Legal Assistance For Helpless Prisoners & Persons - LAHP

Legal Assistance For Helpless Prisoners & Persons - LAHP একটি মানবকল্যাণ ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠা Effective access to justice is not available to the poor.

Legal Assistance to Helpless Prisoners And Persons (LAHP) is a bureaucratic non-profit and nonpolitical organization, which was established in the year 2010 with the philosophy is to provide aid to the Poor & Helpless Prisoner’s in the Court of Law. This is to act as the contribution for the betterment of the society along with the National Legal Aid Program of the government. Constitutional guara

ntees of human rights, freedom, equality, justice and the equal rule of law is available for the citizens and it is clearly mentioned in Article 27. before law and equal protection of law to all citizens and person remain meaningless for vast majority of persons since they live below the poverty line and consequently have little or no access to justice. we expanded our work in 18 districts, these are- Dhaka, Chittagang, Jamalpur, kishoreganj, Moulvibazar, Mymansingh, Narayanganj, Norsindi, Sylhet, Tangail, Brahmanbaria, Comilla, gaibandha, Nilfamari, Kurigram, sherpur , Gazipur and Chadpur. Not only that but also we appiont panel lawyers on those particular districts so that they could provide legal aid for the helpless prisoners. These panel lawyers work for our NGO anf get legal fees for every successful bail. Reaching the law and justice system has always been a challenge for the majority of the population as the governance towards it has been extremely weak and vulnerable. As a consequence, obtaining a fair trial in case of the court proceedings seems very restricted. Because of the outdated colonial laws, the judicial segment couldn't cope up with time along with the poor financial structure and human resources. The ones who require the co-operation of the judicial body are often found to be spending more than they are required to. Of course, again it is because they are not aware of the right information and their deserving rights as citizens. As a result, there comes a point where they tend to loose complete interests or the poor system on the other hand stores a huge amount of backlog of cases. Majority of the population is not aware of the long detentions without conviction and fair trial, which may constitute a serious violation in human rights law.

গত ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ইং, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান দিবসে "শ্রেষ্ঠ বেসরকারী সংস্থা" হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেক...
17/12/2019

গত ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ইং, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান দিবসে "শ্রেষ্ঠ বেসরকারী সংস্থা" হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করেছেন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এর চেয়ারম্যান এডভোকেট তৌফিকা করিম।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আনিসুল হক, এম.পি মহোদয়ের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান দিবসের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে এবারই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ সংস্থার পক্ষ থেকে প্রথম বারের মতো শ্রেষ্ঠ লিগ্যাল এইড অফিস, শ্রেষ্ঠ প্যানেল আইনজীবী ও লিগ্যাল এইডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রেষ্ট বেসরকারি সংস্থা ক্যাটাগরিতে তিনটি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রের তৃনমূল পর্যায়ে আইন সহায়তা পৌঁছে দিতে সরকারের পাশাপাশি দেশীয় বেসরকারী সংস্থাসমূহ (এনজিও) আইনগত সহায়তা বিস্তারে গঠনমূলক ভূমিকা রাখছে। তাই সরকারী আইনগত কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যপরিধির বিস্তৃতির উদ্দেশ্যে উৎসাহ প্রণোদনা হিসেবে "সেরা বেসরকারী সংস্থা" হিসেবে লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) কে মনোনয়ন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে বিকেলে ধানমন্ডি লেকের রবীন্দ্র সরোবরে “ লিগ্যাল এইড ফেয়ার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান” এর উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক। উক্ত অনুষ্ঠানে লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) বিনা মুল্যে রক্তদান কর্মসূচীর আয়োজন করে।

উল্লেখ্য যে, লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধিত একটি মানবকল্যাণ ও সেবামূলক সংস্থা যার নিবন্ধন নং-২৫৪৪। এলএএইচপি ২০০৯ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে অক্টোবর, ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে ৫৮৪ জন অসহায় কারাবন্দিকে জামিনে মুক্ত করেছে। এই সংস্থাটি বর্তমানে ঢাকাসহ সর্বমোট দেশের (২২) বাইশটি জেলায় গরীব, দুস্থ, অসহায় কারাবন্দি ও বিচার প্রার্থীদের আইনগত সহায়তা প্রদান করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করেছেন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সন....

সংবাদ মাধ্যম: দৈনিক সময়ের আলোপ্রকাশকাল:১৭ নভেম্বর ২০১৯যুবক বয়সে কারাগারে গিয়ে বিনাবিচারে দীর্ঘ ৩০ বছর কারাভোগের পর বৃদ্ধ...
17/12/2019

সংবাদ মাধ্যম: দৈনিক সময়ের আলো
প্রকাশকাল:১৭ নভেম্বর ২০১৯

যুবক বয়সে কারাগারে গিয়ে বিনাবিচারে দীর্ঘ ৩০ বছর কারাভোগের পর বৃদ্ধ বয়সে মানবাধিকার সংঘটন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এর সহায়তায় কারামুক্ত হলেন ফারুক হোসেন।


যুবক বয়সে কারাগারে গিয়ে বিনাবিচারে দীর্ঘ ৩০ বছর কারাভোগের পর বৃদ্ধ বয়সে মানবাধিকার সংঘটন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস(এলএএইচপি) এর সহযোগীতায় কারামুক্ত হলেন ফারুক হোসেন। কোন তদবিদকারক না থাকায় কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ৩০ বছরে কোনো আপিল করা হয়নি তার। এমনকি জেল কর্তৃপক্ষও হাইকোর্টে জেল আপিলটুকুও দায়ের করেননি ফারুকের জন্য। এ কারণে জেলকোড অনুসারে প্রায় ৪০ বছর (স্বাভাবিক বছর হিসেবে ৩০ বছর) স্ত্রী-সন্তানদের থেকে অনেক দূরে কারাগারের অন্ধকারেই জীবন কেটেছে ফারুকের।

ফারুক হোসেনের বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এর চেয়ারম্যান এডভোকেট তৌফিকা করিম বলেন, "আকল আলী নামে এক আসামি ২০১৬ সালে হাইকোর্ট থেকে জামিনে বের হন। তার মাধ্যমেই আমরা জানতে পারি ফারুকের বিষয়টি। আকলই জানান, তাদের মামলায় ফারুক নামের একজন বিনা বিচারে ৩০ বছর ধরে কারাগারে আছে। এরপর আমরা বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষ করে ২৯ মে ফারুককে হাইকোর্ট থেকে খালাস করাই।" এডভোকেট তৌফিকা করিম আরও বলেন, ফারুকের বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তার কোনো তদবিরকারক না থাকায় জেল জীবনের কখনোই হাইকোর্টে আপিল করতে পারেননি। তিনি আসলে স্বাভাবিক হিসেবে ৩০ বছর কারাগারে থাকলেও জেলকোড অনুসারে প্রায় ৪০ বছর কারাগারে ছিলেন। এটা খুবই অমানবিক ঘটনা।

সম্প্রতি দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেন, ৬৭ বছরের ফারুক হোসেন। তিনি জানান দেশের বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে থেকে কিভাবে ৩০ বছর জেলখানায় বন্দি ছিলেন। ফারুক বলেন, প্রতিবেশীরা আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দিলে সেই মামলায় ১৯৮৯ সালে গ্রেফতার হই। এই মামলায় দেওয়া ১০ বছরের সাজা খাটার সময়ই দুটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। সেই দুই মামলায় ১৯৯৩ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। তখন থেকে সিলেট, কুমিল্লা, কাশিমপুর ১, ২ ও ৪ এবং মানিকগঞ্জ কারাগারে বন্দি ছিলাম। এর মধ্যে আমার সঙ্গে থাকা সব আসামিই হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে বের হলেও আমি পারিনি। আসলে আমি আপিল করতে পারিনি। আমার জন্য আপিল করার মতোও কেউ ছিল না। কারা কর্তৃপক্ষ জেল আপিলও করেননি। তাই ভাগ্যকে মেনে নিয়ে জীবনটা কারাগারেই কাটিয়ে দিলাম। কী যে যন্ত্রণার জীবন ছিল তা বলে বোঝাতে পারব না। কোনো দিন মুক্তি পাব কল্পনাতেও ছিল না। মাঝে মাঝে ভাবতাম, মরে গেলে তো নিশ্চয়ই লাশটা কারাগার থেকে বের করবে। তখন ঠিকই বাড়ি যাব। তখন আমাকে সবাই দেখলেও আমি কাউকে দেখব না। আমার বুড়ো চেহারা দেখে অনেকেই আমাকে চিনবে না।

বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন ফারুক। এরপর একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলেন, সৃষ্টিকর্তা ভাগ্যে কিন্তু তেমনটা লেখেননি। আমি আজ মুক্ত হয়ে কথা বলছি। আমার স্ত্রী, সন্তান আর নাতি-নাতনিদের দেখছি। এ জন্য সৃষ্টিকর্তা আর এলএএইচপি'র চেয়ারম্যান, তৌফিকা আপা (এডভোকেট তৌফিকা করিম)কে ধন্যবাদ। কারণ আপা না থাকলে হয়তো আমার লাশটাই একদিন কারামুক্তি পেত।

নিজের সংস্থা এলএএইচপি সম্পর্কে এডভোকেট তৌফিকা করিম বলেন, ফারুকের মতো যারা বিনাবিচারে কারাগারে রয়েছে তাদের কারামুক্ত করে একটি সুন্দর জীবন ফিরিয়ে দেওয়াই এলএএইচপি'র লক্ষ্য। বিশেষ করে অসহায় ব্যক্তি যাদের কোনো অভিভাবক নেই এবং অত্যন্ত দরিদ্র তাদের আইনি সহায়তার মাধ্যমে আমরা কারামুক্তির ব্যবস্থা করি। এই কাজে যত টাকা লাগে তা আমাদের সংগঠনই বহন করে।

উল্লেখ্য যে, লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধিত একটি মানবকল্যাণ ও সেবামূলক সংস্থা যার নিবন্ধন নং-২৫৪৪। এলএএইচপি ২০০৯ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে অক্টোবর, ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে ৫৮৪ জন অসহায় কারাবন্দিকে জামিনে মুক্ত করেছে। এই সংস্থাটি বর্তমানে ঢাকাসহ সর্বমোট দেশের (২২) বাইশটি জেলায় গরীব, দুস্থ, অসহায় কারাবন্দি ও বিচার প্রার্থীদের আইনগত সহায়তা প্রদান করে আসছে।

সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সম্মানিত সদস্য ও মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল এসিসটেন্স  টু হেল্পলে...
17/12/2019

সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সম্মানিত সদস্য ও মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিম 'দৈনিক সময়ের আলো' পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "শুধু চাঞ্চল্যকর মামলায় নয়, সবক্ষেত্রেই দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে মানবাধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।" তিনি আরও বলেছেন, ‘কোনো ঘটনায় যেন নিরপরাধ ব্যক্তির শাস্তি না হয় বা হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়ে রাষ্ট্র ও সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক থাকতে হবে।’

মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিম তার সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ‘যারা বিনাবিচারে কারাগারে রয়েছেন তাদের কারামুক্ত করে একটি সুন্দর জীবন ফিরিয়ে দেওয়াই এলএএইচপির কাজ। বিশেষ করে অসহায় ব্যক্তিদের, যাদের কোনো অভিভাবক নেই এবং অত্যন্ত দরিদ্র, তাদের আইনি সহায়তার মাধ্যমে আমরা জামিনের ব্যবস্থা করি। এখন পর্যন্ত এ ধরনের প্রায় ৬শ’ ব্যক্তিকে কারামুক্ত করেছি। দেশের বিভিন্ন জেলায় আমাদের প্যানেল ল’ ইয়ার রয়েছেন। তারা খুঁজে খুঁজে বের করেন এ ধরনের অসহায় কারাবন্দিকে। এ কাজে যত টাকা লাগে তা আমাদের সংগঠনই বহন করে।’

পুরো ইন্টারভিউটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিংকে:

বিশেষ নয়, সব ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার শেষ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাক্ষাৎকারে মানবাধিকার কমিশনের সদস্য আইনজীবী ...

‘৫৫৮ অসহায় কারাবন্দিকে জামিনে সহায়তা দিয়েছে এলএএইচপি’অসহায় কারাবন্দিদের আইনী সহায়তা দিয়ে তাদের কারামুক্তকরণের কাজ করছে ম...
02/04/2019

‘৫৫৮ অসহায় কারাবন্দিকে জামিনে সহায়তা দিয়েছে এলএএইচপি’

অসহায় কারাবন্দিদের আইনী সহায়তা দিয়ে তাদের কারামুক্তকরণের কাজ করছে মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি)। সংগঠনটি ২০০৯ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে চলতি বছররের (২০১৯) মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে ৫৫৮ জন অসহায় কারাবন্দিকে জামিনে মুক্ত করেছে। যারা বিনা বিচারে, মিথ্যা মামলায় কিংবা অল্প অপরাধের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কারা ভোগ করছিলেন। এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটিই জানিয়েছেন এলএএইচপির চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিম।

আইনজীবী তৌফিকা করিম জানান, যে সকল ব্যক্তি মামলা সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, কিন্তু সন্দেহভাজন হিসেবে অথবা অন্যায়ভাবে যাদেরকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায় তাদেরকে এলএএইচপি ‘অসহায়’ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এই ধরনের অসহায় কারাবন্দিদের জামিনের জন্য কাজ করে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে হাজতবাস করছেন (ন্যুনতম ৪ মাস) এমন ব্যাক্তি এবং তিনি কোনও ধারায় আটক, এই ধারায় তার শাস্তি যতদিন হতে পারে তার চেয়ে বেশি দিন ধরে কারাবন্দি কি না তা বিবেচনা করে আটক ব্যক্তির জামিনের ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জঙ্গিবাদ সংক্রান্ত যে কোন মামলার ক্ষেত্রে এবং দণ্ডবিধি আইনের ৩০২ ধারার ক্ষেত্রে আসামি প্রত্যক্ষভাবে খুনের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার জামিনের জন্য এলএএইচপি কাজ করে না। তবে এ ধরনের মামলায় আসামিকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটলে সে ক্ষেত্রে সংগঠনটি জামিনের ব্যাপারে কাজ করে। এছাড়া, যদি কোন মামলার ব্যাক্তিকে অসহায় মনে হয়, আইনজীবীগণ মামলাটি বিশদভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে এলএএইচপি'র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়।

কাজের বিস্তৃতি সম্পর্কে আইনজীবী তৌফিকা করিম বলেছেন, ‘আমরা বর্তমানে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, নোয়াখালী, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় এলএএইচপি নিয়োজিত একাধিক প্যানেল আইনজীবীগণের সমন্বয়ে অসহায় কারারন্দিদের আইনী সহায়তা দিচ্ছি। ভবিষ্যতে দেশের সর্বস্ত্র আমাদের আইনী সহায়তাকে বিস্তৃত করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ করার কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই অসহায়ত্ব আর মিথ্যা অভিযোগের দায়ভার মাথায় নিয়ে বিনা বিচারে এখনো জেল খাটছেন দেশে বিভিন্ন কারাগারে। তাদের যেন আর কারাগারের নির্মম অন্ধকারে বিমর্ষ জীবন কাটাতে না হয় সে জন্য কাজ করছে এলএএইচপি। পাশাপাশি আমরা যাদের কারামুক্ত করেছি তাদের মানসিক অবস্থার উন্নতির জন্য উপযুক্ত কাউন্সেলিং দেওয়া হয়েছে। কারামুক্তির পর বাকি জীবনটা যেন সুন্দরভাবে কাটে সে লক্ষ্যে তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Source : http://www.ittefaq.com.bd/court/40731/%E0%A7%AB%E0%A7%AB%E0%A7%AE-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%8F%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%AA%E0%A6%BF

Rights organisation Legal Assistance to Helpless Prisoners and Persons (LAHP) has helped 558 helpless under trial prison...
02/04/2019

Rights organisation Legal Assistance to Helpless Prisoners and Persons (LAHP) has helped 558 helpless under trial prisoners who were suffering in jail without trial in different cases by releasing them on bail in last ten years.

The organisation has taken steps for providing counselling to the accused who were released on bail for their mental wellbeing and development.

Steps were taken for providing jobs to those persons so that they can lead a normal and beautiful life, LAHP Chairman Advocate Toufika Karim said today.

Advocate Toufika, also a lawyer of the Supreme Court, was speaking to a press conference at the LAHP office in Unique Heights Tower in Dhaka's Paribagh area this afternoon.

Rashadul Quasar Bhuiyan, LAHP general secretary, Hira Talukdar, media adviser, of the rights organisers also spoke on the occasion.

The organisation is now providing legal assistance through its panel lawyers to the under trial prisoners in 22 districts including Dhaka, Narayanganj, Narsindi and Gazipur, Toufika Karim said in her speech.

She said that her organisation provides the legal assistance to the poor and helpless prisoners who suffered in jail without trial in connection with the cases filed for committing petty crimes.

News source:
https://www.thedailystar.net/city/news/rights-body-helped-558-accused-10-years-1721563

If there any query & need any information, please visit our official Legal Assistance For Helpless Prisoners & Persons (...
28/12/2017

If there any query & need any information, please visit our official Legal Assistance For Helpless Prisoners & Persons (LAHP) website & put your valuable message. We well respond as soon as possible.

Thank You

https://lahpbd.com/

Our new Newssletter
15/05/2017

Our new Newssletter

08/02/2017

Address

Unique Heights, A-6, Level-6, 117 Kazi Nazrul Islam Avenue, Poribagh
Dhaka
1017

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+88029336969

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Assistance For Helpless Prisoners & Persons - LAHP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Legal Assistance For Helpless Prisoners & Persons - LAHP:

Share

Category