Karar & Associates

Karar & Associates Karar & Associates is a full service law firm. The legal Practice of Law & Legal Associates covers a vast area of legal arena. Quality in everything we do.

Our Approach

We have a modern innovative approach in the field of legal arena but still retain the traditional values of loyalty, commitment and service. At Karar & Associates we work hard to earn and maintain our clients trust and confidence. We provide quality professional services in an independent, objective, and ethical manner.

নিজের জমি অন্যের দখলে থাকলে আইনগতভাবে উদ্ধার করার জন্য বাংলাদেশে করণীয় ধাপগুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো 👇🏡 নিজের জমি দ...
24/12/2025

নিজের জমি অন্যের দখলে থাকলে আইনগতভাবে উদ্ধার করার জন্য বাংলাদেশে করণীয় ধাপগুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো 👇

🏡 নিজের জমি দখলমুক্ত করার সঠিক উপায়

১️⃣ কাগজপত্র ঠিক করুন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)

▪️প্রথমেই নিশ্চিত করুন—
▪️মূল দলিল (খতিয়ানসহ)
▪️সর্বশেষ নামজারি (Mutation)
▪️ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রশিদ
▪️RS / CS / SA / BS খতিয়ান (যেটা প্রযোজ্য)

👉 এগুলো ছাড়া মামলা জেতা প্রায় অসম্ভব।

২️⃣ ভূমি অফিসে রেকর্ড যাচাই করুন

▪️সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে গিয়ে খতিয়ান যাচাই করুন
▪️অনলাইনে চাইলে 👉 land.gov.bd
▪️দখলকারী নিজের নামে ভুয়া নামজারি করেছে কি না সেটাও চেক করুন

৩️⃣ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন

যদি—

▪️জোরপূর্বক দখল
▪️ফসল নষ্ট
▪️হুমকি বা মারধরের আশঙ্কা থাকে

👉 নিকটস্থ থানায় জিডি করুন
📌 এটি পরবর্তীতে মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে

৪️⃣ আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠান

একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবী দিয়ে দখলদারকে—

জমি ছাড়ার লিগ্যাল নোটিশ পাঠান
অনেক সময় এখানেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়

৫️⃣ দেওয়ানি আদালতে মামলা করুন

যদি দখল না ছাড়ে তাহলে—

📌 মামলা করতে হবে:

▪️দখল উদ্ধার মামলা (Recovery of Possession Suit)
▪️প্রয়োজনে স্বত্ব ঘোষণা মামলা

📍 আদালত:

সিনিয়র সহকারী জজ আদালত / যুগ্ম জেলা জজ আদালত

৬️⃣ আদালতের রায় অনুযায়ী জমি উদ্ধার

আদালতের রায় পেলে
কোর্টের নাজির / পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় জমি দখলমুক্ত করা হয়

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

❌ নিজে আইন হাতে নেবেন না
❌ জোর করে দখল নিতে গেলে উল্টো মামলা হতে পারে
✅ সবকিছু আইন অনুযায়ী করুন

📌 বিশেষ টিপস

পুরনো জমি হলে অবশ্যই RS ও SA খতিয়ান মিলিয়ে দেখুন
জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাগজে সামান্য ভুল থাকলেও মামলা জটিল হয়
প্রয়োজনে ভূমি জরিপকারী (আমিন) দিয়ে ম্যাপ করান

#জমি_দখল‌ ্ধার #ভূমি_আইন
#জমির_সমাধান #বাংলাদেশ_ভূমি
ানুন

20/12/2025
12/12/2025

সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রাপ্তির আইনগত প্রক্রিয়া:-
আইনি ভিত্তি (Legal Basis)

সাকসেশন সার্টিফিকেট সংক্রান্ত আইন হলো —The Succession Act, 1925.Section 370 to 390 — সার্টিফিকেট প্রাপ্তি, প্রক্রিয়া ও আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাকসেশন সার্টিফিকেট কী?

সাকসেশন সার্টিফিকেট হলো এমন এক নথি যা আদালত কোনো মৃত ব্যক্তির বৈধ উত্তরাধিকারীকে প্রদান করে, যাতে সে মৃত ব্যক্তির স্থাবর (movable) সম্পত্তি — যেমন ব্যাংক জমা, বীমার টাকা, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি — উত্তোলন ও দাবি করতে পারে।(রেফারেন্স: Section 370(1), Succession Act, 1925)

কোন আদালতে আবেদন করতে হয়:

সাকসেশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হয় — District Judge Court অর্থাৎ জেলায় অবস্থিত দেওয়ানি জেলা বিচারক আদালতে।(রেফারেন্স: Section 371, Succession Act, 1925 -"The District Judge within whose jurisdiction the deceased ordinarily resided at the time of death shall have jurisdiction to grant the certificate."

আবেদনকারী কে হতে পারেন:
মৃত ব্যক্তির—
- স্ত্রী/স্বামী
-সন্তান
-পিতা/মাতা
- বা অন্য কোনো আইনগত উত্তরাধিকারী (Legal heir)
(রেফারেন্স: Section 372(1)(f), Succession Act, 1925)

আবেদনে যা যা উল্লেখ করতে হবে :-

-মৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও মৃত্যুর তারিখ
-আবেদনকারীর নাম ও সম্পর্ক
-উত্তরাধিকারীদের তালিকা
-দাবিকৃত সম্পত্তির বিবরণ (যেমন: ব্যাংক একাউন্ট, বীমা, শেয়ার ইত্যাদি)
-মৃত ব্যক্তির স্থাবর সম্পত্তি কোথায় আছে (রেফারেন্স: Section 372(1)(a–f))

কোর্ট ফি (Court Fee):

আবেদনের সাথে নির্ধারিত Court Fee দিতে হয়, যা Court Fees Act, 1870 অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।সাধারণত সম্পত্তির মূল্য অনুযায়ী ফি ধার্য হয়।

নোটিশ জারি (Notice to Heirs):

আদালত প্রথমে আবেদনটি গ্রহণ করলে নোটিশ জারি করে মৃত ব্যক্তির অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের কাছে, যাতে কেউ আপত্তি করতে চাইলে করতে পারে।( রেফারেন্স: Section 373(1), Succession Act, 1925)

আপত্তি ও শুনানি (Objection & Hearing):

যদি কেউ আপত্তি করে, তবে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে যাচাই করে প্রকৃত উত্তরাধিকারী কে, এবং আবেদনকারীর দাবির বৈধতা পরীক্ষা করে।

সার্টিফিকেট ইস্যু (Grant of Certificate):🔖

যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে আবেদনকারীই প্রকৃত উত্তরাধিকারী, তবে আদালত সাকসেশন সার্টিফিকেট ইস্যু করে দেয়।(রেফারেন্স: Section 373(3), Succession Act, 1925)

সার্টিফিকেটের ক্ষমতা (Effect of Certificate):

সার্টিফিকেটধারী (Certificate-holder) বৈধভাবে মৃত ব্যক্তির চলমান সম্পত্তি দাবি, গ্রহণ, বা হস্তান্তর করতে পারে।(রেফারেন্স: Section 381, Succession Act, 1925)

নিরাপত্তা প্রদান (Security Bond):

আদালত প্রয়োজনে আবেদনকারীকে একটি Security Bond দিতে বলতে পারে, যাতে অন্য উত্তরাধিকারীর স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।(রেফারেন্স: Section 375)

পুনরায় বাতিল বা সংশোধন (Revocation):

ভুল তথ্য, জালিয়াতি বা অন্য বৈধ কারণ প্রমাণিত হলে আদালত সার্টিফিকেট বাতিল বা সংশোধন করতে পারে।(রেফারেন্স: Section 383, Succession Act, 1925)

গুরুত্বপূর্ণ আদালতের রায় (Case Law References)
Md. Ali Hossain vs Rokeya Begum, 44 DLR 321.

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে একজন আইনজীবী (অ্যাডভোকেট) হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। এটি একজন আইনজীবীর পেশাগত...
30/01/2025

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে একজন আইনজীবী (অ্যাডভোকেট) হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। এটি একজন আইনজীবীর পেশাগত জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হলে নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা ও পরীক্ষার ধাপ অতিক্রম করতে হয়।

সাধারণত, নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে একজন ব্যক্তি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেন—
1. আইন ডিগ্রি অর্জন – প্রথমে স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন (LL.😎 ডিগ্রি সম্পন্ন করতে হবে।
2. বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা – আইন ডিগ্রি অর্জনের পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হয় এবং এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
3. প্রশিক্ষণকাল সম্পন্ন করা – এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর একজন প্রবীণ আইনজীবীর অধীনে নির্দিষ্ট সময় প্রশিক্ষণ নিতে হয়।
4. চূড়ান্ত তালিকাভুক্তি ও সনদ গ্রহণ – সফলভাবে প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ করার পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে আইনজীবী হিসেবে চূড়ান্ত সনদ প্রদান করা হয়।

যারা আইন পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ সুযোগ। তবে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ই এখানে সফলতার চাবিকাঠি।

10/12/2024

উকিল নোটিশ (Legal Notice) কী?

উকিল নোটিশ হলো একটি আইনি নথি যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনগত দাবি আদায় বা বিরোধ সমাধানের জন্য প্রেরণ করে। এই নোটিশে উকিলের মাধ্যমে প্রেরক (যিনি নোটিশ পাঠাচ্ছেন) স্পষ্ট করে তার দাবি, অভিযোগ, এবং ন্যায্য অধিকার ব্যাখ্যা করেন এবং প্রতিপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমাধান বা প্রতিকার প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন।

উকিল নোটিশের লক্ষ্য:
১- বিরোধ বা দাবি সমাধানে আইনানুগ পদ্ধতির পথে যাওয়া।
২-প্রতিপক্ষকে দায়িত্বশীল করে তোলা এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা।
৩-প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আদালতের পথে এগোনোর জন্য প্রাথমিক প্রমাণ সংরক্ষণ।

উকিল নোটিশ কেন প্রয়োজনীয়?
উকিল নোটিশ আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর কিছু নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে কেন এটি প্রয়োজনীয়:

১-সমঝোতার সুযোগ সৃষ্টি করে:
উকিল নোটিশ প্রেরণের মাধ্যমে পক্ষগুলো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ পায়। অনেক ক্ষেত্রেই এই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়, যা আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। এতে সময়, খরচ এবং আইনি ঝামেলা কমে।

২-প্রথম আইনি পদক্ষেপ:
অধিকাংশ ক্ষেত্রে উকিল নোটিশ পাঠানো আইনি প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি আদালতে মামলা দায়েরের আগে প্রতিপক্ষকে সতর্ক করে দেয় যে তারা আইনানুগ পদ্ধতিতে সমস্যাটি সমাধান না করলে আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার চাওয়া হবে।

৩-আইনি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়:
উকিল নোটিশ এবং এর প্রাপ্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। নোটিশ প্রেরণ এবং এর প্রতিক্রিয়া আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যা ভবিষ্যতের আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়ক হতে পারে।

৪-পক্ষগুলোর মধ্যে সময়সীমা নির্ধারণ করে:
উকিল নোটিশে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়, যেমন ১৫ দিন বা ৩০ দিন। এই সময়সীমার মধ্যে প্রতিপক্ষ সমস্যার সমাধান করতে বাধ্য থাকে, নতুবা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার প্রেরকের হাতে চলে আসে।

৫-দাবি নিশ্চিত করতে সহায়ক:
অনেক সময় একটি বৈধ দাবি বা অধিকার নিয়ে পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। উকিল নোটিশের মাধ্যমে দাবিটি নিশ্চিত করা যায় এবং প্রতিপক্ষকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করা যায়।
উকিল নোটিশ প্রেরণের পরিস্থিতি ও উদাহরণ
উকিল নোটিশ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রেরণ করা যেতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ উদাহরণ দেওয়া হলো:

**ঋণ আদায়:
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ আদায় করতে হলে প্রথমে উকিল নোটিশ পাঠানো যেতে পারে। এতে ঋণগ্রহীতা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য হতে পারেন।

**চুক্তিভঙ্গ:
চুক্তির শর্তাবলী ভঙ্গ হলে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ পাঠাতে পারে। যেমন, ভাড়ার চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ে ভাড়া পরিশোধ না করলে জমিদার ভাড়াটিয়াকে উকিল নোটিশ পাঠাতে পারেন।

**জমির বিরোধ:
জমি বা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে উকিল নোটিশ একটি কার্যকর পদ্ধতি। জমির মালিকানা দাবি, সীমান্ত সংক্রান্ত বিরোধ, এবং দখল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নোটিশ পাঠানো যেতে পারে।

**বেতন বা পাওনা আদায়:
কোনো কোম্পানির থেকে পাওনা বেতন বা অন্যান্য সুবিধা আদায়ে কর্মচারী উকিল নোটিশ পাঠাতে পারেন।

**দুর্নীতি বা প্রতারণা:
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা বা অন্যায় কার্যকলাপের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে হলে উকিল নোটিশ প্রেরণ করা যেতে পারে।

18/09/2024

ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার : সেনাবাহিনী কী কী করতে পারবে
on September 17, 2024

আগামী দুই মাসের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পরবর্তী ৬০ দিনের জন্য এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা-

ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা;

ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য, তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন;

ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা;

ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা;

ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দী ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা;

ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন;

ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা;

ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা;

ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা;

ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা;

ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশদানের ক্ষমতা;

ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা;

ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা;

ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রবে ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা;

14/09/2024
10/09/2024

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।



পোষ্টটি শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন 👍
পোষ্টটি যদি আপনার কাজে লাগে তাহলে একটা ফলো দিয়েন 🪩

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ বিঘা।৬০.৫ কাঠা = ১ একর।========...
11/06/2024

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট
©️
পেজেটা ফলো করে সাথেই থাকুন আরও নতুন নতুন তথ্য পেতে.............

ফ্ল্যট বুকিং দেয়ার পর কি করবেন?নীচের বিষয়গুলো খেয়াল রেখে, একজন ক্রেতা ফ্ল্যাট বুকিং দিলে বা কিনলে, ঠকে যাবার সম্ভাবনা নে...
09/06/2024

ফ্ল্যট বুকিং দেয়ার পর কি করবেন?

নীচের বিষয়গুলো খেয়াল রেখে, একজন ক্রেতা ফ্ল্যাট বুকিং দিলে বা কিনলে, ঠকে যাবার সম্ভাবনা নেই:-

০১। যেদিন ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, সেদিন টুকেন মানি হিসেবে ৫০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাবেন না। যদি মনস্থির করেই থাকেন, অমুক প্রজেক্ট থেকে ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, তাহলে, তাদের কাছ থেকে নেয়া অমুক প্রজেক্টর ব্রশিয়্যরের শেষের পৃষ্ঠায় Terms & Condition এ দেখে নিন, কত % টাকা দিলে "নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদন" করবে। যার সাথে ফ্ল্যাটের ব্যাপারে সমস্ত আলাপ হয়েছে, তাকে বলে দিন যে, আপনি কবে যাচ্ছেন অফিসে এবং ডাউন পেমেন্টের সব টাকাই পে- অর্ডার ( কি নামে করবেন তা টার্মস এন্ড কন্ডিশনে লেখা আছে) করে নিয়ে যাবেন। তাকে আরো জানিয়ে দিন, উল্লেখিত প্রজেক্টের সকল লিগ্যাল পেপারস যেন এক সেট ফটোকপি করে রাখে।

০২। লিগ্যাল পেপারসে আপনি যা যা দেখবেন:-

* কোম্পানীর সাথে জমির মালিকের চুক্তিপত্র। (এটি অনেক ডেভেলপার দিতে চায় না, আপনি যেভাবেই হোক, তা আদায় করে নেবেন)।
* Power of Attorney এর ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের মূল দলিলের ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের সিটি জরীপ + আর.এস অনুযায়ী নামজারী পর্চা, জমাভাগ, ডি.সি.আর (ডুপ্লিকেট কার্বন রশিদ) ও খাজনার রশিদ।
* বায়া দলিল ( মূল মালিকের আগে কারা কারা এ জমির মালিক ছিল, তাদের দলিল) গুলোর ফটোকপি।
* সকল পর্চা ( ঢাকা মহানগর পর্চা, আর.এস পর্চা, সি.এস পর্চা, এস,এ পর্চা) এর ফটোকপি।
* আপ টু ডেট খাজনার রশিদ।
* সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স এর ফটোকপি।
* রাজউকের প্ল্যান পাসের কপির ফটোকপি। (যদি পারেন কিছু টাকা দিয়ে রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নকসাটিরও ফটোকপি নিয়ে নেবেন। এটি অনেক বড় একটি নক্সা, তাই ডেভেলপার ফটোকপি করিয়ে রাখে না। আপনি নীলক্ষেত বা দৈনিক বাংলার মোড়ে অনেক দোকান পাবেন, সেখান থেকে করিয়ে আনাবেন - প্রয়োজনে।

০৩। যদি ২ নং উল্লেখিত লিগ্যাল পেপারের কোন একটি না থাকে, তাহলে আপনাকে ফ্ল্যাট বুকিং না দেয়াই ভাল। যে কাগজটি নেই, সেটি ডেভেলপার জোগাড় করে যেদিন আপনাকে দিতে পারবে, সেদিনই ফ্ল্যাট বুকিং দিন।

০৪। যদি বুকিং মানি হিসেবে আপনি " ডাউন পেমেন্ট" করবেন বলে ঠিক করে রাখেন, তাহলে সেই ডাউন পেমেন্ট করার আগেই "আপনার সাথে ডেভেলপারের যে "দ্বি-পক্ষীয় চুক্তিটি" হবে" তার একটি নমূনা কপি দিতে বলেন। অধিকাংশ যেভেলপারই সেই চুক্তির কপিটি ইংরেজীতে করে। আপনি ইংরেজীতে ততটা দক্ষ না হলে, তাদেরকে বলুন, " বাংলা ফরম্যাটের চুক্তিনামা দিতে। কারন, ডেভেলপার ইংরেজী চুক্তিনামার অনেক টার্মসেই টেকনিক্যাল বা খুব সুক্ষভাবে কিছু ফাঁক ফুকর রাখে, যা ফ্ল্যাটক্রেতা ধরতে পারেনা। পরবর্তীতে সমস্যা হলে, সেই টার্মসটির কারনে ফ্ল্যাটক্রেতা কিছুই করতে পারে না।

০৫। বাংলায় বা ইংরেজীতে, যে কোন ফরম্যাটের চুক্তিনামার নমূনা কপি আপনাকে দিক না কেন, আপনি নিম্নে উল্লেখিত শর্তগুলো চুক্তিনামায় উল্লেখ আছে কি না তা দেখে নিনঃ-

* চুক্তিনামায় আপনার এবং ডেভেলপারের কর্তাব্যক্তির (যার সাথে জমির মালিকের চুক্তি ও আম-মোক্তার নামা হয়েছে) নাম, বাবা মার নাম,স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার উল্লেখ করেছে কিনা দেখুন।
* রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নাম্বার সহ তারিখটি উল্লেখ আছে কি না দেখুন।
* যেদিন চুক্তি হচ্ছে, সেদিনের তারিখটি উল্লেখ আছে কিনা।
* ফ্ল্যাটের( ফ্ল্যাট মূল্য+ কার পার্কিং মূল্য (যদি কার পার্কিং কিনতে চান)+ ইউটিলিটি বা অন্যান্য কোন মূল্য) মূল্য ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না, তা দেখুন। সবগুলোর আলাদা আলাদা দাম দর করে থাকলে, চুক্তিতেও আলাদাভাবে লিখে সর্বমোট দাম লিখতে বলবেন।
* চুক্তিপত্রে আপনার সাথে আলোচনা করে কিস্তির টাকা কিভাবে দেবেন, তা ঠিক হয়ে থাকলে, সেইভাবে লেখা আছে কি না দেখুন।
* ফ্ল্যাটটি কবে আপনাকে হস্তান্তর করা হবে, সেটির নির্দিষ্ট তারিখ ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না দেখুন।
* জমির মালিকের সাথে ডেভেলপারের চুক্তিপত্রে প্রজেক্ট টি বসবাস উপযোগী করে কবে হস্তান্তর করা হবে, সেই তারিখের, সাথে আপনাকে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের তারিখের মিল আছে কি না, তা খেয়াল করুন। যদি মিল না থাকে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করুন।
* আপনাকে নির্দিষ্ট সময় ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করতে পারলে, সেই তারিখের পর ফ্ল্যাটভাড়া আপনাকে কত করে দেবে, তা উল্লেখ আছে কি না দেখুন। যদি তা উল্লেখ না থাকে, তাহলে তা আলোচনা করে বসিয়ে নিন। তবে, এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, চুক্তি অনুযায়ী আপনি সঠিক সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধের পরেই ফ্ল্যাটভাড়া পেতে পারেন।
* চুক্তিতে " ফ্ল্যাট মালিক সমিতির" জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধরা হয়। সেটি কত তা খেয়াল করুন এবং সকলের চুক্তিপত্রে উক্ত টাকার পরিমান একই আছে কি না জেনে নিন।
* তফসিলে আপনার ফ্ল্যাট নং, কত তলায়,কোন্ পার্শ্বে - তা ঠিকমত উল্লেখ আছে কি না দেখুন।

০৬। ডেভেলপারের সাথে চুক্তিনামায় অবশ্যই " Feature & Amenities" অর্থ্যাৎ ডেভেলপার আপনার ক্রয়কৃত ফ্ল্যাটে কি কি নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করবে তা থাকতে হবে। বাংলায় হলে ভাল। সেগুলো ভালভাবে পড়ে তারপর চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

০৭। চুক্তিনামার শেষে, ডেভেলপারের ছাপানো ব্র্যশিয়্যার (যেটি দেখে আপনি ফ্ল্যাটটি বুকিং দিচ্ছেন, সেটিও "চুক্তিনামার একটি অংশ" -এ কথাটি যেন চু্ক্তিনামায় থাকে। অনেক সময়ই ডেভেলপার তার নিজ স্বার্থে ব্র্যশিয়্যার পরিবর্তন করে। তখন আপনাকে বিপাকে পড়তে হতে পারে।

০৮। একটি বিষয় খেয়াল রেখে চুক্তিনামায় কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল দেয়া উচিৎ। তা হলো, কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ কাজ চলছে কিনা। সেটি তদারকি করা খুবই প্রয়োজন। আপনি চুক্তিনামা অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করে যাচ্ছেন, কিন্তু ডেভেলপার সেই অনুপাতে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিচ্ছে না-- তাতে আপনি এক সময় বিপদে পড়তে পারেন। অধিকাংশ ডেভেলপার এক প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটায়। তাতে কোন অসুবিধা নেই যদি দেখেন আপনার বুকিংকৃত প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ সিডিউল অনুযায়ী হচ্ছে। যদি এর ব্যত্যয় হয়, তাহলে আপনি ডেভেলপারকে মৌখিকভাবে এবং এ/ডি সহ রেজিষ্ট্রিকৃত চিঠির মাধ্যমে জানান। কারণ, ঢাকা সহ বড় বড় শহরগুলোতে এমন বহু নজির রয়েছে যে, কয়েক তলা পর্যন্ত ডেভেলপার নির্মাণ কাজ করে টাকার সমস্যা বা কোম্পানীর আভ্যন্তরীণ সমস্যা ইত্যাদির কারনে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে রেখেছে। এমনও হয়েছে যে, ডেভেলপার অফিস গুটিয়ে পালিয়েছে। তাই, পেমেন্ট সিডিউলে "নির্মাণ কাজের গতির উপর পেমেন্ট নির্ভরশীল"- এমন একটি কথা চুক্তিনামায় উল্লেখ করিয়ে নেবেন।

০৯। যে জমির উপরে এপার্টমেন্ট প্রজেক্টটি নির্মাণ হচ্ছে, সেই জমির "পাওয়ার অব এর্টনির" তফসিলের সাথে আপনার চুক্তিনামার তফসিল মিলিয়ে নেবেন। আপনি যে ফ্ল্যাটটি বুকিং দিচ্ছেন, সেটি "পাওয়ার অব এর্টনি"তে ডেভেলপারের কি না, তাও ভালভাবে যাচাই করে নেবেন। তাছাড়া, বুকিংকৃত ফ্ল্যাটটি যে তলায় সেই তলাটি রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাস কিনা-তাও যাচাই করবেন। রাজউকের প্ল্যানে যে তলায় যতটি ইউনিট, ডেভেলপার সেই তলায় ততটি ইউনিটই নির্মাণ করছে কিনা-তাও যাচাই করবেন। তা না হলে, পরবর্তীতে ইউটিলিটি (গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি) সংযোগে এবং রেজিষ্টি করতে বা ফ্ল্যাটের বিপরীতে লোন পেতে খুবই সমস্যায় পড়তে হবে।

১০। কোন ডেভেলপারই চুক্তিনামা রেজিষ্টি করতে অনীহা প্রকাশ করে। আপনি বুকিং দেয়ার আগেই বলে নিন, রেজিষ্ট্রিকৃত চুক্তিনামা করতে হবে। সাধারনত: কোন ডেভেলপারই ডাউনপেমেন্ট (৩০% বা ২৫%) না দিলে চুক্তি করতে চায় না। আপনি বলে দিন, চুক্তিনামা রেজিষ্ট্রির দিনই আপনি ডাউন পেমেন্টের টাকা পরিশোধ করবেন। তার আগে চুক্তিনামার খসড়া কপি আপনাকে দিতে বলুন। অধিকাংশ ফ্ল্যাটক্রেতা মাত্র ১০/১২ হাজার টাকা বাচাঁনোর জন্য কোটি টাকার ফ্ল্যাটটির চু্ক্তিনামা রেজিষ্ট্রি করে না। এতে ডেভেলপারের লাভ। কারন সরকারী নিয়ম অনুযায়ী, যে কোন চুক্তিনামাই রেজিষ্ট্রিকৃত হতে হবে। কোন ঝামেলায় পড়লে, তখন আপনি ই কিন্তু বিপদে পড়বেন।

১১। ফ্ল্যাটের কোন কিস্তি বা ডাউনপেমেন্ট কখনোই "নগদে" বা নগদ চেকে পরিশোধ করবেন না। অবশ্যই সেই ডেভেলপারের কোম্পানীর নামে "একাউন্ট পেয়ি" চেকে/ব্যাংক ড্রাফ্টে/ পে-অর্ডারে পরিশোধ করবেন। এতে পরবর্তীতে কোন ঝামেলা হলে,আইন আপনার পক্ষে থাকবে।

পুনশ্চঃ এর পরেও কোন কিছু জানতে চাইলে বা সহযোগিতার প্রয়োজন হলে, আমার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।

সকলে ভালো থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন।

https://youtu.be/Kva8CVJjcUM?si=kdjPlxEdOig_v9UT
05/06/2024

https://youtu.be/Kva8CVJjcUM?si=kdjPlxEdOig_v9UT

দায়ের থেকে বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত একটি ফৌজদারি মামলা বা ক্রিমিনাল মামলাকে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু আম...

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Karar & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Karar & Associates:

Share