আমার আইনজীবী

আমার আইনজীবী A Law Firm-Trusted Advisors, Intelligent Solutions Our firm understands that every case is unique, and we take a personalised approach to each client’s needs.

Welcome to Amar Ainjibi, the premier law firm dedicated to providing unparalleled legal services to our clients. We pride ourselves on our unwavering commitment to justice and fairness, and our team of skilled lawyers is passionate about fighting for our clients’ rights. With years of experience in civil vetting and drafting, civil litigation, criminal defence, family law, Tax and VAT law, and business law, we have a proven track record of achieving the best possible outcomes for our clients. At Amar Ainjibi, we build long-lasting relationships with our clients based on trust, respect, and transparency. We know that navigating the legal system can be overwhelming, which is why we are always available to answer any questions or concerns. Our clients can count on us to keep informed throughout the legal process, providing them with peace of mind and confidence. We are proud of the positive impact we have had on the lives of our clients, and we look forward to serving you. Contact us today to schedule a consultation and experience the difference that Amar Ainjibi can make for you.

পার্টি থেকে বহিষ্কার = সংসদ সদস্যপদ হারানো?সংবিধান কী বলেসম্প্রতি একজন সংসদ সদস্যকে "অনৈতিক কর্মকাণ্ডে" জড়িত থাকার অভিয...
22/07/2026

পার্টি থেকে বহিষ্কার = সংসদ সদস্যপদ হারানো?
সংবিধান কী বলে

সম্প্রতি একজন সংসদ সদস্যকে "অনৈতিক কর্মকাণ্ডে" জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে প্রকৃত সাংবিধানিক প্রশ্নটি হলো — এই বহিষ্কারের কারণে কি তাঁর সংসদ সদস্যপদ শূন্য হবে?

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সরল উত্তর: না।

সংসদ সদস্যপদ শূন্য হওয়ার মাত্র তিনটি দরজা রয়েছে —

১. অনুচ্ছেদ ৬৬(২)(ঘ):নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে ২ (দুই) বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়া। কোনো দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা সিদ্ধান্তে অভিযুক্ত "অনৈতিক কর্মকাণ্ড" এই মানদণ্ড পূরণ করে না। এই দরজা খোলে আদালত — দল নয়।

২. অনুচ্ছেদ ৬৭:পদত্যাগ, মৃত্যু, অথবা সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ কার্যদিবস অবিরাম অনুপস্থিতি।

৩. অনুচ্ছেদ ৭০:সদস্য যদি (ক) নিজে দল থেকে ‘পদত্যাগকরেন’, অথবা (খ) সংসদে দলের বিরুদ্ধে ‘ভোট’ দেন। উভয়ই সদস্যের নিজের কাজ। বহিষ্কার — যা দলের কাজ — এই তালিকায় নেই।

সংবিধান-প্রণেতাগণ ইচ্ছাকৃতভাবে অনুচ্ছেদ ৭০-এর ভাষা সংকীর্ণ ও সদস্য-অনুকূল রেখেছেন। কারণ সংসদ সদস্যকে নির্বাচিত করে ভোটাররা, দল নয়। দলকে যদি অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিকে অপসারণের সাংবিধানিক ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে ভোটারের রায় দলীয় সিদ্ধান্তে বাতিল হয় — যা গণতন্ত্রের মূল ধারণার পরিপন্থী।

এমনকি ভারতের অধিকতর বিস্তৃত দশম তফসিল (৫২তম সংবিধান সংশোধনী, ১৯৮৫) পর্যন্ত এই সুরক্ষা রেখেছে। G. Viswanathan v. Speaker, Tamil Nadu Legislative Assembly (1996) 2 SCC 353— ভারতের সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, বহিষ্কৃত সদস্য দশম তফসিলের উদ্দেশ্যে দলের সদস্য হিসেবেই গণ্য হবেন। উদ্দেশ্য স্পষ্ট: দলীয় আদেশ বা নির্দেশ নির্বাচনী ম্যান্ডেট কেড়ে নেওয়া যাবে না।

বহিষ্কার দলীয় স্বায়ত্তশাসনের বৈধ প্রকাশ। সংসদ সদস্যপদ শূন্য হওয়া সাংবিধানিক পরিণতি। সংবিধান এই দুটিকে সচেতনভাবে আলাদা রেখেছে — এবং সঠিকভাবেই রেখেছে।

জবাবদিহির যথাযথ পথ -আদালতে ফৌজদারি বিচার (তথ্য সমর্থন করলে), সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির আওতায় স্পিকারের শাস্তিমূলক ক্ষমতা, এবং সর্বোপরি — পরবর্তী নির্বাচনে ভোটবাক্স।

আইন আছে। সাংবিধানিক শৃঙ্খলা আছে। রাজনৈতিক দাবি যতই উঁচু হোক, সাংবিধানিক পথের বাইরে সমাধান নেই।

— মো. রিয়াদ হোসেন রানা
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
পার্টনার, আমার আইনজীবী

15/07/2026

ঐতিহাসিক রায়! তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার
Historic Verdict! Caretaker Government System Restored

গত ৯ জুলাই ২০২৬, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ (Appellate Division) এক যুগান্তকারী রায় দিয়েছে।

প্রধান বিচারপতি মো. জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর বিরুদ্ধে দায়ের করা সব আপিল খারিজ করে দিয়েছেন।

এর ফলে হাইকোর্ট বিভাগের সেই রায় বহাল রইল, যেটিতে —
✅ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল
✅ সংবিধানে গণভোট (Referendum) প্রদানের বিধান ফিরিয়ে আনা হয়েছিল

⚖️ এর মানে কী?
ভবিষ্যতে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের আইনি পথ এখন খোলা। এটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক।

মটরযান মালিক ও চালকদের জন্য সতর্ক বার্তা।
04/06/2026

মটরযান মালিক ও চালকদের জন্য সতর্ক বার্তা।

22/05/2026

রামিসা একা নয়।

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত — মাত্র সাড়ে চার মাসে — আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার, ৪৬ শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার, এবং ১৭ শিশু ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার পর নিহত হয়েছে।

প্রতিটি নৃশংস ঘটনার পর আমরা একই দৃশ্য দেখি — মিছিল, মানববন্ধন, আইন সংশোধনের ঘোষণা, ফাঁসির দাবি। কিন্তু সংখ্যাটি কেন কমে না?

কারণটি আইনের অভাব নয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ — ২০০৩, ২০২০ ও ২০২৫ সালে সংশোধিত — শিশু ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখে। শিশু আইন, ২০১৩ একটি পূর্ণাঙ্গ আইন। কাগজে আমাদের আইন আছে। বাস্তবে যা নেই —

১. সতেরো কোটি মানুষের জন্য মাত্র একটি কর্মরত ডিএনএ ল্যাবরেটরি।

২. সাক্ষী সুরক্ষা আইন — যা একাধিক দশক ধরে দাবি করা হচ্ছে, এখনো অনুপস্থিত।

৩. ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৫৫(৪) ধারা, যা ধর্ষিতার ‘চরিত্র’ নিয়ে আদালতে আক্রমণের সুযোগ দেয়।

৪. ১৮০ দিনের আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ৩৫,০০০-এর বেশি মামলা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অমীমাংসিত পড়ে আছে।

ফলাফল? দুই দশকের ডেটায় ধর্ষণ মামলায় দণ্ডের হার মাত্র ১–৩ শতাংশ।

কঠোর শাস্তির ধারা কাগজে যোগ করা সহজ। আদালত, ডিএনএ ল্যাব, প্রশিক্ষিত প্রসিকিউটর, সাক্ষী সুরক্ষা — এগুলো গড়তে বছর লাগে এবং বাজেট লাগে। কিন্তু এ ছাড়া কোনো পথ নেই।

রামিসার নাম যদি অর্থ বহন করতে হয়, তবে শুধু আসামির ফাঁসি যথেষ্ট নয়। প্রতি বিভাগীয় শহরে ডিএনএ ল্যাব চাই। সাক্ষী সুরক্ষা আইন চাই। সাক্ষ্য আইনের ১৫৫(৪) ধারা বাতিল চাই। শিশুদের জন্য একটি পৃথক সুরক্ষা আইন (বাংলাদেশ POCSO) চাই।

আইন আছে। প্রতিষ্ঠান নেই। আমরা যতদিন এই সত্যের মুখোমুখি না হই, ততদিন রামিসারা আসতেই থাকবে।

— মো. রিয়াদ হোসেন রানা
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
পার্টনার, আমার আইনজীবী

আল্লাহ সত্যের সাথে মিথ্যা মিশ্রিত করতে নিষেধ করেছেন — কারণ তিনি সর্বজ্ঞানী, সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক, এবং তিনি জানেন এই মিশ্রণ...
22/05/2026

আল্লাহ সত্যের সাথে মিথ্যা মিশ্রিত করতে নিষেধ করেছেন — কারণ তিনি সর্বজ্ঞানী, সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক, এবং তিনি জানেন এই মিশ্রণই সবচেয়ে বিপজ্জনক। ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা হয়রানির উদ্দেশ্যে যখন মিথ্যার সাথে আধা-সত্য মিশিয়ে কাউকে ফাঁসানো হয়, তখন ধর্ষণ ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধও লঘু হয়ে যায়, আর প্রকৃত ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার থেকে চিরতরে বঞ্চিত হয়।

মিডিয়া ট্রায়াল ও জনআবেগের চাপে তড়িঘড়ি করে কাউকে অপরাধী সাজিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সাময়িকভাবে প্রশমিত করা যায়, কিন্তু প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় না — এটিই বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার এক নির্মম বাস্তবতা। তার উপর রয়েছে “অল্পবিদ্যা ভয়ংকর” প্রবাদকে সত্য প্রমাণ করা তদন্ত সংস্থা, যাদের অদক্ষতা ও পক্ষপাত প্রতিদিন বিচারের পথকে আরও দুর্গম করে তুলছে।

সবচয়ে হতাশার জায়গা হলো সেই মেরুদণ্ডহীন বিচারকগণ, যাঁরা উচ্চ আদালতের আসনে বসেও মামলার গুণাগুণ শুনতে অনাগ্রহী। বাদী কে, আসামি কে, কোন ধারার মামলা, মিডয়া কী বলছে — এটুকুই হয়ে দাঁড়ায় বিচারের মাপকঠি। মামলার মেরিট কেউ শুনতে চান না, বুঝতেও চান না। ব্যতিক্রম কেবল সেই সব ক্ষেত্রে, যেখানে অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব এতটাই প্রবল যে তা স্বয়ং বিচারকের চেয়ার পর্যন্ত বদলে দিতে পারে।

এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে একজন সৎ আইনজবীর পক্ষে পেশা টিকিয়ে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে পডছে। আদালতের ভেতরের প্রকৃত চিত্র সাধারণ মানুষক বোঝানো প্রায় অসম্ভব, আর বোঝাতে না পারার পরিণতিতে আইনজীবীর পরিচিতি দাঁড়ায় “প্রতারক” হিসেবে। বিচারের আলো খুঁজতে গিয়ে যেখানে প্রতিদিন কেবল অন্ধকারের মুখোমুখি হতে হয়, সখানে ওকালতি পেশা ছেড়ে অটোরিকশা চালানোই বরং অধিক সম্মানজনক ও সস্তিদায়ক মনে হয়।
#বিচার #অবিচার #ন্যায়বিচার!

শিশুরাই নাকি আগামীর ভবিষৎ! অথচ এদেশে ভবিষ্যতের অবস্থা! কোথায় এই নিষ্পাপ পবিত্র ফুল গুলোর হাসি খুশি রঙিন ছবি দেখবে সবাই , সুন্দর শৈশব হবে, ভবিষৎ নিয়ে বাবা মা কত স্বপ্ন সাজাবে , সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবে অথচ সবাই বাচ্চা গুলোর সাদা কালো ছবি পোস্ট করে তাদের নৃশংস মৃত্যুর বিচার চাইছে সাথে এক কালো বিভীষিকাময় শৈশবের স্মৃতি, বাবা মায়ের বুক ফাটা কান্না !
প্রতিনিয়ত এসব দেখে ট্রমাটাইজড লাগে, সোশ্যাল মিডিয়া আনসোশ্যাল লাগে, দেখতেই ইচ্ছা করেনা ।
আর কত! হয়তো সবার প্রতিবাদ তারপর ভুলে যাওয়া কিন্তু সেই বাবা মা গুলো সারাজীবন এই অমানসিক কষ্ট বয়ে বেড়ায়, কোনও কিছু কি তাদের সান্ত্বনা দিতে পারে! এক কাঁদে সন্তান হারিয়ে আরেক কাঁদে বিচারের আশায়, অথচ দেশের নাগরিক হিসেবে অপরাধীদের এসব নৃশংসতার দ্রুত দৃষ্টান্তমুলক সুষ্ঠ বিচার পাওয়া তাদের অধিকার।

Address

Suite#4B, Alamin Capital Square, 46 Kakrail, Ramna
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 16:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801711745054

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার আইনজীবী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আমার আইনজীবী:

Shortcuts

Share