Mahmud Law Office

Mahmud Law Office Mahmud Law Office is one of the fast growing, dynamic & leading law firms presently operating in Bangladesh. Cell: 017519-55566

Office Address:
61 Bijoy Nagar, Eastern Arzoo,Level-10,Suite-10/1,
Dhaka-1000,Bangladesh. Advising, counselling & Advocacy services

23/07/2021

খতিয়ানের রকমফের
-----------------------------
শেখ গোলাম মাহমুদ
এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
★★★★★★★★★★★★★★★

খতিয়ান দুই প্রকারঃ
১.রেকর্ডিয় খতিয়ান
২.নামজারী খতিয়ান

রেকর্ডিয় খতিয়ান চার প্রকারঃ
১.সিএস খতিয়ান (১৮৮৮-১৯৪০)
২.এসএ খতিয়ান ৷ (২৯৫৬-১৯৬৩)
৩.আরএস খতিয়ান (১৯৬৫-১৯৯০)
৪.বিএস খতিয়ান৷৷ (১৯৯০-২০০০)

আরএস খতিয়ান দুই প্রকারঃ-

১.এসএ পূর্ববর্তী আরএস খতিয়ান
২.এসএ পরবর্তী আরএস খতিয়ান

নামজারি খতিয়ান বিভিন্ন নামে পাওয়া যায়ঃ
১.খারিজ খতিয়ান
২.নাম পত্তন খতিয়ান
৩.মিউটেশন খতিয়ান
৪.জমাভাগ খতিয়ান
৫.নাম খতিয়ান

★★সিএস জরিপ /খতিয়ান
--------------------------------------

ভূমি রাজস্ব খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য এবং কৃষক বা রায়তদের সাথে জমিদারদের বৈরী আচরণ নিরসন কল্পে বৃটিশ সরকার ১৮৭৫ সালের Survey Act এর ৩ ধারা এবং ১৮৮৫ সালের Bengal Tenancy Act এর ১০৫,১০৫ক,১০৬,১০৮,১০৯,১১৫ ধারা মোতাবেক সিএস জরিপ,বা cadastral Survey শুরু করে।এই জরিপ District Survey (DS survey), কিস্তোয়ার জরিপ, ৪০এর খতিয়ান নামেও পরিচিত। এই জরিপ ১৮৮৮ সালে চট্টগ্রামের রামুতে শুরু হয়ে ১৯৩৮ সালে দিনাজপুরে শেষ হয়,এবং ১৯৪০ সালে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল এই জরিপের বহির্ভূত ছিল।
সিএস খতিয়ানের প্রথম পাতার প্রথম অংশে সংশ্লিষ্ট জমিদারের নাম এবং দ্বিতীয় অংশে রায়তের নাম ও রায়ত শ্রেনীর কথা উল্লেখ থাকে।খতিয়ানে জমির হিষ্যা আনা গন্ডা কড়া ক্রান্তিতে প্রকাশ কর হয়।এই খতিয়ানের দ্বিতীয় পাতায় উত্তর সীমানার কথা উল্লেখ থাকে যা জমির অবস্থানগত চৌহদ্দি বুঝতে সাহায্য করে।

★★এসএ খতিয়ান
----------------------------

১৯৪৭ সালে বৃটিশ শাসনের ইতি ঘটলে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়।পাকিস্তান সরকার জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির লক্ষ্য ১৯৫০ সলে State Acquisition & Tenancy (SAT)Act প্রনয়ণ করে অভিশপ্ত জমিদারী প্রথার কবর রচনা করে। এই আইনের ৪৯,৫০,৫১,৫২ ধারা মোতাবেক ১৯৫৬- ১৯৬৩ সালের মধ্যে পূর্বতন সিএস খতিয়ানের উপর ভিত্তি করে এসএ খতিয়ান প্রণিত হয়।ভূমি জরিপ ব্যতিরেকে অফিসে বসে সিএস রেকর্ড এর উপর ভিত্তি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় বলে একে টেবিল খতিয়ান হিসাবেও অভিহিত করা হয়।আবার স্থানভেদে এই খতিয়ান -
১.SA(State Acquisition) খতিয়ান,
২.PS(Pakistan Survey)খতিয়ান,
৩.ROR( Record of Right),
৪.MR(Modified Record)
৫.MRR(Modified Record of Right)
৬.স্বত্বের খতিয়ান
৭.বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে একে বাষট্টির খতিয়ান নামেও অভিহিত করা হয়।এই খতিয়ানে দুটি খতিয়ানের রেফারেন্স থাকে,একটি সাবেক খতিয়ান অর্থাৎ সিএস খতিয়ান এর নম্বর এবং অপরটি হাল খতিয়ান যা মূলত এসএ খতিয়ান নম্বর নির্দেশ করে।

★★আরএস জরিপ /খতিয়ান
-----------------------------------------
এসএ জরিপ সরাসরি মাঠে না গিয়ে পূর্বতন সিএস রেকর্ড এর উপর ভিত্তি করে তড়িঘড়ি করে অফিসে বসে করা হয় বলে এতে অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয়।এই সব ভুলভ্রান্তি নিরসন কল্পে এসএ পরবর্তী ১৯৬৫-১৯৯০ এর মধ্যে আর এস জরিপ (Revisional Survey) সম্পন্ন হয়।এই জরিপে জমির শ্রেণিকরন শুধুমাত্র কৃষি ও অকৃষি শ্রেণিতে বিভাজন করা হয়।

তবে এসএ জরিপ পূর্ববর্তী একটি আরএস জরিপ পরিচালিত হয়েছিল যা ১৯৩৩ সালে শুরু হয়ে ১৯৪৭ সালে বন্ধ হয়।এই জরিপ মূলত বাকেরগঞ্জ,ফরিদপুর, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামে পরিচালিত হয়েছিল।

★★বিএস জরিপ /খতিয়ান
--------------------------------------
বিএস(Bangladesh Survey) জরিপ ১৯৯০ সালে শুরু হয়ে ২০০০ সালে শেষ হয়।তবে কোন কোন এলাকায় এখনো চলছে।এই জরিপের খতিয়ানের উপর "সিটি জরিপ " শব্দটি লেখা থাকে এবং নয়টি কলামে কম্পিউটার প্রিন্টেড হয়।

★★মিউটেশন খতিয়ান
---------------------------------
মিউটেশন খতিয়ান মূলত একটা চলমান খতিয়ান। জমির মালিকানার হস্তান্তর জনিত কারনে কিংবা একই মৌজার একই মালিকের একাধিক খতিয়ানকে একটি খতিয়ানে রূপান্তর জনিত কারনে মিউটেশন খতিয়ানের সৃষ্টি হয়।
মিউটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমির মালিকানার নিয়ত পরিবর্তনশীলতা সরকারি রেকর্ডে হালনাগাত করা হয়।এ কারনেই এ খতিয়ানে আগত খতিয়ানের একটি রেফারেন্স থাকে যা পূর্বতন খতিয়ানকে নির্দেশ করে।এই খতিয়ানটি নামজারি জমাভাগ প্রস্তাবপত্র উপস্থাপন সাপেক্ষে এসিল্যান্ড অফিসে একটি মিউটেশন কেস এর মাধ্যমে দায়ের করা হয় বলে এই খতিয়ানে মিউটেশন কেস এর রেফারেন্স থাকে।

10/06/2021
23/12/2018

অামাদের অাইন পরিবারের নতুন সদস্য হিসাবে অামার সর্ব কনিষ্ঠ ছোট বোন ও ভাগিনার আগমন।
দুজনই অাইনজীবী তালিকাভূক্তি পরীক্ষায় চুড়ান্ত ভাবে উত্তীর্ণ।

24/11/2016

ওয়াকফ:
মালিকানার দাবি না রেখে ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে কোন সম্পত্তি উৎসর্গ করাকে ওয়াকফ বলা হয়৷ ১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো মুসলমান কর্তৃক ধর্মীয়, পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ী ভাবে উৎসর্গ করাকে বুঝায়৷ যিনি ওয়াকফ করেন তাকে ওয়াকিফ বলা হয়।
ওয়াকফের শর্তাবলী:
• ওয়াকিফকে অবশ্যই সুস্থ মস্তিস্কের অধিকারী ও সাবালক হতে হবে।
• ওয়াকফের উদ্দেশ্যে যে সম্পত্তি উৎসর্গ করা হবে তা অবশ্যই চিরস্থায়ীভাবে উৎসর্গ করতে হবে।
• ওয়াকফের উদ্দেশ্যে অবশ্যই মুসলিম আইন অনুযায়ী ধর্মীয় বা দাতব্য প্রকৃতির হতে হবে।
• স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি উভয়ই বৈধ ওয়াকফের বিষয়বস্তু হতে পারে।
• ওয়াকিফ যে সম্পত্তি উৎসর্গ করবেন অবশ্যই তা বৈধ মালিকানার হতে হবে।
• ওয়াকফটি সম্পূর্ণ হওয়ার পর তা হস্তান্তর অযোগ্য হয়ে যায়। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে মোতাওয়াল্লী আদালত বা ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতিক্রমে হস্তান্তর করা যেতে পারে।
অমুসলিম ব্যক্তি কর্তৃক ওয়াকফ:
অমুসলিম ব্যক্তিও ওয়াকফ করতে পারবেন। কিন্তু তা ওয়াকফ সৃস্টিকারী ব্যক্তির ধর্ম অনুসারে বৈধ বা আইনসঙ্গত হতে হবে।এক্ষেত্রে উৎসর্গকারীকে অবশ্যই ইসলামের মূলনীতিতে বিশ্বাস থাকতে হবে।কিন্তু তাকে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahmud Law Office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mahmud Law Office:

Share