Md Matiur Rahman Akanda

Md Matiur Rahman Akanda Own Writings, Articles, Remarks, Opinion, Research Matters etc.
(4)

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।গভীর শোক ও বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মুক্তাগাছা উপজেল...
20/08/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

গভীর শোক ও বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি এবং মুক্তাগাছা নবারুণ বিদ্যানিকেতনের ২০২৭ শিক্ষা বর্ষের এসএসসি পরীক্ষার্থী, প্রিয় শিবিরকর্মী মোঃ মায়াজ রহমানী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বুধবার রাত ৮টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

তাঁর ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। অতি অল্প বয়সে তাঁর এই চলে যাওয়া পরিবার, স্বজন, সহপাঠী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। একজন সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী ও তরুণ কর্মীর এভাবে চলে যাওয়া সত্যিই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

মরহুম মায়াজ রহমানী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা ইউনিয়নের সাত্রাশিয়া গ্রামের মরহুম হাফিজুর রহমান মাস্টারের নাতি এবং মোঃ আব্দুস সালাম ফেরদৌসের দ্বিতীয় ছেলে।

আমরা মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর জীবনের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন, তাঁর কবরকে নূরে পরিপূর্ণ করুন এবং তাঁর পরিবারকে এই কঠিন শোক ধৈর্য ও সবরে মোকাবিলা করার তাওফিক দান করুন।

আল্লাহ তাআলা তাঁকে শহীদের মর্যাদা দান করুন এবং তাঁর পরিবার ও সহযোদ্ধাদের উত্তম সবর দান করুন। আমিন।

10/08/2026

রুখে দেওয়ার রাজনীতি সংঘাতকেই উসকে দেয়
———————

মতিউর রহমান আকন্দ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গতকাল চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফর এবং বিভিন্ন জনসভায় দেওয়া বক্তব্য ইতোমধ্যে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামে জনসভা এবং একটি মাদ্রাসায় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্য জাতীয় গণমাধ্যম, পত্রপত্রিকা, সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়েছে। ফলে তাঁর বক্তব্যের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি রাজনৈতিক ইঙ্গিত জনপরিসরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ, তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং ১৯৭১ সালের অবস্থানের প্রসঙ্গ সামনে এনেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে ‘গুপ্ত বাহিনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মুখ থেকে উচ্চারিত এ ধরনের বক্তব্যকে নিছক একটি রাজনৈতিক বক্তৃতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের প্রধান যখন প্রকাশ্য জনসভায় বিরোধী শক্তিকে ‘ছাড় না দেওয়া’ কিংবা ‘রুখে দাঁড়ানোর’ কথা বলেন, তখন তার অভিঘাত বক্তৃতার মঞ্চে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আচরণেও প্রভাব ফেলতে পারে।

05/08/2026

আদর্শিক দৃঢ়তা
———————-

সময়ের দীর্ঘ ব্যবধানে আজ ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে একটি সত্য সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সীমাহীন ত্যাগ, কুরবানি, জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং নেতৃবৃন্দের শাহাদাতের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। এই পথ কোনো সহজ অভিযাত্রা ছিল না; বরং অসংখ্য নেতা- কর্মী-সমর্থকের রক্ত, অশ্রু, কারাবাস, নির্যাতন, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণের বেদনাময় ইতিহাসের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের এই বাস্তবতা নির্মিত হয়েছে।

বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তার মূল ভিত্তি কোনো পার্থিব শক্তি নয়; বরং আদর্শের জন্য নিবেদিতপ্রাণ মানুষদের আত্মত্যাগ, সততা ও অবিচল ঈমান। তাঁদের জীবন আমাদের শিখিয়েছে—আদর্শের মূল্য ত‍্যাগ, কুরবানী ও রক্ত দিয়ে রক্ষা করতে হয়।

তাই আমাদের বারবার ফিরে যেতে হবে সেইসব অগ্রজ নেতৃবৃন্দের স্মৃতির কাছে, যাঁরা হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে আরোহণ করেছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি; মিথ্যার সঙ্গে আপস করেননি; জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁদের বিশ্বাস ও আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। তাঁদের এই অবিচলতা আমাদের জন্য শুধু ইতিহাস নয়, এটি ভবিষ্যতেরও দিকনির্দেশনা।

যাঁরা জীবন দিয়ে আদর্শের মর্যাদা রক্ষা করেছেন, তাঁদের উত্তরসূরি হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব একই আদর্শিক দৃঢ়তা ধারণ করা। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব, কর্মীবাহিনী ও শুভানুধ্যায়ীদের কখনোই মৌলিক আদর্শ, নৈতিকতা ও সত্যনিষ্ঠা থেকে সামান্যতম বিচ্যুত হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ বিচ্যুতি কখনো হঠাৎ আসে না; ক্ষুদ্র আপস থেকেই তার সূচনা হয়। আর সেই সূচনাই একটি আদর্শিক আন্দোলনের শক্তিকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেয়। তাই আমাদের প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বর্তমান নেতৃত্ব এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন এবং আদর্শের এই আমানত রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

মতিউর রহমান আকন্দ

02/08/2026

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সাংবিধানিক আইনের একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি হলো—কোনো রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির ওপর নির্ভর করে। আইনসভা আইন প্রণয়ন করতে পারে, নির্বাহী বিভাগ রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে; কিন্তু সেই আইন সংবিধানসম্মত কি না, রাষ্ট্রক্ষমতার প্রয়োগ বৈধ কি না এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না—তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করে বিচার বিভাগ। ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিশেষাধিকার নয়; এটি নাগরিক স্বাধীনতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা।

31/07/2026

জুলাই সনদে বিচার বিভাগ সংস্কারের যে দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে, তা কোনো ব্যক্তি, সরকার বা রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষার জন্য নয়; বরং রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ভারসাম্য, নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করার জন্য।

স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না; ন্যায়বিচার ছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না; আইনের শাসন ছাড়া মানবাধিকার নিরাপদ থাকে না; আর মানবাধিকার ও আইনের শাসন ব্যতীত গণতন্ত্র কেবল একটি আনুষ্ঠানিক কাঠামোতে পরিণত হয়।

30/07/2026

বিশ্বব্যাপী ইসলামী আদর্শের উত্থান: সময়ের পরিবর্তিত বাস্তবতার এক নতুন অধ্যায়
———————————————
মতিউর রহমান আকন্দ

ইতিহাসের চাকা কখনো শূন্যে ঘোরে না। প্রতিটি যুগ তার সংকটের ভেতর থেকেই পরবর্তী যুগের নতুন সম্ভাবনার তৈরি করে। আজকের পৃথিবীও তেমনই এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বস্তুগত উন্নয়নের শিখরে পৌঁছেও মানবসভ্যতা ন্যায়বিচার, নৈতিকতা, আত্মিক প্রশান্তি এবং মানবিক নেতৃত্বের গভীর সংকট অতিক্রম করছে। এই বাস্তবতায় বিশ্বের বহু মানুষের দৃষ্টি আবারও মূল্যবোধভিত্তিক জীবনব্যবস্থার দিকে ফিরে যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ইসলামী আদর্শের প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ ক্রমশ দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।

আজ ইসলামের উত্থান কেবল জনসংখ্যার উত্থান নয়; এটি আত্মপরিচয়ের উত্থান, মূল্যবোধের উত্থান, ন্যায়বিচারের উত্থান এবং একটি বিকল্প সভ্যতার ধারণা নিয়ে নতুন করে ভাবার উত্থান। পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসলামি অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা বাড়ছে, ইসলামিক ফাইন্যান্স আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার একটি স্বীকৃত অংশে পরিণত হয়েছে, নৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে ইসলামকে ঘিরে আলোচনা বিস্তৃত হচ্ছে। মুসলিম সমাজের পাশাপাশি অমুসলিম গবেষকরাও ইসলামের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নৈতিক দর্শন নিয়ে ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ইসলামের শক্তি কেবল তার অতীতের গৌরবে নয়; তার শক্তি নিহিত রয়েছে তার চিরন্তন নীতিমালায়। যখন বিশ্ব বৈষম্যে ক্লান্ত, ইসলাম ন্যায়ের কথা বলে; যখন বিশ্ব ভোগবাদে বিভ্রান্ত, ইসলাম সংযমের শিক্ষা দেয়; যখন বিশ্ব বিভক্ত, ইসলাম মানবমর্যাদা ও ভ্রাতৃত্বের আহ্বান জানায়; যখন বিশ্ব ক্ষমতার অহংকারে অস্থির, ইসলাম জবাবদিহিতা ও তাকওয়ার ভিত্তিতে নেতৃত্বের কথা বলে।

প্রতিটি বড় সভ্যতার উত্থানের আগে মানুষ তার প্রয়োজন অনুভব করেছে। আজও সেই প্রয়োজন অনুভূত হচ্ছে। মানুষ এমন একটি আদর্শ খুঁজছে, যা অর্থনীতিকে নৈতিকতার সঙ্গে, রাষ্ট্রকে জবাবদিহিতার সঙ্গে, স্বাধীনতাকে দায়িত্বের সঙ্গে এবং উন্নয়নকে মানবিকতার সঙ্গে যুক্ত করতে পারে। ইসলামী আদর্শ নিজেকে সেই সমন্বিত জীবনব্যবস্থা হিসেবে উপস্থাপন করে।

ইসলামী আদর্শের প্রকৃত অগ্রযাত্রা সংঘাতের মাধ্যমে নয়, চরিত্রের মাধ্যমে; স্লোগানের মাধ্যমে নয়, প্রজ্ঞার মাধ্যমে; প্রতিশোধের মাধ্যমে নয়, ন্যায়বিচারের মাধ্যমে; আধিপত্যের মাধ্যমে নয়, মানবকল্যাণের মাধ্যমে। ইতিহাসে ইসলামের সবচেয়ে উজ্জ্বল বিজয়গুলো তরবারির চেয়ে বেশি অর্জিত হয়েছে সততা, আমানতদারিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং উন্নত চরিত্রের শক্তিতে।

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বব্যবস্থাও পরিবর্তিত হয়; কিন্তু সত্য, ন্যায় এবং মানবকল্যাণের আকাঙ্ক্ষা কখনো পরিবর্তিত হয় না। তাই বিশ্বের নানা প্রান্তে ইসলামী আদর্শের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহকে অনেকেই কেবল একটি ধর্মীয় জাগরণ হিসেবে নয়, বরং মূল্যবোধনির্ভর এক নতুন বৈশ্বিক চিন্তার উন্মেষ হিসেবে দেখছেন।

যদি বিংশ শতাব্দী আদর্শিক সংঘাতের শতাব্দী হয়ে থাকে, তবে একবিংশ শতাব্দী হতে পারে মূল্যবোধের পুনর্জাগরণের শতাব্দী। আর সেই পুনর্জাগরণের অন্যতম আলোচিত ধারা—ইসলামী আদর্শের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উপস্থিতি, যার শক্তি নিহিত ন্যায়, মানবমর্যাদা, জ্ঞান, মানবতার কল্যাণ এবং মহান প্রতিপালকের প্রতি জবাবদিহিতার।

এডমিন

এডমিন
28/07/2026

এডমিন

27/07/2026

“ যুদ্ধের ময়দান কেবল সীমান্তে নয়—মানুষের মস্তিষ্কে; সংঘাত কেবল ভূখণ্ডের নয়—চিন্তার; প্রতিযোগিতা কেবল অর্থনীতির নয়—বর্ণনা (Narrative)-এর। আজ একটি সংবাদ, একটি ভিডিও, একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট কিংবা একটি পরিকল্পিত তথ্যপ্রবাহ কখনও কখনও এমন প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে, যা অতীতে দীর্ঘ সামরিক অভিযানের মাধ্যমেও সম্ভব হতো না। এ কারণেই সমকালীন গবেষকরা তথ্যকে কৌশলগত সম্পদ এবং গণমাধ্যমকে আধুনিক রাষ্ট্রশক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেন। “

- মতিউর রহমান আকন্দ

26/07/2026

যে জাতি নিজের কাহিনী (Narrative) নিজে লিখতে পারে না, অন্যের লেখা ইতিহাসই একদিন তার পরিচয় হয়ে যায়।

-মতিউর রহমান আকন্দ

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Matiur Rahman Akanda posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Md Matiur Rahman Akanda:

Shortcuts

Share