Advocate M. Mosaddek Billah

Call Directions Contact the practice

Advocate M. Mosaddek Billah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate M. Mosaddek Billah, Lawyer & Law Firm, Bangladesh Supreme Court Bar Association, Dhaka.

Advocate, (Appellate Division & High Court), Supreme Court of Bangladesh | Studied LL.B.(Hon's) and (LL.M.), Department of Law | University of Dhaka | Assistant Professor of Law, UODA | Contact: 01791446620

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের...
14/10/2026

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে।
বাংলাদেশ সরকারের আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
এই নতুন নিয়মটি আগামী ১ জানুয়ারি ২০৩০ সাল থেকে কার্যকর হবে।

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি  বিমানবন্দরেসাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান, নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনেসকে হেন...
13/10/2026

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান, নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনেসকে হেনস্তা করার তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাচ্ছি।

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ ছুটির কারণে বিচার ব্যবস্থায় শ্লথগতি আসছে এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বলে মন্...
12/10/2026

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ ছুটির কারণে বিচার ব্যবস্থায় শ্লথগতি আসছে এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এই দীর্ঘ ছুটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্টের ক্যালেন্ডার দেখলে বোঝা যায় ৩৬৫ দিনের প্রায় অর্ধেক সময়ই ছুটির তালিকায় থাকে। সরকারি ছুটির পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব দীর্ঘ অবকাশ রয়েছে।

সাক্ষাৎকালে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আইনগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত এসব বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলে...
07/10/2026

সাক্ষাৎকালে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আইনগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত এসব বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের সহযোগিতা কামনা করলে তিনি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

এমপিওভুক্ত হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভা নিতে বাধা নেই: চেম্বার আদালত।আদালতের আদেশের পর সাংবাদিক...
06/10/2026

এমপিওভুক্ত হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভা নিতে বাধা নেই: চেম্বার আদালত।
আদালতের আদেশের পর সাংবাদিকদেরকে ব্রিফ করেন মাননীয় অ্যটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল স্যার।

ডোপ টেস্ট (Dope Test) হলো এমন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে মানুষের শরীরে কোনো অবৈধ বা নিষিদ্ধ মাদক কিংবা কর্মক্ষমতা বৃদ্ধকার...
04/10/2026

ডোপ টেস্ট (Dope Test) হলো এমন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে মানুষের শরীরে কোনো অবৈধ বা নিষিদ্ধ মাদক কিংবা কর্মক্ষমতা বৃদ্ধকারী ওষুধের উপস্থিতি যাচাই করা হয়।

কেন ডোপ টেস্ট করা হয়?

• মাদক ব্যবহার শনাক্ত করতে: কেউ গাঁজা, হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল বা অন্য কোনো মাদক সেবন করেছেন কি না তা জানতে।

• খেলার মাঠে: খেলোয়াড়রা পেশিশক্তি বা খেলার মান বাড়ানোর জন্য নিষিদ্ধ কোনো স্টেরয়েড বা হরমোন ব্যবহার করেছেন কি না তা দেখতে।

• চাকরি বা লাইসেন্সে: অনেক প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য বা ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়।

বাংলাদেশে নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সাধারণ প্রক্রিয়ানিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্...
03/10/2026

বাংলাদেশে নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সাধারণ প্রক্রিয়া

নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশে কোনো পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে আইন অনুযায়ী উচ্চতর আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে। নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চেয়ে উচ্চতর আদালতে যে আবেদন করা হয়, সাধারণভাবে তাকে আপিল (Appeal) বলা হয়।

বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় মামলার প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট আইনের ওপর নির্ভর করে আপিলের পথ ও প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণভাবে হাইকোর্ট বিভাগ বা আপিল বিভাগে আপিল করার ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অনুসরণ করতে হয়।

১. আপিল করার প্রাথমিক শর্ত ও প্রস্তুতি

পূর্ণাঙ্গ রায় বা আদেশের কপি সংগ্রহ:

আপিলের প্রস্তুতির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো নিম্ন আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের কপি সংগ্রহ করা। সাধারণত আদালত থেকে রায় বা আদেশের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে হয়।

রায়ের কোন অংশে আইনগত বা তথ্যগত ত্রুটি রয়েছে, কোন সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা হবে এবং আপিলে কী ধরনের প্রতিকার চাওয়া হবে—এসব নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট রায় বা আদেশ ভালোভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি।

আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ:

উচ্চ আদালতে আপিল করার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলার প্রকৃতি, প্রযোজ্য আইন, আপিলের এখতিয়ার, তামাদি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করে আইনজীবী আপিলের উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারেন।

তামাদি বা নির্ধারিত সময়সীমা:

আপিল করার ক্ষেত্রে তামাদি (Limitation) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোন আদালতের কোন রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট আইন ও মামলার ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩০ দিন বা ৯০ দিনের সময়সীমা প্রযোজ্য হতে পারে; তবে সব মামলার ক্ষেত্রে একই সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করা সম্ভব না হলে, প্রযোজ্য আইনের অধীনে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে বিলম্ব মার্জনার (Condonation of Delay) আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। তবে বিলম্ব মার্জনা স্বয়ংক্রিয় কোনো অধিকার নয়; আদালত সংশ্লিষ্ট আইন ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেন।

২. আপিলের আবেদন বা Memorandum of Appeal প্রস্তুত:

প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর আইনজীবীর মাধ্যমে Memorandum of Appeal বা আপিলের আবেদন প্রস্তুত করা হয়।

এতে সাধারণত নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশের কোন কোন অংশ চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে এবং কী কী আইনগত বা প্রক্রিয়াগত কারণে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা বাতিল করা প্রয়োজন—তা উল্লেখ করা হয়।

আপিলের ভিত্তি বা Grounds of Appeal অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপিল আদালতে কোন প্রশ্নগুলো বিবেচনার জন্য উত্থাপন করা হচ্ছে, তা এসব grounds-এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র:

মামলার ধরন অনুযায়ী আপিলের সঙ্গে বিভিন্ন নথিপত্র সংযুক্ত করতে হতে পারে। যেমন—

- নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ;
- ডিক্রি, যেখানে প্রযোজ্য;
- মামলার আরজি বা Plaint;
- লিখিত জবাব বা Written Statement;
- গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য ও নথিপত্র;
- প্রাসঙ্গিক আদেশ ও কার্যবিবরণী;
- অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

কোন নথি কীভাবে এবং কতটুকু সংযুক্ত করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট আদালতের বিধি ও মামলার প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে।

৩. আদালতে আপিল দাখিল ও প্রয়োজনীয় ফি:

আপিলের আবেদন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে তা দাখিল করতে হয়।

মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী কোর্ট ফি, স্ট্যাম্প বা অন্যান্য নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হতে পারে।

দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট অফিস বা রেজিস্ট্রি আপিলের কাগজপত্র পরীক্ষা করে। কোনো ত্রুটি বা ঘাটতি থাকলে তা সংশোধনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আপিলটি নির্ধারিত নম্বর বা মামলা নম্বর পায় এবং পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য তালিকাভুক্ত হয়।

৪. প্রাথমিক শুনানি ও আপিল গ্রহণ:

আপিল দাখিলের পর আদালত প্রাথমিকভাবে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। এই পর্যায়ে আদালত আপিলটি গ্রহণ করে পরবর্তী শুনানির জন্য এগিয়ে নেবেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

মামলার ধরন ও সংশ্লিষ্ট আইনের ওপর নির্ভর করে এই পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের আদেশ হতে পারে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদনও বিবেচনা করতে পারেন। তবে আপিল দায়ের করলেই নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে যায়—এমন নয়; প্রযোজ্য আইন ও আদালতের আদেশের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচ্য।

৫. প্রতিপক্ষকে নোটিশ:

আপিল গ্রহণের পর আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিপক্ষের প্রতি নোটিশ জারি করতে পারেন।

এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে আপিলের বিষয়টি জানানো হয় এবং নির্ধারিত সময়ে আদালতে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য বা জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

৬. চূড়ান্ত শুনানি:

পরবর্তী পর্যায়ে আপিলের মূল বিষয় নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আপিলকারী পক্ষের আইনজীবী এবং প্রতিপক্ষের আইনজীবী আদালতের সামনে তাঁদের নিজ নিজ বক্তব্য ও আইনগত যুক্তি উপস্থাপন করেন।

আদালত নিম্ন আদালতের রায়, মামলার নথিপত্র, প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট আইন এবং উত্থাপিত আইনগত প্রশ্ন বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেন।

৭. আপিলের পর আদালতের সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত:

মামলার প্রকৃতি ও প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে আপিল আদালত বিভিন্ন ধরনের আদেশ দিতে পারেন। যেমন—

- নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ বহাল রাখা;
- রায় বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করা;
- রায় বা আদেশ বাতিল করা;
- মামলাটি পুনর্বিবেচনা বা পুনরায় শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো;
- আইন অনুযায়ী অন্য কোনো উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করা।

তবে আদালত কোন ধরনের আদেশ দেবেন, তা সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি, প্রমাণ, আইন এবং উত্থাপিত প্রশ্নের ওপর নির্ভর করে।

আপিল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

আপিল একটি নির্দিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া। তাই শুধু নিম্ন আদালতের রায়ে অসন্তুষ্ট হওয়াই যথেষ্ট নয়; সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী আপিলের অধিকার, আদালতের এখতিয়ার, তামাদি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং আপিলের ভিত্তি সঠিকভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।

বিশেষ করে তামাদির সময়সীমা অতিক্রম না করা, সঠিক আদালতে আপিল করা এবং যথাযথভাবে আপিলের grounds প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

#উপসংহার:

নিম্ন আদালতের কোনো রায় বা আদেশে অসন্তুষ্ট পক্ষের জন্য আইন নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে উচ্চতর আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণভাবে রায় বা আদেশের কপি সংগ্রহ, আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ, তামাদি যাচাই, Memorandum of Appeal প্রস্তুত, প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্তি, আদালতে দাখিল, প্রাথমিক শুনানি, নোটিশ এবং পরবর্তী শুনানির মাধ্যমে আপিলের কার্যক্রম এগিয়ে যায়।

তবে সব ধরনের মামলার আপিলের পদ্ধতি, সময়সীমা ও এখতিয়ার এক নয়। দেওয়ানি, ফৌজদারি, বিশেষ আইন বা ট্রাইব্যুনালের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য থাকতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট মামলায় আপিল করার আগে সংশ্লিষ্ট রায়, মামলার ধরন এবং প্রযোজ্য আইন পর্যালোচনা করে আইনগত পরামর্শ নেওয়া উচিত।

লিগ্যাল এইড অফিস থেকে কোনো নোটিশ বা চিঠি আসলে তা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। এটি সাধারণত একটি আইনি প্রক্রিয়া বা সরকারি আই...
01/10/2026

লিগ্যাল এইড অফিস থেকে কোনো নোটিশ বা চিঠি আসলে তা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। এটি সাধারণত একটি আইনি প্রক্রিয়া বা সরকারি আইনি সহায়তার অংশ হিসেবে পাঠানো হয়, যা হেলাফেলা করলে পরবর্তীতে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।

লিগ্যাল এইড (সরকারি আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা) থেকে নোটিশ এলে আপনার করণীয় এবং এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য পরিণতিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
⚠️ এড়িয়ে যাওয়ার পরিণতি:
#একতরফা_সিদ্ধান্ত: আপনি যদি নোটিশে উল্লেখিত তারিখে উপস্থিত না হন বা কোনো জবাব না দেন, তবে লিগ্যাল এইড কর্তৃপক্ষ অপর পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে একতরফা সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ গ্রহণ করতে পারে।
#সরাসরি_মামলা_দায়ের: সাধারণত লিগ্যাল এইড অফিস উভয় পক্ষকে ডেকে আপস-মীমাংসার (ADR) চেষ্টা করে। আপনি সাড়া না দিলে তারা অভিযোগকারীকে আদালতে সরাসরি মামলা করার জন্য ছাড়পত্র বা আইনি সহায়তা দিয়ে দেয়।

#আদালতের_সমন: বিষয়টি যখন আদালতে গড়াবে, তখন আপনাকে পুলিশের মাধ্যমে বা আদালতের সমন জারি করে ডাকা হবে, যা আরও বেশি জটিল এবং ব্যয়বহুল।

📋 নোটিশ পাওয়ার পর আপনার করণীয়:
#মনোযোগ_দিয়ে_পড়ুন: নোটিশে কী কারণে আপনাকে ডাকা হয়েছে, কে অভিযোগ করেছে এবং কত তারিখে হাজির হতে বলা হয়েছে—তা ভালোভাবে পড়ে বুঝে নিন।

#নির্ধারিত_তারিখে_হাজির_হোন: নোটিশে উল্লেখিত দিন ও সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্দিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসে সশরীরে উপস্থিত হোন।

েয়ে_আবেদন: যদি কোনো যৌক্তিক কারণে নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হতে না পারেন, তবে আগেই লিগ্যাল এইড অফিসার বরাবর লিখিতভাবে বা যোগাযোগের মাধ্যমে সময় চেয়ে নিন।

#কাগজপত্র_গুছিয়ে_রাখুন: অভিযোগের বিপরীতে আপনার কাছে যদি কোনো প্রমাণ বা দলিল থাকে, তা সাথে নিয়ে যান।

#বিনামূল্যে_আইনি_পরামর্শ নিন: মনে রাখবেন, লিগ্যাল এইড অফিস কোনো আদালত নয়; এটি আপস-মীমাংসার একটি সরকারি ফোরাম। সেখানে আপনিও আপনার বক্তব্য সরকারি কর্মকর্তার সামনে ফ্রিতে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।

আপনার কাছে কি লিগ্যাল এইড থেকে কোনো নোটিশ এসেছে? যদি এসে থাকে, তবে সেটি কোন বিষয়ে (যেমন- পারিবারিক, জমিজমা, বা অন্য কিছু)

Code of Criminal Procedure এর Section 54 কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? আদালত section 54-এর বিভিন্ন ক্ষেত্র উল্লেখ করেছে। এই ধারায...
29/09/2026

Code of Criminal Procedure এর
Section 54 কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আদালত section 54-এর বিভিন্ন ক্ষেত্র উল্লেখ করেছে। এই ধারায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ Magistrate-এর order বা warrant ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।

যেমন—কোনো ব্যক্তি cognizable offence-এ জড়িত বলে reasonable complaint, credible information বা reasonable suspicion থাকলে নির্দিষ্ট শর্তে তাকে গ্রেফতার করা যায়।

কিন্তু আপিল বিভাগ একটি
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করেছে:

Section 54 পুলিশের সীমাহীন ক্ষমতা নয়।

রায়ে বলা হয়েছে, এটি ব্যক্তির liberty-তে হস্তক্ষেপকারী ক্ষমতা। তাই section 54-এর অধীনে গ্রেফতার বৈধ হতে হলে ধারাটিতে উল্লেখিত পরিস্থিতি বাস্তবে বিদ্যমান থাকতে হবে। শুধু পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ধারণা বা ইচ্ছা যথেষ্ট নয়।

এটি রায়টির অন্যতম মৌলিক নীতি।
“Reasonable suspicion” মানে পুলিশ যা খুশি করতে পারবে না। রায়ের আলোচনায় High Court Division-এর findings-ও বিস্তারিতভাবে এসেছে।

বিশেষ করে বলা হয়েছিল—

🎴কোনো ব্যক্তিকে reasonable suspicion-এর ভিত্তিতে গ্রেফতার করলে সেই suspicion-এর কারণ record করতে হবে;
🎴 police source কোনো তথ্য দিলে শুধু source-এর কথার ভিত্তিতে গ্রেফতার না করে তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নিতে হবে;
🎴 গ্রেফতারের কারণ case diary/record-এ থাকতে হবে;
🎴 Magistrate-এর কাছে arrested person-কে উপস্থাপনের সময় পুলিশকে বলতে হবে কেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে investigation শেষ করা সম্ভব হয়নি;
🎴 কেন accusation বা information-টি well-founded বলে মনে হচ্ছে, সেটিও ব্যাখ্যা করতে হবে।

ব্যবহারিক অর্থ-
ধরা যাক, পুলিশ বলল:

“আমাদের কাছে সন্দেহ হয়েছে যে তিনি অপরাধের সঙ্গে জড়িত।”

এটুকু বলাই যথেষ্ট নয়।

প্রশ্ন হবে:

কী কারণে সন্দেহ হলো?

কী তথ্য পাওয়া গেছে?

কোন ঘটনার ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হলো?

সেই কারণ কি আইনগতভাবে section 54-এর মধ্যে পড়ে?

রায়টির দর্শন হলো—arrest-এর power থাকলেও সেই power-এর exercise reason-based হতে হবে।

Arrest memorandum অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রায়ে পূর্ববর্তী Saifuzzaman v State, 56 DLR 324 মামলার নির্দেশনাও আলোচনা করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছিল, arrest করার পর পুলিশ কর্মকর্তাকে memorandum of arrest প্রস্তুত করতে হবে এবং তাতে arrested person’s signature, arrest-এর date ও time উল্লেখ করতে হবে।

✅ এছাড়া arrest-এর কারণ, arrest-এর স্থান, custody-এর স্থান এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য record করার বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

কারণ একজন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণভাবে বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার সুযোগ থাকলে custodial abuse বা unlawful detention গোপন করা সহজ হয়।

✅ Police station-এর record ও case ডায়েরি:-
রায়ে বারবার diary/case diary-এর গুরুত্ব এসেছে।

- গ্রেফতারের কারণ, information/complaint-এর উৎস এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য record করতে হবে।

- এমনকি arrested person-কে Magistrate-এর সামনে হাজির করার সময় relevant diary entries-এর copy দেওয়ার বিষয়ও নির্দেশনায় এসেছে। 63, Police arrest guidelines.pdf

অর্থাৎ:
Police arrest → record → Magistrate → judicial scrutiny
এই chain-টি রায়ে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

⛔ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে Magistrate-এর সামনে হাজির করা। সংবিধানের Article 33 এবং CrPC-এর relevant provisions-এর সঙ্গে section 167-এর সম্পর্ক রায়ে বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

⛔ পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পর investigation ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে না পারলে তাকে Magistrate-এর সামনে হাজির করে detention/remand চাইতে হবে।

কিন্তু Magistrate-এর কাজ শুধু পুলিশের আবেদন গ্রহণ করা নয়। Magistrate-কে judicial mind প্রয়োগ করতে হবে। পুলিশকে ব্যাখ্যা করতে হবে:

1. কেন ২৪ ঘণ্টায় investigation শেষ হয়নি;
2. accusation/information-এর ভিত্তি কী;
3. case diary-তে কী material আছে;
4. custody কেন প্রয়োজন।

রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে section 167-এর requirements পূরণ না হলে Magistrate-এর police remand দেওয়া উচিত নয়।

⛔ “Mechanical remand” রায়টির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আদালত এমন remand order-এর সমালোচনা করেছে যেখানে Magistrate পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ বিচারিক বিশ্লেষণ ছাড়াই custody অনুমোদন করেন।

রায়ে High Court-এর finding হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে guideline না থাকলে Magistrate অনেক ক্ষেত্রে mechanical বা “parrot-like” order দিতে পারেন, যার ফলে custodial death-এর ঝুঁকি তৈরি হয়।

তাই Magistrate-এর ভূমিকা Magistrate কেবল forwarding authority নন। তিনি একটি constitutional safeguard হিসেবে কাজ করবেন।

স্ত্রী নিজে তালাক দিলে কি দেনমোহর পাবেন?স্ত্রী নিজে তালাক দিলেই কি তার দেনমোহর শেষ হয়ে যায়?অনেকের ধারণা—স্ত্রী যদি নিজে ...
29/09/2026

স্ত্রী নিজে তালাক দিলে কি দেনমোহর পাবেন?
স্ত্রী নিজে তালাক দিলেই কি তার দেনমোহর শেষ হয়ে যায়?

অনেকের ধারণা—স্ত্রী যদি নিজে তালাকের উদ্যোগ নেন, তাহলে তিনি আর দেনমোহর দাবি করতে পারবেন না।

আসলেই কি তাই?
বিষয়টি এতটা সরল নয়।

দেনমোহর হলো বিবাহের সময় স্বামীর ওপর নির্ধারিত একটি আর্থিক দায়। কাবিননামায় দেনমোহর নির্ধারিত থাকলে এবং তা পরিশোধ করা না হয়ে থাকলে, শুধু স্ত্রী নিজে বিচ্ছেদের উদ্যোগ নিয়েছেন—এই কারণে দেনমোহরের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের Civil Revision No. 50 of 2020, Mohammad Malik alias M. A. Malik বনাম Rabeya Sultana মামলায় এমন একটি বিষয় সামনে আসে।

এই মামলায় কাবিননামায় দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০ লাখ টাকা। স্ত্রী পরবর্তীতে স্বামীকে divorce notice দেন এবং বকেয়া দেনমোহরসহ ভরণপোষণ দাবি করেন।

স্বামী দাবি করেন, প্রকৃত দেনমোহর ছিল ৫ লাখ টাকা এবং সেটি তিনি পরিশোধ করেছেন। এমনকি কাবিননামায় ২০ লাখ টাকা উল্লেখ করার বিষয়েও আপত্তি করেন।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—স্বামী কাবিননামায় নিজের স্বাক্ষর অস্বীকার করেননি এবং দেনমোহর পরিশোধের দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণও দিতে পারেননি।

ফলে আদালত নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন এবং বকেয়া দেনমোহরের দাবি বহাল থাকে।

তাহলে সহজ উত্তর কী?
শুধু স্ত্রী নিজে তালাকের উদ্যোগ নিয়েছেন—এ কারণে তার বকেয়া দেনমোহর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায় না।

তবে প্রতিটি মামলায় বিষয়টি নির্ভর করবে—
▪️ কাবিননামায় কী লেখা আছে
▪️ দেনমোহর পরিশোধ করা হয়েছে কি না
▪️ পরিশোধের প্রমাণ আছে কি না
▪️ স্ত্রী দেনমোহর মওকুফ বা ত্যাগ করেছেন কি না
▪️ বিচ্ছেদটি কীভাবে হয়েছে
▪️ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রমাণ কী আছে

আর একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—
ইসলামে তালাককে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক এতোটাই অবনতি ঘটে যখন সম্পর্কের ইতি টানাই সমীচীন মনে হয়। ভাঙ্গনের ঢেউ আছড়ে পড়ে দুই মনের তীরে। আর এজন্যই ইসলাম তালাকের বিধানকে বৈধতা দিয়েছে।

আমাদের মাঝে অনেকের ধারণা স্ত্রী যদি তালাক প্রদান করেন তাহলে স্বামীকে স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধ করার প্রয়োজন নেই।

গ্রামের অনেক সালিশে স্ত্রী কতৃক তালাক দেওয়ার কারণে স্ত্রী কোন দেনমোহর পান না। কিন্তু একজন স্ত্রী বিবাহের সঙ্গে সঙ্গেই এই দেনমোহরের পাওনাদার হন কোনভাবেই স্বামী দেনমোহর থেকে রেহাই পাবেন না। স্ত্রী তালাক প্রদান করে দেনমোহরের জন্য আবেদন করতে পারবে যদি স্বামী দিতে অস্বীকার করে তবে স্ত্রী আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবে। স্বামী কোন ভাবেই দেনমোহর এর দাবি এড়াতে পারেন না।

তবে একথা সত্য যে শরীয়া আইনে স্ত্রী কর্তৃক তালাক প্রদানের ক্ষমতা খুবই সীমিত। কিন্তু বাংলাদেশে শরিয়া আইন সবক্ষেত্রে প্রয়োগ হয় না।

দেনমোহরের সাথে তালাকের কোন সম্পর্ক নেই। দেনমোহর সম্পূর্ণভাবে বিবাহের সাথে সম্পর্কিত।

Address

Bangladesh Supreme Court Bar Association
Dhaka

Telephone

+8801740173217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate M. Mosaddek Billah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate M. Mosaddek Billah:

Shortcuts

Share