এডভোকেট মোঃ হাবিবুল হক

এডভোকেট মোঃ হাবিবুল হক Advocate at Judge Court Dhaka

16/04/2026

পূর্ব শুত্রুতার জের ধরে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নিলে তা আইনত অকার্যকর। চুক্তি আইন ১৮৭২-এর ১৫ ও ১৬ ধারা অনুযায়ী, ভয়ভীতি বা জবরদস্তি করে নেওয়া সইয়ের কোনো বৈধতা নেই। অবিলম্বে থানায় জিডি (GD) করুন, আইনি নোটিশ পাঠান, এবং প্রয়োজনে সিলমোহর বিশেষজ্ঞের (Handwriting Expert) সহায়তা নিয়ে প্রমাণ করুন যে সইটি ইচ্ছাকৃত ছিল না।

করণীয় পদক্ষেপসমূহঃ

★ জিডি (GD) করুন: অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন এবং বিষয়টি জানান।

★ আইনি নোটিশ পাঠানো: একজন আইনজীবীর মাধ্যমে ঐ ব্যক্তিকে আইনি নোটিশ পাঠান যে, আপনার সইটি জোর করে নেওয়া হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

★ প্রমাণ সংগ্রহ: কারা সই নিয়েছে, কখন নিয়েছে, বা সই নেওয়ার সময় আশেপাশে কেউ উপস্থিত ছিল কি না (সাক্ষী) তা নথিবদ্ধ করুন।

★ হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ (Handwriting Expert): যদি স্ট্যাম্প পেপারে পরবর্তীতে কিছু লেখা হয়, তবে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে সইটি যে জোর করে নেওয়া বা পরে লেখা হয়েছে, তা প্রমাণ করা সম্ভব।

★ চুক্তি বাতিল চাওয়া: ভয়ভীতি দেখিয়ে বা মানসিক চাপ দিয়ে সই নেওয়া হলে চুক্তি আইনের অধীনে তা বাতিল বা অকার্যকর করার মামলা করা যায়।

★ সাদা স্ট্যাম্পের ঝুঁকি: কোনো স্ট্যাম্পে সই করার আগে অবশ্যই তাতে লেখা বিষয়বস্তু পড়ে নেওয়া উচিত।

ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ হাবিবুল হক
অ্যাডভোকেট।

09/02/2026

**বিয়ের নিকাহনামা বা কাবিননামা কেন প্রয়োজন?

বিয়ের নিকাহনামা (কাবিননামা) হলো মুসলিম বিবাহের আইনগত ও ধর্মীয় অপরিহার্য দলিল।
এটি স্বামী-স্ত্রীর অধিকার, নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করে।

নিকাহনামা শুধু একটি কাগজ নয় —
এটি ভবিষ্যতের অনেক বড় আইনি সমস্যার প্রতিরোধক সুরক্ষা।

✅ নিকাহনামা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

🔹 আইনি প্রমাণ
বিয়ের বৈধতার লিখিত প্রমাণ, যা আদালতসহ যেকোনো আইনি প্রয়োজনে দলিল হিসেবে কাজ করে।

🔹 নারীর অধিকার সুরক্ষা
তা লা ক বা স্বামীর মৃ ত্যু হলে দেনমোহর, ভরণপোষণ ও উত্তরাধিকার নিশ্চিত করে।

🔹 প্র তা র ণা রোধ
স্বামী আইনগত অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারে না—এটি প্রমাণে নিকাহনামা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔹 সন্তানের বৈধতা
সন্তানের বৈধ পিতৃত্ব ও উত্তরাধিকার প্রমাণে এটি অপরিহার্য দলিল।

🔹 সামাজিক ও প্রশাসনিক স্বীকৃতি
পাসপোর্ট, ভিসা, যৌথ ব্যাংক একাউন্ট, বিভিন্ন সরকারি কাজে কাবিননামা প্রয়োজন হয়।

⏳ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা

বিয়ের ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করা আইনত প্রয়োজন।

❗ রেজিস্ট্রেশন না করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⚠️ বিশেষ সতর্কবার্তা

আজ অনেকেই কাবিননামার গুরুত্ব না বুঝে অবহেলা করেন।
কিন্তু ভবিষ্যতে দেনমোহর, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার, সন্তানের বৈধতা—সবকিছুতেই এই একটি দলিল বড় ভূমিকা রাখে।

ℹ️ দ্রষ্টব্য

এটি সাধারণ আইনি সচেতনতার জন্য।
নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

ধনবাদান্তে
মোঃ হাবিবুল হক
অ্যাডভোকেট,
জজকোর্ট, ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৮১৩৬১৩৬৭৯

26/11/2025

# # ১৯৯১ ইং সালের বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন মোতাবেক ভাড়াটিয়ার আইনগত অধিকার সমূহঃ

* উপরোক্ত আইনের ৭ ধারায় বলা আছে বাড়ী-মালিক চাইলেই ভাড়া বাড়াতে পারবেন না। চুক্তিতে বেশি ভাড়া লেখা থাকলেও, যদি তা মানসম্মত ভাড়ার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে ভাড়াটিয়া তা দিতে বাধ্য নন।

* উপরোক্ত আইনের ১০ ধারায় বাড়ী ভাড়া দেওয়া, নবায়ন বা মেয়াদ বাড়ানোর সময় বাড়ী-মালিক অতিরিক্ত অর্থ যেমন প্রিমিয়াম, সালামী, জামানত দাবি করতে পারবেন না। নিয়ন্ত্রকের অনুমতি ছাড়া এক মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়া নেওয়া যাবে না।

* উপরোক্ত আইনের ২ঘ এ বলা আছে "মানসম্মত ভাড়া” বলতে বোঝায়: বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এর অধীন নির্ধারিত বা নির্ধারিত বলে গন্য করা ভাড়া বাড়ী-মালিক, ভাড়াটিয়া বা উভয়ের আবেদন এর প্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রক (Rent Controller) “মানসম্মত ভাড়া” নির্ধারণ করেন।

* উপরোক্ত আইনের ১৫ ধারায় বলা আছে, এমনভাবে মানসম্মত ভাড়া নির্ধারন করবেন যেন ভাড়ার বাৎসরিক পরিমান বাড়ির বাজার মূল্যের ১৫% শতাংশের সমান হয়। বাড়ীর বাজার মূল্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে স্থির করা হয়।

** উদাহরণঃ

যদি বাড়ীর বাজার মূল্য হয় ৩০ লাখ টাকা, তাহলে বার্ষিক মানসম্মত ভাড়া = ৪,৫০,০০০ টাকা (১৫%) → মাসিক ভাড়া = ৩৭,৫০০ টাকা।

** ব্যতিক্রমঃ

১। উপরোক্ত আইনের ৮ ধারায় বলা আছে, যদি বাড়ী-মালিক নিজ খরচে বাড়ীর প্রয়োজনীয় মেরামতের অন্তর্ভুক্ত নয় এইরূপ কোন সংযোজন, উন্নয়ন বা আসবাবপত্র যোগ করেন, তাহলে ভাড়াটিয়া ও মালিক পরস্পর সম্মত হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নির্ধারণ করতে পারবেন।

২। উপরোক্ত আইনের ৯ ধারায় বলা আছে, বাড়ীর কর, টোল বা পৌর ফিস যা ভাড়াটিয়া কর্তৃক প্রদেয় হয় এবং বাড়ী-মালিক তা পরিশোধ করতে সম্মত হন তাহলে সেই পরিমাণ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া হিসেবে মালিককে দেওয়া যাবে । এই অতিরিক্ত ভাড়া মানসম্মত ভাড়ার উপর দিতে হবে।

** আইনগত পরামর্শঃ

যদি বাড়ী-মালিক অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন, আপনি Rent Controller-এর কাছে অভিযোগ করতে পারেন। সদর সিভিল জজ সাধারনত রেন্ট কন্ট্রোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

ধনবাদান্তেঃ
মোঃ হাবিবুল হক
অ্যাডভোকেট
জজকোর্ট, ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৮১৩৬১৩৬৭৯

25/04/2025

এক বিয়েতে দুই কাবিন: আইন কি বলে?

একই দম্পতির একটিমাত্র বিয়েতে দুটি কাবিননামা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। প্রথম কাবিনে দেনমোহর নির্ধারিত হয়েছে ৫ লক্ষ টাকা, এবং পরে আরেকটি কাবিনে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লক্ষ টাকায়। প্রশ্ন হচ্ছে—কোনটি আইনি ও কার্যকর?

প্রেক্ষাপট:
প্রথম কাবিননামাটি যথাযথ রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সম্পাদিত। পরবর্তীতে আবার একটি নতুন কাবিন রেজিস্ট্রেশন হয়, যেখানে দেনমোহর বাড়ানো হয়। এই দুই কাবিননামার মধ্যে কোনটি কার্যকর, তা নিয়ে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আইনি অবস্থান ও বিশ্লেষণ:
১. বিবাহ একটি চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক এবং কাবিননামা হলো সেই চুক্তির লিখিত দলিল। (Muslim Family Laws Ordinance, 1961)

২. একটি বৈধ কাবিননামা বাতিল না করে দ্বিতীয় কাবিন তৈরি করা হলে তা আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

৩. চলমান বা বিদ্যমান চুক্তি বাতিল না করা পর্যন্ত পরবর্তী চুক্তি কার্যকর হয় না।

৪. দ্বিতীয় কাবিননামাটি কার্যকর করতে হলে অবশ্যই প্রথম কাবিনটি বাতিল বা সংশোধিত হতে হবে আইনি প্রক্রিয়ায়।

৫. দ্বিতীয় কাবিনটি যদি পূর্বের চুক্তির ওপর ভিত্তি করে না হয়ে সম্পূর্ণ নতুন হিসেবে হয়, তবে তা 'ডুপ্লিকেট' হিসেবে গণ্য হতে পারে।

৬. বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী (Evidence Act, 1872), আদালত প্রথম বৈধ ও নিবন্ধিত দলিলকেই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে।

৭. পারিবারিক আদালত আইন, ১৯৮৫ অনুযায়ী, দেনমোহর সংক্রান্ত যেকোনো দাবি পর্যালোচনায় আদালত চুক্তির ধারাবাহিকতা, সম্মতি এবং বৈধতা বিবেচনায় নেয়।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ হাবিবুল হক
অ্যাডভোকেট
জজ কোর্ট , ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৮১৩৬১৩৬৭৯

19/03/2025
14/12/2024

ফ্ল্যাট কেনার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নজরে রাখা খুবই জরুরি:
♦ ১. আইনি বৈধতা ও কাগজপত্র
- ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র: ফ্ল্যাটের ডেভেলপারের কাছে প্রয়োজনীয় জমির দলিল, প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র চেক করা অত্যন্ত জরুরি।
- খতিয়ান ও পর্চা: জমির বৈধতা নিশ্চিত করতে জমির খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করতে হবে। এটি ভূমির প্রকৃত মালিকের প্রমাণ দেয়।
- সিটি কর্পোরেশন বা RAJUK অনুমোদন: ফ্ল্যাটের নকশা এবং নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন থাকা আবশ্যক।
- BNBC (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড): ফ্ল্যাটের নির্মাণ BNBC-এর নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। এটি ফ্ল্যাটের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
♦ ২. প্রকল্পের অবস্থান ও পরিবেশ
- অবস্থান: ফ্ল্যাটের লোকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিকটবর্তী স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মার্কেট, এবং অফিস থেকে দূরত্ব লক্ষ্য করুন। এছাড়াও পরিবহন সুবিধা, রাস্তা, এবং নিকটবর্তী যানজটের অবস্থা বিবেচনা করুন।
- ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখুন, যেমন রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বা অন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প।
♦ ৩. বিল্ডিংয়ের মান ও নির্মাণের গুণগত মান**
- নির্মাণ সামগ্রী: ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যবহার করা সামগ্রী (সিমেন্ট, ইট, রড ইত্যাদি) ভালো মানের কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজ: ভবনের ভিতরে যে প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয়েছে, তা ভালোভাবে চেক করুন। পানির প্রবাহ, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, এবং ফিটিং সঠিক মানের কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
♦ ৪. জমির মালিকানার স্ট্যাটাস ও প্রকল্পের আইনি অবস্থান
- জমির মালিকানার স্ট্যাটাস: জমির উপরে কোনো আইনি সমস্যা (মামলা, বিরোধ) আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জমির মালিকানার খোঁজ নিতে পারেন।
- ডেভেলপারের রেপুটেশন: ডেভেলপারের পূর্ববর্তী প্রকল্প এবং তাদের রেপুটেশন যাচাই করুন। ডেভেলপার নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে কিনা তা দেখুন।
♦৫. ফ্ল্যাটের ডিজাইন ও ফ্যাসিলিটিজ
- ইন্টেরিয়র ডিজাইন: ফ্ল্যাটের ডিজাইন, ঘরের আকার, প্রয়োজনীয় বাথরুম এবং বেডরুমের সংখ্যা, এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ চেক করুন।
- উত্তরণ ও আলো-বাতাসের ব্যবস্থা: ফ্ল্যাটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করছে কিনা, এবং প্রতিদিনের রোদ-বাতাসের প্রবাহ কেমন, তা যাচাই করুন।
- সার্ভিস সুবিধা: লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পার্কিং, এবং কমন স্পেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে। পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ফি বা জায়গার ব্যবস্থা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
♦ ৬. ফ্ল্যাটের মূল্যের সাথে তুলনা
- মূল্য নির্ধারণ: ফ্ল্যাটের দাম বাজারের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন। একই এলাকায় অন্যান্য ফ্ল্যাটের মূল্য কত, তা জেনে নেওয়া ভালো।
- EMI বা লোন সুবিধা: ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে সেই অপশনগুলি সম্পর্কে জানতে হবে। কোন ব্যাংক কত শতাংশ ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে তা যাচাই করা প্রয়োজন।
♦ ৭. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
- মাসিক বা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ডেভেলপার বা অ্যাসোসিয়েশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেয় কিনা এবং তা কী কী সার্ভিসের জন্য, তা আগে থেকেই জেনে নিতে হবে।
♦ ৮. প্রকল্পের ডেলিভারি সময়
- নির্ধারিত সময়: ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে কিনা তা নিয়ে ডেভেলপারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। সময়মতো ডেলিভারি না পেলে কীভাবে সমাধান হবে, সেই শর্তগুলো চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
♦ ৯. অ্যামেনিটিস
- কমন ফ্যাসিলিটিজ: ভবনের কমন ফ্যাসিলিটিজ যেমন কমিউনিটি হল, গার্ডেন, সুইমিং পুল ইত্যাদি আছে কিনা তা জেনে নিন। এই সুবিধাগুলোর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগবে কিনা তাও জানুন।
♦ ১০. রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি খরচ
- ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, এবং নামজারি খরচ কত হবে তা আগেই হিসাব করে নিন।
এসব বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করলে, ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হবে।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ হাবিবুল হক
আইনজীবী
মোবাইলঃ ০১৮১৩৬১৩৬৭৯

11/11/2024

এডভোকেট মো: হাবিবুল হকঃ আমাদের সমাজে কিছু অসাধু মানুষ আছে তাদের নিত্যদিনের কাজ হলো বন্ধু হয়ে মানুষের সাথে মিশে ম....

03/07/2024

*** যাদের জমি আছে কিন্তু দলিল নেই লিখাটি তাদের জন্যঃ

প্রথম উপায়:-
♦ প্রথমে জমির দাগ নাম্বার জানুন
এবং যে দাগটি জানেন সেটা
C.S দাগ, বা S.A দাগ, না R.S
কিংবা B.S/সিটিজরিপ কোন টা
তা নিশ্চিত হোন।
♦ এরপর দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান
নাম্বার জানুন।
♦ইউনিয়ন ভূমি বা তহসিল অফিস হতে জানতে হবে।
♦ খতিয়ানে যদি নামজারি করা
থাকে তাহলে দেখুন কার নামে
নামজারি করা।
♦ নামজারি জমাভাগের কেস বা
নথি বের করে নিন।
নামজারি নথিতে দলিলের নাম্বার
দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল
নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড
কপির জন্য আবেদন করবেন।

♦কোথায় করবেন?
জেলা রেকর্ড রুম বা সাব
রেজিস্ট্রি অফিসে।

♦ দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে
৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে
সাব রেজিস্টি অফিস হতে
দলিলের নকল কপি নিতে
পারবেন।

♦ দলিল টি যদি অনেক বছর
আগের হয় তাহলে জেলা
রেজিস্ট্রার অফিসের জেলা
রেকর্ড রুম হতে সই মোহরি
নকল সংগ্রহ করতে হবে।

♣ দ্বিতীয় উপায় :-
উপরোক্ত নিয়মানুযায়ী পদ্ধতি
গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করে
দলিলের নম্বর বা দলিল না
পান তখন দলিল তল্লাশি করতে
হবে।

♣ তল্লাশি করতে যা লাগবে।
ক) সম্ভাব্য সন।
খ) দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম,
পিতা ও মাতা প্রযোজ্যক্ষেত্রে
স্বামীর নাম নাম।
গ) তফসিল পরিচয়।

♣ তল্লাশি কোথায় করবেন?
দলিল টি যদি সম্প্রতি ৫-৬ বছর
আগের হয় তাহলে উপজেলা
সাব রেজিস্ট্রি অফিস। যদি
অনেক বছর আগের হয় জেলা
রেকর্ড রুম, জেলা রেজিস্ট্রার
অফিস।

24/01/2024

Address

Dhaka
1362

Telephone

008801813613679

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এডভোকেট মোঃ হাবিবুল হক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to এডভোকেট মোঃ হাবিবুল হক:

Share