Go Bangladesh

Go Bangladesh We create educational and informative contents to enhance knowledge, social reforms and justice.

24/08/2026
                  PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় Hasnat Abdullah
21/08/2026

PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় Hasnat Abdullah

19/08/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয...
15/08/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।

আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহন করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।

এক. চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল যে সমাধান ইতিমধ্যেই টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬–১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। ( কমেন্টে সংযুক্ত)

অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে। ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যারা। মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।

দুই. মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি, গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার।

এনসিপি'র দেওয়া ৩০ দিনের জন্য ৫টি, মধ্যমেয়াদি (৬-১৮ মাস) ৬টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ৪টি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে নিন প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধীদল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।

তিন. ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত। সচিবালয়ে যাঁরা এসেছেন তাঁরা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী FSRU-তে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।

চার. আজ আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন? এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল SLA ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা ,যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।

পুনরাবৃত্তি করছি- প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান' বলে না। এটা হচ্ছে 'আই হ্যাভ নো প্ল্যান' এর টেস্টিং'।

একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আল্টিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয়না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে।

এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়লো! এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?

সবশেষে, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।

Hasnat Abdullah

14/08/2026
উপদেষ্টা থাকা কালে একবার চট্টগ্রাম যেয়ে রেলওয়ে হাসপাতাল দেখতে যাই। দেখি বিশাল স্থাপনা, কিন্তু মাত্র তিনজন রুগি। ডাক্তা...
13/08/2026

উপদেষ্টা থাকা কালে একবার চট্টগ্রাম যেয়ে রেলওয়ে হাসপাতাল দেখতে যাই। দেখি বিশাল স্থাপনা, কিন্তু মাত্র তিনজন রুগি। ডাক্তার, নার্স, ক্লিনার, প্রহরী মিলে জনা বিশেক কর্মচারী। কিছু নতুন যন্ত্রপাতি ও আছে। সেবা কেবল রেলের কর্মচারী ও তাদের পোষ্যদের মধ্যে সীমিত।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেঝে রোগী থাকতে হচ্ছে। আমি সহকর্মী কর্মকতাদের জিজ্ঞেস করি রোগী নাই কেন? তাঁরা বললেন, ডাক্তার, নার্স নাই, পানির অসুবিধা তাই রোগী আসেনা। আমি পরামর্শ করলাম হাসপাতালটা সবার জন্ম উন্মুক্ত করে দিলে কেমন হয়। তারা বললেন, রেলের কর্মকর্তা কর্মচারী ও পোষ্যদের সেবা অক্ষুন্ন থাকলে অসুবিধা নাই।

পানির জন্য ওয়াসার কাছে আবেদন করে কাজ হয়নি। আবেদন করা সত্ত্বেও, সি আর বি, চট্টগ্রাম রেল স্টেশন, হাসপাতাল কোথাও ওয়াসা সংযোগ দেয়নি।

ঢাকায় ফিরে, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান আপাকে বললাম, রেলের সব হাসপাতাল আপনি নিয়ে নেন। ডাক্তার, নার্স ও সরঞ্জাম দেন। তাঁর কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়ে রেল সচিব ফাহিমকে বললাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে একটা সমঝোতা স্মারক করে রেলের সব হাসপাতাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থাপনার জন্য দিয়ে দাও। দুসপ্তাহের মধ্যে স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

ওয়াসার পানি সরবরাহের ব্যাপারে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফকে বলি এমন জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ওয়াসা পানি সরবরাহ করছেনা কেন? সে বললো আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি। নিবিড় তত্বাবধান ও ডিপোজিট জমা করে মাস খানেকের মধ্যে চট্টগ্রাম রেল স্টেশন, হাসপাতাল ও সি আর বি তে ওয়াসা পানি সরবরাহ শুরু করে।

আজ পূর্বাঞ্চল রেলের জেনারেল ম্যানেজার ফোন করে জানালো হাসপাতালে এখন প্রায় তিনশ রোগী, খুব ভালো চলছে। রেলের লোকজন ও বিনামূল্যে উন্নত সেবা পাচ্ছে। আরেকটা ছোট কাজ করেছিলাম, প্রাইভেট সেক্টরকে অনুরোধ করে রেল স্টেশন গুলি ও সি আর বি তে বড় ডাস্টবিন লাগিয়েছিলাম। জিএম জানালো এতে করে স্টেশনে পরিচ্ছন্নতা বেড়েছে।

সময়াভাবে রেলের মূল সমস্যা ইঞ্জিন ও বগির অপ্রতুলতা লাঘবের কাজ শুরু করলেও শেষ করতে পারিনি। কিন্তু ছোট ছোট কাজগুলি মানুষের উপকারে আসছে জেনে ভালো লাগলো।

আসলে ক্ষমতাসীনরা চাইলেই জনকল্যাণ করতে পারে।

- মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
(সাবেক উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়)

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল মনোনীত, স্বরাষ্ট্রে সালাউদ্দিন ও পানি সম্পদে এ্যানিঢাকা: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড়...
13/08/2026

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল মনোনীত, স্বরাষ্ট্রে সালাউদ্দিন ও পানি সম্পদে এ্যানি
ঢাকা: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের দীর্ঘদিনের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে। মনোনয়ন ঘোষণার পরই সংবিধান ও নিয়ম অনুযায়ী তিনি দলের মহাসচিব এবং স্থায়ী কমিটির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে এলজিআরডি মন্ত্রী এবং পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ‍্যনিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়েছে ।

#বাংলাখবর #বাংলাদেশী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  জনাব তারেক রহমানের আমন্ত্রণে গত ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি...
10/08/2026

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের আমন্ত্রণে গত ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা, নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া অধ্যাপক ইউনূসের সম্পূর্ণ বক্তব্যটি লিখিত আকারে দেওয়া হলো:

আসসালামু আলাইকুম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, উপস্থিত সুধীবৃন্দ,

আজকের অনুষ্ঠান বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। গুরুত্বটাই আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। পৃথিবীর নানা দেশে নানা জাদুঘর আছে। তারা অতীতের অনেক জিনিস সংগ্রহ করে, জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য বিশেষ বিশেষ জিনিস রাখে।

এই জাদুঘরটি ভিন্ন।

কারণ এখানে অতীতের কোনো সংগ্রহ নাই। এখানে একেবারে টাটকা, নতুন যা ঘটনা ঘটেছে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। এরকম জাদুঘর আর আছে কি না জানি না। এ জাদুঘর অনন্য, কারণ ঘটনা যা ঘটেছে সেই ঘটনার প্রতিটি নমুনা, প্রতিটি ইতিহাস আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করতে পেরেছি এবং স্মৃতি জাদুঘরে নিয়ে এসেছি।

এটা আমাদের ইতিহাসের একটা নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে। অতীত এবং ভবিষ্যত-- এ দুটোর মাঝামাঝিতে এ জাদুঘর। এ জাদুঘর তাৎক্ষণিকভাবে অতীতকে ধারণ করেছে অপরদিকে ভবিষ্যৎও রচনা করেছে।

আমরা কারা? কী চাই? আমাদের মনে কী ছিল?

বালক আনাস কী আবেগের কারণে মিছিলে গিয়েছিল? তার ভেতরে কী তাড়না ছিল সেটা সে চিঠিতে তাৎক্ষণিকভাবে লিখে গেছে। এটা কোনো পরিকল্পনা করে সে লেখে নাই। মা তাকে বাধা দিচ্ছিল, বাবা তাকে বাধা দিচ্ছিল মিছিলে না যাওয়ার জন্য। কিন্তু সে বসে থাকতে পারে নাই। কেন বসে থাকতে পারে নাই সেটা ব্যাখ্যা করে এক পৃষ্ঠার একটা সুন্দর হাতে লেখা চিঠি রেখে সে চলে গেছে।

আমাদের সমস্ত তরুণ যেন এই চিঠির লেখক হয়। তারা যেন বলতে পারে, আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চলে গেলাম।

এই জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য হলো এখান থেকে নতুন যাত্রাপথ রচনা হবে। আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেব। কখনো যদি আমাদের চিন্তায় কোনো গাফিলতি আসে আমরা এখানে তার ঠিকানা বের করব। আমরা নতুন সূত্রে আবার যাত্রাপথ শুরু করব।

এটা এমন এক জাদুঘর। বাংলাদেশের যত তরুণ-তরুণী, যত নাগরিক আছেন সবার যেন জাদুঘরটি একবার দেখার সুযোগ হয়। প্রতিদিন দলে দলে এখানে আসবেন। দেখবেন। নিজের মনের কথা লিখে এখানে জমা দিয়ে যাবেন। মনে কী ধরনের আবেগ-অনুভূতি এসছে, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী চিন্তা করছে সেটা লিপিবদ্ধ করে যাবেন।

এ জাদুঘর তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখরিত থাকবে। এখানে যেসব কবর সাজানো হয়েছে, যদিও সেগুলো প্রকৃত কবর নয়, তবে প্রতিটি কবরের সঙ্গে একটি করে নাম আছে। সেই নাম ধরে মানুষ ইতিহাস খুঁজে বের করবে। কেন, কীভাবে এবং কোথায় তারা মারা গিয়েছিল—সেসব ইতিহাস খুঁজে বের করবে।

তারা আমাদেরই বন্ধুবান্ধব। আমাদেরই ছেলেমেয়ে। তারা একেবারে সাধারণ ঘরের সাধারণ ছেলেমেয়ে। রাজপথে নেমে তারা চেয়েছিল এই বাংলাদেশ আর চলবে না। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ব। এটিই ছিল তাদের আশা।

আমরা আশা করব সারা বাংলাদেশের সকল জায়গা থেকে স্কুল, কলেজের ছেলেমেয়েরা জাদুঘরে আসবে। একটা দিন এখানে কাটাবে এবং নিজের মনের কথা এখানে লিখে যাবে। সে কী চায়, তার কী চাহিদা, কী কাজে সে নিজেকে নিয়োজিত করছে সেটা জানিয়ে যাবে।
এই জাদুঘর সারা দেশের সংস্কৃতির একটি পীঠভূমিতে পরিণত হবে। এখানে গান, বাজনা, আবৃত্তি, প্রতিকৃতি, শিল্পকর্ম সবকিছুর আয়োজন থাকবে। তরুণরা দলে দলে এসে নিজেদের মনের কথা প্রকাশ করবে এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন রেখে যাবে।

এই জাদুঘরই সেই কেন্দ্রবিন্দু। এটি আমাদের ইতিহাসের আতুরঘরের দৃশ্য তুলে ধরবে। এখান থেকে যে নাড়ির সূত্র রেখে যাবো, সেটি যেন কখনও ছিন্ন না হয়। সমাজের সব চিন্তা-ভাবনা যেন এই সূত্রকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে। যাতে সারা বাংলাদেশ নতুন ভঙ্গিতে নতুন দৃষ্টিতে সামনে এগিয়ে যেতে পারে। আমরা আত্মমর্যাদা নিয়ে, সাহস নিয়ে আমাদের বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

যারা এই জাদুঘরের পরিকল্পনা করেছেন, এই জাদুঘরের পেছনে পরিশ্রম করে এটাকে তৈরি করেছেন তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকে আমরা কয়েক মিনিটের মধ্যে দেখে আসলাম কিন্তু প্রতিটি জিনিস সংগ্রহ করতে বহু সময় লেগেছে, বহু কষ্ট হয়েছে। কোন জিনিসটা পাওয়া যাচ্ছিল না সেটা কীভাবে সংগ্রহ করতে হবে সেটা নিয়ে বহু ধরনের চেষ্টা চালানো হয়েছে যাতে শেষ পর্যন্ত আমরা সেটা সংগ্রহ করে এখানে রাখতে পারি। সবাইকে দেখাতে পারি।

অবশেষে এই জাদুঘর উদ্বোধন হলো। আমরা আশা করব এদেশের ছেলেমেয়ে, সকল নাগরিক একবার হলেও আসবে। সপরিবারে আসবে, নিজে একা আসবে, বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসবে। শুধু দেখে গেলাম হইচই করে সেটা না। এখানে কিছু সময় কাটাবে এবং বসে চিন্তা করবে।

কেন এমন হলো, কীভাবে হলো, এটা কি আরও হবে নাকি এখানে সমাপ্তি করব আমরা? এই চিন্তাভাবনা করে যাওয়া।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন ও জাদুঘর সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ।

Courtesy: Yunus Centre

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Go Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share