অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান, Lawyer & Law Firm, Dhaka.
(28)

আমার অফিসিয়াল পেইজে আপনাকে স্বাগতম।
(সফলতার জন্য চারটি শর্ত: ঈমান, নেক আমল, সত্য ও ধৈর্য।
আপনার সামনে ঘটে যাওয়া যে কোনো অসংগতি অথবা অন্যায় হলে ঐ অন্যায় বা অসংগতির ডকুমেন্ট আমাকে মেইল করুন। [email protected]

15/05/2026

যে কপালে ফজরের সিজদাহ নেই, সেই কপাল রাজমুকুট পেলেও আসলে হতভাগা।

15/05/2026

দয়া মানুষের মনকে নরম ও পবিত্র করে। অন্যের বিপদে এগিয়ে গেলে নিজের ভেতরের অহংকার ও হিংসা ধুয়ে মুছে যায়। আপনি যখন কোনো অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাবেন, তখন আপনার হৃদয়ে যে প্রশান্তি আসবে, তা পৃথিবীর কোনো সম্পদ দিয়ে কেনা সম্ভব নয়।

15/05/2026

জ্ঞান এবং সম্পদ মানুষকে অহংকারী করে তুলতে পারে। কিন্তু একজন আদর্শ মানুষ যত উপরে ওঠেন, তিনি তত বেশি বিনয়ী হন। মানুষের সাথে কথা বলা এবং আচরণের ক্ষেত্রে সর্বদা নম্রতা বজায় রাখুন। উদ্ধত আচরণ ব্যক্তিত্বকে ম্লান করে দেয়।

15/05/2026

"জগতে তারাই শ্রেষ্ঠ, যারা অন্যের বিপদে নিজের সুখ বিসর্জন দিতে জানে।"

15/05/2026

সম্পদ বা ক্ষমতা একদিন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু আপনার করা ভালো কাজগুলো মানুষের স্মৃতিতে আজীবন বেঁচে থাকবে।

বাটোয়ারা মামলা বা Partition Suit হলো উত্তরাধিকার সূত্রে বা যৌথভাবে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে আইনগতভাবে ভাগ করে নেওয়...
15/05/2026

বাটোয়ারা মামলা বা Partition Suit হলো উত্তরাধিকার সূত্রে বা যৌথভাবে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে আইনগতভাবে ভাগ করে নেওয়ার একটি পক্রিয়া। যখন কোনো জমির সহ-শরিকরা (Co-sharers) আপস-মীমাংসার মাধ্যমে জমি ভাগ করতে পারেন না, তখনই আদালতের আশ্রয় নিতে হয়।

নিচে বাটোয়ারা মামলার খুঁটিনাটি বা আদ্যোপান্ত সহজভাবে আলোচনা করা হলো:

১. মামলাটি কখন করবেন?
যদি কোনো ওয়ারিশ বা অংশীদার তার প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দেয়।

যৌথ মালিকানাধীন জমি যদি মৌখিকভাবে ভাগ করা থাকে কিন্তু দলিলে বা রেকর্ডে ভাগ না হয়।

যদি কেউ এককভাবে জমি দখল করে রাখে এবং অন্যদের হিস্যা দিতে অস্বীকার করে।

২. মামলার প্রাথমিক শর্ত
বাটোয়ারা মামলা করার আগে অবশ্যই বিবাদীদের একটি আইনি নোটিশ (Legal Notice) দেওয়া উচিত। নোটিশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি বণ্টন করার আহ্বান জানাতে হয়। তারা যদি নোটিশের জবাব না দেয় বা আপসে রাজি না হয়, তবেই মামলা করা শ্রেয়।

৩. মামলার ধাপসমূহ
একটি আদর্শ বাটোয়ারা মামলা প্রধানত দুটি ধাপে বা ডিক্রিতে সম্পন্ন হয়:

ক. প্রাথমিক ডিক্রি (Preliminary Decree):
আদালত মামলার কাগজপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণ দেখে সিদ্ধান্ত নেন যে, কোন অংশীদারের কতটুকু হিস্যা বা পাওনা আছে। এটি ঘোষণার মাধ্যমে আদালত প্রাথমিক ডিক্রি প্রদান করেন।

খ. চূড়ান্ত ডিক্রি (Final Decree) ও 'সাহাম' বণ্টন:
প্রাথমিক ডিক্রির পর আদালত একজন অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগ করেন। কমিশনার সরেজমিনে জমিতে গিয়ে আমিন দিয়ে জমি মেপে দেখেন এবং কার অংশ কোথায় হবে তা নকশা করে দেন। এই বন্টনকৃত অংশকে বলা হয় 'সাহাম'। কমিশনারের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত ডিক্রি দেন।

৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জমির মূল দলিল বা সার্টিফাইড কপি।

সিএস, এসএ, আরএস এবং বর্তমান বিএস/সিটি জরিপ খতিয়ান।

উত্তরাধিকার সনদ (যদি পৈত্রিক সম্পত্তি হয়)।

না-দাবি বা অন্য কোনো হস্তান্তরের দলিল থাকলে তার কপি।

মৌজা ম্যাপ।

৫. খরচপাতি (কোর্ট ফি)
বাটোয়ারা মামলায় কোর্ট ফি অন্যান্য মামলার মতো জমির মূল্যের ওপর হয় না। এটি একটি ফিক্সড কোর্ট ফি (সাধারণত ৩০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে সরকারি ফি সীমাবদ্ধ থাকে)। তবে অ্যাডভোকেট কমিশনারের খরচ এবং আইনজীবীর ফি আলাদাভাবে গুনতে হয়।

৬. সময়সীমা
বাটোয়ারা মামলা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী হয়। বিবাদীদের সংখ্যা বেশি হলে বা সমন জারিতে দেরি হলে সময় বেশি লাগে। তবে সব পক্ষ উপস্থিত থাকলে এবং দলিলপত্র ঠিক থাকলে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে চূড়ান্ত ডিক্রি পাওয়া সম্ভব।

৭. বাটোয়ারা দলিল (Partition Deed) বনাম মামলা
আদালতে না গিয়ে সব অংশীদার মিলে যদি নিজেদের মধ্যে আপস-বন্টননামা দলিল বা 'হেবা-বিল-আওয়াজ' বা বাটোয়ারা দলিল রেজিস্ট্রি করে নেন, তবে তা সবচেয়ে দ্রুত ও ব্যয়সাশ্রয়ী উপায়। এটি করার পর নামজারি (Mutation) করে নিলে মামলার প্রয়োজন পড়ে না।

বিশেষ পরামর্শ:
বাটোয়ারা মামলার রায় হওয়ার পর সেটি অনুযায়ী পৃথকভাবে নামজারি (Mutation) এবং খতিয়ান সংশোধন করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। অন্যথায় ভবিষ্যতে ওই জমি বিক্রি বা হস্তান্তরে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।
ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বারঃ ২০/এ রাজার দেউরি, রুম নং ৩০২, কোতয়ালী ঢাকা।

হাইকোর্ট চেম্বার : ২১৬ এনেক্স হল রুম, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন বিল্ডিং, ঢাকা-১০০০।

করপোরেট চেম্বার : ১৪ পুরানা পলটন, দার- উস- সালাম আরকেড, ৮ম তলা, রুম নং ২/১, ঢাকা ১০০০।
হোয়াটসঅ্যাপ ০১৮৩৪৫৩৩৮৮৯

15/05/2026

ভালো কাজের ফল পেতে দেরি হতে পারে, কিন্তু তা কখনোই বিফলে যায় না। ধৈর্য ধরুন, কারণ সঠিক সময়ে প্রকৃতি আপনাকে সেরা পুরস্কারটি ফিরিয়ে দেবে।

সাইবার অপরাধের শিকার হলে দ্রুত এবং সঠিক স্থানে অভিযোগ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের অভিযোগ জানানোর জন্য সু...
15/05/2026

সাইবার অপরাধের শিকার হলে দ্রুত এবং সঠিক স্থানে অভিযোগ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের অভিযোগ জানানোর জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু স্থান এবং পদ্ধতি রয়েছে।

অভিযোগের স্থান ও পদ্ধতি নির্ভর করে অপরাধের প্রকৃতি ও আপনার অবস্থানের ওপর।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।

সাইবার অপরাধের অভিযোগ জানানোর স্থানসমূহ:-
সাইবার অপরাধের জন্য প্রধানত দুটি স্থানে অভিযোগ করা যায়: আইন প্রয়োগকারী সংস্থা (Police & Cyber Cell) এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা (BTRC & ICT)।

১. বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট (Cyber Crime Unit)

👁️‍🗨️👁️‍🗨️ গুরুতর সাইবার অপরাধের জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ জানানোর স্থান।

ক. সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টার (CID Cyber Police Centre) | হটলাইন/যোগাযোগ: ৯৯৯, ০১৭৬৯৬৯১২২৭ (শুধুমাত্র সাইবার) ।হ্যাকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট জালিয়াতি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক, রাষ্ট্রবিরোধী সাইবার অপরাধ।

খ. ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ (Cyber Crime Investigation Division) | ফেসবুক পেজ: DMP Cyber Crime স্থান: মিন্টো রোড, ঢাকা। | ফিশিং, ই-কমার্স জালিয়াতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানি ও মানহানি।

গ. নিকটস্থ থানা/পুলিশ স্টেশন | যেকোনো থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলা (FIR) দায়ের করা। | তাৎক্ষণিক হুমকি, ব্ল্যাকমেইলিং বা ছোটখাটো সাইবার হয়রানি।

২. বিটিআরসি ও বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি (নিয়ন্ত্রক ও কারিগরি সহায়তা)

ক. বিটিআরসি (BTRC) (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) | ইমেইল: [email protected] হটলাইন: ১০০ ।টেলিযোগাযোগ বা ইন্টারনেট সেবার অপব্যবহার, হয়রানিমূলক কল বা এসএমএস।

খ. বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি (BGD e-Gov CIRT) (কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম) | হটলাইন: ০১৭৬৬৬৭৮৮৮৮ ইমেইল: [email protected] | কারিগরি সহায়তা, ওয়েবসাইট হ্যাকিং, ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার আক্রমণ, ডিজিটাল পরিকাঠামোর সুরক্ষা। এছাড়াও আমাকে মেইল করতে পারেন [email protected]

👁️‍🗨️ 👁️‍🗨️ অভিযোগ জানানোর পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় তথ্য

সঠিকভাবে অভিযোগ জানাতে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

ধাপ ১: তথ্য সংগ্রহ করুন
অভিযোগের স্থান বা পদ্ধতি যাই হোক না কেন, অভিযোগ জানানোর আগে নিচের তথ্যগুলো গুছিয়ে নিন:

অপরাধ সংঘটিত হওয়ার তারিখ ও সময়।
অপরাধীর নাম/ইউজার আইডি/ইমেইল/ফোন নম্বর (যদি জানা থাকে)।
অপরাধের প্রমাণ: স্ক্রিনশট, অডিও/ভিডিও রেকর্ডিং, মেসেজের টেক্সট বা লিংক।

ধাপ ২: জিডি বা মামলা দায়ের
যদি অপরাধটি গুরুতর হয় (যেমন: অর্থ আত্মসাৎ, ব্ল্যাকমেইলিং), তবে সরাসরি সংশ্লিষ্ট সাইবার পুলিশ ইউনিটে গিয়ে মামলা (FIR) দায়ের করুন।
যদি অপরাধটি ছোটখাটো হয় বা কেবল রেকর্ড করার প্রয়োজন হয়, তবে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন।

ধাপ ৩: সরাসরি সাইবার ইউনিটে যোগাযোগ

ডিএমপি বা সিআইডি সাইবার ইউনিটে সরাসরি গিয়ে অভিযোগ জানালে দ্রুত আইনি সহায়তা পাওয়া যেতে পারে, কারণ তাদের কাছে সাইবার ফরেনসিকের জন্য বিশেষ সরঞ্জাম ও দক্ষতা রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
অভিযোগ করার ক্ষেত্রে আসল প্রমাণগুলো (Original Screenshot, Link) সংরক্ষণ করা আবশ্যক।
অভিযোগ করার সময় কোনো প্রমাণ বা ডিভাইস মুছে ফেলবেন না, কারণ এটি ফরেনসিক তদন্তে সহায়ক হবে।
নারী ও শিশুদের সাইবার হয়রানির জন্য পুলিশের বিশেষ সেবা রয়েছে।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।
ঢাকা কোর্ট চেম্বারঃ ২০/এ রাজার দেউরি, রুম নং ৩০২, কোতয়ালী ঢাকা।

15/05/2026

অন্যকে সাহায্য করার পর যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা পৃথিবীর কোনো দামি বস্তু দিয়ে কেনা সম্ভব নয়। মানসিক প্রশান্তির বড় মাধ্যম হলো নিঃস্বার্থ সেবা।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share