Azad & Company

Azad & Company A law Firm committed to professional excellence

15/01/2023
নতুন ভূমি আইনে প্রস্তাবিত অপরাধ গুলো দেখে নিন..…...…ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব ...
03/01/2023

নতুন ভূমি আইনে প্রস্তাবিত অপরাধ গুলো দেখে নিন..…...…
ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সরকার,,
প্রকাশিতঃ- ২৪ জানু ২০২২ ইং
👉 জাল দলিল তৈরি:
যদি কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাসভূমি বা কোন প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল জাল করেন, তাহলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
👉 মালিকানার অতিরিক্ত জমির দলিল সম্পাদন:
কোন ব্যক্তি যদি যতটুকু জমির মালিকানা রয়েছে, তার চেয়ে বেশি জমির দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 একই জমি একাধিকবার বিক্রয়:
কোন ব্যক্তি যদি তার বিক্রিত জমি পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।
👉 বায়নাকৃত জমির পুনরায় চুক্তি করা:
বিক্রয় চুক্তি বা বায়না চুক্তি করার পর অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে আবার চুক্তি করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
👉 ভুল বুঝিয়ে দানপত্র:
ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অথবা প্রতারণা করে যদি কোন ব্যক্তি অন্য আরেকজনের কাছ থেকে জমির দান দলিল করেন, তাহলে সেটা একটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের নামে দলিল:
উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দলিল করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।
👉 সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি:
উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করলে সেটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।
👉 অবৈধ দখল
বৈধ কাগজপত্র না থাকার পরেও কেউ যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারি খাস ভূমি বা কোন সংস্থার জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য এক বছর থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 সহ-উত্তরাধিকারীর জমি দখল করে রাখা
কোন ব্যক্তি যদি তার শরীক বা সহ-উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
👉 অবৈধভাবে মাটি কাটা, বালি উত্তোলন:
বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারির ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ ইত্যাদি থেকে মাটি বা বালু উত্তোলন করলে (কোন ক্ষতি হোক বা না হোক) অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।
👉 জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করার শাস্তি:
বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি করলে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 বিনা অনুমতিতে জমির উপরের স্তর কেটে নেয়া:
জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি উপরের স্তর থেকে মাটি উত্তোলন করা বা করানো হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 অধিগ্রহণের পূর্বে অতিরিক্ত মূল্যে জমির দলিল:
কোন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে, এমন খবর জানতে পেরে কেউ যদি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে ভূমি নিবন্ধন করেন, তাহলে সেটি একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 জনসাধারণের ব্যবহার্য বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জমি দখল:
খেলার মাঠ, জলাশয়, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, দরগা, শিক্ষা বা ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দাতব্য বা জনপ্রতিষ্ঠানের জমি দখল, সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা বা করতে সহায়তা করলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।
👉 বিনা অনুমতিতে পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বসতি:
অনুমতি ছাড়া কোন পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বা পাহাড়ে বসতি স্থাপন করা হলে তাকে যেকোনো সময় উচ্ছেদ করা যাবে। অবৈধভাবে বসতি স্থাপনের জন্য তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।
👉 রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর সংক্রান্ত অপরাধ:
একই জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল করে দেয়া, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে জমির দলিল দিতে না পারা, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারা, ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হলেও দলিল দিতে ব্যর্থ হওয়া-ইত্যাদি কর্মকাণ্ড অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ থেকে লক্ষ র্টাকা পযন্ত জরিমানা হতে পারে।
👉 চুক্তির পর ভূমি মালিককে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেয়া:
জমির মালিকের সঙ্গে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি চুক্তি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমি মালিকের অংশ তাকে বুঝিয়ে না দিলে বা দখল না দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 সরকারি-বেসরকারি বা সংস্থার জমির বেআইনি দখল:
এরকম কর্মকাণ্ড করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির ক্ষতি:
মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা, অন্য কোন পদার্থ বা উপায়ে বা অবকাঠামো নির্মাণ করে নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির আংশিক ক্ষতি করা হলে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড, অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
আর সম্পূর্ণ ক্ষতি করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 অবৈধ দখল গ্রহণ ও বজায় রাখতে পেশিশক্তি:
অস্ত্র প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি ইত্যাদি দেয়া হলে সেটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।
সেজন্য ছয় মাস থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 পুনরায় অপরাধ করা:
এই আইনের অধীন কোন অপরাধে একবার সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় সেই অপরাধ করলে আগে যে ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তার দ্বিগুণ শাস্তি হবে।
👉বেশি জমি লিখিয়ে নেয়া:
এক্ষেত্রে যদি জমির পরিমাণ এক একরের বেশি হয় এবং ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার জড়িত থাকে, তাহলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 প্রতিবেশী ভূমি মালিকের ক্ষতিসাধন:
কেউ যদি সহ-মালিক বা পাশাপাশি থাকা জমির ক্ষতি করেন, বা কোন পরিবর্তন আনেন, তাহলে এক বছর থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা:
এই আইনের বর্ণনা করা যেকোনো অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করলে সেই ব্যক্তিরও অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তির মতো সাজা হবে।

03/01/2023

জমিতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আছে কিনা জমি ক্রয়ের আগে মর্টগেজ তথ্য যাছাই করে নিন।

অদ‍্য ০১/০১/২০২৩ইং তারিখ হইতে সম্পত্তির সর্বনিম্ন বাজার মূল্য নির্ধারণ  বিধিমালা ২০১০ অনুযায়ী সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন করতে...
01/01/2023

অদ‍্য ০১/০১/২০২৩ইং তারিখ হইতে সম্পত্তির সর্বনিম্ন বাজার মূল্য নির্ধারণ বিধিমালা ২০১০ অনুযায়ী সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং তারিখে আমাদের চেম্বার আজাদ এন্ড কোম্পানী এবং স্পেনভিত্তিক ল’ চেম্বার SFT Servicios Juridicos S.L...
19/09/2021

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং তারিখে আমাদের চেম্বার আজাদ এন্ড কোম্পানী এবং স্পেনভিত্তিক ল’ চেম্বার SFT Servicios Juridicos S.L.P এর মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উভয় চেম্বার এখন থেকে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড, লেবার রাইটস, আরবিট্রেশন, ইমিগ্রেশন, ট্যাক্স, প্রপার্টি প্রভৃতি বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করবে। ফলে এখন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের স্পেনভিত্তিক যেকোন আইনি সহযোগিতা আমাদের চেম্বার প্রদান করতে সক্ষম। স্পেনে বসে ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা সম্পত্তি সম্পর্কিত যেকোন পরামর্শ প্রদানে আমাদের চেম্বার প্রস্তুত; আর এ বিষয়ে আমাদেরকে সর্বদা সহযোগিতা দিয়ে যাবে SFT‘র প্রধান নির্বাহী David Figueras Batet।

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি ও ব্যাংক কোম্পানি আইনের বর্তমান সংশোধনমোঃ আবুল কালাম আজাদঅ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশআজাদ এন্...
20/05/2021

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি ও ব্যাংক কোম্পানি আইনের বর্তমান সংশোধন

মোঃ আবুল কালাম আজাদ
অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ
আজাদ এন্ড কোম্পানি

নিকট অতীতেও বিভিন্ন কারণে ব্যাংক কোম্পানি আইন কয়েকদফা সংশোধন করা হয়েছে। কিন্তু যে লাউ সে কদু’র মতো সংশোধন হওয়ার আগেও যে অবস্থা পরেও সে অবস্থা বিরাজ করতে থাকায় যে উদ্দেশ্যে আইনটি সংশোধন করা হয়েছিলো সে উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে আইনটি থেকে সরকার ও জনগন তেমন কোন সুফল পায়নি। যাহোক, বর্তমান সংশোধিত আইনটির নাম ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) আইন ২০২১। আইনটি মাত্র দু’দিন আগে মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ আইনের রূপ নিবে।

সরকারের প্রেস ব্রিফিং ও আইনটির খসড়া থেকে আইনটি প্রণয়নের কয়েকটি কারণ জানা যায়। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হলো- দেশে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি কমিয়ে আনা এবং এশ্রেণির ঋণখেলাপিদের উপর কতিপয় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা। এছাড়াও দূর্বল ব্যাংকের অবসায়ন ও পরিচালকদের মধ্যে ন্যূনতম এক-পঞ্চমাংশ স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করা। তবে আইনজীবি হিসেবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় উদ্বেগের কারণ হলো ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি কিভাবে নির্ধারণ করা হবে তা নিয়ে।

বাংলাদেশে ঋণগ্রহীতাদের একটি বড় অংশ যে গৃহিত ঋণ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিশোধ করে না তার অন্যতম বড় উদাহরণ ও ফলাফল হলো বর্তমান সংশোধিত আইনটি। ফলে সরকারও স্বীকার করতে বাধ্য হলো যে, ঋণগ্রহণকারীদের একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণখেলাপিতে পরিণত হচ্ছে। এছাড়াও আইনজীবি হিসেবে আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে, অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণগ্রহণের পর সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণ পরিশোধ করতে গড়িমসি করে এবং ঋণ-প্রদানকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট বিভিন্ন খোঁড়া অজুহাত পেশ করে ঋণের অর্থ পরিশোধ করে না। ফলশ্রতিতে প্রশ্ন জাগে যে, এদের বিরুদ্ধে সরকার কেন কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না? যে দু’চারটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেগুলোও কেন কার্যকর করা সম্ভব হয় না?

বাই দ্য ওয়ে, নতুন আইনের এসব ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের উপর কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে? আইনে বলা হয়েছে তারা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবে না, তাদের গাড়ি-বাড়ি নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে, তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো সম্মাননা পাবে না কিংবা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের যোগ্য বলেও বিবেচিত হবে না। এমনকি পেশাজীবী, ব্যবসায়িক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক সংগঠনের কোনো পদেও থাকতে পারবে না তারা। এছাড়াও ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঐ তালিকা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর পাঁচ বছর না যাওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যাংক কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হতে পারবে না। যে নিষেধাজ্ঞাগুলো ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের ক্ষেত্রে জারী হবে তা কিছুটা সন্তোষজনক হলও প্রধান চ্যালেঞ্জ কিন্তু ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি নির্ধারণ করা। রুই-কাতলা বাদ দিয়ে দু’চার চুনোপুঠিকে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি দেখালে যে লাউ সে কদুই

তবে আমার উদ্বেগের জায়গা হলো ‘ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি’ কারা তা নির্ধারণ করা হবে কিভাবে তা নিয়ে। নতুন আইনে বলা হয়েছে যে, যিনি নিজের বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে নামে-বেনামে বা অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তা পরিশোধ করবেন না, তিনিই ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি। আর ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তালিকা তৈরির দায়িত্বটা ন্যস্ত রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। এস্থলে এটা অনুমেয় করা স্বাভাবিক যে, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের অধিকাংশ অতি প্রভাবশালী হওযায় বাংলাদেশ ব্যাংক নিরপেক্ষভাবে তালিকা তৈরি করতে পারবে কিনা। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তালিকা তৈরি করতে করতে অনিয়ম করলে বা সরকারের চাপে কাউকে বাদ দিলে আইনটি প্রণয়নের উদ্দেশ্য মাঠেই মারা পড়বে। শেষ কথা হলো, সংশোধনের উদ্যোগটি শুভ হলেও ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি চিহ্নিত করাটাই হবে সরকারের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ।

Every single issue of BiLD Law Magazine contains a campus profile highlighting the positive sides of any one selected un...
17/02/2021

Every single issue of BiLD Law Magazine contains a campus profile highlighting the positive sides of any one selected university from Bangladesh. In the first issue of second volume, the then lecturer of law, Most Shamsun Nahar, canvassed the significant environment of study in the department of law of Bangladesh University focusing the beautiful campus with her insightful writing. You can also read the pdf version from here: https://drive.google.com/.../1-hYl57KdOCyhqhat3YCBZQ.../view

Md. Abu Hanif, a joint district judge of Bangladesh Judiciary has penned about adjudication of maritime claims of our co...
15/02/2021

Md. Abu Hanif, a joint district judge of Bangladesh Judiciary has penned about adjudication of maritime claims of our country by this column. The whole writing is a blessed outcome of his sincerity. The columnist went on issues, prospects and challenges in adjudication of maritime claims. You can also read the pdf version here in this link: https://drive.google.com/.../12vYdQtvwNOy0CM30scTYn5.../view

Former UODA lecturer Sazzad Alam is a big contributor of growing Environmental Law in Bangladesh. He is regularly contri...
14/02/2021

Former UODA lecturer Sazzad Alam is a big contributor of growing Environmental Law in Bangladesh. He is regularly contributing columns, research papers and other write up in several wings of Environmental Law. This time here in BiLD Law Magazine 2(1), he canvassed the positive and negative aspects of 5G Mobile Network on human and animal health. You can also read the pdf version here in this link: https://drive.google.com/.../1DEd5o6Zt.../view

This write up is about blue economy. Ms Nishat Tarannum canvassed the notion of blue economy and seafaring under interna...
11/02/2021

This write up is about blue economy. Ms Nishat Tarannum canvassed the notion of blue economy and seafaring under international perspective while she was an associate lawyer at Azad & Company. Currently she is a teaching law as a lecturer at Peoples' University of Bangladesh. You can also find the pdf version here in this link: https://drive.google.com/file/d/1Azr7whDhkoH8vBIE4f8WdkWYFOERL50A/view

A write up of ANM Ashiqur Rahman Khan, a former associate researcher of Bangladesh Institute of Legal Development (BiLD)...
09/02/2021

A write up of ANM Ashiqur Rahman Khan, a former associate researcher of Bangladesh Institute of Legal Development (BiLD).

Address

Azad & Company, K. R. Plaza (6th Floor), 31, Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azad & Company posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Azad & Company:

Share