M Hossain Chamber

M Hossain Chamber Advocacy & Consulting farm

06/06/2026

#মামলা চলাকালীন জমির নামজারি করা যাবে কী?
#হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়.....

Advocate Muhammed Monir Hossain Shaon
_______________________________

জমি নিয়ে দেওয়ানি মামলা চলাকালীন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট জমির নামজারি (মিউটেশন) করা যাবে কি না—এ প্রশ্নে সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই বিভ্রান্তি ও মতবিরোধ ছিল। কেউ বলেন নামজারি করা যায়, আবার কেউ বলেন মামলা চলাকালীন তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রিট পিটিশনের রায়ে উচ্চ আদালত পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

#রিট পিটিশন নং- 5420/2014, মোঃ শফিকুল ইসলাম বনাম সরকার—এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন রায় প্রদান করে।

&মামলার মূল প্রশ্ন ছিল, দেওয়ানি আদালতে জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় এসিল্যান্ডের নিকট মিউটেশন আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকলে, সেটি বন্ধ থাকবে কি না।

#হাইকোর্ট ডিভিশন বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। তবে সংবিধান ও প্রতিষ্ঠিত আইনানুযায়ী, একই বিষয়ের উপর নির্বাহী ও বিচারিক ফোরাম দুইটি সমান্তরালভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

অর্থাৎ, দেওয়ানি আদালতে মামলা চলাকালীন অবস্থায় এসিল্যান্ড মিউটেশন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন না—even যদি আদালত থেকে পৃথকভাবে কোনো stay order না আসে।

কনসার্ন অথরিটিকে জানালেই বন্ধ থাকবে মিউটেশনঃ

রায়ে আরও বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি যিনি উক্ত জমিতে আগ্রহী বা ক্ষতিগ্রস্ত হন, এসিল্যান্ডকে অবহিত করেন যে সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে, তাহলে এসিল্যান্ড বা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসাররা মিউটেশন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে বাধ্য হবেন।

এই জন্য আদালতের stay order প্রয়োজন হবে না। বরং কেবল তথ্যটি তাদের জ্ঞাত হওয়াই যথেষ্ট।

ভূমি মন্ত্রণালয়কে পরিপত্র জারির নির্দেশ

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয় যেন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে এবং মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিপত্র (সার্কুলার) জারি করে বিষয়টি জানিয়ে দেয়। যেন তারা জানার পরপরই জমি নিয়ে মিউটেশন কার্যক্রম স্থগিত রাখেন।

এই রায়ের মাধ্যমে হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছেন যে, দেওয়ানি আদালতে মামলা চলাকালীন অবস্থায় জমির নামজারি করা আইনসম্মত নয়, এবং এটি বন্ধ রাখতে কোনো পৃথক আদালতের আদেশের প্রয়োজন নেই—শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে মামলার বিষয়ে অবগত করলেই যথেষ্ট।

এটি দেশের ভূমি প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে সুসমন্বয় এবং বিচারাধীন বিষয়গুলোর প্রতি সম্মান বজায় রাখার একটি মাইলফলক সিদ্ধান্ত।

 #উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত কমিটি ও এর কার্যাবলী।...
15/05/2026

#উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত কমিটি ও এর কার্যাবলী।

#স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
স্মারক নং-৪৬.০০.০০০০.০১৭.৯৯.০০৪.১৫-৫৪2 তারিখঃ ১৮ আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ / ১০ জুলাই, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ।

বিস্তারিতঃ
বিষয়: উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এর অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ।

উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর দ্বিতীয় তফসিলের ২২ নম্বর ক্রমিকে ইউনিয়নে নতুন বাড়ি, দালান নির্মাণ বা পুন:নির্মাণ এবং বিপজ্জনক দালান নিয়ন্ত্রণে ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত কমিটি গঠন করা হলো:

০২. উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা-বহির্ভূত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ বিষয়ক কমিটি'র গঠন:

১. চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ -সভাপতি
২. উপজেলা নির্বাহী অফিসার- সদস্য
৩. সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদস্য
৪. উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি - সদস্য
৫. সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান - সদস্য
৬. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর প্রতিনিধি - সদস্য
৭. ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
৮. ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
৯. বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানারস এর প্রতিনিধি - সদস্য
১০. ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অব বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
১১. সহকারী প্রকৌশলী/উপসহকারী প্রকৌশলী (সহকারী প্রকৌশলী না থাকলে) -সদস্য সচিব

৩. কমিটির কার্য পরিধি:
(ক) উক্ত কমিটি Building Construction Act. 1952 3 Bangladesh National Building Code-1993 সহ অন্যান্য প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করবে।

(খ) উক্ত কমিটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় সুউচ্চ নয় এমন ভবনের [৭ তলা বা ৭৫ ফুট পর্যন্ত] নকশা অনুমোদন করবে।

(গ) প্রতি তিন মাসে কমিটির ন্যূনতম একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

(ঘ) কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে এবং কোরাম গঠনের জন্য ৫-৯ নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত কারিগরি ব্যক্তিদের ন্যূনতম ০২(দুইনের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে।

(ঙ) কমিটি উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে, প্রয়োজনে, অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ কোন পেশাজীবি কর্মকর্তা/বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবে।

(চ) ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ বিষয়ে নিম্নবর্ণিত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করতে হবে:

(১) ইমরত নির্মাণের জন্য ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬ এর তফসিল-১ এ উল্লিখিত আবেদন পত্রে

আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র দাখিলের পর কমিটি সকল কাগজ এবং নকশা প্রণেতার যথাযথ যোগ্যতা সকল কিছু পরীক্ষা করে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রদান করবে।

(২) আবেদন পত্রের সাথে কমপক্ষে নিম্নলিখিত দলিলাদি সংযুক্ত না থাকলে আবেদন গ্রহণ করা যাবে না।

(ক) BNBC (Bangladesh National Building Code) অনুযায়ী কীপ্ল্যান (প্রযোজ্যক্ষেত্রে), সাইট প্ল্যান, বিল্ডিং প্ল্যান, সার্ভিস প্ল্যান, স্পেসিফিকেশন এবং নির্মাণ তদারকি কাজে নিয়োজিত প্রকৌশলীর সম্মতিপত্র।

(খ) সাত ফর্দ নকশা।

(গ) জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য দলিল, (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পর্চা, হালসনের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের প্রমানপত্র ইত্যাদি।

(ঘ) যোগ্যতা সম্পন্ন প্রকৌশলী কর্তৃক মাটির ভার বহন ক্ষমতার সনদ।

(ঙ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র।

(৩) ভবন নির্মাণের পূর্বে নির্মাতা প্ল্যান প্রণয়ন ও সুপারভিশন প্রকৌশলী নিয়োগ করবেন এবং Architectural & Structural Design অনুযায়ী নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন। নিয়োজিত প্রকৌশলী নির্মাণ কাজ সুপারভিশন করবেন। এ বিষয়ে সকল দায়-দায়িত্ব ভবন নির্মাতা/ নিয়োজিত প্রকৌশলীর উপর বর্তাবে মর্মে অঙ্গীকারনামা কমিটির নিকট দাখিল করতে হবে।

(8) নকশা প্রণয়নকারীর যথাযথ কারিগরী যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রতিটি নকশায় প্রণেতার স্বাক্ষর, পেশাদারী সংগঠনের দেয়া পরিচিতি নম্বর এবং মালিকের স্বাক্ষর থাকতে হবে। নকশা প্রণয়নকারীর যোগাযোগের ঠিকানা থাকতে হবে। কমিটি নকশা প্রণয়নকারীসহ অন্যান্য স্বাক্ষরকারীর সঠিকতা যাচাই করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

(৫) প্ল্যান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তাবৃন্দ কোন অবস্থাতে প্ল্যান প্রণয়নের সাথে জড়িত থাকতে পারবে না।

(৬) ভবন নির্মাণের অনুমতিপত্র পাওয়ার পর ভবনের লে-আউট প্রদানের সময় ভবনের মালিক সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের উপস্থিত থাকা নিশ্চিত করবেন। স্লিন্থ লেভেল পর্যন্ত নির্মাণের পর সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার এবং ভবনের মালিকের যৌথ স্বাক্ষরে নির্ধারিত ফরমে একটি প্রতিবেদন কমিটি বরাবর প্রেরণ করবে।

(৭) কমিটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সরেজমিন পরিদর্শনে অনুমোদিত প্ল্যানের সাথে কোন প্রকার বিচ্যুতি ধরা পড়লে মালিক ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারকে তা সংশোধন করতে সুনির্দিষ্ট করে লিখিতভাবে জানাবে। ভবন মালিক সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে অবৈধ অংশ অপসারণ কিংবা অনুমতিপত্র বাতিল করার আদেশ প্রদান করবে।

(৮) প্রতিটি ফ্লোরের ছাদ ঢালাই করার পর মালিক ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের যৌথ স্বাক্ষরে একটি করে কার্য সম্পাদন প্রতিবেদন কমিটির সভাপতি বরাবর দাখিল করতে হবে।

(৯) নির্মাণ চলাকালীন পার্শ্ববর্তী ভবন, অবকাঠামো এবং জনগণের কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করা যাবে না।

(১০) BNBC (Bangladesh National Building Code) এর কোড অনুযায়ী ইমারত সেবা (Building Service) যথা পানি সরবরাহ পয়ঃনিস্কাশন, ড্রেনেজ, গ্যাস সরবরাহ, বৈদ্যুতিক স্থাপনা, শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য সকল ইমারত সেবা বাস্তবায়ন করতে হবে।

(১১) সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করতে পারবে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ প্যানেল প্রণয়ন (Panel of Experts) করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্ল্যান অনুমোদন, ভবন নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ, অপসারণ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(১২) ভবনের মালিক/ডেভেলপার Architectural, Structural, Electrical, Plumbing & Fire fitting নক্সা বিশেষজ্ঞ স্বপতি, প্রকৌশলী অথবা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সম্পাদনের মাধ্যমে কমিটির নিকট দাখিল করবেন। কমিটি এতদসংশিষ্ট বিশেষজ্ঞ স্বপতি, প্রকৌশলী অথবা পরামর্শক

#প্রতিষ্ঠানের স্বাক্ষর ও প্রত্যয়ন যাচাই করবে।

(১৩) ইমারত আংশিক বা সম্পূর্ণ নির্মাণ সম্পন্ন হবার পর বসবাস বা ব্যবহার সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে। এজন্য নির্ধারিত ফরমে অবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে নিম্নলিখিত দলিল এবং নকশাদি সংরক্ষণের জন্য দাখিল করতে হবে। যথাঃ

(ক) সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সমাপ্ত প্রতিবেদন;

(খ) কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত স্থাপত্য নকশার ভিত্তিতে নির্মিত ইমারতের নকশা;

(গ) ইমারত সেবা সংক্রান্ত সকল নকশা; এবং

(ঘ) ইমারতের নির্মাণ সংক্রান্ত Test Report যেমন: Cylinder Test Report এবং MS রড Test Report সহ প্রতিবেদন।

উলেখিত নকশার অপর্যাপ্ততা ও উপযুক্ততার যাবতীয় দায়ভার সংশিষ্ট পেশাজীবিদের (স্থাপতি ও প্রকৌশলী) উপর বর্তাবে।

(১৪) নবনির্মিত ভবনটি পরিদর্শন করে কমিটি ভবন ব্যবহারের অনুমতিপত্র প্রদান করবে;

(১৫) যে উদ্দেশ্যে ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে সে উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভবন ব্যবহার করা যাবে না।

একটি কোম্পানি কারখানার জন্য বিদেশ থেকে একটি মেশিন কিনবে। মেশিনটি কেনার জন্য কোম্পানিটি ব্যাংকের মাধ্যমে বিবি-এলটিএফএফ লো...
04/05/2026

একটি কোম্পানি কারখানার জন্য বিদেশ থেকে একটি মেশিন কিনবে। মেশিনটি কেনার জন্য কোম্পানিটি ব্যাংকের মাধ্যমে বিবি-এলটিএফএফ লোন নিয়েছে।

লোনের পরিমাণ ৫০ লাখ ইউএস ডলার। লোনের মেয়াদ ৭ বছর। প্রথম ১ বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। এই ১ বছরে লোনের মূল টাকা পরিশোধ করতে হবে না। গ্রেস পিরিয়ডের সুদ লোনের সাথে যোগ হবে।

মেশিন আমদানির সময় কোম্পানিকে সিডি, আরডি, এসডি, ভ্যাট, এটি এবং এআইটি দিতে হবে। এর মধ্যে সিডি, আরডি ও এসডি মেশিনের খরচের সাথে যোগ হবে। কিন্তু ভ্যাট, এটি ও এআইটি যেহেতু পরবর্তীতে সমন্বয় বা ফেরত পাওয়া যাবে, তাই এগুলো মেশিনের খরচের সাথে যোগ হবে না।

এই পুরো কাজের জন্য কোম্পানিকে সঠিকভাবে হিসাব করতে হবে:
✓ লোন নেওয়ার এন্ট্রি;
✓ মেশিন আমদানির এন্ট্রি;
✓ ডিউটি ও ট্যাক্সের এন্ট্রি;
✓ সুদের হিসাব;
✓ ডলার রেট পরিবর্তনের লাভ বা ক্ষতি;
✓ লোন পরিশোধের এন্ট্রি;
✓ মেশিনকে ফিক্সড অ্যাসেট হিসেবে দেখানো; এবং
✓ পরে ডিপ্রিসিয়েশন চার্জ করা।

এই ধরনের ট্রানজেকশন বুঝতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ IAS ও IFRS লাগে।

১। IFRS 9 - Financial Instruments:
লোন কীভাবে রেকর্ড হবে, লোনের ইন্টারেস্ট কীভাবে হিসাব হবে, লোন লায়াবিলিটি কীভাবে দেখাতে হবে—এসব বুঝতে লাগে।

২। IAS 16 - Property, Plant & Equipment:
মেশিনের খরচে কোন কোন খরচ যোগ হবে, কখন মেশিনকে ফিক্সড অ্যাসেট হিসেবে দেখাতে হবে এবং কীভাবে ডিপ্রিসিয়েশন দিতে হবে—এসব বুঝতে লাগে।

৩। IAS 21 - Foreign Currency Translation:
লোন ইউএস ডলারে, কিন্তু হিসাব টাকায়। তাই ডলার রেট পরিবর্তনের কারণে লাভ বা ক্ষতি কীভাবে হিসাব হবে—এটা বুঝতে লাগে।

৪। IAS 23 - Borrowing Cost:
মেশিন চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত লোনের সুদ মেশিনের খরচে যোগ করা যাবে কি না—এটা বুঝতে লাগে।

৫। IAS 12 - Income Tax:
এআইটি বা অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স কীভাবে দেখাব, ট্যাক্স রিসিভেবল বা অ্যাডভান্স ট্যাক্স হিসেবে কীভাবে হিসাব করব—এটা বুঝতে লাগে।

৬। TDS & VDS Rules:
ভ্যাট, এটি এবং এআইটি সমন্বয়যোগ্য হলে এগুলো অ্যাসেটের খরচে যাবে না; আলাদা রিসিভেবল বা অ্যাডভান্স হিসেবে দেখাতে হবে।

 #আয়কর রিটার্ন: দায়িত্ব, সচেতনতা ও আপনার আর্থিক নিরাপত্তার একমাত্র সঠিক পথবাংলাদেশে এখনও অনেকেই মনে করেন “রিটার্ন মানেই ...
22/11/2025

#আয়কর রিটার্ন: দায়িত্ব, সচেতনতা ও আপনার আর্থিক নিরাপত্তার একমাত্র সঠিক পথ
বাংলাদেশে এখনও অনেকেই মনে করেন “রিটার্ন মানেই ঝামেলা, টাকা দেওয়া, অথবা অযথা সময় নষ্ট করা।”
এই ভুল ধারণার ফলেই দেখা যাচ্ছে-
অগনিত মানুষ রিটার্ন জমা দেন না।
৯৫% করদাতা অন্যকে দিয়ে রিটার্ন করান,
কিন্তু ৯০% রিটার্নে ভুল,
যার কারণে আজ শত শত নোটিশ পাঠাচ্ছে আয়কর অফিস।
ভুল রিটার্ন কখনোই সুফল দেয় না; বরং ভবিষ্যতে ডেকে আনে অযথা হয়রানি, জরিমানা ও আইনি জটিলতা।

#রিটার্নের সবচেয়ে বড় ভুল—“ডিফারেন্স শূন্য করলেই সব ঠিক!”
অনেক করদাতা মনে করেন-
“যা আয় তাই ব্যয় দেখালাম, হাতে নগদ-সম্পদ, ডিফারেন্স শূন্য তাই রিটার্ন ঠিক আছে।”
রিটার্ন বলতে অনেকেই বোঝেন যে ভাবেই হোক ডিফারেন্স শূন্য করা। উনাদের যক্তি হল- ডিফারেন্স তো শূন্য হয়েছে এবং রিটার্ণ তো জমা নিয়েছে। তখন তো কোন আপত্তি করেনি। অর্থাৎ ফাইল ঠিক আছে। এটাই সর্ববৃহৎ ভুল।
#অনেক ভাবেই ডিফারেন্স শূন্য করা যায়। ডিফারেন্স শূন্য করা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়,
বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল – যিনি রিটার্ন করছেন তিনি একাউন্টিং প্রিন্সিপ্যাল, আয়কর আইন, ধারা, নির্দেশিকা, অডিট নির্দেশনা, পরিপত্র, দানকর আইন, এসআরও প্রভৃতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানেন কিনা, রিটার্ন-পরবর্তী সমস্যা হলে সহায়তা দিতে পারবেন কিনা।

#রিটার্ন একটি আর্থিক বিবরণী—এখানে আপনার আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় ও বিনিয়োগের বাস্তবিক মিল থাকতে হবে। শুধু ডিফারেন্স শূন্য করলেই আইনসম্মত হয় না। সাপোর্টিং প্রমাণ/ডকুমেন্টস সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা হলে, পূর্ববর্তী বছরের সাথে ফাইলের ধারাবাহিকতা বজায় না থাকলে অডিটের ঝুঁকি বাড়ে।
একটি বাস্তব উদাহরণ:
একজন করদাতার-
• আয় ৬০০০০০লাখ
• ব্যয় ৩.৩০ লাখ
• বিনিয়োগ ২ লাখ
• ব্যাংকে আছে মাত্র ১০০০০ হাজার
কিন্তু রিটার্নে দেখানো হলো—হাতে নগদ ৮০ লাখ!
এভাবে চললে অচিরেই তার হাতে নগদ ১ কোটি টাকায় পৌঁছে যাবে -যা আয়কর আইনের কাছে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য।

অদক্ষ হাতে রিটার্ন করান, নোটিশ হাতে পেয়ে কর অফিসের পিয়নের মাধ্যমে আপীলও করান, যখন নৌকা ডুবু ডুবু, আমাদের স্মরণাপন্ন হওয়া। এসব ভুলের ফলে অডিট ফেস করা ভীষণ কঠিন চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে।
একজন করদাতার ছোট ভুলে জরিমানা হয়েছে ১৩ হাজার টাকা, আরেকজনের করমুক্ত আয়ের স্থলে জরিমানা হয়েছে ২৭ হাজার টাকা—শুধু ভুল রিটার্নের কারণে, চরম হতাশাজনক। সম্মানিত করদাতাকে জরিমানার হাত থেকে রেহাই দিতে না পারাটা যে কত বড় কষ্টের, ব্যার্থতার এবং হতাশার তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না ।
এই সময় সবচেয়ে কষ্ট হয়— করদাতার অসহায় অবস্থা দেখে।
যখন রিটার্ন ভুল হয়, আইন, ধারা অনুযায়ী না হয়, তখন আইনকে সম্মান করে জরিমানাটাই মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।

#রিটার্ন: দেখতে সহজ, কিন্তু বাস্তবে ‘নাপিতের টিউমার অপারেশনের’ মতো জটিল
অনেকে কয়েকটি ঘর পূরণ করেই রিটার্ন জমা দেন। রিটার্ন দেখতে খুবই সহজ, কিন্তু আয়কর বিধি, ধারা অনুযায়ী সঠিকভাবে না করলে, জটিলতার ঝুঁকি থেকেই যায়।

#প্রফেশনালদের দায়িত্ব—রিটার্ণ পূরণ নয়, ভবিষ্যত রক্ষা করা
একজন পেশাদার ট্যাক্স কনসালট্যান্ট/ল’ইয়ার এর দায়িত্ব:
একজন দক্ষ সার্জন যেমন অপারেশনের আগে রোগীর সব পরীক্ষা করে নেন, ঠিক তেমনি একজন আয়কর আইনজীবীও আপনার আয়, বিনিয়োগ ও কর তথ্য বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করেন- আপনার রিটার্ন হবে আইনসম্মত, নির্ভুল এবং কর রেয়াতসহ সর্বাধিক সুবিধাজনক।
#পেশাদার ট্যাক্স ল'ইয়ার/আইটিপি/এক্সপার্টগনের দায়িত্ব শুধুমাত্র ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়াই নয় বরং
- যথাযথ আইন বিধি মেনে ও অভিজ্ঞতার আলোকে নির্ভুল রিটার্ণ তৈরী করা।
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও ব্যাখ্যাসহ আয়কর অফিসে দাখিল করা।
- ভবিষ্যত অডিট, ফাইল পূন: উন্মোচন মামলার মোকাবিলার পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করে সকল পরিস্থিতির জন্য তৈরী থাকা।
-এছাড়াও আইনি কৌশল ও ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভবিষ্যতে কর কমানোর পরিকল্পনা করা।
১।আয়ের উৎস যাচাই ও আইন অনুযায়ী হিসাব নির্ধারণ, আয় ও বিনিয়োগের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস
২। কর ছাড়, কর রেয়াত ও কর অব্যাহতির যথাযথ প্রয়োগ
৩। উৎসে কর্তিত কর (TDS) যাচাই
৪। কর সমন্বয় ও জমার সঠিক মিল
৫। প্রযোজ্য ধারা, SRO ও বিধি অনুসারে ট্যাক্স নিরূপণ
৬।ভবিষ্যত অডিট ও মামলা মোকাবিলার জন্য ব্যাকআপ ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখা
৭। আইনসঙ্গত কর পরিকল্পনা (Tax Planning) তৈরি করা- এগুলিই আইনপেশার মর্যাদা।
অনেকেই মনে করেন—আয়কর রিটার্ন মানেই “সরকারকে টাকা দেওয়া” বা “অযথা ঝামেলায় জড়ানো”।
#রিটার্ন শুধু একটা ফর্ম নয়, এটি একটি আর্থিক পরিচয়ের পূর্ণাঙ্গ বিবরণী, আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ সম্পদ ও দায়ের স্বচ্ছ পূর্ণাঙ্গ বিবরণী। রিটার্ণে না বুঝে উলটাপালটা তথ্য দিলে ভবিষ্যতে কী ধরনের বিপদ হয়, তা কেবল ভুক্তভোগীরা-ই জানেন ।
তাই বলি, শুরু থেকেই বুঝে শুনে, সঠিকভাবে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিন। একটা সামান্য ভুলই আপনাকে ফেলতে পারে বিশাল আর্থিক, মানসিক ও সামাজিক ঝামেলায়।

#বাংলাদেশে রিটার্ন নিয়ে প্রচলিত ধারণা ও সঠিক তথ্য
প্রচলিত ধারণা: রিটার্ন না দিলে কিছু হয় না।
সঠিক তথ্য-আয়কর আইন–২০২৩ অনুযায়ী
#রিটার্ন না দিলে জরিমানা, বিলম্ব সুদ, এবং সরকারি সেবা গ্রহণে বাধা পর্যন্ত হতে পারে।
#অনেকেরই আয়ের সাথে পরিসম্পদের বিবরনীর কোন মিল নেই, অনেকেই রিটার্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে করা। কোন সাপোর্টিং ডকুমেন্টস দেয়নি, অনেক ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে ডকুমেন্টস যাচাই করা হয় না, এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়েছে অনেকেই।
ভুল রিটার্ন তৈরী কারী কবি’রা এখন একেবারের নীরব, করাদাতাগন হন দিশেহারা।
প্রচলিত ধারণা: রিটার্ন দিলে সরকারকে টাকা দিতে হবে।
সঠিক তথ্য- রিটার্ন মানে কর দেওয়া নয়- এটি আপনার বার্ষিক আয়, ব্যয় ও সম্পদের হিসাব।
অনেকের করযোগ্য আয়ই থাকে না। বরং রিটার্ন হলো বৈধ আয়ের দলিল, যা ভবিষ্যতে ব্যাংক লোন, বিদেশ যাত্রা বা ব্যবসায়িক অনুমোদনে প্রয়োজন হয়।
প্রচলিত ধারণা: আমার তো আয় নেই—রিটার্ন দিতে হবে না।
সঠিক তথ্য- আয়কর আইন, ২০২৩ অনুসারে আপনার TIN আছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে, সঞ্চয়পত্র আছে, গাড়ি/ফ্ল্যাট কিনেছেন, পাসপোর্ট/টেন্ডার/ভিসার জন্য TIN ব্যবহার করেছেন—এগুলোর কোনো একটিও থাকলে রিটার্ন বাধ্যতামূলক
করযোগ্য না হলে “কর পরিশোধ ছাড়াই রিটার্ন” জমা দিতে পারেন।
এটি একদিকে আইনি বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে ভবিষ্যতের আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ।
প্রচলিত ধারণা -রিটার্ন দিলে ঝামেলা বাড়ে।
সঠিক তথ্য-রিটার্ন অত্যন্ত সহজ; দক্ষ ট্যাক্স কনসালটেন্টের মাধ্যমে ঘরে বসেই দাখিল করা যায়।
বরং রিটার্ন না দিলে ভবিষ্যতে জমি/ফ্ল্যাট কেনা বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ, ব্যাংক লোন, পাসপোর্ট, টেন্ডার-সর্বত্র সমস্যা হয়।
একজন করদাতা ভেবেছিলেন- “বেতনের কর তো অফিসই কেটে দেয়।”
রিটার্ন না দেওয়ায় তিনি ব্যাংক লোন পাননি।
রিটার্ন দেওয়ার পর লোন সহজেই অনুমোদন হয়।
রিটার্ন শুধু আইনি দলিল নয়— বাস্তব জীবনের প্রয়োজন।
প্রচলিত ধারণা -রিটার্ন শুধু ধনী বা ব্যবসায়ীদের জন্য।
সঠিক তথ্য-শিক্ষক, ডাক্তার, চাকরিজীবী, ছাত্র, ফ্রিল্যান্সার—সবাই আয়কর আইনের আওতায়।
রিটার্ন আপনাকে “বৈধ করদাতা” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

#রিটার্ণ না দিলে কী হবে?
#রিটার্ন না দিলে “কিছুই হবেই না” ভাবাটাই চরম ভুল। সুবিধা ও সেবা (অনলাইনে কিছু সরকারি সুবিধা, ব্যাংকারি প্রক্রিয়া) হারাতে পারেন। অনেকে জিজ্ঞেস করেন-“রিটার্ণ না দিলে আসলে কী হয়?”
খুব বেশি কিছু নয়, শুধু...
১.আপনার নামে কোন বৈধ ফাইল থাকবে না
২.কেউ কোন অর্থ/সম্পদ উল্লেখ না করলে তা অবৈধ হয়ে যায়।
৩.ব্যাংক বা বিনিয়োগে অতিরিক্ত ট্যাক্স কাটবে
৪.ভবিষ্যতে সম্পদ বৈধ প্রমাণে সমস্যা হবে
৫.সরকারি ৪৪টি সেবা পাবেন না
৬.ভবিষ্যতে বাধ্য হয়ে রিটার্ণ দিতে গেলে জরিমানা ও সুদের হাত থেকে রেহাই পাবেন না
*এই রকম তুচ্ছ কিছু ঘটনা ঘটবে, এই আর কি....

আপনার সিদ্ধান্ত এখন আপনার হাতে
আপনি নিজেই রিটার্ন দাখিল করতে পারেন,
কিন্তু যদি চান—
ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা না হোক,
সঠিক কর ছাড় ও রেয়াত পান,
এবং নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন,
তাহলে একজন যোগ্য আয়কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
#রিটার্ন করতে হলে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
• একাউন্টিং প্রিন্সিপ্যাল
• আয়কর আইন ও ধারা
• এসআরও, পরিপত্র, নির্দেশিকা
• অডিট নির্দেশনা
• সাপোর্টিং ডকুমেন্টস তৈরির সঠিক পদ্ধতি
এগুলো না জানলে ভুল রিটার্নের ঝুঁকি বাড়ে।
নিজে করতে পারলে ভালো, না পারলে যোগ্য ট্যাক্স কনসালটেন্ট/ল’ইয়ার/আইটিপি-কে দায়িত্ব দিন।

** শেষ কথা
আয়কর রিটার্ন মানে “কর দেওয়া” নয়;বরং আপনার নিজের আর্থিক পরিচয়কে সুন্দর, বৈধ ও স্বচ্ছ করে গড়ে তোলা।
একটা ভুল রিটার্ন ভবিষ্যতে-
• আর্থিক ক্ষতি
• মানসিক চাপ
• আইনি জটিলতা
সবই তৈরি করতে পারে।
#অনেক করদাতা রিটার্ন এ অনেক আয় গোপন করেন বা আয়কর আইনজীবীকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেন না, সেক্ষেত্রে জরিমানা হতে পারে।
শুরু থেকেই বুঝে-শুনে সঠিকভাবে রিটার্ন জমা দিন।
ডকুমেন্টস নিয়ে সরাসরি এসে আলোচনা করতে পারেন,
অথবা অনলাইনে তথ্য পাঠালেও নির্ভুল রিটার্ন প্রস্তুত করে দেওয়া হবে।
এবং মনে রাখবেন— রিসিট ছাড়া কখনোই কাউকে ট্যাক্স বাবদ টাকা দেবেন না।
নিজেদের দায়িত্বজ্ঞ্যানহীনতার জন্য ফাইল অডিটে পড়লে বা আইনগত জটিলতাতে পড়লে সেজন্য আইন পেশাকে দোষারোপ করবেন না, প্লিজ।
***সঠিকভাবে রিটার্ন পূরন করে জমা দিন, অনাকাঙ্ক্ষিত কর, সুদ ও জরিমানা এড়িয়ে চলুন।
আমাদের মাধ্যমে প্রস্তুত রিটার্নে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে সম্পূর্ণ দায়ভার আমাদের।
#করদাতা হিসেবে আপনার সম্মান রক্ষায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিন
*ফ্রি পরামর্শ নিতে পারেন, তবে ফাইল করাতে অভিজ্ঞদেরই দায়িত্ব দিন
বি:দ্র:স্বশরীরে সাক্ষাৎ করে রিটার্ন বুঝে নিন–মেধা, সময়, শ্রমের সম্মান করুন।
#আয়কর আইন ২০২৩, গেজেটেড এস.আর.ও. সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা না থাকলে,
রিটার্ন তৈরি করবেন না।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত User Manual ....e-Return
18/10/2025

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত User Manual ....
e-Return

  বিশেষ ঘোষণাএখন থেকে সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক তবে নিচের করদাতারা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ অ...
11/08/2025

বিশেষ ঘোষণা
এখন থেকে সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক
তবে নিচের করদাতারা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ অফলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন —

*বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি
*শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিদেশে চিকিৎসাধীন (প্রমাণপত্রসহ)
*বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি
*যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আইনজীবী প্রিন্সিপাল
* বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান বেআইনি পন্থায় বিক্রয় করা অবৈধ ফেইসবুক গ্রুপ, পেইজ ও ও...
16/05/2025

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান বেআইনি পন্থায় বিক্রয় করা অবৈধ ফেইসবুক গ্রুপ, পেইজ ও ওয়েবসাইটগুলো বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে।

24/04/2025

কেন এবং কিভাবে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করবেন?

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর ৫ ধারা অনুযায়ী নিম্মোক্ত ৫টি কারণে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করা যায়।
যেমনঃ-

১. বিবাহ বিচ্ছেদ
২. দাম্পত্য সর্ম্পক পুনরুদ্ধার
৩. মোহরানা
৪. ভরণপোষণ
৫. সন্তানের অভিভাকত্ব ও তত্ত্বাবধান
কোন আদালতে মামলা দায়ের করবেন?
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর ৬ ধারা অনুযায়ী;
১. নালিশের কারণটি যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হয়েছে;

২. যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে মামলার পক্ষগণ বসবাস করেন অথবা সর্বশেষ একসঙ্গে বসবাস করেছিলেন। তবে শর্ত হচ্ছে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর অথবা ভরণপোষণের মামলার ক্ষেত্রে যে এলাকায় স্ত্রী সাধারণত বসবাস করছে সেই এলাকার আদালতেও মামলা করা যাবে৷
মামলার আরজিতে কি কি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে?
আরজিতে বিরোধ সম্মন্ধীয় বিষয়ের বিস্তারিত তথ্যসহ একটি তফসিল দিবে হবে যেখানে আরজির সমর্থনে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগনের সাম ও ঠিকানা অর্ন্তভূক্ত থাকবে৷ তবে শর্ত থাকে যে,বাদী মামলা প্রমানের প্রয়োজনে আদালতের অনুমতিক্রমে মামলার যে কোন স্তরে যে কোন সাক্ষী ডাকতে পারে যদি আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য নেয়া উপযুক্ত বলে মনে করেন৷
এছাড়া মামলার আরজিতে যে বিষয়গুলির উল্লেখ থাকতে হবে-

১. যে আদালতে মামলা দায়ের করা হচ্ছে সে আদালতের নাম:

২. বাদীর নাম, বর্ণণা ও বাসস্থান;

৩. বিবাদীর নাম, বর্ণণা ও বাসস্থান;

৪. বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা অপ্রকৃতিস্থ হলে সে সর্ম্পকিত বর্ণণা;

৫. নালিশের কারণ সর্ম্পকিত তথ্য সহ, যে স্থানে ও যে তারিখে কারণের উদ্ভব হয়েছিলো তার বিবরণ;

৬. সংশ্লিষ্ট আদালতের যে মামলাটি পরিচালনার এখতিয়ার আছে সে সর্ম্পকিত তথ্য;

৭. বাদীর প্রার্থিত প্রতিকার;

৮. বাদী তার দাবীর সমর্থনে যদি কোন দলিলের উপর নির্ভর করে এবং দলিলটি যদি তার দখলে থাকে তবে আরজি উত্থাপনের সময় দলিলটি আদালতে পেশ করতে হবে৷ দলিলটির অবিকল ফটোকৃত প্রতিলিপি আরজির সারথ নথিভূক্তির জন্য দিতে হবে;

৯. বাদী তার দাবীর সমর্থনে এমন কোন দলিলের উপর নির্ভর করে এবং দলিলটি যদি তার দখলে না থাকে সেক্ষেত্রে দলিলটি কার দখলে বা আয়ত্বাধীনে আছে সে বিষয়টি উল্লেখকরত আরজি দাখিল করতে হবে;

১০. মামলার বিবাদীগনের উপর জারীর জন্য বিবাদীগণের সংখ্যার দ্বিগুণ সংখ্যক তপসিলসহ আরজির সত্যায়িত প্রতিলিপি এবং দলিলের তালিকা দ্বিগুণ পরিমাণ আরজির সাথে থাকবে৷
যে সকল কারনে আরজি অগ্রাহ্য বা নাকচ হতে পারেঃ

১. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর ৬ এর ৭ উপধারা অনুযায়ী যেক্ষেত্রে আরজির সাথে তপসিল দেয়া হয়নি৷

২. যেক্ষেত্রে সমন জারীর খরচ এবং নোটিশের জন্য পোস্টাল খরচ পরিশোধ করা হয়নি৷

৩. যেক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত কোর্ট ফি দেয়া হয়নি৷
রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচারঃ
মামলা দায়েরর পর বিবাদী পক্ষকে নোটিশ/সমন প্রদান, বিবাদী পক্ষের জবাব দেবার পর মামলাটি বিচারের জন্য ধার্য্য হয়। পারিবারিক আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই অধ্যাদেশের অধীনে মামলার সম্পূর্ণ বিচার কার্যক্রম বা যে কোন অংশে রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত করতে পারেন৷ যে বিষয়সমূহ নিয়ে পারিবারিক আদালতে বিচারকার্য পরিচালিত হয় সেই বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবে ভিন্ন প্রকৃতির এবং সেই ভিন্ন প্রকৃতির কারণে পারিবারিক আদালতের বিচার ভিন্ন অবস্থায় হতে পারে৷ স্বামীর সাথে স্ত্রী, স্ত্রীর সাথে স্বামীর বা সন্তানের সাথে পিতামাতার বিরোধ অনেক সময় জনসমক্ষে প্রকাশ করা বিব্রতকর হয়ে পড়ে৷ এ সমস্ত কারণে আইন এই মামলা রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচারের ব্যবস্থা রেখেছে৷ আপোস বা পুনর্মিলনের জন্য আদালত খাস কামরায় উভয় পক্ষকে বা যে-কোনো পক্ষকে ডেকে চেষ্টা করতে পারেন অথবা আদালত কোনো মহিলা সাক্ষীর সাক্ষ্য খাস কামরায় গ্রহণ করতে পারেন৷ আদালত নিজের ইচ্ছায় রুদ্ধদ্বার কক্ষে বা খাস কামরায় বিচারানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে পারেন না৷ এজন্য আদালতকে উভয় পক্ষ কর্তৃক অনুরোধ করতে হবে৷ পক্ষগণ আদালতের কাছে আবেদন না করলে আদালত খাস কামরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন না৷
বিচার সমাপ্তিঃ
সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করার পর রায় ঘোষণার পূর্বে পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে শেষ পর্যায়েও আপোষ মীমাংসার জন্য প্রচেষ্টা গ্রহণ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে৷ যদি অনুরূপ আপোষ বা পুনর্মিলন সম্ভবপর না হয়, তা হলে আদালত তখনই অথবা ভবিষ্যতে অনধিক সাত দিনের মধ্যে যে-কোনো দিনে রায় ঘোষণা করবেন এবং ডিক্রি প্রদান করবেন৷
আপোষমূলক ডিক্রিঃ
পারিবারিক আদালতে মামলা নিষ্পত্তির দুটি পদ্ধতি আছে৷ প্রথমটি হচ্ছে আপোস, দ্বিতীয়টি বিচার৷ আপোস বা মীমাংসার মাধ্যমে কোনো বিরোধের সমাপ্তি হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত আরোষ মীমাংসার আলোকে আদালত মামলার ডিক্রি বা সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন৷
রায় লিপিবদ্ধকরণঃ
পারিবারিক আদালতের রায় বিচারক নিজেই লিখবেন৷ তার লেখার কোনো অসুবিধা হলে তিনি ডিক্টেশন দিবেন এবং অন্য কেউ লিখে দিবে৷ অতঃপর তিনি সেটি প্রকাশ্য আদালতে ঘোষণা করবেন এবং তারিখসহ স্বাক্ষর করবেন৷ রায় আদালতের ভাষায় লিখতে হবে৷ আপিলযোগ্য সকল রায় ও আদেশ সমূহের ক্ষেত্রে রায় লিপিবদ্ধকরণে পারিবারিক আদালতের বিচারের বিষয়বস্তু, সিদ্ধান্ত ও তার যুক্তি এবং কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে৷

আপিলঃ

পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে আপিল করা যাবে৷ জেলা জজ আদালত দেওয়ানি আদালত বিধায় দেওয়ানি কার্যবিধি আইন এই আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে৷
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে নাঃ

১. স্বামী যদি স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করেন বা উক্ত সম্পত্তির ওপর স্ত্রীর আইন সম্মত অধিকার প্রয়োগে বাধা দেন৷ এই অভিযোগে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করলে এই কারণে ব্যতীত অন্য কোনো কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না৷

২. মোহরানার টাকা ৫ হাজার টাকার উর্ধ্বে না হলে আপিল চলবে না৷ আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় হতে এ সব কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে৷ তবে জেলা জজ যথেষ্ট কারণের জন্য উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারেন
Advocate Muhammed Monir Hossain Shaon




04/12/2024

একটি বিল্ডিং এর ( A to Z)
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:
সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।
১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং
ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ অন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায়
চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া মোছা, পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া.....
ধন্যবাদ

04/12/2024

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M Hossain Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share