Kutub Jurist Chamber

Kutub Jurist Chamber Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kutub Jurist Chamber, Lawyer & Law Firm, Dhaka.

We Provides, wide Range of advice including Civil, Criminal, Family matter, Tax, Vat, Land Vetting, Company Formation Advisory, meticulous Corporate Affairs & Corporate Governance.

17/04/2026

ট্রাভেল এজেন্সি লাইসেন্স নিয়ে চিন্তা......?

আমাদের সেবাসমূহ:-
✅ ট্রেড মার্ক
✅ ল্যাব টেস্ট
✅✈️ ট্রাভেল এজেন্সি লাইসেন্স
✅ BSTI লাইসেন্স
✅ প্রিমিসেস লাইসেন্স
✅ টিন /বিন সার্টিফিকেট
✅ কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন
✅ ভ্যাট রিটার্ন প্রস্তুত ও সাবমিশন
✅ ট্রেড লাইসেন্স নতুন ও নবায়ন (ঢাকাসিটি)
✅ ইনকাম ট্যাক্সের/ আয়করের সকল ধরণের সেবা।
✅ আই.আর.সি / ই. আর. সি. সার্টিফিকেট নতুন ও নবায়ন
সহ যাবতীয় বিজনেস ডকুমেন্টস সেবা প্রদান করা হয়।
যেকোনো সময় ব্যবসা বন্ধ করার চেয়ে সঠিক পথে ব্যবসা করা ভালো নয় কি?
তাহলে, আজই যোগাযোগ করুন


#ট্রেডমার্ক
#বিএসটিআই #বিসিএসআইআর #ল্যাবটেষ্ট
#প্রিমিসেসলাইসেন্স


বাংলাদেশে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Irrevocable Power of Attorney) একটি অত্যন্ত গু...
17/04/2026

বাংলাদেশে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Irrevocable Power of Attorney) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল। 'পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২' অনুযায়ী এটি মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে: পণ মূল্যের বিনিময়ে এবং পণ মূল্য ব্যতীত।

​নিচে এই দুইয়ের মূল পার্থক্য ও বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হলো:

​১. পণ মূল্যের বিনিময়ে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি

​এটি সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়, ফ্ল্যাট বিক্রয় বা ডেভেলপারকে জমি দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যখন দাতা (Principal) গ্রহীতার (Attorney) কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা বা পণ মূল্য গ্রহণ করেন, তখন এটি কার্যকর হয়।

​পণ মূল্য (Consideration): দাতা দলিল সম্পাদনের সময় গ্রহীতার কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন। এটি দলিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হয়।

​বাতিলযোগ্যতা: এটি দাতা এককভাবে বাতিল করতে পারেন না। এটি বাতিল করতে হলে দাতা ও গ্রহীতা—উভয় পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন।

​রেজিস্ট্রেশন: এটি অবশ্যই উপযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।

​দখল হস্তান্তর: অনেক ক্ষেত্রে এই দলিলের মাধ্যমেই জমির দখল গ্রহীতাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

​মৃত্যুর প্রভাব: দাতার মৃত্যু হলেও এই পাওয়ার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না; বরং দাতার বৈধ ওয়ারিশরা এই পাওয়ার মেনে চলতে বাধ্য থাকেন।

​২. পণ মূল্য ব্যতীত অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি

​এটি সাধারণত রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে (যেমন: বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী) কোনো প্রতিদান বা টাকা ছাড়াই সম্পাদন করা হয়।

​উদ্দেশ্য: সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ, মামলা পরিচালনা বা নামজারি করার জন্য এটি দেওয়া হয়।

​পণ মূল্য: এখানে কোনো লেনদেন হয় না। দলিলে উল্লেখ থাকে যে, এটি "বিনামূল্যে" বা "স্নেহ-ভালবাসার বশবর্তী হয়ে" দেওয়া হয়েছে।

​আইনি স্থায়িত্ব: যদিও এটি 'অপ্রত্যাহারযোগ্য', তবুও নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এটি বাতিলের সুযোগ থাকে যদি দলিলে তেমন কোনো বিধান রাখা হয়। তবে সাধারণত এটিও রেজিস্ট্রি করার পর একতরফা বাতিল করা কঠিন।

​রেজিস্ট্রেশন: স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এটিও বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।

15/04/2026

#জাল দলিল কিভাবে চিনবেন? প্রতারিত হওয়ার পূর্বেই
#জাল দলিল চেনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট জেনে নিন...............

১। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নির্দিষ্ট ফিস জমা দিয়ে দলিলের ভলিউম বা বালাম বই তল্লাশি করুন। যদি ভলিউমে ওই দলিলের কোনো অস্তিত্ব না থাকে, তবে সেটি নিশ্চিত জাল।

২। . দলিলদাতা বা মূল মালিকের তথ্য: দলিলের দাতা (বিক্রেতা) আসল কি না, তা স্থানীয়ভাবে ও দলিল দেখে নিশ্চিত হোন। অনেক সময় মৃত ব্যক্তি বা অন্যের জমি নিজের নামে দলিল করে বিক্রি করা হয়। এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৩। নামজারি (Mutation) ও খতিয়ান যাচাই: ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস (AC Land) থেকে সর্বশেষ নামজারি ও খতিয়ান (CS, SA, RS, BS) যাচাই করুন। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে। পূর্বের মালিকের সাথে বর্তমান বিক্রেতার ধারাবাহিকতা ঠিক না থাকলে দলিল জাল।

৪। অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়। খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।

৫. কাগজ ও কালির ধরন: পুরনো দলিলের কাগজ বা কালি কি বর্তমান সময়ের মতো লাগছে? অতিরিক্ত সাদা কাগজ বা সদ্য প্রিন্ট করা দলিলের ক্ষেত্রে সাবধান হোন এছাড়াও কোনো কাটাকাটি, ঘষামাজা বা ভিন্ন হাতের লেখা থাকলে সেটি সন্দেহজনক।

৬। আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

৭. ভায়া দলিল (Via Deed) অনুপস্থিতি: যদি জমিটি আগের মালিকের কাছ থেকে কেনা হয়, তবে আগের দলিলগুলো (ভায়া দলিল) সাথে থাকা প্রয়োজন। না থাকলে সেটি জাল হতে পারে।

৮. চৌহদ্দি ও দাগ নম্বর: দলিলের জমির দাগ নম্বর, খতিয়ান এবং মৌজার তথ্য রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

৯. মূল দলিল তলব: বিক্রেতা বা দালাল শুধু ফটোকপি দেখাতে চাইলে দলিলটি জাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সবসময় আসল বা মূল দলিল দেখতে চান।

১০। সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

১১। মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

[বিঃদ্রঃ উপরোক্ত পয়েন্টগুলো জানা থাকলে জাল দলিলের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। কপি ]

Nur Kutubul Alam Miron
Advocate
Dhaka judges Court.

11/04/2026

নামজারি (মিউটেশন): প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস একনজরে
জমির মালিকানা নিশ্চিতে নামজারি করা অত্যন্ত জরুরি। জমির প্রাপ্তির উৎসের ওপর ভিত্তি করে আপনার যা যা প্রয়োজন হবে:

১. ক্রয় সূত্রে জমি
মূল দলিল বা দলিলের সার্টিফাইড কপি।

হাল রেকর্ডের মূল খতিয়ান/সার্টিফাইড কপি।

হাল সনের দাখিলার (খাজনা) রসিদ।

আবেদনকারীর ছবি ও এনআইডি (NID)।

এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত সক্রিয় মোবাইল নম্বর।

বায়া দলিল: মূল দলিলে উল্লিখিত আগের সকল দলিলের কপি অথবা নামজারি খতিয়ান।

📑 ২. নামজারি সূত্রে জমি
আগের নামজারি খতিয়ানের মূল বা সার্টিফাইড কপি।

হাল রেকর্ডের মূল খতিয়ান/সার্টিফাইড কপি।

হাল সনের দাখিলা রসিদ।

এনআইডি ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর।

ক্রেতা/গ্রহীতার ছবি ও এনআইডি।

🎁 ৩. হেবা দলিল সূত্রে জমি
মূল হেবা দলিল বা সার্টিফাইড কপি।

হাল রেকর্ডের মূল খতিয়ান/সার্টিফাইড কপি।

হাল সনের দাখিলা রসিদ।

আবেদনকারীর ছবি, এনআইডি ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর।

প্রাসঙ্গিক সকল বায়া দলিল বা নামজারি খতিয়ান।

🏢 ৪. রাজউক বা গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জমি
বরাদ্দপত্র (Allotment Letter) বা দলিলের মূল/সার্টিফাইড কপি।

কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নামজারি অনুমতিপত্র।

হাল সনের দাখিলা ও রেকর্ড খতিয়ান।

হস্তান্তর সূত্রে মালিক হলে হস্তান্তর দলিলের কপি।

উত্তরাধিকার সূত্রে হলে সকল উত্তরাধিকারীর তথ্যাদি।

আবেদনকারীর ছবি, এনআইডি ও মোবাইল নম্বর।

👨‍👩‍👧‍👦 ৫. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি
ওয়ারিশনামা সনদ (ইউপি চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর প্রদত্ত)।

বণ্টননামা দলিল (যদি থাকে)।

হাল সনের দাখিলা (খাজনা) রসিদ।

আবেদনকারীর ছবি, এনআইডি ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর।

⚖️ ৬. ডিক্রি সূত্রে প্রাপ্ত জমি (আদালতের মাধ্যমে)
আদালতের রায় ও ডিক্রির কপি।

ডিক্রি জারির বা বাস্তবায়নের কপি।

প্রমাণপত্র: উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করা হয়নি মর্মে নথি।

হাল রেকর্ডের খতিয়ান ও দাখিলা রসিদ।

আবেদনকারীর ছবি, এনআইডি ও মোবাইল নম্বর।

💡 মনে রাখবেন: সকল ক্ষেত্রে মূল কপির পাশাপাশি এক সেট ফটোকপি সাথে রাখা ভালো। সঠিক তথ্যে আবেদন করুন, আপনার ভূমি অধিকার সুরক্ষিত করুন।

#নামজরি #জমি #খতিয়ান #খাজনা #ভূমি Nurkutubulalam # #দলিল

11/04/2026

#আলোচ্য বিষয় -

⚖️ ওয়ারিশান সম্পত্তি বন্টন ও ভোগদখল সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার সম্পত্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার ওয়ারিশদের মধ্যে আইনানুগ হারে বণ্টিত হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে আলাদা করে বন্টনামা (Partition Deed) রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক নয়।

🔹 ১. বন্টনামা ছাড়া ভোগদখল কি বৈধ?
যদি ওয়ারিশগণ নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে জমি ভাগ করে নিয়ে যার যার অংশে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে, তাহলে:
সেই দখল আইনগতভাবে গুরুত্ব পায়
একে “পারিবারিক বন্টন” (Family Arrangement) হিসেবে গণ্য করা হতে পারে
আদালতও অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের দখলকে স্বীকৃতি দেয়।

🔹 ২. দখল অনুযায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠা
যদি কোনো ওয়ারিশ:
দীর্ঘদিন (অনেক বছর) নিরবচ্ছিন্নভাবে জমি ভোগ করে। অন্য ওয়ারিশরা কোনো আপত্তি না তোলে
তাহলে তার দখল একটি শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়, যদিও রেজিস্ট্রি বন্টনামা না থাকে।

🔹 ৩. ইউটিলিটি বিল ও প্রমাণ
নিম্নোক্ত বিষয়গুলো দখলের পক্ষে সহায়ক প্রমাণ হিসেবে কাজ করে—
বিদ্যুৎ বিল (কারেন্ট বিল)
গ্যাস/পানি বিল
খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর রশিদ
স্থানীয় চেয়ারম্যান/মেম্বারের প্রত্যয়ন
👉 এগুলো দেখায় যে ব্যক্তি বাস্তবে জমি ভোগ করছে।

🔹 ৪. জমি ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে কি?
হ্যাঁ, তবে কিছু শর্ত আছে:
একজন ওয়ারিশ তার নিজস্ব অংশ বিক্রি করতে পারে
কিন্তু নির্দিষ্ট বন্টন না থাকলে “অবিভক্ত অংশ” (Undivided Share) হিসেবেই বিক্রি করতে হবে
ক্রেতা ভবিষ্যতে বন্টনের মাধ্যমে তার অংশ বুঝে নেবে।

🔹 ৫. ঝুঁকি ও সতর্কতা
বন্টনামা না থাকলে কিছু সমস্যা হতে পারে:
ভবিষ্যতে অন্য ওয়ারিশ বিরোধ করতে পারে
সীমানা নিয়ে বিরোধ তৈরি হতে পারে
মামলা হলে দখল প্রমাণ করতে জটিলতা হতে পারে।

🔹 ৬. আইনি পরামর্শ
যদিও দখল অনুযায়ী ভোগ করা সম্ভব, তবুও নিরাপত্তার জন্য—
একটি রেজিস্টার্ড বন্টনামা দলিল করে নেওয়া উত্তম
অথবা আদালতের মাধ্যমে পার্টিশন মামলা করে স্থায়ী সমাধান নেওয়া যেতে পারে।

✅ সারসংক্ষেপ
বন্টনামা রেজিস্ট্রি না থাকলেও ওয়ারিশগণ পারস্পরিক সম্মতিতে পূর্বের দখল অনুযায়ী জমি ভোগ করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে বিক্রয়ও সম্ভব। তবে ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে আইনগতভাবে বন্টন দলিল করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।
সংগ্রহীত
Adv Nur Kutubul Alam

11/04/2026

বিচারাধীন মামলার সম্পত্তি কি ক্রয় করা যাবে?

বিচারাধীন মামলার সম্পত্তি বিক্রয় সম্পর্কে আইনি দিকগুলো নিম্নরূপ:

✅ #লিস পেনডেন্স (Lis Pendens):

- মামলা চলাকালে সম্পত্তির ওপর "লিস পেনডেন্স" (বিচারাধীন মামলার নোটিস) জারি হতে পারে। এটি একটি প্রকাশ্য নোটিশ, যা সম্পত্তির সম্ভাব্য ক্রেতাদের জানিয়ে দেয় যে সম্পত্তিটি মামলার অন্তর্ভুক্ত।

- লিস পেনডেন্স থাকলে ক্রেতা মামলার ফলাফলের অধীন হবে। অর্থাৎ, মামলায় আপনার পরাজয় হলে ক্রেতার মালিকানা বাতিল হতে পারে।

✅ #আদালতের নির্দেশনা:

- যদি আদালত সম্পত্তি বিক্রয় নিষিদ্ধ করে অস্থায়ী বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Injunction) দেয়, তাহলে বিক্রয় করা আইনত অবৈধ।

- কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও, মামলার বিষয়টি গোপন করে বিক্রয় করলে তা "প্রতারণামূলক" হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং পরবর্তীতে চুক্তি বাতিল হতে পারে।

✅ #ক্রেতার ঝুঁকি:

- মামলার সম্পত্তি ক্রয় করা ক্রেতার জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। মামলার ফলাফলের উপর ক্রেতার মালিকানা নির্ভর করবে।

- ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত এমন সম্পত্তিতে ঋণ দিতে আগ্রহী হয় না।

✅ #বিক্রয় সম্ভব কি না:

- হ্যাঁ। যদি আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকে এবং বিক্রেতা মামলার বিষয়টি ক্রেতাকে জানিয়ে দেন। তবে ক্রেতা মামলার ফল মেনে নেওয়ার শর্তে বিক্রয় সম্ভব।

- না, যদি আদালত নিষেধাজ্ঞা দেয় বা বিক্রয়টি মামলার অন্য পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে (যেমন: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৫২ অনুযায়ী)।

✅ #পরামর্শ:

- মামলা চলাকালে সম্পত্তি বিক্রয়ের আগে অবশ্যই একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

- ক্রেতাকে মামলার বিষয়ে লিখিতভাবে জানান এবং চুক্তিতে শর্ত যুক্ত করুন যে মামলার ফলাফল ক্রেতাকে মেনে নিতে হবে।

শুভেচ্ছান্তে
মো নুর কুতুবুল আলম
অ্যাডভোকেট

01718775097 (WhatsApp)

#আইন #আইনওবিচার #মামলা #সম্পত্তি #ক্রয় #বিক্রয় #আইনের_সমতা
সংগ্রহীত

11/04/2026
10/04/2026

দেনমোহর নির্ধারণের পদ্ধতিগুলো কী কী?

দেনমোহর নির্ধারণকে কেন্দ্র করে একটা সময় বিবাহ ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনা চোখে পড়তো অহরহ। আর এখন, সেই দেনমোহর যেন কোন কোন অবস্থায় ‘ব্যবসায়’ পরিণত হয়েছে। সে সম্পর্কে অন্য কোন সময় আলোচনা করা যাবে। আজ দেনমোহর নির্ধারণ এবং এর আইনগত দিকগুলো জেনে নেয়া যাক।

অনেকেই বিয়ের সময় দেনমোহরকে খুব একটা গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। মনে করেন, এটা লোক দেখানো ব্যাপার। আবার কেউ কেউ সামাজিকতার জন্য ইচ্ছেমত দেনমোহর নির্ধারণ করে থাকেন। অন্যদিকে, ইদানিং স্বামীকে সংসার করতে বাধ্য করার নিমিত্তে, বা সংসার রক্ষার ‘হাতিয়ার’ হিসেবে কল্পনাতীত বেশি পরিমাণ দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ে দেয়ার ঘটনাও প্রত্যক্ষ করা যায়।

দেনমোহর স্ত্রীর একটি আইনগত অধিকার এবং স্বামীর ওপর একটি ঋণ। এই দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে, যা অনেকেই জানেন না। ইদানিং যা দেখা যাচ্ছে, অনেকে দেনমোহরের ক্ষেত্রে আকাশছোঁয়া একটা অঙ্ক লিখে দেন, যা পরবর্তীতে উভয় পক্ষের জন্যই বিশাল জটিলতা তৈরি করে।

এই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণে অনেক নারী তাদের প্রাপ্য দেনমোহর থেকে বঞ্চিত হন, আবার অনেক পুরুষও ভয়াবহ আর্থিক চাপে পড়ে যান; একসময় অনাদায়ী-ই থেকে যায় জরুরি এই ঋণটি। আর ততোধিক জরুরি বিষয় হলো, বিয়ের দিন যে দেনমোহর লিখা হবে কাবিনে, পরবর্তিতে, দেনমোহর আদায়ে আদালতে গেলে, আদালত সেই নির্ধারিত দেনমোহর-ই প্রদান করতে বাধ্য করবেন।

দেনমোহর ধার্য করার ক্ষেত্রে উত্তম পন্থা হলো-
১. স্ত্রীর বংশে তার সমমানের নারীদের বাস্তবসম্মত দেনমোহর যা ইতিপূর্বে ধার্য হয়েছে, (কোথাও কোথাও মা খালাদের ধার্য দেনমোহরের বলা হয়েও, বর্তমান সময়ের অর্থের অবম্যূলায়ন বিবেচনায় সেটা যুক্তিযুক্ত হবে না, বিধায় স্ত্রীর অন্যান্য বোন বা ভাবীদের দেনমোহর বিবেচনা করা যেতে পারে)। সেই সাথে স্ত্রীর সামাজিক অবস্থানও বিবেচনা করা। এবং

২. স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য- স্বামীর আর্থিক অবস্থার বিবেচনা, তিনি যে পরিমাণ দেনমোহর দেয়ার সামর্থ্য রাখেন; এ দুটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে মোহর নির্ধারণ করা।

৩. এছাড়া উভয় পক্ষের উদ্যোগে সৃষ্ট কোন পারস্পরিক সমঝোতায় দেনমোহর নির্ধারণ করা যেতে পারে। আবারও বলছি, যেহেতু ইসলামি শরিয়ত ও মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, দেনমোহরকে নিদির্ষ্ট করে দেয়া হয়নি; সেক্ষেত্রে উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো দেনমোহর নির্ধারণের উত্তম পন্থা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন, দেনমোহর যেহেতু পুরোটাই পরিশোধ করার বিষয়, শুধু লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে বেশি পরিমাণ মোহর ধরা যাবে না। আর যদি সেভাবে নির্ধারণ করা হয়, তবে সেই মোহরানা পুরোটাই স্ত্রীর প্রাপ্য এবং তা পুরোপুরিই স্ত্রীকে প্রদান করতে হবে।

আর একটি তথ্য এক্ষেত্রে বলা উচিত, অনেকে ছলে-বলে-কৌশলে স্ত্রীকে দেনমোহর থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেন। বহুকাল থেকে অতি ভালোবাসার ছল করে ‘দেনমোহর মাফ’ করিয়ে নেওয়ার অপসংস্কৃতি চালু রয়েছে আমাদের সমাজে, যা ইসলাম সমর্থন করে না।

যে স্বামীর মনে স্ত্রীর দেনমোহর আদায়ের ইচ্ছাটুকুও নেই, হাদিস শরিফে তাকে বলা হয়েছে ‘ব্যভিচারী’। এই রেফারেন্সটুকু ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ: ৪/৫২২-৫২৩)।

১. আইনি পরামর্শ: দেনমোহর সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

২. স্বচ্ছতা: দেনমোহর নির্ধারণের সময় বাস্তবতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখুন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বিতর্ক না হয়।

আপনার আস্থা ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
সংগ্রহিত
#আইন #আইনবিচার #আইনিপ্রতিকার #আদালত #বিচার #লিগ্যাল #আইনিপরামর্শ

জাতীয় সংসদে 'কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬' কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে । এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি ক...
10/04/2026

জাতীয় সংসদে 'কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬' কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে । এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে ।
ফৌজদারি কার্যবিধি বা ক্রিমিনাল প্রসিডিউর বিষয়ে পাস হওয়া মূল পরিবর্তনগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সুরক্ষা (৪৬এ-৪৬ই ধারা)
#পরিবারকে অবহিতকরণ: কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন বা আইনজীবীকে বিষয়টি জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।
#পরিচয়পত্র প্রদর্শন: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তাকে অবশ্যই তার দৃশ্যমান পরিচয়পত্র (ID card) সাথে রাখতে হবে এবং গ্রেপ্তারের সময় তা প্রদর্শন করতে হবে ।
#আইনি পরামর্শ: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে তার আইনজীবী বা নিকটাত্মীয়ের সাথে পরামর্শ করার সুযোগ দিতে হবে ।
২. নথিবদ্ধকরণ ও স্বচ্ছতা
#জিডিতে অন্তর্ভুক্তি: গ্রেপ্তারের কারণ, সময় এবং কাকে তথ্য জানানো হয়েছে—এসব বিস্তারিত তথ্য অবিলম্বে স্থানীয় থানার জেনারেল ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করতে হবে ।
#গ্রেপ্তার মেমোরেন্ডাম: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা যদি ওই থানার না হন, তবে তাকে গ্রেপ্তারের একটি অনুলিপি (Memorandum) সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে পাঠাতে হবে ।
#সাক্ষীর উপস্থিতি: গ্রেপ্তারের সময় অন্তত একজন সাক্ষীর (পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি) উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সাক্ষী না পাওয়া গেলে তার কারণ নথিবদ্ধ করতে হবে।
৩. বিচারিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন
#জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি (৩২ ধারা): ম্যাজিস্ট্রেটদের জরিমানা করার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এখন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন ।
#স্বাস্থ্য পরীক্ষা (১৬৭ ধারা): পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আগে এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।
#তদন্ত তদারকি (১৭৩এ ধারা): চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তদন্তের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন (Interim report) চাওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kutub Jurist Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share