Visa Solution Bd

Visa Solution Bd ForJoining this
group please visit https://www.facebook.com/groups/1517355031845847/

Visa application shall be submitted prior to the entry into Croatia, at the competent Embassy/Consulate.If there is no C...
04/05/2023

Visa application shall be submitted prior to the entry into Croatia, at the competent Embassy/Consulate.
If there is no Croatian Embassy/Consulate in the applicant's country, the application may be submitted at the nearest Croatian Embassy/Consulate.
Visa application shall be submitted in person. Exceptionally and in justified cases, a visa applicant does not need to file the application personally, but he/she shall present himself/herself when called upon by the Embassy/Consulate.
Visa applications for minors or persons deprived of their business capacity shall be submitted by their legal representative.
Visa application shall be submitted no sooner than three months prior to the date of the intended trip. https://visalist.io/croatia/visa-requirements

চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে ভিসা দেবে রোমানিয়া। গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্র...
04/05/2023

চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে ভিসা দেবে রোমানিয়া। গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। গত বছর রোমানিয়ার কনস্যুলারদের একটি দল তিন মাস ঢাকায় অবস্থান করে প্রায় ৫ হাজার ৪০০ ভিসা দিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ের সময় বলেন, মিশনটি সফলভাবে পরিচালিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন রোমানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি দিয়ে তাঁকে আরেকটি কনস্যুলার মিশন পরিচালনার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এরপর রোমানিয়া বাংলাদেশিদের ভিসা প্রদানের সুবিধার্থে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের জন্য ঢাকায় একটি কনস্যুলার মিশন চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’ তিনি জানান, চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৫ হাজারের বেশি ভিসা দেবে রোমানিয়া।
সেহেলী সাবরিন বলেন, ঢাকায় রোমানিয়ার কনস্যুলার মিশন পরিচালনার সব ব্যবস্থা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করছে।

04/05/2023
20/03/2019

বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে পড়াশোনার জন্য ভিসাপ্রাপ্তি অনেক সহজ। এক্ষেত্রে অবশ্যই সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। সেই শর্তগুলোও বেশ সহজ। এছাড়া হাঙ্গেরিতে কাজের জন্য ভিসা চালু করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, ২০২১ সালে আবেদনকারীদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ হাঙ্গেরির ভিসা পেয়েছে। বাকী ৫ শতাংশ ভিসা কাগজপত্রের গরমিলের জন্য বাতিল করা হয়।

31/10/2018

Celebrate the magic and joys of Diwali.
Be Always Happy
All Are Invited To this page.
Thank you

26/05/2018

🌎কসভো ওয়ার্কপারমিট ভিসা 🌎
(কনফার্ম ইনশাল্লাহ, রিফিউজ নাই বললে চলে)
✅ অল্প সময়ে যারা যেতে ইচ্ছুক শুধু তারাই যোগাযোগ করতে পারবেন।
👍 সময় ২ মাস (দুই মাসে পারমিট)।
👍 কাজের ধরন কনস্ট্রাকশন লেবার (এক বছর থাকার মন মানসিকতা থাকতে হবে)
👍 প্রতি ফাইলের সাথে এডভান্স দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা আর পারমিট আসলে দিতে হবে ১লাখ টাকা(সিকিউরিটি হিসেবে)
বাকি টাকা ভিসার পর।
👍 টোটাল রেইট ৭ লাখ ৫০ হাজার।
👍 ডকুমেন্ট লাগবে পাসপোর্ট, ল্যাবপ্রিন্ট ছবি ৪ কপি, এন আই ডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন।
👍 বয়স 21থেকে ৪৫ বছর।

বিদ্র:ভিসা না হলে বা রিফিউজ হলে প্রসেসিং চার্জ বাবদ ২%টাকা পর সব টাকা ফিরত যোগ্য।।

17/05/2018

আসসালামু আলাইকুম।

বিদেশী পাসপোর্টে বাংলাদেশের নতুন বা প্রথমবারের মত “নো ভিসা রিকোয়ার্ড” বা “এনভিআর” সিল লাগানোর জন্য আপনাকে নিচের ডকুমেন্টগুলো দূতাবাসে ইমেইলে পাঠাতে হবেঃ

১। আপনার বিদেশী পাসপোর্টের প্রথম পৃষ্ঠার স্ক্যান কপি;

২। আপনার পূর্বের বাংলাদেশী পাসপোর্টের স্ক্যান কপি (হাতে লেখা পাসপোর্ট হলে প্রথম ০৩ পৃষ্ঠা; এমআরপি

৩। বাংলাদেশী পাসপোর্ট না থাকলে আপনার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ যা অনলাইনে যাচাইযোগ্য;

৪। আপনার স্ত্রীর জন্য হলে আপনার বৈবাহিক সনদ। সনদ ইংরেজী ছাড়া অন্য ভাষায় হলে তার অনুমোদিত ইংরেজী অনুবাদ;

৫। বাচ্চাদের জন্য হলে তাদের জন্ম সনদ। সনদ ইংরেজী ছাড়া অন্য ভাষায় হলে তার অনুমোদিত ইংরেজী অনুবাদ;

6। পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরমের পিডিএফ কপি (বার কোডসহ);

৭। আবেদনকারীর ছবি-০২ কপি।

পরবর্তীতেঃ

৭। এনভিআর ফি জমার রসিদ।

পুরাতন পাসপোর্ট এবং ডিজিটাল জন্ম সনদ—কিছুই যদি না থাকে তাহলে ইমেইল বা টেলিফোন মারফত দূতাবাসে যোগাযোগ করুন। বিকল্প কোন ডকুমেন্টের ভিত্তিতে এনভিআর ইস্যু করা যেতে পারে তা আপনাকে ব্যাখ্যা করা হবে।

আপনার পাসপোর্টে যদি ইতোমধ্যে এনভিআর সিল লাগানো থাকে, তাহলে সেই পাসপোর্টের মূলকপি দূতাবাসে প্রদর্শন করতে হবে। ইমেইলে আমাদের কাছে এনভিআর সিল লাগানো পৃষ্ঠার স্ক্যান কপি পাঠাতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে আমরা সেটা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশন থেকে যাচাই করবো। এতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।

17/05/2018

পোল্যান্ড পূর্ব ইউরোপের একটি ইউরোপীয় দেশ। পোল্যান্ডের জনসংখ্যা প্রায় 38 মিলিয়ন। জাতিগত গোষ্ঠীর ৯৪% পালিশ করা হয়েছে। পোল্যান্ডকে পোল্যান্ডকে সরকারী ভাষা হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

বড় শহরগুলি, ওয়ার্সা অন্তর্ভুক্ত নয় হ'ল ক্রাকো, নৌকা, রোকলা, একজন পোজান্নান, গডাঙ্ক এবং জেসকেসিন।

পোল্যান্ডে মূল ধর্ম হচ্ছে খ্রিস্টধর্ম।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র এবং শেহেনজেন অঞ্চল পোল্যান্ডের বাসিন্দাদের জন্য অনেক সুবিধা প্রদান করে।

পোল্যান্ড প্রজাতন্ত্রে একটানা 90 দিনের বেশি সময় থাকার বা পোল্যান্ডে একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য, পড়াশোনা বা চাকরি পাওয়ার ইচ্ছায়, আবাসিক অনুমতিের জন্য আবেদনের প্রয়োজন

16/05/2018

পোল্যান্ড কাজের ভিসা

পোল্যান্ড কাজের ভিসা পেতে হলে আপনাকে দালালের মাধ্যমে পেতে হবে। কেননা আমাদের দেশ থেকে যতগুলো বিদেশ লোকজন যায় বেশিরভাগ দালালের মাধ্যমে। এছাড়াও আরেকটি পদ্ধতি আছে দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করা। দালাল অথবা দূতাবাস থেকে আপনি যে ভিসা পাবেন যার মেয়াদ থাকবে সর্বোচ্চ এক বছর। তবে আপনি যদি পোল্যান্ড যান সেক্ষেত্রে আপনি সেখান থেকে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারব। এমনকি সেখানে গিয়ে আপনি স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করতে পারবেন। দালালের মাধ্যমে আপনি পোল্যান্ডের ভিসা 60 থেকে 90 দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন।

পোল্যান্ড যেতে আপনার খরচ পড়বে ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। তবে আপনার কোন আত্মীয় যদি পোল্যান্ড থেকে থাকে সে যদি ভিসা পাতায় তবে আপনার খরচ কম পড়বে। তখন আপনার খরচ পড়বে ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা। জনপ্রতি এর পরিমাণ খরচ পড়বে। তবে যদি আপনি ফ্যামিলি ভিত্তিক যেতে চান তবে আপনার খরচ আরো বেশি পড়বে। এখন পোল্যান্ড পেতে আপনার খরচের পরিমাণ নির্ভর করবে যে আপনি কোন ভিসায় যাব। যদি আপনি কী স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে চান তাহলে আপনার খরচ পড়বে এক রকম।

আর আপনি যদি আপনি কাজের ভিসায় অথবা ভিজিট ভিসায় যেতে চান তখন আপনার খরচ পড়বে অন্যরকম। তবে কাজের ভিসায় সবচেয়ে খরচ বেশি হয়। স্টুডেন্ট ভিসায় খরচ পড়ে 40 থেকে 60 হাজার টা। ভিজিট ভিসায় খরচ করে এক লক্ষ টাকা। আর কাজের ভিসায় খরচ পড়ে পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টা। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার ভাষার ওপর নির্ভর করবে টাকার পরিমান।

পোল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং করার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। নিচে থেকে দেখেনি ভিসা প্রসেসিং এর জন্য যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন।

এক বছর মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট লাগবে।
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে। ছবিটি সম্প্রতি তোলা থাকতে হবে।
আপনার পাসপোর্ট এর ডাটা পেজগুলোর ফটো ছবি যুক্ত করতে হবে।
অন্তত ত্রিশ হাজার ইউরো এর স্বাস্থ্য বীমা থাকতে হবে।
আবেদন ফরম ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে।
প্রতিটি ভিসার জন্য ৭০ ইউরো পরিমাণ টাকা প্রদান করতে হবে।
যদি আপনি ভ্রমণ করতে চান তাহলে হোটেল বুকিং এর তথ্য দিতে হবে।
এছাড়াও আপনার ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে।
সবকিছু ঠিকঠাক হলে তারপর আপনি আপনার আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর আপনার 60 থেকে 90 দিন তারা সময় নেবে। এর মধ্যে আপনি আপনার ভিসা পেয়ে যাবেন।

পোল্যান্ড ভিসা আবেদন:
পোল্যান্ড ভিসা আবেদন করার জন্য আপনাকে আবেদন ফরম সম্পন্ন ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে। ইংরেজিতে পূরণ করার পর তারা আবেদনের জন্য যা যা থাকবে সবকিছু দিতে হবে। ভিসা আবেদনের জন্য কি কি লাগে তা আমি ওপরে দিয়ে দিয়েছি। সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে হাতে নিয়ে তারপর আপনাকে ভিসা আবেদন করতে হবে। আপনি ভিসা আবেদনের দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তা পেয়ে যাবেন।

16/05/2018

পোল্যান্ড কাজের ভিসা পেতে হলে আপনাকে দালালের মাধ্যমে পেতে হবে। কেননা আমাদের দেশ থেকে যতগুলো বিদেশ লোকজন যায় বেশিরভাগ দালালের মাধ্যমে। এছাড়াও আরেকটি পদ্ধতি আছে দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করা। দালাল অথবা দূতাবাস থেকে আপনি যে ভিসা পাবেন যার মেয়াদ থাকবে সর্বোচ্চ এক বছর। তবে আপনি যদি পোল্যান্ড যান সেক্ষেত্রে আপনি সেখান থেকে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারব। এমনকি সেখানে গিয়ে আপনি স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করতে পারবেন। দালালের মাধ্যমে আপনি পোল্যান্ডের ভিসা 60 থেকে 90 দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন।

পোল্যান্ড যেতে কত টাকা লাগে
পোল্যান্ড যেতে আপনার খরচ পড়বে ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। তবে আপনার কোন আত্মীয় যদি পোল্যান্ড থেকে থাকে সে যদি ভিসা পাতায় তবে আপনার খরচ কম পড়বে। তখন আপনার খরচ পড়বে ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা। জনপ্রতি এর পরিমাণ খরচ পড়বে। তবে যদি আপনি ফ্যামিলি ভিত্তিক যেতে চান তবে আপনার খরচ আরো বেশি পড়বে। এখন পোল্যান্ড পেতে আপনার খরচের পরিমাণ নির্ভর করবে যে আপনি কোন ভিসায় যাব। যদি আপনি কী স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে চান তাহলে আপনার খরচ পড়বে এক রকম।

আর আপনি যদি আপনি কাজের ভিসায় অথবা ভিজিট ভিসায় যেতে চান তখন আপনার খরচ পড়বে অন্যরকম। তবে কাজের ভিসায় সবচেয়ে খরচ বেশি হয়। স্টুডেন্ট ভিসায় খরচ পড়ে 40 থেকে 60 হাজার টা। ভিজিট ভিসায় খরচ করে এক লক্ষ টাকা। আর কাজের ভিসায় খরচ পড়ে পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টা। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার ভাষার ওপর নির্ভর করবে টাকার পরিমান।

পোল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং
পোল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং করার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। নিচে থেকে দেখেনি ভিসা প্রসেসিং এর জন্য যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন।

এক বছর মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট লাগবে।
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে। ছবিটি সম্প্রতি তোলা থাকতে হবে।
আপনার পাসপোর্ট এর ডাটা পেজগুলোর ফটো ছবি যুক্ত করতে হবে।
অন্তত ত্রিশ হাজার ইউরো এর স্বাস্থ্য বীমা থাকতে হবে।
আবেদন ফরম ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে।
প্রতিটি ভিসার জন্য ৭০ ইউরো পরিমাণ টাকা প্রদান করতে হবে।
যদি আপনি ভ্রমণ করতে চান তাহলে হোটেল বুকিং এর তথ্য দিতে হবে।
এছাড়াও আপনার ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে।
সবকিছু ঠিকঠাক হলে তারপর আপনি আপনার আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর আপনার 60 থেকে 90 দিন তারা সময় নেবে। এর মধ্যে আপনি আপনার ভিসা পেয়ে যাবেন

পোল্যান্ড ভিসা আবেদন
পোল্যান্ড ভিসা আবেদন করার জন্য আপনাকে আবেদন ফরম সম্পন্ন ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে। ইংরেজিতে পূরণ করার পর তারা আবেদনের জন্য যা যা থাকবে সবকিছু দিতে হবে। ভিসা আবেদনের জন্য কি কি লাগে তা আমি ওপরে দিয়ে দিয়েছি। সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে হাতে নিয়ে তারপর আপনাকে ভিসা আবেদন করতে হবে। আপনি ভিসা আবেদনের দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তা পেয়ে যাবেন।

পোল্যান্ড ভিসা খরচ
পোল্যান্ড যেতে তিন ধরনের ভিসা ব্যবহৃত হয়। স্টুডেন্ট ভিসা, কাজের ভিসা, ভিজিট ভিসা। এখন আপনার ভিসা খরচ নির্ভর করবে আপনি কোন ভিসায় পোল্যান্ড যাবেন তার উপর। স্টুডেন্ট ভিসায় পোল্যান্ড থেকে খরচ হয় 60 থেকে 70 হাজার টাকা। আর আপনি যদি কাজের ভিসায় যান তাহলে ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। আর ভিজিট ভিসায় যেতে আপনার খরচ পড়বে সর্বোচ্চ এক লক্ষ টাকা যাবতীয় খরচ সহ।

16/05/2018

যারা ভিসা পাচ্ছেনা বা কাজের প্রসেসিং করতে বিলম্ব হচ্ছে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
আমরা ১০০% সঠিক গাইড লাইন দিয়ে আপনাদের সহযোগীতা করবো।

16/05/2018

🌎কসভো ওয়ার্কপারমিট ভিসা 🌎
(কনফার্ম ইনশাল্লাহ, রিফিউজ নাই বললে চলে)
👍 অল্প সময়ে যারা যেতে ইচ্ছুক শুধু তারাই যোগাযোগ করেন আর্জেন্ট।
👍 সময় ৩ মাস (দুই মাসে পারমিট)।
👍 কাজের ধরন কনস্ট্রাকশন লেবার (এক বছর থাকার মন মানসিকতা থাকতে হবে)
👍 প্রতি ফাইলের সাথে এডভান্স দিতে হবে ৩০ হাজার টাকা আর পারমিট আসলে দিতে হবে ১লাখ টাকা বাকি টাকা ভিসার পর।
👍 টোটাল রেইট ৭ লাখ ৩০ হাজার।
👍 ডকুমেন্ট লাগবে পাসপোর্ট, ল্যাবপ্রিন্ট ছবি ৪ কপি, এন আই ডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন।
👍 বয়স ২৫ থেকে ৪২ বছর।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Visa Solution Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share