Justice For Women Bangladesh - JFWBD

Call Directions Website Contact the practice

Justice For Women Bangladesh - JFWBD Legal Help For Women… (6) Performing Survey to find out the awareness level of the people about the rights.

The Organization has focused itself on implementation the following activities:
(1) Providing legal aid to the poor and distressed people
(2) Arranging workshop on different Human rights issue
(3) Giving seminars to create awareness among peoples. (4) Holding round table meeting to discuss the contemporary issue
(5) Arranging debate Competition to make young generation think about human right in the high of logic. (7) Arranging Human Chains to protest the violation of human rights home and abroad. (8) Performing research work to final out the future way to establish human rights. (9) Publishing Journals and publications to convey the human rights scenario and existing rights to the common people.

18/10/2026

ধর্মীয় বৈধতার পাশাপাশি একটি সম্পর্কের মানবিক দিকটাও কি আমরা ভাবি?

ধরুন, একজন স্বামী দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ১০ মাস বিছানায় পড়ে আছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে স্ত্রীর সঙ্গে স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন কাটানোর সক্ষমতা তাঁর নেই। এই অবস্থায় স্ত্রী যদি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করেন, তাহলে বিষয়টিকে শুধু বৈধতা কিংবা অবৈধতার প্রশ্নে বিচার করলেই কি সব উত্তর পাওয়া যাবে? আইনগত ও ধর্মীয় বিধানের পাশাপাশি মানবিকতার প্রশ্নটিও কি গুরুত্বপূর্ণ নয়?

এবার পরিস্থিতিটা একটু উল্টো দিক থেকে ভাবুন।

একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা। আর মাত্র কয়েক দিন পর তাঁর সন্তান জন্ম নেওয়ার কথা। শারীরিক ও মানসিকভাবে তিনি জীবনের অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি সময় পার করছেন। ঠিক সেই সময়ে তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন এবং সেটিকে ধর্মীয়ভাবে বৈধ বলে জনসমক্ষে তুলে ধরলেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, কোনো কাজ বৈধ হলেই কি সেটি প্রতিটি পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল কিংবা মানবিক সিদ্ধান্ত হয়ে যায়?

ধর্মীয় বিধান নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের জীবনে ধর্মীয় অধিকারের পাশাপাশি দায়িত্ব, সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসারও যে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আছে, সেটি ভুলে গেলে চলবে না।

একটি সংসার কি কেবল নিয়মকানুন মেনে পরিচালিত হয়?

আমরা অসুস্থ হলে মা রাত জেগে আমাদের পাশে থাকেন। পরিবারের একজন মানুষ বিপদে পড়লে অন্যরা নিজেদের আরাম বিসর্জন দিয়ে তাঁর যত্ন নেন। সংসারের অসংখ্য দায়িত্ব মানুষ পালন করে যায়, যদিও প্রতিটি দায়িত্বের পেছনে কোনো বাধ্যবাধকতা বা পুরস্কারের হিসাব থাকে না।

কেন করেন তাঁরা?

কারণ, সব দায়িত্বের উৎস আইন কিংবা ধর্মীয় বিধান নয়। কিছু দায়িত্বের জন্ম হয় মমতা থেকে, কিছু ভালোবাসা থেকে, আর কিছু আসে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আত্মিক বন্ধনের কারণে।

একজন স্ত্রী স্বামীর অসুস্থতায় পাশে থাকেন, তাঁর ওষুধের খোঁজ রাখেন, হাসপাতালের বিছানায় তাঁর হাত ধরে বসে থাকেন। এসবের মূল্য কি শুধু এই কারণে নির্ধারিত হবে যে তিনি তা করতে বাধ্য কি না? নাকি তাঁর এই পাশে থাকাটুকুর মধ্যে এমন এক ভালোবাসা রয়েছে, যা বাধ্যবাধকতার হিসাব দিয়ে পুরোপুরি বোঝানো যায় না?

একইভাবে, সংসারে আর্থিক সংকট দেখা দিলে বহু নারী নিজের পছন্দ, শখ কিংবা ব্যক্তিগত চাহিদা পিছিয়ে দেন। স্বামীর সীমিত আয়ের সঙ্গে মানিয়ে নেন, নিজেদের প্রাপ্য অনেক কিছু না চেয়েও সংসারটাকে আগলে রাখেন। অনেক সময় নিজেদের অধিকার নিয়েও তাঁরা নীরব থাকেন, শুধু সম্পর্কটা ভালো রাখার আশায়।

এটা কি সব সময় তাঁদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো দায়িত্বের কারণে?

না। অনেক ক্ষেত্রেই এর পেছনে থাকে ভালোবাসা, ত্যাগ এবং প্রিয় মানুষটির প্রতি গভীর মায়া।

তাহলে প্রশ্ন জাগে, সম্পর্কের কঠিন সময়ে একজন নারী কেন একই ধরনের মমতা ও বিবেচনা তাঁর সঙ্গীর কাছ থেকে আশা করতে পারবেন না?

বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে, যখন একজন নারী শারীরিক যন্ত্রণা, অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যান, তখন তাঁর প্রতি স্বামীর দায়িত্ব কি কেবল ধর্মীয় বিধানের সীমার মধ্যে আটকে থাকা উচিত? নাকি তাঁর পাশে দাঁড়ানো, তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং তাঁর মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়াও একজন জীবনসঙ্গীর দায়িত্বের অংশ?

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ধর্মীয় আলোচনা থাকতে পারে, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও থাকতে পারে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে প্রথম স্ত্রীর অনুভূতি, পারিবারিক পরিস্থিতি, ন্যায়বিচার এবং সিদ্ধান্তটির বাস্তব প্রভাব নিয়ে আলোচনা করাও জরুরি। ধর্মীয় বৈধতা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিধান ও পরিস্থিতি যথাযথভাবে বোঝা প্রয়োজন; আর মানবিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অন্যের কষ্টকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

আরেকটি বিষয় মনে রাখা দরকার—ধর্মীয় জ্ঞান একজন মানুষের পরিচয়ের একটি দিক হতে পারে, কিন্তু তাঁর সম্পূর্ণ চরিত্রের একমাত্র মাপকাঠি নয়। পোশাক, বাহ্যিক পরিচয় কিংবা ধর্মীয় বক্তব্য দিয়ে কারও সহমর্মিতা, সততা ও দায়িত্ববোধ পুরোপুরি বিচার করা যায় না।

জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় তাই শুধু কে কতটা ধর্মীয় জ্ঞান রাখেন, কে কত সুন্দর করে নৈতিকতার কথা বলেন, কিংবা কার বাহ্যিক পরিচয় কতটা আকর্ষণীয়—এসব দেখলেই চলবে না। দেখতে হবে, মানুষটি অন্যের কষ্ট বুঝতে পারেন কি না, নিজের সুবিধার বাইরে গিয়ে সঙ্গীর কথা ভাবেন কি না, মতপার্থক্যের মধ্যেও সম্মান বজায় রাখেন কি না।

কারণ, সংসার শুধু অধিকার আদায়ের জায়গা নয়; এটি দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ারও জায়গা। শুধু নিজের চাওয়া পূরণ করার নাম ভালোবাসা নয়; কখনো কখনো প্রিয় মানুষের কঠিন সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর নামও ভালোবাসা।

ধর্মীয় বিশ্বাস যার যার, কিন্তু মানবিকতার প্রয়োজন সবার।

কেউ ধর্মীয়ভাবে সঠিক হওয়ার চেষ্টা করবেন, সেটি তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। কিন্তু সেই চেষ্টার পাশাপাশি যদি মানুষের প্রতি মায়া, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ না থাকে, তাহলে সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটিই অপূর্ণ থেকে যায়।

আমাদের সমাজে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এমন মানুষ প্রয়োজন, যাঁরা শুধু নিজেদের অধিকার জানবেন না, অন্যের অনুভূতির মূল্যও বুঝবেন। যাঁরা নিয়মের কথা বলার পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের কথাও বলবেন। যাঁরা বৈধতার আলোচনা করবেন, কিন্তু মানবিকতার প্রশ্ন এড়িয়ে যাবেন না।

শেষ পর্যন্ত একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় শুধু তাঁর কথায় নয়, বরং অন্য একজন মানুষের কঠিন সময়ে তিনি কীভাবে আচরণ করেন, তার মধ্যেও প্রকাশ পায়।

এই কারণেই বিয়ে করার আগে শুধু বাহ্যিক পরিচয় নয়, মানুষের মন, বিবেক, দায়িত্ববোধ এবং সহমর্মিতাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

একটি সুন্দর সংসার গড়ে ওঠে শুধু নিয়ম মেনে নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, আস্থা, ত্যাগ ও ভালোবাসার ভিত্তিতে।

#মানবিকতা #সম্পর্ক #দাম্পত্যজীবন #ভালোবাসা #সামাজিকসচেতনতা

18/10/2026

একজন অসহায় ডিভোর্সি নারীর জীবনের গল্প—আমি কি কোনো দিন একটু ভালোবাসা পাব না? 💔

আসসালামু আলাইকুম। আজ নিজের জীবনের কিছু কষ্টের কথা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। জানি না, আমার ভাগ্যে আর কত পরীক্ষা লেখা আছে। অনেক দিন ধরে বুকের ভেতর জমে থাকা কথাগুলো আর চেপে রাখতে পারছি না। আপনাদের কাছে একটু পরামর্শ ও দোয়া চাই।

আমার জীবনের গল্পটা শুরু হয়েছে ছোটবেলা থেকেই। যে বয়সে একটি শিশুর মায়ের আঁচলে নিশ্চিন্তে থাকার কথা, সেই বয়সেই আমাকে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল।

আমার দাদি আমাকে ভীষণ ভালোবাসতেন। পরিবারের অন্য সবার চেয়ে আমাকে একটু বেশিই আদর করতেন। কিন্তু দাদি মারা যাওয়ার পর থেকে আমার জীবনে যেন ভালোবাসার দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। মায়ের কাছ থেকে যে স্নেহ পাওয়ার কথা ছিল, সেটা আর সেভাবে পাইনি। অথচ মাকে আমি মন থেকে ভালোবাসতাম।

আমি ছিলাম পরিবারের বড় মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম, মা অনেক কষ্ট করেন, তাই আমি যদি তাঁর কাজে সাহায্য করি, তাহলে হয়তো তাঁর কষ্ট কিছুটা কমবে। বাবা-মায়ের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি হতো। বাবাকে মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে দেখে মায়ের জন্য আমার খুব মায়া হতো। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, অন্তত আমি মাকে কষ্ট দেব না।

কিন্তু আমার সেই ভালোবাসার মূল্য যেন কেউ বুঝতে পারেনি।

আমি তখন মাত্র প্রথম শ্রেণিতে পড়ি। সেই ছোট্ট বয়স থেকেই বাড়ির অনেক কাজ আমাকে করতে হতো। ধীরে ধীরে পড়াশোনার চেয়ে সংসারের কাজই আমার জীবনের বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াল। অন্য শিশুরা যখন খেলাধুলা করত, পড়াশোনা করত, তখন আমাকে বাড়ির কাজ সামলাতে হতো।

মায়ের সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হলে বাবাও সব সময় আমার পাশে দাঁড়াতেন না। আমার নানু আমাকে খুব আদর করতেন। তিনি যখন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসতেন, তখন আমাকে দিয়ে এত কাজ করানো দেখে মাকে বকাঝকা করতেন। কিন্তু নানুর সঙ্গে মায়ের সম্পর্কও ভালো ছিল না। একসময় নানু চলে যেতেন, আর আমি আবারও একা হয়ে পড়তাম।

ছোটবেলার একটি ঘটনা আজও মনে পড়লে চোখে পানি চলে আসে। একদিন মা কচুর লতি রান্না করেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই এই খাবারটি খেলে আমার গলা চুলকাত, তাই খেতে চাইনি। কিন্তু আমার সেই অসুবিধাটা বোঝার পরিবর্তে মা রাগ করে আমার হাত ধরে খুব জোরে টান দেন। এতে আমার বাম হাত ভেঙে যায়।

একটি ছোট শিশুর কাছে নিজের মায়ের কাছ থেকে এমন কষ্ট পাওয়া কতটা যন্ত্রণার, তা হয়তো ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। তবুও সময়ের সঙ্গে বড় হয়েছি। ভেবেছিলাম, একদিন নিজের একটা সংসার হবে, একজন মানুষ আমাকে বুঝবে, আমার কষ্টগুলো ভাগ করে নেবে। সেই আশাতেই বেঁচে ছিলাম।

কিন্তু আমার জীবনে কি সত্যিই সুখ বলে কিছু লেখা ছিল না?

বিয়ের পর ভেবেছিলাম, এবার হয়তো জীবনের পুরোনো কষ্টগুলো পেছনে ফেলে নতুনভাবে বাঁচতে পারব। স্বামীকে বিয়ের শুরুতেই বলেছিলাম, আমি জীবনে অনেক অবহেলা সহ্য করেছি। তোমার কাছে শুধু একটু ভালোবাসা চাই। আমাকে অবহেলা কোরো না, আমার অনুভূতিগুলো বোঝার চেষ্টা কোরো।

কিন্তু আমার সেই চাওয়াটুকুও পূরণ হলো না।

বিয়ের পর থেকেই স্বামী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাকে অপমান করতেন। বাবার বাড়ি থেকে কী এনেছি, কেন তাঁর চাহিদা পূরণ করতে পারছি না—এসব নিয়ে বারবার কথা শোনাতেন। তিনি আমার কাছে তিন লাখ টাকা চাইতেন, কানের দুল চাইতেন। বলতেন, এসব দিতে পারলে নাকি আমাকে ভালোভাবে রাখবেন।

আমার বাবা কোনো ধনী মানুষ নন। একটি ছোট মসজিদে ইমামতি করে মাসে মাত্র ছয় হাজার টাকা উপার্জন করতেন। নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকেও তিনি আমার বিয়ের জন্য জমি বিক্রি করে যতটা সম্ভব সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু এত কিছুর পরও তাঁর পক্ষে জামাইয়ের সব দাবি পূরণ করা সম্ভব ছিল না।

আর সেই অপূর্ণতার বোঝা বইতে হতো আমাকে।

স্বামীর কাছ থেকে অপমান, গালিগালাজ এবং মারধর সহ্য করতে হয়েছে। আমার চেহারা নিয়ে, উচ্চতা নিয়ে কটূক্তি শুনতে হয়েছে। কখনো কখনো মনে হতো, আমি যেন তাঁর স্ত্রী নই, বরং তাঁর কাছে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে থাকা একজন অসহায় মানুষ।

তারপরও তাঁকে ছেড়ে থাকতে পারতাম না। কারণ, আমার সামনে ফিরে যাওয়ার মতো নিরাপদ কোনো জায়গা ছিল না। বাবার বাড়িতে মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না, আর স্বামীর বাড়িতে শান্তি ছিল না। দুই বাড়ির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমি যেন কোথাও নিজের একটা আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে এলে মায়ের কাছ থেকেও অনেক কষ্ট পেতাম। আবার স্বামীর কাছে ফিরে গেলে কিছুদিন সব ঠিক থাকত, তারপর শুরু হতো আগের মতো অশান্তি। এভাবেই বছরের পর বছর কেটে গেছে।

আমার বিয়ের চার বছর হয়েছে। কিন্তু এই চার বছরে একটি সুখী সংসারের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। অবশেষে বাবা আমাকে স্বামীর বাড়ি থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। পরে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।

আমার কোনো সন্তানও হয়নি। থাইরয়েডের সমস্যার কারণে সন্তান ধারণ নিয়ে জটিলতা ছিল। এই বিষয়টি নিয়েও আমাকে কথা শুনতে হয়েছে। একজন নারী এমনিতেই যখন নিজের জীবনের এত সমস্যা নিয়ে লড়াই করেন, তখন তাঁর দুর্বলতাগুলো নিয়ে বারবার কটূক্তি করা তাঁকে আরও ভেঙে দেয়।

আজ আমি একজন ডিভোর্সি নারী। কিন্তু আমার কষ্ট যেন বিবাহবিচ্ছেদের সঙ্গে শেষ হয়নি।

এখনো বাবার বাড়িতেই থাকি, মায়ের সঙ্গেই একই ছাদের নিচে। অথচ মা আমার সঙ্গে কথা বলেন না, আমাকে দেখলে এড়িয়ে চলেন। কখনো কখনো তাঁর আচরণে মনে হয়, আমি যেন এই বাড়িরই কেউ নই।

সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাই তখন, যখন শুনি মা নাকি আমাকে বিষ দিয়ে মেরে ফেলতে চান। কথাটা নিজের কানেই শুনেছি। রাগের সময় আমাকে অপমানজনক ভাষায় গালিগালাজ করেন। কিছুদিন আগে ঝাড়ু দিয়েও মেরেছেন। এরপর আমার জ্বর এসেছিল। ভাইয়া ওষুধ এনে দেওয়ায় এখন জ্বর কিছুটা ভালো।

আমার ভাইয়েরা নিজেদের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। বাবারও সামর্থ্য সীমিত। সবাই হয়তো মনে করেন, আমার সমস্যার জন্য আমিই দায়ী। কিন্তু কেউ কি একবারও ভেবে দেখেছেন, ছোটবেলা থেকে ভালোবাসার অভাবে বড় হওয়া একজন মানুষ কতটা অসহায় হয়ে পড়তে পারেন?

আমার শরীরও এখন ভালো নেই। থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, সব সময় ক্লান্ত লাগে, হাত-পা ফুলে থাকে। স্বাভাবিক কাজ করতেও কষ্ট হয়। শরীরের অসুস্থতার সঙ্গে মনের কষ্ট মিলিয়ে জীবনটা দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠছে।

মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে, এই পৃথিবীতে আর বেঁচে থাকার কোনো অর্থ নেই। কিন্তু আমি নিজের জীবন শেষ করতে চাই না। আমি শুধু এই কষ্টের পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে একটু শান্তিতে বাঁচতে চাই। নিজের জন্য একটা নিরাপদ আশ্রয় চাই, যেখানে কেউ আমাকে অপমান করবে না, মারধর করবে না, যেখানে আমি মানুষ হিসেবে সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারব।

আমার আবার বিয়ের কথা উঠলেও নানা কারণে সেই আলোচনা এগোয় না। আমি জানি না, ভবিষ্যতে আমার জন্য কী অপেক্ষা করছে। আমি কি কখনো এমন একজন মানুষ পাব, যিনি আমার অতীতকে নিয়ে আমাকে ছোট করবেন না? যিনি আমার অসুস্থতার সময় পাশে থাকবেন? যিনি আমাকে বুঝিয়ে দেবেন যে আমিও ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য?

আমি জানি, জীবনে অনেক কিছু হারিয়েছি। কিন্তু এখনো কোথাও একটা আশা বেঁচে আছে—হয়তো একদিন আমার জীবনেও শান্তি আসবে।

আপনাদের কাছে আমার কয়েকটি প্রশ্ন।

আমি এখন কীভাবে নিজের জীবন নতুন করে শুরু করতে পারি? মায়ের সঙ্গে একই বাড়িতে থেকে প্রতিনিয়ত মানসিক কষ্ট সহ্য করার পরিবর্তে নিরাপদভাবে অন্য কোথাও থাকার ব্যবস্থা কীভাবে করতে পারি? আমার শারীরিক অসুস্থতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি?

যাঁরা জীবনে এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন, দয়া করে আপনাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমাকে পরামর্শ দেবেন। আমি করুণা চাই না, চাই সঠিক পথের দিশা।

ছোটবেলায় মায়ের ভালোবাসা চেয়েছি, বিয়ের পর স্বামীর ভালোবাসা চেয়েছি। জীবনের এতগুলো বছর পেরিয়ে আজও সেই চাওয়াটা পূরণ হলো না।

তবুও আমি হাল ছাড়তে চাই না। আমি বাঁচতে চাই, নিজের জীবনটা নতুন করে গুছিয়ে নিতে চাই। একদিন যেন পেছনে ফিরে তাকিয়ে বলতে পারি—হ্যাঁ, অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজেকে হারিয়ে ফেলিনি।

আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাকে ধৈর্য, সুস্থতা, নিরাপত্তা এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার শক্তি দেন। আমিন। 🤲💔

আপনাদের কাছে অনুরোধ, আমাকে বিচার করার আগে আমার পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করবেন। একজন মানুষকে নতুন করে বাঁচার সাহস দেওয়াটাও অনেক বড় সাহায্য।

18/10/2026

Amr 4vai ami eka,, ekhn amr ammu onk bochor zabot kalo jadute akranto ekhon amr ammu rashi mane,, uni mane uni tularashi,,, ekhon uni shopne ja dekhe tai i sotti hoy,, ekhn uni ekdin shopne dekhe amr abbur jomano ekta bank theke ke jani tk niye jacche,,, ekhon abr 2din dekhar por dekhe ami niye amr kon bandhubi paliye geche onake dichi,, ekhon pora off hoye ache, ar matro 3masher o kom somoy ache amr befaq porikkhar ekhon ami mante partechi na je ami ar porbo na,, ekhn ami caitechi onader tk diye abr pora'ta ekhner moto shuru korte porikkha ta dite tarpor ja howar hok,, ontoto porikkha dite dek,,,,, ei bochor ta pichaiya gele sob shesh apu,, er pore ami parbo kina jani na,,,, ektu bujhen plz,, ektu help korar try koren plz ami ekjoner theke shune eikhane help caite ashchi ami amr eidike onk try korchi ar ekhono kortachi kintu kew dite caitache na apu,,, plz ektu bujhen

18/10/2026

অনেক বছর আগের বোনের ব্যাপারে একটা বিষয় শেয়ার করতে ও জানতে চাই।
সময়টা ২০১১/১২ সালের,তখন আমার বোনের বয়স ছিলো ১৫বছর। আমার ছিলো ১২ বছর।
বোন তখন প্রায় আমার ফুফিদের বাড়িতে বেড়াতে যেতো। একবার বেড়াতে গেলে ১০/১৫ দিন থেকে যেতো। ফুফিরা উচ্চবিত্ত ছিলো। ফুফিদের পরিবার ফুফি আর ফুফাতো ভাই থাকতো।আমরা ছিলাম নিম্নমধ্যবিত্ত। তাই বোন দীর্য়দিন ফুফিদের বাড়িতে থাকলেও আমার বাবা মা কিছু মনে করতো না,ভাবতো ওখানে গেলে ভালো থাকবে,ভালো খাবে।আমার ফুফাতো ভাইয়ের বয়স ছিলো ১৮। আমার বোন ও ফুফাতো ভাই কাছাকাছি বয়সের।ফলে যা হবার তাই হলো,তারা দুজন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লো। এবার বোন ওখানে বেড়াতে গেলে মাস পর্যন্ত থেকে যেতো। তারা প্রায় সময় রাতে একসাথে থাকতো যা আমরা পরবর্তী তে জানতে পারি। তাদের এই সম্পর্ক ২বছর চলতে থাকে,একসময় তারা কোট ম্যারেজ করে ফেলে এবং গোপনে বাসা ভাড়া করে। বোন বেড়াতে গেলে ওই বাসায় তারা বেশিরভাগ সময় থাকতো। পরে সব জানাজানি হয়। আমার পরিবার শুরুতে এই সম্পর্কে অমত জানালেও,পরবর্তী তে রাজি হয়।কিন্তু আমার ফুফা অনেক জেদী থাকার কারণে তিনি এই সম্পর্ক মেনে নেননি।পরবর্তী তে তিনি কাজিনকে বিদেশে নিয়ে যায় তার কাছে।অন্য দিকে বোন আর কাজিনের মধ্যে যোগাযোগ চলতে থাকলেও,শেষমেশ আমার পরিবার যাদুটোনার মাধ্যমে এই সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে। ২০২০সালের দিকে বোনের বিয়ে হয়।বর্তমানে বোন ২সন্তানের জননী। অন্যদিকে আমার কাজিন এখনো ৩২বছরেও বিয়ে করেনি,আমার মনে হয় সে এখনো বোনকে ভুলতে পারেনি।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে,পুরো ঘটনায় ভুলগুলো কাদের ছিলো?,যা হয়েছে সব কি উচিদ হয়েছে??
এতোবছর পরও আমাকে ঘটনাটি ভাবায়

17/10/2026

প্রিয় শান্ত,

আমি আপনাকে পছন্দ করি খুব গভীরভাবে। এতটাই গভীরভাবে যে, দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাকে মনে করি। দীর্ঘ ৬ মাস আমি আমার এই অনুভূতি নিয়ে যুদ্ধ করছি। কত রাত, কত দিন আল্লাহর কাছে গভীরভাবে আপনাকে চাইতেছি, তা আপনি কল্পনা করতে পারবেন না।

আমি জানি, এইটা অসম্ভব। তারপরও চাই, যদি আপনি আমার জন্য কল্যাণকর হন, আল্লাহ যেন আপনাকে দেন।

দীর্ঘ এই সময়ে আমি ক্লান্ত, এই অসহ্য যন্ত্রণায়। বিশ্বাস করেন, অনেক ভালোবেসে ফেলছি আপনাকে। এই ২২ বছর বয়সে এই আবেগ ভিত্তিহীন, তারপরও আমি এইসবকিছু থেকে বের হতে পারতেছি না।

একদিকে বাসা থেকে বিয়ের প্রেশার, অন্যদিকে আপনি। আমি জানি না, সামনে কী অপেক্ষা করতেছে আমার জন্য। কিন্তু আমি অনেক আশা নিয়ে আছি, যদি আল্লাহ কোনোভাবে এইসব সহজ করে দেন।

আমি চাই, আপনি জাপানের ওই প্রান্ত থেকে বাংলাদেশের এই প্রান্তের একজন মানুষের ভালোবাসাটা জানেন। এতটুকুতেই খুশি থাকতে চাই যে, আপনি জানেন, কেউ একজন আপনাকে এত ভালোবাসে যে, আপনার জন্য বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিতেও দ্বিধা করবে না।

এই এতটুকু মেসেজ লিখতে গিয়ে কতবার হাত কাঁপছে, কতবার চোখের পানি ঝরছে, তা হয়তো আপনার কল্পনার বাইরে। জানি না, আদৌ আমার এই অনুভূতি আপনাকে স্পর্শ করবে কি না। আমি সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আমার এই অনুভূতি বোঝানোর মতো ভাষা আমার জানা নেই। তারপরও শুধু আফসোস না রাখার জন্য, আপনাকে জানানোর জন্য এইভাবে বলতে বাধ্য হয়েছি। 🌿

জাপানের যেখানেই থাকেন, ভালো থাকেন। হয়তো আমাদের দেখা হওয়া অসম্ভব, তারপরও আল্লাহর কাছে কিছুই অসম্ভব নয়। 🫶

17/10/2026

বিয়ে হইসে দুই বছর ৪মাস
একটা ছেলেও আছে ১৬ মাসের।বিয়ের পর থেকেই শাশুরি ননদ এমনকি ভাসুরসহ একসাথে থাকি।শাসুরি পেনসন পায় ভাসুর চাকরি করে কেউ সংসারে একটাকাও দেয় না।ভাসুর ১৬মাস থাকে।জাওয়ার নাম নাই।শাশুরি অনেক ঝামেলা করে।সংসারটা আমি আর আমার হাজবেন্ড দুইজন চালাই।আমার শাশুরি বলে তার ছেলে খাওয়া দেই না বঊ torture করে।তাকে ask করলে আর বলতে পারে না কি torture করে তার ছেলে তাকে কিভাবে খাওয়া দেই না এতবাজার করার পরও।সে ছেলের বউ এর সংসারকে নিজের বলে।

আরও অনেক কথা পেরেশানিতে আসি।তাদের জন্য আমার জামাইয়ের সাথে আমার ভেজাল হচ্ছে।মুরুব্বি নিয়ে বসাও হইছে আমার কনো দোষ খুজে পায় নাই।
পোস্টে আগে বলা হয় নাই আমি বিয়ে করে আমার আলাদা বাসায় উঠি।
এই বাসায় সব আমার।আমার মা বিয়েতে furnitures দিসে।সব এ দিসে।আমার বাসাই ওরা উঠসে।আমার বাসাই ওরা থাকে।
সেইম ঝামেলা বার বার করছে শাশুড়ী।

১৬মাস ধরেই এমন চলছে।আমি আর পারতাসি না।তারা অনেক অপবাদ দিচ্ছে। আমি নাকি বাসা থেকে চলে জেতে বলসি।অতচ আমি এমন বলি নাই।কি করব বুজতে পারতাসিনা।suggestion den?

17/10/2026

Right

17/10/2026

স্বামী পরকীয়া করে জানার পর কি করা উচিত??

17/10/2026

আসসালামুয়ালাইকুম।
আমার বয়স ২০ , স্বামীর বয়স ২৮
প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, পরিবার থেকে মেনে নিতে চায় নাই।অনেক জোরাজুরি করে পারিবারিক ভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ছয়মাস হলো।
আমার শশুড় শাশুড়ি বেঁচে নাই, ভাসুরের সংসার।
স্বামী কর্মসূত্রে দূরে থাকে।
তাদের কোনো নিজস্ব জায়গা জমি নেই।অর্থাবস্থা খারাপ।দিন আনে ,দিন খায় এমন।সব জেনে ভালোবেসে বিয়ে করি।তার সাথে আমার সম্পর্ক সবদিক দিয়ে ভালো,শুধু একটাই সমস্যা সেটা হচ্ছে দূরত্ব।
বিয়ের পরের সপ্তাহ থেকেই কাজে চলে যায়,প্রতি সপ্তাহে একবার আসে।আমি আমার স্বামী ছাড়া ভাসুরের সংসারে থাকতে চাইনা।মায়ের বাসায়ই থাকি।শুক্রবার সে আসলেও মায়ের বাসায় ই সে আসে।
কারণ ভাসুরের বাড়িতে গেলে খরচ দেওয়া লাগবে,বা আমাকে কাজ করতে হবে।
আসল কথা হচ্ছে ,ভাসুর নেশাগ্রস্ত।তাদের সংসারেই অশান্তি।একমাত্র সন্তান বলে মা আমাকে কাছে রাখতে চায়।
আবার যখনতখন প্রচন্ড রকম অপমান করে,খোটা দেয় আমি কেন এখানে থাকি,আমার স্বামীর যোগ্যতা কম,গরীব।আবার এই মা ই তার আপ্যায়ন করে,আদর যত্ন করে,খাওয়ায়।এই আচরণ মায়ের থেকে সহ্য হয়না।
আমার মা সবদিক থেকে ঠিক।মা আদর ও করে,কথাও শোনায়।তার মধ্যে কোনো ভুল নাই।
ভুল তাহলে কি আমার?টাকা পয়সা নাই জেনেও বিয়ে করাই কি আমার ভুল?
আমার স্বামী শিল্প এলাকায় চাকরি করে বিধায় সেখানে মেসে থাকে।আমাকে নিয়ে রাখা নাকি তার কাছে নিরাপদ মনে হয়না।সে আমাকে এভাবেই থাকতে বলে।
আরেকটা শর্ত দিয়েছে,তার এলাকায় ই ,মানে ভাড়া যেটাতে আগে থাকতো,যেটায় এখন তার বড় ভাইয়ের সংসার,সেই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দিবে।তবে,সে আসবে সেই আগের মতই -শুক্রবার।
আমি একা কেন থাকবো তাকে ছাড়া,আলাদা বাসায়।
আমি চাই যতই অনিরাপদ মনে হোক,নিজে ঠিক থাকলে সব ঠিক।তার অফিসের কাছে নিয়ে যাক।সে নিবে না।আমাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে-নিবেনা।
আমাকে এভাবেই থাকতে হবে।
ছোট থেকে একা বড় হয়েছি।বাবা মা চাকরি করতো।আত্মীয় স্বজনের সাথে মামলা মোকদ্দমা, যোগাযোগ নাই,আছে শত্রুতা।
বাবা মায়ের দ্বন্দ্ব কলহ।
একজন সঙ্গী পেতে এত দ্রুত ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করি।
এইচএসসিতে জিপিএ ফাইভ পেয়েও এডমিশনে পারি নাই।এখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এক কলেজে আছি।আমার কোনো ঠিকানা নাই, আশ্রয় নাই। প্রচন্ড রকম পারিবারিক কলহ থেকে মুক্তি পেতে বিয়ে করেও এখনো আমি মায়ের ঘাড়েই পড়ে আছি।আমার বাবা জীবিত,তবে বাবা মা আলাদা থাকে।
আমি কোনো অর্থ খুঁজে পাচ্ছি না জীবনের।আমি ব্যর্থ।আমার স্বামী আমাকে প্রবাসীর বউদের সাথে তুলনা করে,তারা কিভাবে থাকে স্বামী ছাড়া।
মাসে ৫ হাজার খরচ দেয়।বাজার সদাই করে দেয়না।আমার পরিবার যথেষ্ট অবস্থা সম্পন্ন অর্থের দিক থেকে।
তবে আমি এখন বিয়ের পর থেকে নিজের খরচ করিনা,সবাইকে বোঝাই ভালো আছি,আসলে জোড়াতালি দিয়ে চলছি।
বিয়ের আগে জানতাম,গরিব বিয়ে করতেছি,এখন বুঝলাম একটা কাপুরুষ বিয়ে করেছি। গরীব বলে ছোট করি নাই,আজ করলাম, কাপুরুষত্ব দেখে। পরিশ্রম করলে সফলতা,অর্থ,সম্পদ একদিন হবে,এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বিয়ের ফল আজ এই।
আমাকে আমার ঠিকানা নিয়ে ভাবতে হয়। ডিভোর্স দিলে আমার যাওয়ার কোনো জায়গা থাকবেনা।

কি করবো দয়া করে পরামর্শ দিন।

17/10/2026

আসসলামু আলাইকুম।

আসলে প্রতিটা মেয়ের জীবন কি এমন নাকি আমারি শুধু বুঝতে পারছি না বাবা যেমনি হোক আমি তাকে আমার সুপার হিরো মানি কিছু দিন আগে বাবার পেশা আর বিয়ে নিয়ে একটা বিষয় শেয়ার করেছিলাম সবাই বললেন পড়াশোনা চালিয়ে যান কিন্তু বিশ্বাস করেন আমি খুব বেশিই অপারক আমার অনার্স ১ম বর্ষের ফাইনাল শেষ সামনে আবার ভর্তি আমার এই অব্দি আসার জার্নি সহজ ছিলো না নানা প্রতিকূলতা টাকা পয়সা ম্যানেজ করে এই অব্দি আসা বাবা টাকা দিতে খুব একটা চান না আমার কি লাগবে না লাাগবে এসব বিষয়ে খুব উদাসীন তিনি।বছরে ঈদে একটা জামা দেওয়াই তার দায়িত্ব তারপরের পোশাক আশাক সব আম্মুই দেখতেন কখনো বাবাকে দেখি নাই বলতে যাও একটা ড্রেস কিনে আনো বা কিছু খাবা কি তিনি মূলত সবার প্রতিই উদাসীন ইদানিং বিয়ে ভাঙার বিষয় নিয়েও হয়তো অনেক বেশি খিটখিট হয়ে থাকে কথা বলে না কিছু না আমার পড়ার জার্নি নিয়া আমি খুব ভয়ে আছি আমি যথেষ্ট মেধাবী স্টুডেন্ট ক্লাস ৫ থেকে প্রতি বোর্ড পরীক্ষায় ভিত্তি পেয়েছি আমার স্বপ্ন ছিলো মেডিকেল সে আমাকে তাদের দিকে তাকিয়ে গ্রুপ চেন্জ করতে হয়ছে এখন আবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হয়েছে আমি আসলে খুবই হতাশ জীবন সঙ্গী দেওয়ার মালিক আল্লাহ ভয় হয় বিয়ের পরও যদি এমন ফেইস করতে হয় জীবনসঙ্গীও যদি সাপোর্ট না করে আমায় আমি দিশাহারা হয়ে আছি।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Justice For Women Bangladesh - JFWBD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Justice For Women Bangladesh - JFWBD:

Shortcuts

Share

Category