Advocate Azibur Rahman, Supreme Court of Bangladesh.

Advocate Azibur Rahman, Supreme Court of Bangladesh. Advocate in Dhaka judge court & Dhaka Taxes Bar.

10/10/2024

কাব্যিক আকাশে শরতের শেষ বিকেলে সন্ধ্যা নামে প্যাঁজা প্যাঁজা সাদা মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলে। আমি অবাক হয়ে চেয়ে থাকি দূর দিগন্তের অস্তগামী সূর্যের পানে। মনে হয় বেলা বেশী নাই, ঘণ ঘণ রেড সিগ্নাল হয়, যেন কাল-বৈশাখীর পূর্বাভাস। হে কান্ডারী- মজবুত করো তোমার হাল, ছিঁড়ে না যেন পাল, মাস্তুলে লাগাও গ্রিজ, ভাঙ্গা তরী তব দিতে হবে পাড়ি সামনে তোমার অথৈই সমুদের ঢেউ।

08/10/2024

৩০/১০/২০২০
কল্পনার ফানুষ
আমি ভূলে গেছি কল্পনা করা,
আকাশ কুসুম চিন্তা করা আর
কাব্যময় মালাগাঁথা এক সময় আমার
প্রচন্ড সখ ছিল। এখন দারুণ বাস্তবতায়
আমার সব কল্পনার ডানা ভেঙ্গে চুরমার
হয়ে বাস্তবের তুমুল রোদ্দুরে শুকাচ্ছে অহরহ।
সেই খাঁ খাঁ রোদ্দুরের তপ্ত দুপুরে জলতৃঞ্ষায়
তীর্থের কাক হয়ে বসে আছি,
অনাগত দিনগুলোর বাস্তবতার নিক্তিতে মাপার অপেক্ষায়।
এক সময় মনে হতো- আমার স্বপ্নগুলো
রঙিন মালা গেঁথে কাব্যিক ফানুষে ভরে
উড়াবো নীল আকাশে।
কিন্তু কখনো কথার শব্দকে মালা বানাতে পারিনি।
যখন কোন শব্দ জুড়ে দিয়ে মালা গাঁথতে বসেছি-
অমনি বাস্তবের তুমুল রোদ্দুরে পুড়ে
ছারখার হয়ে গেছে আমার সব স্বপ্ন,
ছিঁড়ে গেছে সূতা, নিভে গেছে বাতি,
লেখার কপালে জুটেছে দূর্গতি।
বাস্তব জীবনের নাট্যশালায়
আমি এক খল অভিনেতা।
অভিনয় জানিনা, শুধু গুনতে থাকি রোজ নামচা।
ধারাপাতের বই খুলে নামতা পড়ার মত
গুনে চলি- দুই দুগুনে চার,
চার চারা ষোল।
দিন শেষে মিলাতে পারিনা হিসাব,
সব এলোমেলো হয়ে যায়;
অঁন্ধকারের হুতুম পেঁচার ডাকে।
হুতুম পেঁচার কথাটি শুনলে
মনে হয় সে বলছে-
তুই থুলি না মুই থুলি,
টাকার কোলা কই থুলি?
তাইতো হুতুম পেঁচা ডাকলে
চুপ করে শুনতে থাকি-
তুই থুলি না মুই থুলি
টাকার কোলা কই থুলি?

07/10/2024

ল্যাথারিজম
৭/১০/২০২৪
আমি যখন ক্লাস থ্রি ফোরে পড়ি তখন সারা দেশে দূর্ভীক্ষের কারণে মানুষ ভাত পেত না; তাই, খাবার হিসাবে আস্ত গম সিদ্ধ, যবের ভাত খেত। এগুলোও যারা পেতনা, তখনকার দিনে ঘোড়ার খাদ্য হিসাবে আবাদ করা হতো খেসাড়ী। সেই খেসাড়ী অভাবের কারণে ঘোড়ার পরিবর্তে মানুষ খাওয়া শুরু করলো। ফলে কিছুদিনের মধ্যেই সারা দেশে এক প্রকার রোগ দেখা দিল। মানুষ হাঁটা চলা করতে অপারগ হয়ে গেল। ফলে তারা লাঠি ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পথ চলতো। এক সময় সারা বিশ্বে এই রোগের খবর পৌঁছে গেল। ফলে বিদেশ থেকে সাদা চামড়ার সাহেব বিবিগণ বাংলাদেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লো। তখন ইংরেজি জানা লোক আর কয় জনই বা ছিল। কারণ শিক্ষার হার তখন ২০% এর নীচে। তাই আমরা যারা থ্রি ফোরের ছাত্র তারা সবাই দোভাষির কাজে লেগে গেলাম। তখন এই রোগ নির্ণয় করার জন্য হাঁটুর উপর একটা এক হাত লম্বা লাঠি দিয়ে বাড়ি দিত রোগ নির্ণয় করার জন্য। তখনই ল্যাথারিজম রোগ সর্ম্পকে জানতে পারি। এতদিন পর মানে ৫০ বছর পর আজ কি জানি সেইসব স্মৃতি চারণ করার সাধ জাগলো মনে।
মসুর ও মুগডালের পাশাপাশি খেসারির ডালও আমাদের খাদ্যতালিকায় থাকে। যার বৈজ্ঞানিক নাম লাথাইরাস সাটিভাস (Lathyrus sativus)। এই ডালে বোয়া (BOAA) নামক এক প্রকার অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি হয়। এই অ্যাসিড ‘ল্যাথারিজম’ নামক পায়ের প্যারালাইসিসের জন্য দায়ী।

ল্যাথারিজমের লক্ষণগুলো হঠাৎ করেই শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে হাঁটতে অসুবিধা ও অসহ্য যন্ত্রণা হয়। পা অবশ হয়ে যায়। এই ধরনের নানান অনুভূতি দেখা দেয়।
এই রোগে নারীদের থেকে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে, যাদের বয়স মোটামুটি ২৫ থেকে ৪০ এর মধ্যে।
বেশিদিন খেসারির ডাল খেলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অপরিপক্ব, সিদ্ধ ডাল এবং খেসারির গাছের অংশসহ রান্না করে খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
আর রক্তের গ্রুপ ‘ও পজেটিভ’ বা ‘ও নেগেটিভ’ হলেও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশ থেকে অর্ধভাগ খেসারি ডাল হলে এবং তা ক্রমাগত তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত খেলে রোগটি মানুষের মধ্যে দেখা দেয়।
সারা বছর পেঁয়াজু তেমন খাওয়া না হলেও রমজান মাসে ইফতারিতে পেঁয়াজু খাওয়া হয়। মসুর কিংবা মুগ ডালের পাশাপাশি অনেকেই খেসারির ডাল দিয়ে পেঁয়াজু বানিয়ে থাকেন। তাই নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় খেসারির ডাল রাখতে হলে একটি নিয়ম মেনে চলা দরকার।

খেসারির ডাল ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানিকে ফেলে দিয়ে, রান্না করার আগে উচ্চ তাপমাত্রায় ভেজে নিয়ে ডাল রান্না করলে ‘ল্যাথারিজম’ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

05/10/2024

আগে যা ফেসবুকে দেওয়া হয়নি”-

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি
তাং-২১/০৭/২০১৮
আমি শুধু ঘুম কাতুরে নই আমি একজন স্বপ্ন দ্রষ্টা
আমি স্বপ্ন দেখি সেই শৈষব থেকে এখন পর্যন্ত
স্বপ্ন দেখি ডানা মেলে নীল আকাশে উড়ছি
বড় হয়ে স্বপ্ন আমার সত্যি হলো
আমি বাংলাদেশ এয়ারফোর্সে চাকরী করে
অসংখ্যবার আকাশ ভ্রমন, বিশ্ব ভ্রমন করে এলাম।
আমি স্বপ্ন দেখি হাইকোর্টের একজন জজ/ব্যারিষ্টার হবো।
আমার নির্দেশে/বিচারে সব অনিয়ম, অবিচার হয়ে যাবে নিয়ম,
আইন সংগত আর বৈধ।
বিচার বিভাগ থাকবে আমার পকেটে।
আমি স্বপ্ন দেখি বিশ্বের বিরাট ধনী হবো।
সব ব্যাংকের টাকা গুলি থাকবে আমার পকেটে।
পাবলিক ব্যাংক, প্রাইভেট ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের মালিক আমি,
এখানে যত টাকা, ডলার, আর সোনা-দানা আছে
সবকিছুর মালিক।
রিজার্ভ চুরি, সোনা চুরি সব বিরোধী দলের চক্রান্ত।
কোন “শুভঙ্করের ফাঁকি” এখানে নেই, থাকবেনা।
দু-চার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়ে বিদেশ গেলে ক্ষতি কি?
ওটা কোন টাকা হলো?
উন্নয়নে উন্নয়নে ভরে দেব দেশ।
থাকবেনা কোন ক্ষুধা-দারিদ্র।
উন্নয়নের বাজেট হবে পকেট ভরবে ঠিকাদারের।
সোনার ছেলেরা করবে ঠিকাদারী্,
বিল্ডিং তৈরী করতে রডের বদলে বাঁশ দিলেও কোন দোষ নেই।
খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি যা খুশি করবে আমার সোনার ছেলেরা।
হে জনগণ, তোমরা এত লাফাও কেন?
লাফিয়ে কোন কাজ হবেনা।
আমি স্বপ্ন দেখি দেশের প্রধান মন্ত্রি হবো,
ফাটাকেষ্ট হয়ে একদিন সব অনিয়ম দূর করে দিব।
আমি শুধু স্বপ্নই দেখিনা,
দেখি একমাত্র আমিই করতে পারি দেশের উন্নয়ন।
আমি স্বপ্ন দেখি পদ্ম্ সেতু, যমুনা সেতু নভো থিয়েটার,
যতসব আর্ন্তজাতিক মানের সম্মেলন কেন্দ্র
যে বা যখন যার নামেই তৈরী হোক
সব খানেই আমার নাম ছাড়া আর কারো নাম থাকবেনা।
ঘুরবো আমি দেশ বিদেশ, সম্মান পাব সবখানে,
ডক্টরেট, ডি লিট পদকে আমি সন্তুষ্ট নই।
আমার চাই নোবেল শান্তি পদক।
আমি স্বপ্ন দেখি সার্কের প্রেসিডেন্ট হয়ে
সার্কভূক্ত দেশগুলিতে অভিন্ন মূদ্রা চালু করে
বিশ্ব অর্থনীতির চাবিকাঠি নিজ হাতে নিয়েছি।
বাংলাদেশ আর তলাবিহীন ঝুড়ি হবেনা কখনো।
আমি এখন বাংলাদেশের নাম লিখে দিয়েছি
মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নতবিশ্বের খাতায়।
ভীষন 21, 41 সবই আমার স্বপ্নের ফসল।
আমি স্বপ্ন দেখি মাদকে আর অবৈধ অস্ত্রে ভরে দেব দেশ
যুব সমাজ বুঁদ হয়ে দিনে ঘুমাবে
আর রাত হলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে করবে লুন্ঠন,
হত্যা আর ধর্ষণ।
মাদক সম্রাটদের বাদ দিয়ে
ক্রস ফায়ার দেওয়া হবে সব অর্বাচিন নালায়েক বুভুক্ষদের।
আমি স্বপ্ন দেখি সব ধরনের খেলাধুলায় আমি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন
ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, হকি, এথলেটিক্স আর ভলিবলে
ছেলে বা মেয়েদের দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরলে
তারা পাবে পরবর্তী ইলেক্শনে নমিনেশন।
তাদেরকে বানোবো মন্ত্রি।
আমার স্বপ্নের শেষ নেই, নেই কোন অবসর।
আমি অবিরত স্বপ্ন দেখে চলেছি
এমনকি আমি মারা গিয়েও কিন্তু স্বপ্ন দেখতে ভুলিনি।

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! আইনি পরামর্শক, সান মুন, Md Soflpul
18/09/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! আইনি পরামর্শক, সান মুন, Md Soflpul

দরবেশ বাবা দাড়ি কেটে চুলে কালো খেজাব দিয়ে লুঙ্গি পরে পালাতে চেয়েছিলেন, সঙ্গে রানিং মেট ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। হায়রে ব...
14/08/2024

দরবেশ বাবা দাড়ি কেটে চুলে কালো খেজাব দিয়ে লুঙ্গি পরে পালাতে চেয়েছিলেন, সঙ্গে রানিং মেট ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।
হায়রে বিধির খেলা, তিনি ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। শেষ পর্যন্ত উভয়ের হাতে হাত কড়া। কালকের বাদশা আজকের শুধু ফকির বললে ঠিক হবে না। তারা এখন অপরাধী খুনের আসামি।
একটা মানুষের জীবন ধারণ করতে কত টুকুই বা প্রয়োজন হয়!
আজকে দরবেশ সাহেব ধরা পড়লেন। সাথে আনিস সাহেব। দুই হাত দড়ি দিয়ে বাঁধা ছবিটা দেখে অনেক গুলো প্রশ্ন মনে আসছে:
উনি কি 5 তারিখের আগে জানতেন তার জিবনে এমন ঘটনা ঘটবে, এমন পরিণতি হবে ভোগ করতে হবে!!
2010 সালে তিনি শেয়ার বাজারে ধ্বস নামিয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছিলেন। সর্বস্ব হারিয়ে কয়েক জন আত্মহত্যা করেছিল, লক্ষ মানুষ পথের ফকির হয়ে গিয়েছিল। সকলের কিছু করার ছিল না শুধু মাত্র অভিশাপ দেয়া ছাড়া। উনি ভেবেছিলেন সেই অভিশাপে তার কিছু হবে না, কিন্তু আল্লাহ শ্রেষ্ঠ বিচারক।
দেশের ব্যাংক গুলো লোপাট করে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে নিয়ে গেছে, কার ভোগে লাগবে এই অর্থ?!
অষুধ শিল্প যেন ছিল ওর বাপের সম্পত্তি। ইচ্ছা মত ওষুধের দাম বাড়িয়েছে।
করোনা কালীন দুই নাম্বারী করে 5 টাকার ভ্যাকসিন 25 টাকায় কিনে অসুস্থ অসহায় মানুষের সাথে প্রতারনা করেছে।

তার পাপ কাজ এর কোন ইয়াত্তা নেই। এহেন কোন অন্যায় কাজ নেই যা সে করেনি।
আর এখন??! এখন সময় এসেছে শাস্তি ভোগ করার, মহান আল্লাহর ইচ্ছায়।
আল্লাহ পরকালে যে শাস্তি দেন আমরা তা দেখিনা, কিন্তু তিনি বান্দাকে কিছু শাস্তি ইহকালে দিয়ে দেন যাতে মানুষের উপলব্ধি আসে।
আল্লাহ পাকের ইচ্ছায় সব হয়, উনারা কখনো ভাবে নাই এইভাবে অপমানিত হয়ে ধরা পড়বে।দরবেশ দাড়ি কেটে লুংগি পরেও রক্ষা পেলোনা😀😁

03/07/2024

আমার আমি আমারবনিজ ভুবনে।

11/05/2024

কেমন ছিলো জমিদার রবীন্দ্রনাথ ??

আজকাল অনেকেই প্রচার করে জমিদার রবীন্দ্রনাথ অনেক উদার ও প্রজাদরদী ছিলো। অথচ ইতিহাস তার সম্পূর্ণ বিপরীত সাক্ষ্য দেয়। আসুন দেখি ইতিহাস কি বলে:
১) “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সামন্তবাদী প্রজাপীড়ক জমিদার ছিলেন। তার দফায় দফায় খাজনা বৃদ্ধি এবং জোর-জবরদস্তি করে তা আদায়ের বিরুদ্ধে ইসমাইল মোল্লার নেতৃত্বে শিলাইদহে প্রজাবিদ্রোহ হয়েছিল। (সূত্র: অধ্যাপক অমিতাভ চৌধুরী, জমিদার রবীন্দ্রনাথ, দেশ ১৪৮২ শারদীয় সংখ্যা)
২) চারিদিকে নিষ্ঠুরতা ও দুর্নামের প্রতিকূল বাতাসকে অনুকূল করতে “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাইভেট সেক্রেটারী অমিয় চক্রবর্তী একবার বিশাল জমিদারীর একটি ক্ষুদ্র অংশ দরিদ্র প্রজাসাধারণের জন্য দান করার প্রস্তাব করেছিলেন। ঠাকুরমশাই ইজিচেয়ারে আধাশোয়া অবস্থা থেকে সোজা হয়ে বলেছিলেন, “বল কিহে অমিয়। আমার রথীন (কবির একমাত্র পুত্রের নাম) তাহলে খাবে কী? (দ্রষ্টব্য: অন্নদাশঙ্কর রায়ের রচনা থেকে উদ্ধৃত পুস্তক ‘রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক চিন্তাধারা: আবু জাফর)
৩) অধ্যাপক অরবিন্দ পোদ্দার লিখেছে, “জমিদার জমিদারই। রাজস্ব আদায় ও বৃদ্ধি, প্রজা নির্যাতন ও যথেচ্ছ আচরণের যে সব অস্ত্র, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বাংলার জমিদার শ্রেণীর হাতে তুলে দিয়েছিল, ঠাকুর পরিবার তার সদব্যবহারে কোন দ্বিধা করেনি। এমনকি জাতীয়তাবাদী হৃদয়াবেগ ঔপনিষদিক ঋষিমন্ত্রের পুনরাবৃত্তি এবং হিন্দুমেলার উদাত্ত আহবানও জমিদার রবীন্দ্রনাথকে তার শ্রেণীস্বার্থ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। (দ্রষ্টব্য অরবিন্দ পোদ্দার: রবীন্দ্রনাথ ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ)
৪) সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায়ও বলেছে, “শান্তিনিকেতনে একটি চাকরি পেয়ে তার আধা-সরকারি চাকরি ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ হলেন জমিদার মর্জির, ঠিক নেই, কখনো আবার চাকরি নষ্ট করে দিলে তার খাবার অভাব হবে। রবীন্দ্রনাথ ইন্টরালেন্ট (অসহিষ্ণু) ছিলেন। যে মাস্টার রবীন্দ্রনাথের কথার প্রতিবাদ করতেন তার চাকরি থাকতো না।”
৫) অন্নদাশঙ্কর রায় আরও বলে, “জমিদার হিসেবে ঠাকুর পরিবার ছিল অত্যাচারী। গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিল, বুট পরে প্রজাকে লাথি মেরেছেন, পায়ে দলেছেন দেবেন ঠাকুর। এটাই রেকর্ড করেছিল হরিনাথ মজুমদার। যিনি মহর্ষি বলে পরিচিত, তিনি একইরকমভাবে মানুষকে পদাঘাতে দলিত করেন। গ্রাম জ্বালাবার কথাও আছে। আবুল আহসান চৌধুরীর কাছে এর সমস্ত ডকুমেন্ট আছে। সমগ্র ঠাকুর পরিবার কখনো প্রজার কোন উপকার করে নাই। স্কুল করা, দীঘি কাটানো এসব কখনো করে নাই। মুসলমান প্রজাদের টিট করার জন্য নমশূদ্র প্রজা এনে বসতি স্থাপনের সাম্প্রদায়িক বুদ্ধি রবীন্দ্রনাথের মাথা থেকেই এসেছিল। কাঙাল হরিনাথ মজুমদার তার ‘গ্রাম্যবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকায় ঠাকুর পরিবারের প্রজাপীড়নের কথা লিখে ঠাকুর পরিবারের বিরাগভাজন হয়েছিলেন।” (দ্রষ্টব্য দৈনিক বাংলাবাজার, ১৪.০৪.১৯৯৭ এবং ১.৫.১৯৯৭ সংখ্যা)
৬) স্বামী বিবেকানন্দের ঘনিষ্ঠ ভ্রাতা ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত তার জন্য লিখেছে, “রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত সামন্ততান্ত্রিক।”
৭) জমিদারদের বড়দেবতা হলো অর্থ আর স্বার্থ। অর্থ আর স্বার্থলাভ করতে ঠাকুর পরিবারের জমিদার হিসেবে দুর্নামের কালো দিক আড়াল করে রাখলেও প্রকৃত ইতিহাসের পাতা থেকে তা মোছা যাবে না। “ঠাকুর পরিবারের এই মহর্ষি জমিদারদের প্রতি কটাক্ষ করে হরিনাথ লিখেছেন, “ধর্মমন্দিরে ধর্মালোচনা আর বাহিরে আসিয়া মনুষ্যশরীরে পাদুকাপ্রহার, একথা আর গোপন করিতে পারি না।” (অশোক চট্টোপাধ্যায়: প্রাক বৃটিশ ভারতীয় সমাজ, পৃষ্ঠা ১২৭, ১৯৮৮)
৮) সিরাজগঞ্জে প্রজা নির্যাতনের দলিলও ইতিহাসে পাওয়া যায়। “এর প্রেক্ষিতে সিরাজগঞ্জের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের বদলির আদেশ হয়েছিল এবং যে যে জমিদার উপরের আবরণের গুণে তপস্বী বলিয়া গভর্নমেন্টে পরিচিত ছিলেন, তাহারা যে বিড়াল তপস্বী তা প্রমাণিত হয়েছিল। এসবের ফলশ্রুতিতে হরিনাথকে ঐ জমিদারের বিষনজনে পড়তে হয়েছিল।” (অশোক চট্টোপাধ্যায়, ঐ, পৃ ১২৮)
আজকে সেই প্রজানিপীড়ক জমিদার রবীন্দ্রনাথকে বানানো হয়েছে প্রজাপ্রেমী জমিদার। ইতিহাসকে যে কতোটা বিকৃত করা হয়েছে................

সংগৃহীত

07/11/2022

Address

Palton
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 18:30
Sunday 09:00 - 18:30

Telephone

+8801678022948

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Azibur Rahman, Supreme Court of Bangladesh. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share