HM Lawyers & Law Firm

HM Lawyers & Law Firm নিজে আইন শিখি এবং অন্যকে সাহায্য করি।

18/04/2024

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত

বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারী পরীক্ষা ২০২৩ তারিখ ১৭/১১/২৩ক্রেডিট: ডি জুরি একাডেমি।
17/11/2023

বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারী পরীক্ষা ২০২৩
তারিখ ১৭/১১/২৩

ক্রেডিট: ডি জুরি একাডেমি।

18/07/2023

সূরা- আর রহমান🌺

জেনে রাখুন......!
20/01/2023

জেনে রাখুন......!

29/06/2022
বাংলাদেশ বারকাউন্সিল পরীক্ষা-২০২২ সেট- ৩ এর এর সমাধান
17/06/2022

বাংলাদেশ বারকাউন্সিল পরীক্ষা-২০২২
সেট- ৩ এর এর সমাধান

বার কাউন্সিল পরীক্ষা ২০২২
17/06/2022

বার কাউন্সিল পরীক্ষা ২০২২

05/06/2022

#রায়_এবং_ডিক্রি

Judgment বা রায়:
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২(৯) ধারা অনুসারে,রায় অর্থ ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসাবে বিচারক বিবৃতি দেন তা। অর্থাৎ ডিক্রি বা আদেশ এই রায়ের উপর ভিত্তি করেই তৈরী করা হয়।

ডিক্রি:
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২(২) ডিক্রি বলতে আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিক প্রচারিত এমন বক্তব্য যা মামলার বির্তকিত সমস্ত বা যে কোন বিষয়সমূহের অধিকার চুড়ান্তভাবে নির্ধারন করে।এটা প্রাথমিক বা চুড়ান্ত উভয় হতে পারে।

01/06/2022

দেওয়ানী মামলার বিভিন্ন ধাপ সমূহঃ

যেসব মামলার বিচার দেওয়ানি আদালতে হয় সেগুলোকেই দেওয়ানি মামলা বা Civil Case বলা হয়।দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ৯ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে। যদি কোন মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার নিয়ে (আইনগত) বিষয়ে প্রশ্ন উঠে, তবে সেই মামলাটি দেওয়ানি প্রকৃতির মামলা হিসেবে গন্য হবে।

অধিকার বা পদ সংক্রান্ত মামলা , ঘোষণা মামলা ,দলিল বাতিল ,চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ,বাটোয়ারা মামলা , চুক্তি রদ , সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের মামলা ,দখল পুনঃরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা ,দলিল সংশোধন, অর্পিত সম্পত্তি পুনঃরুদ্ধার মামলা, আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা মামলা,ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ মামলা , অগ্রক্রয় মামলা, ইজমেন্ট মামলা,টাকার মামলা, ভুমি জরিপ সংক্রান্ত মামলা ,আর্বিট্রেশন মামলা , পারিবারিক মামলা,উওরাধিকার সংক্রান্ত মামলা , বিবাহ বিচ্ছেদ , খোরপোষ , দেন-মোহর ,অভিভাবকত্ব , দাম্পত্য অধিকার পুনঃরুদ্ধার মামলা ,অফিস সংক্রান্ত মামলা ঘোষনা মামলা ,আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ,নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা , চুক্তি রদ সংক্রান্ত মামলা ,চাকরি হতে অপসারণের নির্দেশ বেআইনি ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর মামলা।সরকার বা স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে করা মামলা,বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা।জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ।

একটি দেওয়ানী মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বিচার পরিচালিত হয় দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন দ্বারা ।এই আইনের মধ্যে ১৫৮ টি ধারা ও ৫১ টি আদেশ আছে ।

(১) মামলা দায়ের/আর্জি দায়ের:
দেওয়ানী মোকদ্দমা শুরু হয় এখতিয়ারভুক্ত আদালতের নিকট আর্জি দাখিলের মধ্যে দিয়ে ।আর্জিতে বাদীর দাবীর স্বপক্ষে বিস্তারিত বিবরণসহ যেসকল দলিলাদির উপর ভিত্তি করে বাদীর মামলার প্রমান নির্ভর করে সেই সকল দলিল ও কাগজপত্র দাখিল করতে হবে । তাছাড়া ডাক টিকেটযুক্ত সমন-নোটিশ ও প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দাখিল করতে হবে ।

(২) আর্জি ফেরত/প্রত্যাখ্যান :—
আর্জি দাখিলের পর আদালত যদি মনে করেন যে আর্জি ফেরত বা প্রত্যাখ্যান হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, সেক্ষেএে আর্জি ফেরত/প্রত্যাখ্যান করে দিবেন।

(৩) সমন জারী/সমন ফেরত :—
আদালত কর্তৃক আর্জি ফেরত/প্রত্যাখ্যান না করা হলে আদালত সমন জারীর মাধ্যমে মামলার সকল বিবাদীগণকে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ও তাদের দাবীর স্বপক্ষে জবাব দাখিলের জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন।

(৪) লিখিত জবাব দাখিল :—
সমন পাওয়ার পর বিবাদীগণ সমনে উল্লেখিত তারিখে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করবেন ।যদি বিবাদীগণ তাহাদের দাবীর স্ব-পক্ষে লিখিত জবাব প্রস্তুত করতে না পারেন কিংবা প্রয়োজনীয় দলিলাদি যথা সময়ে সংগ্রহ করতে না পারেন তবে বিবাদী আদালত হইতে সময় নিতে পারেন ।বিবাদী জবাব দাখিলের জন্য ২ মাস সময় পাবেন এবং বিবাদী যদি সরকার হয় তাহলে ৩ মাস সময় পাবেন।

(৫) একতরফা শুনানী/প্রথম শুনানী:—
যদি বিবাদীগণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হন তবে আদালত বিরোধীয় বিষয়ে বিবাদীগনের দাবী নেই মর্মে ধরে নিয়ে মোকদ্দমাটি একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করবেন ।যদি বিবাদী জবাব দাখিল করেন তবে আদালত মামলাটিকে পরবর্তী ধাপে অগ্রসর করবেন ।

(৬) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR):—
বাদীর আর্জির বিপরিতে বিবাদী তাহার দাবীর স্বপক্ষে জবাব দাখিলের পর যখন উভয় পক্ষ আদালতে হাজির থাকবেন তখন আদালত শুনানী মুলতবী রেখে উভয়ের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া মামলার বিরোধসমুহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করবেন ।

(৭) ইস্যু গঠন/বিচার্য বিষয় নিধারর্ণ :—
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ হইলে আদালত বাদীর আর্জি ও বিবাদীর জবাবের বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা অর্জন করার পর কোন কোন বিষয়ের উপর মোকদ্দমাটি বিচার হবে তাহা নিধারর্ণ করবেন ।মুলত এটি হচ্ছে ইস্যু গঠন বা বির্চার্য বিষয় নিধারর্ণ করা ।

(৮) তথ্য উদঘাটন ও পরিদর্শন/৩০ ধারার পদক্ষেপ :—
পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের বিষয়গুলো নিধার্রনের পর নির্ধারিত শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির সহায়ক কোন দলিল বা কোন স্বীকারোক্তি সম্পর্কে একপক্ষ অপর পক্ষকে প্রয়োজনীয় কোন বিষয় বা তথ্য প্রকাশের জন্য প্রশ্নজারী করতে পারেন এবং অপর পক্ষ যথা সময়ে উক্ত প্রশ্নের উওর প্রদান করবেন ।

(৯) চুড়ান্ত শুনানীর জন্য তারিখ নির্ধারণ :—
আদালত মোকদ্দমার চুড়ান্ত শুনানীর জন্য তারিখ নির্ধারণ করবেন এবং পক্ষদ্বয়গণকে তাদের নিজ নিজ পক্ষে মামলা প্রমানের জন্য সাক্ষীর তালিকা দিতে বলবেন ।

(১০) চুড়ান্ত শুনানী :—
এই পর্যায়ে আদালত উভয় পক্ষের সাক্ষীগণদের জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করবেন ।একপক্ষের সাক্ষীকে অপর পক্ষের নিযুক্ত আইনজীবী জেরা করবেন এবং আদালত তাহা লিপিবদ্ধ করবেন । কোন প্রকারের দালিলিক সাক্ষ্য থাকলে পক্ষগণ তাহা আদালতে উপস্থাপন করবেন ।প্রথম যেদিন চুড়ান্ত শুনানী শুরু হবে সেটি হচ্ছে Peremptory Hearing বা PH কিন্তু আদালত যদি এই দিনে মামলার সকল সাক্ষীর জবানবন্দী -জেরা ও দালিলিক সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করতে না পারলে পরবর্তীতে পূর্ণরায় আদালত শুনানীর জন্য তারিখ দিবেন এটাকে Further Hearing বা FH বলে ।

(১১)যুক্তিতর্ক:—
মামলার পক্ষগণের সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবী মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল বিষয় সংক্ষিপ্ত আকারে আদালতের সামনে উপস্হাপন করবেন । যুক্তিতর্ক অবশ্যই আইনসম্মত গ্রহণযোগ্য হতে হবে।যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ করবেন ।

১২) রায় ঘোষণা:—
সাধারণত যুক্তিতর্ক শুনানির পর আদালত একটি নিদিষ্ট তারিখে মামলার রায় ঘোষণা করবেন ।রায়ের মধ্যে পক্ষগণের বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু, বাদী -বিবাদীর সাক্ষীর জেরা- জবানবন্দীর বিশ্লেষণ ,বিচার্য বিষয়,সিদ্ধান্ত সম্পর্কে যুক্তি সঙ্গত আলোচনা,সর্বশেষ আদেশ ইত্যাদি ধারাবাহিক ভাবে লিপিবদ্ধ থাকবে ।

(১৩) ডিক্রি প্রস্তুত:—
আদালত রায় ঘোষণার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রস্তুত করবেন ।ডিক্রি সাধারণত দুই প্রকারের হয় যথা :- প্রাথমিক ডিক্রি ও চুড়ান্ত ডিক্রি ।বিশেষ কিছু দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেএে প্রথমে প্রাথমিক ডিক্রি পরে চুড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হয় ।

(১৪) ডিক্রি জারী :—
যদি কোন মোকদ্দমায় প্রাথমিক ডিক্রি হয় এবং উক্ত ডিক্রিতে উভয় পক্ষকে নিধার্রিত সময়ের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নিদের্শনা থাকলে তদানুসারে বিবাদী ডিক্রি কার্যকর করা হইতে বিরত থাকলে বাদী ডিক্রি জারীর জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারেন ।

(১৫) রিভিউ/পূর্ণ:মুল্যায়ন :—
মোকদ্দমার বিচারকালে গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি সম্পর্কে পক্ষগণ আদালতকে অবগত করতে ব্যর্থ হলে বা উক্ত দলিল সমূহ মামলার নথিতে থাকা স্বত্তেও ভুলবশত বিচারে প্রমাণ না হলে বা অন্যকোন সঙ্গত কারণে ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ রায়টি রিভিউ করার জন্য উক্ত আদালতে আবেদন করতে পারেন ।

(১৬) আপীল ও রিভিশন:—
নিম্ন আদালতের রায়ে মামলার যেপক্ষ সংক্ষুদ্ধ হবে বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেই পক্ষ উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপীল কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে রিভিশন করতে পারেন । আপীল আদালত শুনানী শেষে নিম্ন আদালতের রায় বহাল বা বাতিল করতে পারেন ।

ধন্যবাদ।
মডারেটর,
HM Lawyers & Law Firm

31/05/2022

#দন্ডবিধি'র ১০ টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে________

(1).....ধারাঃ ১২১, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলে।
(2).....ধারাঃ ১৩২, রাষ্ট্রদ্রোহিতা মুলক কোনো কার্য সংগঠন করলে।
(3).....ধারাঃ ১৯৪, মৃত্যুদন্ডের উদ্দেশ্য মিথ্যা সাক্ষ্য দান করলে।
(4).....ধারাঃ৩০২, খুন করলে।
(5).....ধারাঃ৩০৩, যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুন হলে।
(6).....ধারাঃ৩০৫ নাবালক বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় সাহায্য করলে।
(7).....ধারাঃ৩০৭ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক নরহত্যা।
(8).....ধারাঃ৩২৬(ক), গুরুতর আঘাত করলে।
(9).....ধারাঃ৩৬৪(ক), ১০ বছরের কম বয়সী ছেলে-মেয়ে কে খুনের উদ্দেশ্য অপহরণ করলে।
(10).....ধারাঃ৩৯৬, ডাকাতি'র সময় খুন করলে।

ধন্যবাদ।

31/05/2022

ফৌজদারী মামলার ধাপ ___

ফৌজদারি মামলা বলতে বলতে ব্যক্তির অধিকার ও সম্পত্তি ব্যতিত অন্য যেকোনো অপরাধকেই বুঝায়। এক কথায় চুরি, ডাকাতি, খুন, জখম, প্রতারণা, দস্যুতা, লুটপাট, বিস্ফোরণ, ধর্ষণ, অপহরণ, বেআইনি সমাবেশ, যৌন হয়রানি, জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান প্রভৃতি অপরাধ গুলোই ফৌজদারি অপরাধ। এসব অপরাধের স্বীকার হলে ভিকটিম ব্যক্তি মামলা করতে পারে এবং তাকে ফৌজদারি মামলা বলা হয়।

ফৌজদারি মামলা

সাধারণত ফৌজদারি মামলায় দুইভাবে চিহ্নিত করা হয়, আমলযোগ্য ও আমল অযোগ্য মামলা। আবার আমলযোগ্য মামলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, একটি জি আর বা পুলিশি মামলা অন্যটি সি আর বা নালিশি মামলা।
যথা :-
১. আমলযোগ্য ও
২. আমল অযোগ্য মামলা।

আবার আমলযোগ্য মামলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যথা :-
○ একটি জি আর বা পুলিশি মামলা, অন্যটি
○ সি আর বা নালিশি মামলা।

আমলযোগ্য মামলা :-
আইন মোতাবেক কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারবে। এসব ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন। এসব অপরাধে যে মামলা হয় তাকে আমলযোগ্য মামলা বলা হয় । ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১) উপধারায় ক্লজ চ-এ আমলযোগ্য মামলা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

আমল অযোগ্য মামলা :-
কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে না। অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে প্রসিকিউিশন ওয়ারেন্ট বা নন-এফআইআর মামলা আদালতে দাখিল করেন। এগুলো আমল অযোগ্য মামলা। এ ধরনের অপরাধের মামলা কোর্টের নন-জিআর রেজিস্ট্রারভুক্ত হয়ে পরিচালিত হয় বলে এ মামলাকে নন-জিআর মামলা বলা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ (১) উপধারার ক্লজ ঢ-এ আমল অযোগ্য মামলা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

নালিশি বা সিআর মামলা/C.R(Complaint Register) :-
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি গিয়েও কোর্ট ফি দিয়ে বিচার আবেদন করা যায়। এ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি ২০০ ধারায় শপথ নিয়ে আবেদনের উল্টো পিঠে জবানবন্দি রেকর্ড করতে হয়।
কোর্ট রেজিস্ট্রার মামলা নথিভুক্ত করে পরিচালিত হওয়ার কারণে এগুলোকে সিআর মামলা বলা হয়।

পুলিশি মামলা
োথানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতার কাছে এজাহার দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাই পুলিশি মামলা নামে পরিচিত। পুলিশি মামলাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো জিআর ও নন জিআর মামলা।

জিআর মামলা/G.R (General Register)
কোন আমলযোগ্য অপরাধ এর খবর পেলে থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে মামলা করে আদালতে এফআইআর/ F.I.R দাখিল করে কার্যবিধির ১৫৬ ধারা অনুসারে মামলার তদন্ত শুরু করেন।
এটাই জিআর মামলা। থানা থেকে এফআইআর আদালতে আসার পর কোর্ট ইন্সপেক্টর/সাব-ইন্সপেক্টর বা জিআর, জেনারেল রেজিস্ট্রার অফিসার উক্ত এফআইআরটি মামলা হিসেবে কোর্টের জেনারেল রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি করে তা দ্রুত ম্যাজিস্ট্রেটের নজরে আনেন।
নন জিআর মামলা

আমলযোগ্য মামলা সংঘটিত হওয়ার সংবাদ পেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য না করে পুলিশি প্রবিধান ৩৭৭ অনুসারে জিডি এন্ট্রি করে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে নন-এফআইআর প্রসিকিউশন রিপোর্ট দায়ের করতে পারেন। এগুলো নন-জিআর মামলা নামে পরিচিত।

ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির ধাপ সমুহঃ

১. সমন :- আসামী দের বিরুদ্ধে আদালত স্বাক্ষরিত সমন ইস্যু করা হয়। যেখানে আদালতে হাজির হবার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ থাকে।

২. ওয়ারেন্ট :- সমনে উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে আদালত তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। এরূপ প্রসেস কে W/A বা Warrant of Arrest বলা হয়।

৩. WP & A :- ওয়ারেন্ট এ উল্লেখিত তারিখে আসামীকে হাজির করা না গেলে বা আসামী পলাতক থাকলে আদালত তার বিরুদ্ধে WP & A (Warrant of Proclamation and Attachment) ইস্যু করেন।এটি ‘হুলিয়া’ বলে পরিচিত।

৪. পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি :- WP & A এতে উল্লেখিত তারিখে আসামীকে হাজির করা না গেলে বা আসামী পলাতক থাকলে এবং আদালত তার বিরুদ্ধে দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের আদেশ দেন।

৫. অনুপস্থিতিতে বিচার :- পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের পরও উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে বা আসামী পলাতক থাকলে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হয়। একে আইনের ভাষায় (Trial In Absentia) বলে।

৬. চার্জ শুনানী :- উপরোক্ত কোন পদ্ধতি বা স্বেচ্ছায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হাজির হলে আদালত তাদের উপর আনীত অভিযোগ তাকে পড়ে শোনাবেন। তাদের বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে আদালত তার জন্য তাদের কে শাস্তি প্রদান করবেন।
অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করলে উহার সত্যতা নিরূপনের জন্য সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষীদের প্রতি সমন এবং ক্ষেত্র বিশেষে অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।
যেমন :-WW বা witness warrant এবং NWW বা Non Bailable Witness Warrant ইস্যু করা হয়।
তবে চার্জ শুনানীতে যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আসামীদের বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নাই তাহলে বিচারে না গিয়ে আসামী/আসামীদের কে অব্যাহতি দেয়া হয়।

৭. সাক্ষ্য গ্রহন :- এই পর্যায়ে ফরিয়াদী পক্ষের আইনজীবী ফরিয়াদী সহ তার মনোনীত সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহন করেন এবং আসামী পক্ষ তাদের জেরা করেন।
সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহন সমাপ্ত হলে আদালত উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শ্রবণ পূর্বক রায় ঘোষনার জন্য তারিখ ঘোষনা করেন।

৮. রায় প্রদান :- সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথির কাগজপএ ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষন করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীত ভাবে আসামীদেরে বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুসারে শাস্তি প্রদান করেন কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করেন।

৯. আপীল :- কোন পক্ষ আদালতের প্রদত্ত রায়ে সন্তুষ্ট না হলে এখতিয়ার সম্পন্ন উচ্চ আদালতে আপীল করতে পারেন।

ধন্যবাদ।

ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।সাস্থবিধি মেনে চলুন।
04/07/2021

ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।
সাস্থবিধি মেনে চলুন।

Address

20/2 Rajar Dewri(Beside Metropolitan Bar), Koteali
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HM Lawyers & Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category