09/05/2026
অনলাইনে হেনস্তা বা সম্মানহানি কি কেবলই সময়ের অপচয়? নাকি এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ?
অনেকেই মনে করেন, ফেক আইডি ব্যবহার করে কাউকে গালি দেওয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ালে পার পাওয়া সহজ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আপনার প্রতিটি নেতিবাচক পদক্ষেপ এখন আইনের কঠোর নজরদারিতে।
বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী:
ধারা ২৪: কারো পরিচয় জাল করা বা অন্যের নাম-ছবি ব্যবহার করে আইডি চালানো একটি গুরুতর জালিয়াতি।
ধারা ২৫: অনলাইনে কারো মানহানি করা বা আক্রমণাত্মক ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করা কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আপনার করণীয় কি?
যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ এমন পরিস্থিতির শিকার হন, তবে আতঙ্কিত না হয়ে:
১. সংশ্লিষ্ট পোস্ট বা প্রোফাইলের স্ক্রিনশট এবং লিঙ্ক (URL) সংরক্ষণ করুন।
২. প্রমাণসহ নিকটস্থ থানায় বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করুন।
৩. একটি নির্ভুল এবং আইনসম্মত 'ড্রাফটিং' আপনার আইনি লড়াইকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলবে।
আইন কেবল শাস্তির জন্য নয়, আপনার সুরক্ষার জন্য। সচেতন হোন এবং নিজের অধিকার রক্ষা করুন।
যেকোনো আইনি জটিলতা বা সঠিক ড্রাফটিং সহযোগিতায় আপনার পাশে আছে SF Legal Arena
শুভেচ্ছান্তে,
অ্যাডভোকেট উদয়ন মাহমুদুল হক ফাহিম
সদস্য, ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশন।