতে হয়।

ভূমি রেকর্ড সংশোধন করতে আপনার ২-৩ বছর লেগে যেতে পারে, খতিয়ান ভুল এই মর্মে আদালত ডিক্রি/রায় দিলে সেই ডিক্রির সার্টিফাইড কপি নিয়ে খতিয়ান সংশোধনের জন্য সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে।সেটেলমেন্ট অফিসার রেকর্ডটি সংশোধন করে নতুন করে একটি রেকর্ড প্রকাশ করবে।
#খতিয়ান
#এসিল্যান্ড
#রেকর্ড_সংশোধন
সংগৃহীত

আপনি অবাক হবেন ???কোনো দালাল  লাগবেনা খুবই কম খরচে নিজে নিজেই ঘরে বসেই  নামজারি করার পদ্ধতি শিখুন আমরা জানি নামজারি বা ম...
03/12/2024

আপনি অবাক হবেন ???
কোনো দালাল লাগবেনা খুবই কম খরচে নিজে নিজেই ঘরে বসেই নামজারি করার পদ্ধতি শিখুন
আমরা জানি নামজারি বা মিউটেশন জমির মালিকানা বৈধ করার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
Read More>https://www.mobileshopreview.xyz/2024/11/Driving%20License.html
বা প্রক্রিয়া। আর জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি বাধ্যতামূলক। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি এখন ঘরে বসেই নামজারি করার পদ্ধতি ও খরচ কেমন হবে তা উল্লেখ করা হলো।
নামজারি করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
1. জমির দলিলের সার্টিফাইড/মূল কপি।
2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।
3. ওয়ারিশান সনদের কপি (ওয়ারিশ সূত্রে জমি পেলে)।
4. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।
5. কর/খাজনার রশিদ।
6. ছবি ও মোবাইল নম্বর।
নামজারি প্রক্রিয়া (ধাপগুলো)
১ম ধাপ:
ভিজিট করুন: mutation.land.gov.bd।
অনলাইনে আবেদন পূরণ করে জমা দিন। সফল হলে কেস নম্বর ও এসএমএস পাবেন।
২য় ধাপ:
আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে।
তদন্ত শেষে সঠিক থাকলে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।
৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
শুনানি শেষে ডিসিআর ফি (১১৭০ টাকা) পরিশোধ করুন।
কিউআর কোডসহ নামজারি কপি ডাউনলোড করুন।
সময় ও খরচ
সময়: সাধারণত ১৫-৩০ দিন।
মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।
সহায়তা ও তথ্য
কল সেন্টার: 16122।
ওয়েবসাইট: hotline.land.gov.bd।
নিজের জমি বৈধ করতে নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। দালাল ছাড়াই সহজ উপায়ে অনলাইনে আবেদন করুন।
#নামজারি #ই-নামজারি #জমিরমালিকানা
#ভূমিঅফিস #ইউনিয়নভূমিঅফিস

অন্যের সাহায্য ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন: ২০২৫ সালে সহজে আবেদন করার পূর্ণাঙ্গ গাইড

02/12/2024

আপনি একখন্ড জমি কিনেছেন, কিন্তু বিক্রেতা যে দলিল মূলে সম্পত্তির মালিক হয়ে আপনার নিকট জমি বিক্রয় করেছিল, সেটি জাল দলিল। এখন আপনার সম্পত্তি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা সৃষ্টি হবে। ফলাফল আপনার কষ্টার্জিত টাকায় কেনা জমিটি আপনার হাত ছাড়া হবে। তাই জমি ক্রয়ের পূর্বে জেনে রাখুন জাল দলিল চেনার উপায়ঃ
নিম্নলিখিত উপায়ে জাল দলিল সনাক্ত করা যেতে পারেঃ
১। বিক্রেতার কাছ থেকে তার মালিকানার সঠিকতা প্রমানের জন্য সব ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। এরপর কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে প্রথমে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দেখতে হবে যে, দলিলটির রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হয়েছে কি-না অর্থাৎ বালাম বহিতে নকলকরন কাজ শেষ হয়েছে কি-না। রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ না হয়ে থাকলে দলিলটি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা মুল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে। রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে বা জেলা সদরের রেকর্ড রুমে সংরক্ষণ করা বালাম বহির সাথে দলিলটি মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্ট ফিস প্রদান করে দলিলটি ‘তল্লাশ ও পরিদর্শনের’ জন্য নির্দিষ্ট আবেদন ফর্মে আবেদন করতে হবে।
২। সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লিখিত জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এক্ষেত্রে সি,এস, খতিয়ানকে ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে। সি,এস, খতিয়ানের সঙ্গে বিক্রেতার নামজারি খতিয়ানের কোনো গরমিল থাকলে জাল-জালিয়াতি আছে মর্মে ধরে নিতে হবে।
৩। সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লিখিত জমির মাঠপর্চাও যাচাই করতে হবে। এক্ষেত্রে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট ফিস প্রদান করে আবেদনের মাধ্যমে মাঠপর্চা উঠিয়ে যাচাই করতে হবে। সংশ্লিষ্ট জমির মাঠপর্চা অন্য ব্যক্তির নামে হলে সেখানে জাল-জালিয়াতি আছে মর্মে ধরে নিতে হবে।
৪। দলিলটি “হেবার ঘোষণাপত্র” বা “দানের ঘোষণাপত্র” হলে সেক্ষেত্রে দাতা-গ্রহিতার সম্পর্ক পরিক্ষা করতে হবে। এ ধরনের দলিল নির্দিষ্ট কয়েকটি সম্পর্কের মধ্যে হয়ে থাকে। যথা- স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে, পিতা-মাতা ও ছেলে-মেয়ের মধ্যে, আপন ভাই-বোনের মধ্যে, নানা-নানী ও নাতি-নাতনীর মধ্যে, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনীর মধ্যে। এ কয়েকটি সম্পর্কের বাইরে এ দুই ধরনের দলিল রেজিস্ট্রি হলে তা সঠিক হবে না এবং এ ধরনের দলিল মুলে প্রাপ্ত জমি ক্রয় করা যাবে না।
৫। মুল মালিকের স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করতে হবে।
৬। রেজিস্ট্রি অফিসের সীল জাল করে জাল দলিল তৈরি হলে প্রয়োজনে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে বিভিন্ন সীল পরীক্ষা করতে হবে।
৭। সম্প্রতি রেজিস্ট্রি করা কোন দলিলের লেখককে জিজ্ঞাসা করেও জাল দলিল সনাক্ত করা যেতে পারে।
৮। দলিলটি সাম্প্রতিক রেজিস্ট্রিকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্ণি দলিল হলে সেটি নির্দিষ্ট ফরমেটে প্রস্তুত কিনা যাচাই করুন। কারন বর্তমানে ১৯ টি কলামে দলিলটি প্রস্তুতের বিধান রয়েছে।
৯। সি,এস, জরিপ পরবর্তী সময়ে জমিটি যতবার বিক্রি বা অন্যভাবে হস্তান্তর হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি-না, তা যাচাই করুন।
১০। দলিলে ব্যবহৃত নন-জুডিসিয়াল স্টাম্প সাধারনত সনদপ্রাপ্ত কোন স্টাম্প-ভেন্ডারের কাছ থেকে কেনা হয়। স্টাম্প-ভেন্ডারগণ এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট রেজিস্টার বহিতে স্টাম্প ক্রেতার নাম লিখে রাখেন এবং স্টাম্পে নির্দিষ্ট নম্বর ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রে স্টাম্প ভেণ্ডারের মাধ্যমে স্টাম্প ক্রেতার নাম ও ব্যবহৃত নম্বর পরীক্ষা করে জাল দলিল সনাক্ত করা যায়।

#জমি #ভূমিসেবা #ভূমি #ভাইরালভিডিওシ #জমি_মাপা #জমি_পরিমান #জমি_ক্রয় #জমির #জমিদার #খতিয়ান #পর্চা #দাগ #সার্ভে #নামজারি

Address

Dhaka Bar Association Bhaban, Room No. 703 (7th Floor) 6-7, Court House Street, Kotwali, Dhaka-1100
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mushfikur Rahman & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category