Advocatus Law Firm

Advocatus Law Firm ADVOCATUS LAW FIRM is a full service law firm. The legal Practice of ADVOCATUS LAW FIRM covers a vas Solving all type legal issues

11/01/2026
অবশেষে বাতিল করা হলো নামজারি পদ্ধতি। দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রেতার নামে নামজারি হয়ে যাবে।২০২৬ সাল থেকে...
03/12/2025

অবশেষে বাতিল করা হলো নামজারি পদ্ধতি। দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রেতার নামে নামজারি হয়ে যাবে।
২০২৬ সাল থেকে সারাদেশে কার্যকর করা হবে।

সহকারী কমিশনার(ভূমি) বা এসিল্যান্ডগণ চূড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ানের সকল ভুল সংশোধন করার জন্য দেওয়ানি আদালতের ন্যায় ক্ষমতাপ্রা...
31/10/2025

সহকারী কমিশনার(ভূমি) বা এসিল্যান্ডগণ চূড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ানের সকল ভুল সংশোধন করার জন্য দেওয়ানি আদালতের ন্যায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
যথার্থভুল (SAT act 149(4)
করনিক ভুল ( প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ২৩(৩)
প্রতারণামূলক ভুল (প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ২৩(৪)

ব্যাক্তি পর্যায়ে অনলাইনে আয়কর রিটার্নে যৌক্তিকতা নিশ্চিত করে আগামী ১৫ই নভেম্বর পর্যন্ত দাখিল করা যাবে।।
31/10/2025

ব্যাক্তি পর্যায়ে অনলাইনে আয়কর রিটার্নে যৌক্তিকতা নিশ্চিত করে আগামী ১৫ই নভেম্বর পর্যন্ত দাখিল করা যাবে।।

20/09/2025

🟢 বাবার সম্পদ বণ্টননামা ও নামজারীর নিয়ম (Step by Step)

🔹 ধাপ–১: বণ্টননামা করার নিয়ম
1. সম্মতি: সব ওয়ারিশ মিলে বসে সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে একমত হতে হবে।
2. খসড়া তৈরি: সম্পত্তির বিবরণ ও কার কত অংশ হবে—এগুলো লিখে একটি খসড়া বণ্টননামা তৈরি করতে হবে।
3. স্ট্যাম্প পেপারে লিখন: খসড়াটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।
4. স্বাক্ষর: সব ওয়ারিশকে বণ্টননামায় স্বাক্ষর করতে হবে।
5. রেজিস্ট্রি: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে।
6. ফি পরিশোধ: সম্পত্তির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প শুল্ক ও অন্যান্য খরচ দিতে হবে।

🔹 ধাপ–২: নামজারী করার নিয়ম
1. আবেদন: সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে বা অনলাইনে (ই-নামজারী) আবেদন করতে হবে।
2. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
• বণ্টননামা দলিল / ক্রয় দলিল / ওয়ারিশ সনদ
• খতিয়ান (সার্টিফায়েড কপি)
• দাখিলা বা খাজনার রশিদ
• জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি
• প্রয়োজনে অন্যান্য প্রমাণপত্র
3. ফি পরিশোধ: আবেদন ফি ও নোটিশ ফি জমা দিতে হবে।
4. যাচাই-বাছাই: ভূমি অফিস থেকে জমির রেকর্ড ও দলিল যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সরেজমিন তদন্তও করা হতে পারে।
5. অনুমোদন: সবকিছু সঠিক থাকলে নামজারী অনুমোদন হবে।
6. খতিয়ান সংগ্রহ: ডিসিআর (DCR) ফি জমা দিয়ে নতুন খতিয়ান সংগ্রহ করতে হবে।

🔹 বিশেষ নির্দেশনা
• বর্তমানে ই-নামজারী সিস্টেম চালু থাকায় অনলাইনে আবেদন করা সহজ ও দ্রুত।
• ভূমি মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিপত্র অনুযায়ী:
👉 উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির ক্ষেত্রে বণ্টননামা ছাড়া ওয়ারিশদের যৌথ আবেদন করলেও নামজারী করা যাবে।
• তবে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা এড়াতে বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করে নেওয়া শ্রেয়।

‼️জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে জমি ক্রয়ের বা বিক্রয়ের সময় দলিলে কোন কোন জিনিসগুলো দেখবেন বা যাচাই করাবেন?✅ জেনে রাখা ভালো
01/09/2025

‼️জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে জমি ক্রয়ের বা বিক্রয়ের সময় দলিলে কোন কোন জিনিসগুলো দেখবেন বা যাচাই করাবেন?
✅ জেনে রাখা ভালো

এখন থেকে চাইলেই যে কেউ আদালতে মামলা করতে পারবেনা, ভুক্তভোগীর ভোগান্তির মাত্রা আরও বাড়লো!১। পারিবারিক আদালতের মোকদ্দমা, চ...
07/07/2025

এখন থেকে চাইলেই যে কেউ আদালতে মামলা করতে পারবেনা, ভুক্তভোগীর ভোগান্তির মাত্রা আরও বাড়লো!

১। পারিবারিক আদালতের মোকদ্দমা,
চেক এর মামলা (৫ লক্ষ টাকার কম)।

২। যৌতুকের (৩ ও ৪ ধারা)।

৩। নারী নির্যাতন মামলা (১১গ)।

৪। বন্টন সম্পর্কিত বিরোধ।

৫। অগ্রক্রয় মামলা।

এ ৫ টা সহ নিন্মলিখিত ক্ষেত্রে এখন থেকে সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে না।
আগে Legal Aid এ দরখাস্ত করতে হবে)। মধ্যস্থতা না হলে তারপর আদালতে মামলা করতে হবে।

(এতে ভুক্তভোগীর ভোগান্তি আরও বাড়বে: নিজস্ব মতামত)!

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে। কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট। ★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশ...
21/04/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।
★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।
★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।
★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।
★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।
★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ সবাইকে, প্রয়োজন মনে করলে টাইমলাইনে শে*য়ার করে রেখে দিতে পারেন।।।।

জায়গা জমি সংক্রান্ত আরো আপডেট পেতে আমাদের ভূমি তথ্য বিডি পেইজে লাইক/ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন

#বাংলা #জমি #ভূমি #জমির #জমিদার #বাংলাদেশ #খতিয়ান #দলিল

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এর সাথে জড়িত...
10/04/2025

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰
জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি সঠিকভাবে বোঝা ও অনুসরণ করা জরুরি। জমির দলিল হলো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই জমি কেনার আগে দলিলটি বৈধ এবং নির্ভরযোগ্য কিনা তা যাচাই করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

দলিল যাচাই করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ:
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও সিলসহ থাকতে হবে।
দলিলের সাথে সংযুক্ত ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলিয়ে দেখুন।
প্রতিটি পাতায় সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প সঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
দলিলে মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর স্পষ্ট এবং যথাযথ কিনা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ গ্রহণ করুন:
একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী দলিল পরীক্ষা করে বৈধতা নিশ্চিত করতে পারেন।
আইনি জটিলতা থাকলে তিনি সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
৪. অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা ব্যবহার করুন:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (e-porcha.gov.bd বা land.gov.bd) থেকে দলিল ও খতিয়ান যাচাই করতে পারেন।
কিছু বেসরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও এই সুবিধা দেয়।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
দলিলে সন্দেহজনক কিছু থাকলে লেনদেন থেকে বিরত থাকুন।
প্রতারণা থেকে বাঁচতে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করুন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর:
১) দলিলে কি সব তথ্য আছে?
মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা ঠিকমতো আছে কিনা যাচাই করুন।

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন:
সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার হয়েছে কিনা এবং রেজিস্ট্রার কর্তৃক রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা নিশ্চিত করুন।

৩) মালিকানার ধরণ:

দলিলে মালিকানা অর্জনের মাধ্যম (উত্তরাধিকার, ক্রয়, দান ইত্যাদি) উল্লেখ আছে কিনা দেখুন।

৪) জমির বাস্তব অবস্থা:

জমি বাস্তবে আছে কিনা, দখলে আছে কিনা, ঋণ বা মামলা জর্জরিত কিনা খতিয়ে দেখুন।

৫) দলিলের বয়স:

১৯৭৬ সালের পূর্বের দলিল ‘পুরাতন’ হিসেবে ধরা হয়। অতিরিক্ত যাচাই দরকার হতে পারে।

৬) দলিলের ধরন:

সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে: সিএস, এসএ, আরএস এবং বিএস।

৭) একাধিক মালিক:

দলিলে একাধিক মালিক থাকলে, সবার সম্মতি ও স্বাক্ষর ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না।

৮) মিউটেশন (নামজারি):

নতুন মালিক হিসেবে খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন আবশ্যক।

৯) জাল দলিলের লক্ষণ:

ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, ভুয়া স্বাক্ষর, ও অস্বাভাবিক অসঙ্গতি থাকলে সতর্ক হোন।

১০) কোথায় যাচাই করবেন?

সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: মূল দলিল যাচাইয়ের জন্য।

ভূমি অফিস/অনলাইন পোর্টাল: খতিয়ান ও অন্যান্য রেকর্ড যাচাইয়ের জন্য।

আইনজীবীর সহায়তা: সার্বিক আইনি যাচাইয়ের জন্য সর্বোত্তম।

নোট: উপরোক্ত তথ্যগুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার জন্য। জমির দলিল যাচাই করার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সবসময়ই উত্তম।
For any questions _connect us .

Connect us if you need help .
02/04/2025

Connect us if you need help .

Eid Mubarak 💖
30/03/2025

Eid Mubarak 💖

Address

MOTIJHEEL
Dhaka
1000

Telephone

01771625671

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocatus Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocatus Law Firm:

Share