Bd Legal Support

Bd Legal Support Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bd Legal Support, Lawyer & Law Firm, Tropical Mahabub Plaza, level-9, Suit No-B, 21/A Topkhana Road, Purana Paltan, Dhaka.

We provide expert legal support and guidance with experienced lawyers.

✔ Criminal Cases (ফৌজদারি)
✔ Civil Cases (দেওয়ানি)
✔ Litigation & Dispute Resolution (মামলা ও মোকদ্দমা)
✔ CR Cases (সি আর)
✔ GR Cases (জি আর)
✔ Women & Child Law Matters (নারী ও শিশু)

চায়না নাগরিককে জামিন করানোর পরেও আইনজীবী হিসেবে কারাগার থেকে বুঝে নিতে হচ্ছে।
23/01/2026

চায়না নাগরিককে জামিন করানোর পরেও আইনজীবী হিসেবে কারাগার থেকে বুঝে নিতে হচ্ছে।

🚨 মানব পাচার: শুধু অপরাধ নয়—একটি ধ্বংস হওয়া জীবন, একটি ভেঙে যাওয়া পরিবার 🚨একটু ভালো জীবনের আশায়,বিদেশে চাকরির লোভে,বি...
20/01/2026

🚨 মানব পাচার: শুধু অপরাধ নয়—একটি ধ্বংস হওয়া জীবন, একটি ভেঙে যাওয়া পরিবার 🚨

একটু ভালো জীবনের আশায়,
বিদেশে চাকরির লোভে,
বিয়ের প্রলোভনে,
বা সহজ আয়ের মিথ্যা আশ্বাসে—
প্রতিদিন বাংলাদেশে নারী, শিশু এমনকি পুরুষও মানব পাচারের শিকার হচ্ছে।
অনেকেই জানে না—
মানব পাচার শুরু হয় হাসি দিয়ে, শেষ হয় নিঃশেষ জীবনে।

⚖️ মানব পাচার কী? (আইনি ভাষায়)
কোনো ব্যক্তিকে—
▪️ জোরপূর্বক
▪️ প্রতারণার মাধ্যমে
▪️ লোভ দেখিয়ে
▪️ অপহরণ বা পাচার করে
শ্রম, যৌন শোষণ, ভিক্ষাবৃত্তি, অঙ্গ প্রতিস্থাপন বা অন্য যেকোনো অবৈধ কাজে ব্যবহার করাই মানব পাচার।

📜 বাংলাদেশের আইন কী বলে?
👉 মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী—
🔴 মানব পাচারের অপরাধে
➡️ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড
➡️ সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড
🔴 দালাল, মধ্যস্থতাকারী, পরিবহনকারী, অর্থদাতা—
➡️ সবাই সমান অপরাধী
🔴 ভিকটিম নারী বা শিশু হলে
➡️ শাস্তি আরও কঠোর

⚠️ মনে রাখবেন—
“আমি শুধু পরিচয় করিয়ে দিয়েছি” বললেও আইন রেহাই দেয় না।
🛑 মানব পাচারের ৭টি বিপদসংকেত (Red Flags):
🚩 বিদেশে নেওয়ার আগে চুক্তি দেখায় না
🚩 পাসপোর্ট বা এনআইডি জমা রাখতে বলে
🚩 দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে চাপ দেয়
🚩 পরিবারের সাথে যোগাযোগে বাধা দেয়
🚩 ভিসা/কাজের তথ্য অস্পষ্ট
🚩 নারী বা শিশুকে একা পাঠাতে বলে
🚩 “সব ঠিক করে দেওয়া হবে” — এই কথায় ভরসা চায়
👉 এসব দেখলেই বুঝবেন— ঝুঁকি আছে।

🆘 ভিকটিম হলে বা সন্দেহ হলে করণীয়:
✔️ নিকটস্থ থানায় জিডি বা মামলা
✔️ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা
✔️ মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে সরাসরি অভিযোগ
✔️ অভিজ্ঞ আইনজীবীর আইনি সহায়তা গ্রহণ
📢 নীরব থাকাও অপরাধে সহায়তা করার শামিল।
✊ আজ সচেতন না হলে কাল আপনার পরিবারও নিরাপদ নাও থাকতে পারে।

একটি শেয়ার—
🔹 একটি জীবন বাঁচাতে পারে
🔹 একটি পরিবার রক্ষা করতে পারে
🔹 একটি অপরাধ থামাতে পারে

✍️ আইনি পরামর্শে
⚖️ অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন
মোবাইল নং - ০১৭১৮৭৩৯৭৮২

#মানবপাচার

#আইনি_সচেতনতা
#নারী_ও_শিশু_সুরক্ষা
ানুন
#একটি_শেয়ার_একটি_জীবন

11/01/2026
আইনি সচেতনতা প্রতারণা (দণ্ডবিধি ৪২০ ধারা)বর্তমান সময়ে জমি, টাকা, ব্যবসা, চাকরি কিংবা অনলাইন লেনদেন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্...
07/01/2026

আইনি সচেতনতা
প্রতারণা (দণ্ডবিধি ৪২০ ধারা)
বর্তমান সময়ে জমি, টাকা, ব্যবসা, চাকরি কিংবা অনলাইন লেনদেন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতারণার ঘটনা বাড়ছে। অনেকেই প্রতারিত হওয়ার পর বুঝতে পারেন, অথচ সময়মতো আইনগত পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি এড়ানো যেত।

📌 প্রতারণা কী?
যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য, ভুয়া আশ্বাস বা প্রতারণামূলক কৌশল ব্যবহার করে অন্যের কাছ থেকে টাকা, সম্পত্তি বা কোনো সুবিধা আদায় করে—তখন সেটি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

🔍 যেসব ক্ষেত্রে ৪২০ ধারা প্রযোজ্য হতে পারে:
✔ ভুয়া দলিল বা ভুল তথ্য দিয়ে জমি/ফ্ল্যাট বিক্রি
✔ চাকরি বা বিদেশ পাঠানোর নামে টাকা নিয়ে কাজ না করা
✔ ব্যবসা বা বিনিয়োগের নামে প্রতারণা
✔ অনলাইন লেনদেন, ডিজিটাল পেমেন্টে জালিয়াতি
✔ চুক্তির শুরুতেই প্রতারণার উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি

⚖️ আইন কী বলে?
দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় দোষী প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড—উভয় দণ্ডই হতে পারে।

🚨 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
• শুধু টাকা না পাওয়াই প্রতারণা নয়—শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য থাকলে অপরাধ成立 হয়।
• প্রমাণই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র—চুক্তিপত্র, রশিদ, মেসেজ, কল রেকর্ড, সাক্ষী সবকিছু সংরক্ষণ করুন।
• আবেগে নয়, আইনের পথে এগোন—মামলা করার আগে সঠিক আইনি পরামর্শ নিন।

👉 আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ প্রতারণার শিকার হলে দেরি করবেন না।
👉 সঠিক ধারা, সঠিক প্রক্রিয়া—এতেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন: ন্যায়বিচারের ঢাল, নাকি হয়রানির হাতিয়ার?এই আইনটি করা হয়েছে নারী ও শিশুদের রক্ষা করার জন্য—য...
23/12/2025

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন: ন্যায়বিচারের ঢাল, নাকি হয়রানির হাতিয়ার?

এই আইনটি করা হয়েছে নারী ও শিশুদের রক্ষা করার জন্য—
যেন নির্যাতিত কেউ ভয় না পেয়ে ন্যায়বিচার পায়।
কিন্তু বাস্তবতা হলো এই শক্তিশালী আইনটি অপব্যবহারের ঝুঁকিও সবচেয়ে বেশি।
আজকাল দেখা যায়—

একটা পারিবারিক কলহ,
স্বামী-স্ত্রীর তর্ক,
সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ,
বা ব্যক্তিগত প্রতিশোধ—

👉 সবকিছুর শেষ গন্তব্য হয়ে যায়
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন।

কেন এই মামলা এত ভয়ংকর?

✍️ গ্রেপ্তার দ্রুত হয়
✍️ জামিন পাওয়া কঠিন
✍️সামাজিক সম্মান প্রশ্নের মুখে পড়ে
✍️ চাকরি, ব্যবসা, পরিবার—সবকিছুতে প্রভাব পড়ে
অনেকে বলেন—

“ভাই, কথা কাটাকাটি হয়েছিল, কিন্তু মারধর হয়নি।”
“হুমকি ছিল না, শুধু রাগের কথা।”

⚖️ আইন কী বলে?
✔️ সত্যিকারের নির্যাতন হলে—এই আইনই ভরসা
✔️ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা হলে—আইনের মাধ্যমেই প্রতিকার সম্ভব
✔️ তদন্ত, সাক্ষ্য ও প্রমাণই শেষ কথা

👉 অভিযোগ করার আগে ভাবুন—
এটি কি সত্যিই নির্যাতন, নাকি সাময়িক রাগ?
👉 অভিযোগ পেলে মনে রাখুন—
ভয় নয়, সঠিক আইনি পদক্ষেপই মুক্তির পথ।
✍️ আইন প্রতিশোধের অস্ত্র নয়—আইন ন্যায়বিচারের পথ।
#নারীওশিশুনির্যাতনদমনআইন
#আইনসচেতনতা
#ভাইরালল
#ফৌজদারিআইন
#আইনেরঅপব্যবহার

৪২০ ধারা মানেই কি টাকা না দিলে মামলা?অনেকে ভাবেন—টাকা ফেরত না পেলে, কথা না রাখলে,সরাসরি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা লাগবে।❌ কিন্ত...
17/12/2025

৪২০ ধারা মানেই কি টাকা না দিলে মামলা?

অনেকে ভাবেন—
টাকা ফেরত না পেলে, কথা না রাখলে,
সরাসরি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা লাগবে।
❌ কিন্তু আইন তা বলে না।

📌 ৪২০ ধারা তখনই প্রযোজ্য, যখন—
✔️ শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য থাকে
✔️ মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে টাকা বা সম্পদ আদায় করা হয়
✔️ সেই প্রতারণায় ভুক্তভোগীর ক্ষতি হয়

❌ শুধু দেনা-পাওনা
❌ চুক্তি ভঙ্গ
❌ ব্যবসায়িক লোকসান
👉 এগুলো সাধারণত ৪২০ নয়।

⚖️ ৪২০ ধারার শাস্তি—
➡️ সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড
➡️ অর্থদণ্ড
➡️ অথবা উভয় দণ্ড

⚠️ ভুলভাবে ৪২০ ধারায় মামলা করলে
মামলা খারিজ হতে পারে,
বরং বাদী নিজেই আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।

👉 মামলা করার আগে আইন জানুন।
👉 অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

⚖️ আইন জানুন—অপব্যবহার নয়।

#দণ্ডবিধি৪২০ #প্রতারণা #ফৌজদারি_মামলা #আইনি_সচেতনতা #বাংলাদেশ_আইন

জমি জালিয়াতি: কাগজ ঠিক থাকলেও আপনি জমি হারাতে পারেনবর্তমান সময়ে জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।অনেক ক্ষেত্...
16/12/2025

জমি জালিয়াতি: কাগজ ঠিক থাকলেও আপনি জমি হারাতে পারেন

বর্তমান সময়ে জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
অনেক ক্ষেত্রেই প্রকৃত মালিক জানতেই পারেন না—
তার জমি ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে অন্যের নামে হস্তান্তর হয়ে গেছে।

অনেকে মনে করেন—
“দলিল আছে, খতিয়ান আছে, নামজারি আছে—আর কী সমস্যা?”
কিন্তু বাস্তবতা হলো,
এই কাগজগুলোর মধ্যেই সবচেয়ে বেশি জালিয়াতি হয়।

# জমি জালিয়াতির সাধারণ কৌশলগুলো
▪ ভুয়া বা জাল দলিল তৈরি
▪ নকল স্বাক্ষর ব্যবহার
▪ জাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে বিক্রয়
▪ মিথ্যা ওয়ারিশ সনদ দেখিয়ে সম্পত্তি বিক্রি
▪ একই জমি একাধিকবার বিক্রি

# সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো—
মালিক দীর্ঘদিন জমিতে না গেলে,
বা নিয়মিত খোঁজখবর না রাখলে,
একদিন হঠাৎ জানতে পারেন—
তার জমি ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বা দখল হয়ে গেছে।

✍️ আইনগতভাবে কী কী বিষয়ে সতর্ক হবেন
✔ CS / SA / RS / BS খতিয়ান ধারাবাহিকভাবে যাচাই
✔ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পূর্বের দলিল সার্চ
✔ বিক্রেতার প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করা
✔ জমির দখল ও সীমানা সরেজমিনে যাচাই
✔ দ্রুত নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ
✔ জমি কেনা-বেচার আগে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ

✍️ মনে রাখবেন—
জমির ক্ষেত্রে অবহেলা মানেই সর্বস্ব হারানোর ঝুঁকি।
একবার জালিয়াতির শিকার হলে
মামলা, সময় ও অর্থ—সবকিছুই খরচ হয়।

👉 তাই জমি কেনা বা বিক্রয়ের আগে
আইন জানুন,
আইন বুঝুন,
এবং প্রয়োজন হলে অবশ্যই আইনজীবীর সহায়তা নিন।

সতর্ক থাকুন—জমিই হোক আপনার নিরাপদ বিনিয়োগ।
#জমি_জালিয়াতি
#ভূমি_আইন
#জমি_সংক্রান্ত_আইন
ানুন
#আইনি_সচেতনতা
#ভূমি_প্রতারণা
#দলিল_যাচাই
#ভূমি_সংক্রান্ত_সতর্কতা

আপনার কাছে জমির মূল দলিল না থাকলে আপনি নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:1. দলিল হারিয়ে গেলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন:নিক...
10/12/2025

আপনার কাছে জমির মূল দলিল না থাকলে আপনি নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

1. দলিল হারিয়ে গেলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন:
নিকটস্থ থানায় গিয়ে দলিল হারানোর বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (GD) করতে হবে। এটি ভবিষ্যতে দলিল পুনরুদ্ধারের জন্য একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ।

2. দলিলের সত্যায়িত কপি সংগ্রহ করুন:
আপনি উপ-রেজিস্ট্রার (Sub-Registrar) অফিস থেকে দলিলের একটি সার্টিফায়েড/সত্যায়িত কপি (Certified Copy) সংগ্রহ করতে পারেন। দলিলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও সাল জানা থাকলে এটি সহজ হয়।

3. দলিল রেকর্ড খুঁজুন:
স্থানীয় ভূমি অফিস বা রেকর্ড রুম থেকে জমির খতিয়ান, পর্চা বা মিউটেশন কপি সংগ্রহ করে দলিলের অস্তিত্ব ও মালিকানা যাচাই করতে পারেন।

4. জমির খতিয়ান ও মিউটেশন চেক করুন:
আপনার নামে খতিয়ান বা মিউটেশন থাকলে তা জমির মালিকানা প্রমাণে সহায়ক হবে।
উপজেলা ভূমি অফিস অথবা অনলাইনে (যদি আপনার জেলা অনলাইনে থাকে) mland.gov.bd ওয়েবসাইটে খতিয়ান পাওয়া যেতে পারে।

5. আদালতের সাহায্য নেওয়া (প্রয়োজনে):
যদি দলিল নিয়ে জটিলতা থাকে বা কেউ জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে, তবে আপনি আদালতের মাধ্যমে জমির মালিকানা দাবি করতে পারেন।

⚠️ স্ক্রিনশট দেখে কাউকে বিচার করেন? সাবধান!আজকাল —➡️ ১ মিনিটে Fake Chat Screenshot,➡️ ৩০ সেকেন্ডে Fake Voice,➡️ আর ১০ সে...
09/12/2025

⚠️ স্ক্রিনশট দেখে কাউকে বিচার করেন? সাবধান!

আজকাল —
➡️ ১ মিনিটে Fake Chat Screenshot,
➡️ ৩০ সেকেন্ডে Fake Voice,
➡️ আর ১০ সেকেন্ডে Fake Video বানানো যায়।

তাই প্রশ্ন❓
স্ক্রিনশট কি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর: হ্যাঁ — কিন্তু শর্ত আছে।

স্ক্রিনশট, অডিও, ভিডিও — এগুলো Digital Evidence।
কিন্তু আদালতে তা গ্রহণযোগ্য শুধুমাত্র তখন, যখন থাকে—

✔️ ৪৫A ধারা অনুযায়ী Digital Evidence Certificate
✔️ Expert Verification Report
✔️ Metadata & Hash Value Proof

💬 মানে?
শুধুমাত্র স্ক্রিনশট দেখিয়ে আদালতে কাউকে দোষী করা যায় না।
📌 প্রমাণ হতে হবে অথেনটিক, ভেরিফায়েবল ও ফরেনসিক্যালি প্রমাণিত।

মনে রাখবেন —
Fake Screenshot বানিয়ে কাউকে অপমান, হুমকি বা ব্ল্যাকমেইল করলে:

আপনার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে —
২৩(২), ২৫, ২৯, ৩৪ — সাইবার নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী।

#আইন সহজ, কিন্তু অজ্ঞতা বিপদজনক।
#বিচার চাইলে সত্যি দেখান, এডিট না।

👉 এটা সবাইকে জানাতে শেয়ার করুন।

#আইনওবিচার

চেক ডিজঅনার করলে কী হয়? জানুন সম্পূর্ণ নিয়ম ও শাস্তি চেক ডিজঅনার (Cheque Dishonour) মানে হলো— ব্যাংকে জমা দেওয়া চেক কোনো...
08/12/2025

চেক ডিজঅনার করলে কী হয়? জানুন সম্পূর্ণ নিয়ম ও শাস্তি

চেক ডিজঅনার (Cheque Dishonour) মানে হলো— ব্যাংকে জমা দেওয়া চেক কোনো কারণে পরিশোধ না হওয়া বা ফেরত আসা।
জানুন চেক ডিজঅনারের শর্ত, কারণ, মামলা করার নিয়ম ও শাস্তি

✅ চেক ডিজঅনার করার শর্তসমূহ:

* চেকে লেখা তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে।
* ব্যাংকে পর্যাপ্ত অর্থ থাকলে চেক ডিজঅনার হবে না।
* ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে চেক জমা দিতে হবে।

# চেক ডিজঅনারের সাধারণ কারণসমূহ:

🔹 ব্যাংক হিসাবে অপর্যাপ্ত অর্থ থাকা
🔹 স্বাক্ষর না মেলা
🔹 টাকার অঙ্কে সংখ্যা ও কথার গরমিল
🔹 চেকের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া
🔹 ভুলভাবে চেক পূরণ বা কাটাকাটি থাকা
🔹 ঘষামাজা করে সংশোধন করা

# মামলা করার নিয়ম:

* প্রথমে ব্যাংক থেকে চেক ডিজঅনার রিপোর্ট সংগ্রহ করুন।
* এরপর ৩০ দিনের মধ্যে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে হবে চেকদাতাকে।
* নোটিশ পাওয়ার পরও যদি ৩০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করে,
তাহলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করুন।

আসামী মারা গেলে করণীয়:

যদি আসামী মামলা হওয়ার আগেই মারা যায়, তাহলে ফৌজদারি মামলা করা যায় না।
তবে বাদী চাইলে দেওয়ানী আদালতে টাকার মামলা করতে পারেন মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে।

শাস্তি ও জরিমানা:

এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
অথবা চেকে উল্লিখিত টাকার ৩ গুণ পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়ই

📌 আইন জানুন, অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

#চেকডিজঅনার #বাংলাদেশেরআইন #লিগ্যালনোটিশ #আইনজ্ঞান

স্ত্রী-স্বামীর ঝগড়া — মুহূর্তেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা!আজকাল স্বামী-স্ত্রীর সামান্য মনোমালিন্যও মুহূর্তেই প...
01/12/2025

স্ত্রী-স্বামীর ঝগড়া — মুহূর্তেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা!
আজকাল স্বামী-স্ত্রীর সামান্য মনোমালিন্যও মুহূর্তেই পরিণত হচ্ছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায়।

কিন্তু মনে রাখবেন—

ঝগড়া আর নির্যাতন এক জিনিস নয়।
পরিবারের অভিমানও কখনো কখনো মামলা হয়ে
পরিবার ভাঙে।
আবার সত্যিকারের নির্যাতনও থেমে থাকার বিষয় নয়—
আইন সবার জন্য সমান।

আইন বলে—
যেকোনো অভিযোগের আগে প্রমাণ, পরিস্থিতি ও উদ্দেশ্য বিচার করতে হয়।
মিথ্যা মামলা করলে আইনে তারও শাস্তির বিধান আছে (ধারা ১৪)।
আর সত্যিকারের নির্যাতন হলে, দ্রুত আইনগত সহায়তা নেওয়া উচিত।

পরিবার রক্ষা করাও দায়িত্ব,
আইনের অপব্যবহার ঠেকানোও দায়িত্ব।

সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইমে আক্রান্ত হয়ে গেলে আপনার করণীয় :করণীয় বা প্রতিকার দুই ভাবে পেতে পারেনঃ১। থানায় এজাহার দায়ে...
26/11/2025

সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইমে আক্রান্ত হয়ে গেলে আপনার করণীয় :

করণীয় বা প্রতিকার দুই ভাবে পেতে পারেনঃ
১। থানায় এজাহার দায়েরের মাধ্যমে মামলা করে
২। সরাসরি সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করে। ( দেশের সাইবার ট্রাইবুনাল সমূহ বিভাগীয় শহরে রয়েছে )

থানায় এজাহার দায়েরের মাধ্যমে মামলা করার ক্ষেত্রে করণীয়ঃ
প্রমাণগুলো সঠিকভাবে কালেক্ট করা। বাচাই করে সেগুলো প্রিন্ট করে ফেলা। স্ক্রিন ভিডিও এবং লিংকসহ প্রমাণ যোগাড় করা। তারপর থানায় যাবেন। অভিযোগ দায়ের করবেন।

থানা অভিযোগ আমলে না নিলে তখন আইনজীবীর সহায়তা নিয়ে সরাসরি সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করতে হবে।

Address

Tropical Mahabub Plaza, Level-9, Suit No-B, 21/A Topkhana Road, Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bd Legal Support posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bd Legal Support:

Share