20/09/2024
আমি চবিয়ান, 'গর্বিত' চবিয়ান না। আমি কেবল সেখানে পড়াশোনা করেছি মাত্র, যেমনটা আরো হাজারো ছাত্র-ছাত্রী আরো শত শত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশনা করেছে। 'গর্বিত' চবিয়ান, রাবিয়ান, বুয়েটিয়ান বা ঢাবিয়ান কেউ বলতে গেলে, আমি তার মাঝে ফ্যাসিজমের ছায়া দেখতে পাই। দেশের সেক্টরগুলোতে নিয়োগে বর্ণবৈষম্যের ছোঁয়া পাই, এলাকায় এলাকায় চবিয়ান, ঢাবিয়ান বলে বলে উগ্রতার চর্চা দেখতে পাই এর-ওর নেতা হবার আকাঙ্ক্ষায়।
ঢাবিতে গতকাল খুন হওয়া মানুষটা 'গর্বিত ঢাবিয়ান'দের অহংকার ও অন্ধত্বকে মুছে দিক। ঢাবি কোন সোনার কাঠি নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা মুলত মনুষ্যত্ব, উত্তম শিক্ষা ও গবেষনায়। রক্ত ও লাশের নজরানায় স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, অন্ধপ্রেম মুছে যায়। গর্বিত ঢাবিয়ানদের এলিটিজমের মানসিক রোগ এই লাশের রক্তের নজরানায় সেরে উঠুক। ওরা শিখুক, সবাই তার নিজ নিজ জায়গা থেকে গর্বিত। আলাদাভাবে 'গর্বিত' ঢাবিয়ান বলাটা মুর্খতার পরিচায়ক।
আমার নিজের মাঝে এজাতীয় অন্ধত্ব ভিন্ন মোড়কে ছিল। কাটাতে সময় লেগেছে। কিন্তু কাটানোর পর নিজেকে অনেক বেশী মুক্ত মানুষ মনে হয়। পেশা, ভার্সিটি, এলাকা ইত্যাদির নামে গোলামীর যুগ টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি না।
কার্টেসি পোস্ট।।