অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান, Lawyer & Law Firm, Dhaka.
(29)

আমার অফিসিয়াল পেইজে আপনাকে স্বাগতম।
(সফলতার জন্য চারটি শর্ত: ঈমান, ভালো কাজ, সত্য ও ধৈর্য।
ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বারঃ রুম নং ৩০২, তৃতীয় তলা, ২০/এ রাজার দেউরি, কোতয়ালী, ঢাকা ১১০০। WhatsApp 01834533889 , [email protected]

17/08/2026

ফজর নামাজ দিনের এমন এক বরকতময় শুরু, যা আপনার পুরো দিনটিকে সফল ও শান্তিময় করে তোলে।

17/08/2026

হাদিস অনুযায়ী প্রকৃত মুসলিম সে, যার হাত ও মুখ অন্যের জন্য নিরাপদ।

17/08/2026

অসদুপায়ে অর্জিত সম্পত্তি মানুষের জীবন থেকে বরকত ও শান্তি চিরতরে কেড়ে নেয়।

স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের নিয়মিত ভরণপোষণ প্রদানে স্বামীর উপর আইনগত বাধ্যবাধকতা জেনে রাখুন।       স্ত্রী এবং অপ্রা...
17/08/2026

স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের নিয়মিত ভরণপোষণ প্রদানে স্বামীর উপর আইনগত বাধ্যবাধকতা জেনে রাখুন।


স্ত্রী এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের নিয়মিত ভরণপোষণ প্রদান একজন স্বামীর ও পিতার জন্য একটি অবিচ্ছেদ্য আইনি, সামাজিক এবং নৈতিক দায়িত্ব। বাংলাদেশের পারিবারিক আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

নিচে এ সম্পর্কিত আইনি বাধ্যবাধকতা ও বিধানগুলো আলোচনা করা হলো:

১। স্ত্রীর ভরণপোষণ (Maintenance of Wife)
আইনি বাধ্যবাধকতা: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (The Muslim Family Laws Ordinance, 1961)-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্বামী তার স্ত্রীকে নিয়মিত উপযুক্ত ভরণপোষণ প্রদান করতে আইনগতভাবে বাধ্য। স্ত্রী যদি স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন অথবা শরীয়তসম্মত বা আইনগত কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে স্বামীর গৃহ থেকে পৃথক থাকেন (যেমন- দেনমোহর অ পরিশোধ করা বা স্বামীর দুর্ব্যবহার), তবুও তিনি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী।

বঞ্চনার প্রতিকার: স্বামী যদি কোনো কারণ ছাড়া স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করেন বা ব্যর্থ হন, তবে স্ত্রী উপজেলা বা পৌরসভা এলাকার Arbitration Council (শালিশি পরিষদ)-এ আবেদন করতে পারেন। শালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করেন। এছাড়া, স্ত্রী পারিবারিক আদালতে (Family Court) মামলা করে বকেয়া সহ নিয়মিত ভরণপোষণ আদায়ের ডিক্রি বা আদেশ চাইতে পারেন।

২। অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের ভরণপোষণ (Maintenance of Minor Children)
পিতার দায়িত্ব: মুসলিম আইন এবং পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ (Family Courts Ordinance, 1985) অনুযায়ী, পিতা তার সন্তান সাবালক বা উপার্জনক্ষম না হওয়া পর্যন্ত তাদের ভরণপোষণ বহন করতে আইনগতভাবে বাধ্য।

ছেলে ও মেয়ের ক্ষেত্রে বয়সসীমা:
পুত্র সন্তানের ক্ষেত্রে: পুত্র সন্তান সাবালক (সাধারণত ১৮ বছর বয়স বা উপার্জনক্ষম হওয়া) না হওয়া পর্যন্ত পিতা ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।

কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে: কন্যা সন্তান সাবালিকা হওয়া এবং বিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত পিতা তার ভরণপোষণ ও শিক্ষার খরচ বহন করতে বাধ্য। এমনকি বিবাহিতা কন্যা যদি স্বামীর গৃহ ত্যাগ করতে বাধ্য হয় বা তালাকপ্রাপ্তা হয় এবং তার নিজস্ব আয় না থাকে, তবে তার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও পিতার ওপর বর্তাতে পারে।

মায়ের কাছে থাকলেও পিতার দায়িত্ব: তালাক বা পারস্পরিক বিচ্ছেদের পর যদি সন্তান মায়ের হেফাজতে (হাজানাত) থাকে, তবুও পিতার ওপর থেকে সন্তানদের ভরণপোষণের আইনি দায়িত্ব কোনোভাবেই হ্রাস পায় না। পিতাকে নিয়মিত এই খরচ প্রদান করতে হয়।

৩। যেভাবে আইনি প্রতিকার ও আদালতে যাওয়ার প্রক্রিয়া
পারিবারিক আদালত (Family Court): যদি স্বামী স্বেচ্ছায় ভরণপোষণ প্রদানে অস্বীকৃতি জানান, তবে স্ত্রী নিজে অথবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের অভিভাবক হিসেবে পারিবারিক আদালতে ভরণপোষণের মামলা (Suit for Maintenance) দায়ের করতে পারেন।

গ্রেফতার ও সাজা: আদালত কর্তৃক ভরণপোষণ প্রদানের নির্দেশ বা ডিক্রি দেওয়ার পরও যদি স্বামী বা পিতা সেই আদেশ অমান্য করেন, তবে আদালত ডিক্রি জারির মাধ্যমে তার সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে কিংবা নির্দিষ্ট মেয়াদের দেওয়ানি কারাদণ্ড প্রদান করতে পারে।

বিশেষ নোট: ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারিত হয় স্বামীর আর্থিক সচ্ছলতা, সামাজিক মর্যাদা এবং স্ত্রী-সন্তানদের জীবনযাত্রার মানের ওপর ভিত্তি করে। আইনগত সহায়তার জন্য অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে সরাসরি পারিবারিক আদালতে আবেদন করা যায়।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসানে
আইনজীবী ও লেখক।
ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বারঃ রুম নম্বর ৩০২, তৃতীয় তলা, ২০/এ রাজার দেউরি কোতয়ালী ঢাকা।
হোয়াটসএপ- ০১৮৩৪৫৩৩৮৮৯

17/08/2026

আল্লাহর আজাব থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই মীরাসের ন্যায়ভিত্তিক বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।

নারীদের উত্ত্যক্ত করা, কুরুচিপূর্ণ কমেন্ট করা বা মেসেজ পাঠিয়ে হয়রানি করার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ কীভাবে নিবেন জানতে লেখ...
17/08/2026

নারীদের উত্ত্যক্ত করা, কুরুচিপূর্ণ কমেন্ট করা বা মেসেজ পাঠিয়ে হয়রানি করার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ কীভাবে নিবেন জানতে লেখাটি পড়ুন।

নারীদের উত্ত্যক্ত করা, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা বা ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি করা বর্তমানে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর অপরাধ। এর বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একজন আইনজীবী বা তার মক্কেল বা ভুক্তভোগীদের সহায়তার জন্য নিচের আইনি পথগুলো অবলম্বন করতে পারেন:

১. ডিজিটাল বা সাইবার হয়রানির ক্ষেত্রে (মেসেজ, সোশ্যাল মিডিয়া)
বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর অধীনে এ ধরনের হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়।

প্রমাণ সংরক্ষণ: হয়রানির শিকার হওয়া মেসেজ, ভয়েস রেকর্ড, প্রোফাইল লিংক এবং স্ক্রিনশট কোনোভাবেই ডিলিট করবেন না। ডিজিটাল প্রমাণের ক্ষেত্রে এগুলোই মামলার প্রধান ভিত্তি।

কোথায় অভিযোগ করবেন:

নিকটস্থ থানায় সরাসরি অভিযোগ করুন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে যোগাযোগ করুন।

অনলাইনে cyber-police.gov.bd পোর্টালে বা ৯৯৯-এ কল করে তাৎক্ষণিক সহায়তা নিন।

২. সাধারণ উত্ত্যক্ত বা হয়রানির ক্ষেত্রে (দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইন)
যদি হয়রানিটি ব্যক্তিগতভাবে বা সামনাসামনি হয়, তবে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়:

দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা (নারী সম্ভ্রমহানি): কোনো নারীর সম্ভ্রমহানির উদ্দেশ্যে কোনো শব্দ উচ্চারণ, অঙ্গভঙ্গি বা কাজ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এর সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

দণ্ডবিধি ৫০৬ ধারা (হুমকি): উত্ত্যক্ত করার পাশাপাশি প্রাণনাশের বা ক্ষতির হুমকি দিলে এটি ৫০৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: যদি হয়রানিটি যৌন নিপীড়নের (ধারা ১০) পর্যায়ে পড়ে, তবে এই আইনের অধীনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

৩. জরুরি পদক্ষেপ (দ্রুত অ্যাকশন)
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯: যে কোনো সময় উত্ত্যক্তের শিকার হলে বা তাৎক্ষণিক বিপদে পড়লে ৯৯৯-এ কল করুন।

জিডি (GD): যদি বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে, তবে থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রাখুন। এটি ভবিষ্যতে মামলা করার শক্ত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

৪. ভুক্তভোগীদের জন্য আইনজীবী হিসাবে আমার পরামর্শ
প্রমাণ তৈরি: ঘটনার দিন, তারিখ, সময় এবং মেসেজ বা মন্তব্যের বিস্তারিত বিবরণ লিখে রাখুন। ডিজিটাল প্রমাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল ডিভাইসের ফরেনসিক সাহায্য লাগতে পারে, তাই থানা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত রাখুন।

ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে: কোনো অবস্থাতেই ব্ল্যাকমেইলারের সাথে আপোষ করতে গিয়ে গোপন তথ্য দেবেন না বা টাকা দেবেন না। এটি অপরাধীকে আরও উৎসাহিত করে।

মানসিক সহায়তা: হয়রানির শিকার ব্যক্তি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকতে পারেন, তাই আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটিও গুরুত্ব দিন।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।
ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বারঃ ২০/এ রাজার দেউরি, রুম নং ৩০২, কোতয়ালী ঢাকা।

হাইকোর্ট চেম্বার : ২১৬ এনেক্স হল রুম, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন বিল্ডিং, ঢাকা-১০০০।

করপোরেট চেম্বার : ১৪ পুরানা পলটন, দার- উস- সালাম আরকেড, ৮ম তলা, রুম নং ২/১, ঢাকা ১০০০।
হোয়াটসঅ্যাপ ০১৮৩৪৫৩৩৮৮৯

17/08/2026

জালিয়াতি করে সাময়িক জয় পাওয়া যায়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা কেবল গ্লানি বয়ে আনে।

17/08/2026

ক্ষমতার দাপট চিরস্থায়ী নয়, কিন্তু কৃতকর্মের বিচার চিরস্থায়ী।

একটি দলিল, বিশেষ করে জমি বা সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল (যেমন: কবলা দলিল, হেবা দলিল, ইত্যাদি) সঠিকভাবে বুঝতে হলে বা তৈরি ক...
17/08/2026

একটি দলিল, বিশেষ করে জমি বা সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল (যেমন: কবলা দলিল, হেবা দলিল, ইত্যাদি) সঠিকভাবে বুঝতে হলে বা তৈরি করতে হলে কিছু বিশেষ আইনি ও ভূমি-সংক্রান্ত শব্দ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।

নিম্নে দলিলে ব্যবহৃত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও তার ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

দলিলের জন্য প্রয়োজনীয় শব্দভান্ডার

কবলা দলিল | বিক্রয় দলিল | যে দলিলের মাধ্যমে বিক্রেতা একটি নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তির মালিকানা ক্রেতার কাছে স্থায়ীভাবে হস্তান্তর করেন। এটি সবচেয়ে প্রচলিত দলিল।

বায়নাপত্র | বিক্রয়ের চুক্তি | সম্পত্তি কেনার জন্য ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সম্পাদিত প্রাথমিক চুক্তি, যেখানে লেনদেনের শর্তাবলী ও সময়সীমা উল্লেখ থাকে। এটি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়।

দাতা / গ্রহীত। | দানকারী / গ্রহণকারী | হেবা বা দানপত্র দলিলে, যিনি সম্পত্তি দান করেন তিনি 'দাতা', এবং যিনি গ্রহণ করেন তিনি 'গ্রহীতা'। |

বিক্রেতা / ক্রেতা| বিক্রেতা / ক্রেতা | কবলা দলিলে যিনি সম্পত্তি বিক্রি করেন তিনি 'বিক্রেতা' এবং যিনি কেনেন তিনি 'ক্রেতা'।

খতিয়ান| স্বত্বের রেকর্ড | সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি করা ভূমি রেকর্ডের একক বই। খতিয়ান নম্বর (যেমন: CS, SA, RS/BS) জমির মালিকানা স্বত্বের পরিচয় দেয়।

দাগ (Plot) | ভূমির খণ্ড নম্বর | জরিপের সময় জমিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে যে নম্বর দেওয়া হয়। দলিলে দাগ নম্বর উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। |
জমির পরিমাণ | ক্ষেত্রফল | জমিটির মোট আয়তন (যেমন: শতক/ডেসিমাল, কাঠা, বিঘা) দলিলে স্পষ্ট করে উল্লেখ থাকতে হবে।

চতুঃসীমা | চারদিকের সীমানা | দলিলভুক্ত জমির উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম দিকে কী রয়েছে (যেমন: রাস্তা, খাল, বা পাশের মালিকের নাম) তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা। এটি জমির অবস্থান নিশ্চিত করে। |

মিউটেশন / নামজারি | মালিকানার পরিবর্তন | কোনো দলিল বা হস্তান্তরের পর সরকারি ভূমি রেকর্ডে (খতিয়ানে) নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া। দলিল করার পর এটি আবশ্যক।

এওয়াজ দলিল | বিনিময় দলিল | দুটি পক্ষ যখন অর্থের আদান-প্রদান ছাড়াই নিজেদের মধ্যে তাদের সম্পত্তি বিনিময় করেন, তখন এই দলিল করা হয়। |
সালামি / সেলামি | প্রিমিয়াম/ভাড়া | লিজ বা বন্দোবস্তের ক্ষেত্রে এককালীন জামানত বা প্রিমিয়াম, যা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়।

হাল নাগাদ | হালনাগাদ পরিশোধ | জমি বা সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) কত সাল পর্যন্ত পরিশোধ করা আছে, তার বর্তমান অবস্থা। দলিলে অবশ্যই হালনাগাদ খাজনা পরিশোধের রসিদ উল্লেখ থাকতে হবে।

দাখিল-খারিজ l মিউটেশন প্রক্রিয়া | নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দাখিলকৃত রেকর্ড ও খারিজ (বাতিল) হওয়া পুরোনো রেকর্ডের উল্লেখ।

অছিয়তনামা | উইল বা শেষ ইচ্ছা | কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর সম্পত্তির উত্তরাধিকার কিভাবে বণ্টিত হবে, তা এই দলিলে উল্লেখ করেন।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share