K And K Law Firm

K And K Law Firm our target is to cover all the area of legal issues and matters including Para- legal subjects witho

আজকে থেকে মাইলর্ড/ লর্ডশীপ বলতে মানা করেছেন মাননীয় বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেন ও মাননীয় বিচারপতি একেএম জহিরুল হক মহোদয়ে...
25/07/2023

আজকে থেকে মাইলর্ড/ লর্ডশীপ বলতে মানা করেছেন মাননীয় বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেন ও মাননীয় বিচারপতি একেএম জহিরুল হক মহোদয়ের বেঞ্চ।

তিনি আরো জানান, দাসত্বের সময় নাই, প্রভুরা চলে গেছে!!

ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধে ব্যর্থ হলে গ্যারান্টরের সম্পত্তি নিলামে তুলতে বাধা নেই:সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়।চলতি বছরের জানুয়া...
14/05/2023

ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধে ব্যর্থ হলে গ্যারান্টরের সম্পত্তি নিলামে তুলতে বাধা নেই:

সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি আপিল নিষ্পত্তি করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দেন যে গ্যারান্টররা রিট দায়ের করে নিলাম কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে না। ফলে কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধে ব্যর্থ হলে তার গ্যারান্টরের (জামিনদার) সম্পত্তি নিলামে তোলার পথ পরিষ্কার হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই ঐতিহাসিক রায়ের ফলে ঋণ গ্যারান্টারদের জন্য আর সহজে গা বাঁচানোর পথ নেই।

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অর্থ ঋণ আদালত আইন-২০০৩ অনুযায়ী কোনো গ্যারান্টরের সম্পত্তি নিলামে তুলে ব্যাংকের পাওনা সমন্বয় করতে কোনো বাধা নেই।

এখন থেকে ব্যাংক বা অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ ঋণ নিতে চাইলে তার গ্যারান্টর হওয়ার আগে দুবার ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কারণ গ্যারান্টররা আর মূল ঋণগ্রহীতাদের থেকে সম্পর্ক চিন্ন করে গা বাঁচাতে পারবে না। মূল ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলে আদালতের স্থগিতাদেশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সুদসহ পুরো ঋণ শোধের দায়ও এড়াতে পারবে না তারা।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

বিভিন্ন মেশিনারিজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান একে আলী ট্রেডার্স ২০০৮ সালে অগ্রণী ব্যাংকের গাজীপুরের একটি শাখা থেকে ১১ কোটি টাকা ঋণ নেয়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আলী রেজা শাওন তার কিছু সম্পত্তি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখার পাশাপাশি তার বন্ধু, ব্যবসায়ী দেওয়ান মুরাদ হোসেনকে ঋণের গ্যারান্টর করেন।

কিন্তু ২০১১ সালে এই ঋণটি খেলাপি ঋণে পরিণত হয়। তখন একে আলী ট্রেডার্সের কাছে সুদ-আসলে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ১৯ কোটি টাকা। ব্যাংক এই খেলাপি ঋণ আদায়ে গাজীপুর অর্থ ঋণ আদলতে মামলা করে। ওই মামলায় আলী রেজা শাওনকে করা হয় মূল বিবাদী। পাশাপাশি গ্যারান্টর দেওয়ান মুরাদ হোসেনকেও বিবাদী করা হয়।

২০১৫ সালে আদালত এক রায়ে বন্ধক রাখা সম্পত্তি নিলামে তুলে বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের নির্দেশ দেন। এরপর ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী নিলাম ডাকে। কিন্তু কোনো বিডার না পেয়ে ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা সম্পত্তি দখলে নেয় ব্যাংক। সেখান থেকে ব্যাংকের পাওনা টাকার মাত্র অর্ধেক উঠে আসে।
এরপর ব্যাংক বাকি পাওনা আদায়ে নির্দেশনা চেয়ে জুন মাসে আবার আদালতে আবেদন করে। আদালত গ্যারান্টরের সম্পত্তি—একটি অটো রাইস মিল ও একটি রেস্ট হাউস—বিক্রি করে বাকি পাওনা টাকা আদায়ে ডিক্রি জারি করেন।

কিন্তু ওই নিলাম আদেশ স্থগিত করার জন্য গ্যারান্টর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০১৬ সালে হাইকোর্ট ওই নিলাম কার্যক্রমের ওপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন।
ওই বছরই ব্যাংক হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ-টু-আপিল দায়ের করলে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন এবং আপিলটি প্রধান বিচারিপতির নেততৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন।

সেই আপিল এ বছরের জানুয়ারি মাসে নিষ্পত্তি করে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বাতিল করে রায় ঘোষণা করেন।

#আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণ

পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত বলেন, অর্থ ঋণ আদালত আইন ২০০৩ অনুযায়ী কোনো গ্যারান্টরের সম্পত্তি নিলামে তুলে ব্যাংকের পাওনা সমন্বয় করতে কোনো বাধা নেই।
রায়ে বলা হয়, অর্থ ঋণ আদালত আইন ২০০৩-এর ৬(৫) ধারার ক্ষমতাবলে মূল ঋণগ্রহীতা ঋণখেলাপি হলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ওই ঋণের গ্যারান্টরের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।
এতে বলা হয়, আদালতের দেওয়া রায়, আদেশ বা ডিক্রি সব বিবাদীর বিরুদ্ধে যৌথভাবে ও পৃথক পৃথকভাবে কার্যকর হবে।
ডিক্রি জারির মাধ্যমে দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে মূল খেলাপির সম্পত্তি এবং তারপর যতটা সম্ভব গ্যারান্টরের সম্পত্তি সংযুক্ত করবেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গ্যারান্টর যদি বাদীর পক্ষে ডিক্রির দাবি পরিশোধ করে, তবে উল্লিখিত ডিক্রি যথাক্রমে তাদের অনুকূলে স্থানান্তর করা হবে এবং তারা খেলাপির বিরুদ্ধে সেটি প্রয়োগ করতে পারবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রায়ে।
আপিল বিভাগ রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, এরকম বিষয়ে অনেকসময় হাইকোর্টকে ভুল বুঝিয়ে গ্যারান্টর বা ঋণ খেলাপিরা নিজেদের পক্ষে আদেশ নেয়। আর হাইকোর্ট অনেকসময় আইনের ‘মূল স্পিরিট’ বুঝতে ব্যর্থ হন।
এরকম বিষয়ে রিট হলে হাইকোর্টকে সাবধানতার সঙ্গে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

#গ্যারান্টররা বিপাকে যে কারণে:

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের বিপরীতে জামানত হিসাবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই জামিনদার বা গ্যারান্টর হিসাবে এক বা একাধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। ঋণ খেলাপি হলে গ্যারান্টরের ওপরও দায় বর্তায় ঋণ পরিশোধের জন্য। আর সেজন্যই ঋণ না নেওয়া সত্ত্বেও গ্যারান্টররাও ঋণখেলাপি হয়। আর তাই ঋণ খেলাপি হলে ঋণ আদায়ের জন্য কেবল ঋণগ্রহীতা নয়, গ্যারান্টরের বিরুদ্ধেও মামলা করার বিধান রয়েছে বিদ্যমান অর্থ ঋণ আদালত আইনে।

গ্যারান্টরদের যত রিট:

সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ বছরে গ্যারান্টররা তাদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনা সমন্বয় করার বিরুদ্ধে ১৩ হাজার ৬৪১টি রিট দায়ের করেছে। দায়ের হওয়া রিটগুলোর সঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণ জড়িত। আর এসব রিটের মধ্যে ৮০ শতাংশ আদেশ গেছে রিটকারীদের পক্ষে।

২০২২ সালে গ্যারান্টররা ৩ হাজার ১৪৪টি রিট পিটিশন দায়ের করে, যার মূল মামলার সঙ্গে জড়িত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে এমন পিটিশনের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮৬২টি, যার মূল মামলার সঙ্গে জড়িত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
আর ২০২০ সালে পিটিশন ছিল ২ হাজার ১১৩টি, যার মূল মামলার সঙ্গে জড়িত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে গ্যারান্টররা ২ হাজার ৯৭৬টি রিট পিটিশন করে, যার মূল মামলার সঙ্গে জড়িত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। আর ২০১৮ সালে সংখ্যাটি ছিল ২ হাজার ৫৪৬, যার মূল মামলার সঙ্গে জড়িত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা।

কী হবে এসব রিটের:

আপিল বিভাগের রায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, গ্যারান্টরদের নতুন যেকোনো রিট হাইকোর্ট যাতে সাবধানতার সঙ্গে শুনানি করেন এবং আদেশ দেন। আর পুরনো রিটগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চগুলোকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঋণ খেলাপিরা নানা কৌশলে হাইকোর্টে এসে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) তালিকা থেকে নাম কাটার জন্য রিট করত। আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক রায়টির ফলে এখন সেটি প্রায় বন্ধ। নিলাম ঠেকাতে গ্যারান্টরদের যেসব রিট এখনও হাইকোর্টে পেন্ডিং আছে, আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী সেগুলো খারিজ হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

#অর্থ_ঋণ_আদালতে যত গ্যারান্টর মামলার ফাঁদে:

প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায় করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়ের করা প্রায় ৭২ হাজার মামলা দেশের বিভিন্ন অর্থ ঋণ আদালতে এখন পর্যন্ত পেন্ডিং রয়েছে।
ঢাকায় চারটি অর্থ ঋণ আদালতে চলমান মামলা প্রায় ২৬ হাজার। এসব মামলায় ‘গ্যারান্টর’ বিবাদী হিসেবে রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার জন। ঢাকার আদালতে এসব মামলার সঙ্গে জড়িত প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: LawyersClub

06/06/2022

‘একজন লুঙ্গি পরা গ্রাহককেও স্যার বলতে হবে’ বলে এবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালের উদ্দেশে মন্তব....

হাইকোর্টে এর যুগান্তকারী রায়
03/09/2020

হাইকোর্টে এর যুগান্তকারী রায়

স্বামীর রেখে যাওয়া কৃষি জমিতে হিন্দু বিধবা নারীর অধিকার রয়েছে বলে একটি রিভিশন মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছ.....

11/06/2020
09/05/2020
17/01/2020

চেক ডিজঅনারের (চেক প্রত্যাখ্যান) মামলায় অপরাধীকে সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা...

07/01/2020

আদালতের ব্যতিক্রমী রায়: কারাগারে নয়, বাড়িতেই সাজা খাটবেন আসামি

আদালত কারাদণ্ডের আদেশ হয়েছে— কিন্তু অভিযুক্ত আসামিকে এজন্য যেতে হবে না কারাগারের চার দেয়ালের ভেতর, সাজা খাটবেন তিনি নিজের বাড়িতেই। এমন অভিনব এক রায় দিয়েছে পার্বত্য জেলার একটি আদালত।
গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) খাগড়াছড়িতে এমন অভিনব রায় দিয়েছেন জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (প্রথম আদালত) মো. সামিউল আলম।
এতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে পুরো খাগড়াছড়িজুড়েই। সমাজসেবা অধিদফতরের ‘প্রি-সেন্টেন্স’ প্রতিবেদন অনুযায়ী ‘দ্য প্রবেশন অব অফেন্ডারস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬০’-এর আওতায় দণ্ড পাওয়া আসামিকে পাঠানো হয়েছে তার নিজের বাড়িতে।
অভিনব হলেও এমন রায় আইনসম্মত— বলছেন আইনজীবীরা। তারা বলছেন, এমন রায়ের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কারাগারে গিয়ে অপরাধীদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থেকে আদালতের দেওয়া শর্ত মেনে নিজেকে সংশোধন করে নিতে পারবেন।
খাগড়াছড়ি আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আকতার উদ্দিন মামুন রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিচারক সামিউল আলম শুধু প্রবেশন সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করেননি, তিনি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জেলখানার অপরাধীদের সংস্পর্শ থেকে বাঁচিয়েছেন।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা উপজেলার লাম্বাছড়া গ্রামের আবদুর রহমান মিয়াকে মারধর করেছিলেন তার প্রতিবেশী আবদুস সামাদ। এ ঘটনায় সামাদকে আসামি করে ওই বছরের ১ মার্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন আবদুর রহমান। এর প্রায় আট মাস পর ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মামলায় সাক্ষ্য দেন ছয় জন। একবছরেরও বেশি সময় পরে সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২ জানুয়ারি মামলার রায় ঘোষণা করেন খাগড়াছড়ি জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (প্রথম আদালত) মো. সামিউল আলম। রায়ে বিচারক আসামিকে ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন। তবে এই কারাদণ্ডাদেশ ভোগের জন্য আসামি সামাদকে কারাগারে যেতে হচ্ছে না। ছয় মাসের কারাদণ্ড তিনি কাটাবেন নিজের বাড়িতেই। আর এজন্য মানতে হবে ১১টি শর্ত।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শাহীন হোসেন জানান, আসামিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিলেও বিচারক তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে কারাদণ্ড স্থগিত রেখে সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে ‘প্রি-সেন্টেন্স রিপোর্ট’ তলব করেন। পরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তা কৃতি বিজয় চাকমা ২ জানুয়ারি আসামি মো. আবদুস সামাদের অপরাধ ‘দ্য প্রবেশন অব অফেন্ডারস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬০’-এর ৪(১) ধারা অনুযায়ী পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় প্রবেশনযোগ্য মতামত দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দেন। প্রতিবেদন গ্রহণ করে বিচারক কারাদণ্ডের ছয় মাস মেয়াদে আবদুস সামাদকে ১১ শর্ত মেনে বাড়িতেই থাকার নির্দেশনা দেন।
এর আগে গত বছরের ১০ এপ্রিল সুনামগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এক রায়ে ১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া এক আসামিকে কারাগারের বদলে বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকার সাজা দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালে বিভিন্ন মামলায় কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া ১২ আসামিকে কারাগারের বদলে বাড়িতে থেকে সংশোধন হওয়ার সুযোগ দেন রাজশাহীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যতিক্রমী আইনটিতে যা আছে
প্রয়োগের নজির তেমন না থাকলেও প্রবেশন অর্ডিন্যান্স আগে থেকেই আছে। সুপ্রিম কোর্টের জে-০১/২০১৯ নম্বর সার্কুলারে বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করেই এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট আইনটি কার্যকর করতে সারাদেশের বিচারকদের নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেন। পরিপত্রে বলা হয়, প্রবেশন মঞ্জুর করার সময় সংশ্লিষ্ট বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে প্রবেশন কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এই আইন অনুযায়ী কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা না হলে আদালত তার যৌক্তিক কারণ লিখিত আকারে রাখবেন।
দ্য প্রবেশন অব অফেন্ডারস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬০-এর ৪ ধারায় বলা আছে, যারা এর আগে কখনো দণ্ড পেয়েছে বলে প্রমাণিত নয় কিংবা দুই বছরের বেশি মেয়াদে কখনো দণ্ড পায়নি, তাদের ক্ষেত্রে প্রবেশন ধারাটি প্রযোজ্য হতে পারে। আসামির বয়স, চরিত্র, পূর্ব ইতিহাস কিংবা শারীরিক অথবা মানসিক অবস্থা এবং অপরাধের ধরণ বা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে বিচারক এই ধারা প্রয়োগ করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সাজার মেয়াদে কারাগারে না থেকে মুক্তভাবেই বিচরণ করতে পারবেন আসামি। তবে এই মেয়াদের মধ্যে তিনি আর কোনো অপরাধ করতে পারবেন না এবং তাকে সদাচরণ করতে হবে। এছাড়াও বিচারক তাকে এই মেয়াদের জন্য বিভিন্ন শর্ত আরোপ করতে পারেন। শর্ত ভঙ্গ করলে তাকে ফের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।

Courtesy : LawyersclubBangladesh

বিদেশ প্রবাস থেকে স্ত্রী কে তালাক দেবেন যেভাবে ------বিদেশ থেকে স্ত্রীকে তালাক প্রদান করতে হলে দেশে কোন নিকটাত্মীয় কিংবা...
08/10/2019

বিদেশ প্রবাস থেকে স্ত্রী কে তালাক দেবেন যেভাবে ------

বিদেশ থেকে স্ত্রীকে তালাক প্রদান করতে হলে দেশে কোন নিকটাত্মীয় কিংবা বিশ্বস্ত কাউকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করতে হবে। এ তালাক প্রদানের ক্ষমতা হচ্ছে পাওয়ার অব এ্যাটর্নী বা আমমোক্তারনামা। এটি হচ্ছে একটি আইনগত দলিল। ষ্ট্যাম্প এ্যাক্ট ১৮৯৯ এর ২(২১) উপ ধারা অনুসারে যে দলিল দিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অপর কোনো ব্যক্তির পক্ষে হাজির হয়ে যে সকল কার্যাবলী সম্পাদন করার ক্ষমতা দেয়া হয় তাকে আমমোক্তারনামা দলিল বলে। এ ক্ষেত্রে যাকে আমমোক্তার নিয়োগ করা হলো তিনি আপনার পক্ষে আপনার স্ত্রীকে তালাক প্রদানের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করবেন। তবে আমমোক্তারনামা দলিলে স্পষ্ট করে লেখা থাকতে হবে যাকে পাওয়ার বা ক্ষমতা দেওয়া হলো তিনি শুধু তালাক কার্যাবলী সম্পাদন করতেন পারবেন। এবার আপনার করণীয়সমূহ নিম্নরূপ :

প্রথমতঃ দেশে অবস্থিত কোন আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন
দ্বিতীয়তঃ আইনজীবীর মাধ্যমে তালাকের নোটিশটি প্রস্তত করুন
তৃতীয়তঃ আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আমমোক্তারনামা প্রস্তুত করুন
চতুর্থতঃ আমমোক্তার নামাটি এবং তালাকের নোটিশটি আপনার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন
পঞ্চমতঃ আমমোক্তার নামাটি যখন আপনার কাছে পৌঁছাবে আপনি সেখানে স্বাক্ষর করবেন এবং তালাকের নোটিশেও আপনি স্বাক্ষর করবেন। তবে এ কাজটি করতে হবে বিদেশী নোটারী পাবলিক, আদালতের বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা বাংলাদেশ দুতাবাসের বাণিজ্যদুত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির সম্মুখে। এবং তার দ্বারা মোক্তারনামাটি প্রত্যায়ন করে পাঠাতে হবে এবং নিজ দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তা সত্যায়িত করাতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে স্ট্যাম্পযুক্ত হতে হবে।
সহজ করে বলতে গেলে মোক্তারনামা বিদেশ থেকে মুসাবিদা করে দেশে পাঠানো যায় আবার দেশে কোনো আইনজীবী দিয়েও ইংরেজিতে মুসাবিদা করিয়ে বিদেশে আমমোক্তারদাতার কাছে পাঠানো যায়। তবে দেশ থেকে ড্রাফটিং করে বিদেশে পাঠানো ভালো। দ্বিতীয়ত, যে দেশে ফরেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদিত হবে সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলারের সামনে দাতা স্বাক্ষর করবেন এবং কনস্যুলার কর্তৃক তা সত্যায়িত হওয়ার পর আমমোক্তারদাতা তার ক্ষমতা আমমোক্তার গ্রহীতা বা অ্যাটর্নির বরাবরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেবেন। তৃতীয়ত, আমমোক্তার সাহেব ওই পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পাওয়ার পর তা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সহকারী সচিব বা কনস্যুলার থেকে সত্যায়িত করে নেবেন।

ষষ্ঠতঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমমোক্তারনামাটি সত্যায়িত হওয়ার পর তা জেলা প্রশাসকের রাজস্ব কার্যালয়ে জমা দিয়ে ২০০ টাকার স্ট্যাম্প লাগাতে হবে এবং সেখানে আমমোক্তারনামা দলিলের ওপর একটি নাম্বার ও তারিখ পড়বে। এরকম বিদেশি আমমোক্তারনামার সঠিকতা যাচাই করতে হলে জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কার্যালয়ে গিয়ে ওই নাম্বার দিয়ে যাচাই করে নেয়া যায়।
এরপর আমমোক্তারদাতা ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের ৭(১) ধারার বিধান অনুযায়ী বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর পক্ষে স্ত্রী যে এলাকায় বসবাস করছেন সে এলাকার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/সিটি কর্পোরেশন মেয়রকে ওই তালাকের নোটিশ রাষ্ট্রীয় ডাকযোগে এডি সহযোগে প্রেরণ করবেন। সেই সাথে তালাক গ্রহীতাকে উক্ত নোটিশের নকল প্রদান করতে হবে। এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, তালাকের নোটিশটি কত সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে। আইনে বলা আছে তখনই/ পরবর্তী সময়ে/ যথাশীঘ্রই সম্ভব। এরপর আপনার তালাকের মেয়াদ শুরু হয়ে যাবে। তার ৯০ দিন পর আপনার তালাকটি কার্যকর হবে।

তবে নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই যদি তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী অন্য কারও সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, তাহলে উক্ত বিয়ে অবৈধ বলে গণ্য হবে। (সৈয়দ আলী নেওয়াজ বনাম কর্ণেল মোঃ ইউসুফ, ১৫ ডি.এল.আর. (আপিল বিভাগ) পৃষ্ঠা-৯)। কারণ তালাক সম্পূর্ন কার্যকরী না হওয়া পর্যন্ত পক্ষগন আইনসম্মতভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবেই থেকে যায়। (শফিকুল ইসলাম এবং অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র, ৪৬ ডি.এল.আর. পৃষ্ঠা ৭০০)। এই ৯০ দিন পর্যন্ত স্বামী তার স্ত্রী কে ভরণপোষণও দিতে বাধ্য।

নির্ধারিত নিয়ম ও সময়ান্তে প্রদত্ত একটি তালাক যদি কার্যকর হয়, তখনই কেবল তা রেজিস্ট্রি করার সুযোগ আসবে।
--Copied--

খুবই মর্মান্তিক কাহিনী
02/10/2019

খুবই মর্মান্তিক কাহিনী

গত ২৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনা। সেদিন দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর শাহ মখদুম থানায় এসেছিলেন রাজশাহী মহিলা কলেজের এইচএসসি

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২...
12/05/2019

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২ ব্র্যান্ডের পণ্য জব্দ, ধ্বংস ও পণ্য উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার দুপুরে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

যেসব পণ্য প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো-

১. তীর ব্র্যান্ডের সরিষার তেল

২. জিবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল

৩. পুষ্টির সরিষার তেল

৪. রূপচান্দার সরিষার তেল

৫. সান ব্র্যান্ডের চিপস

৬. আরা ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার

৭. আল সাফি ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার

৮. মিজান ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার

৯. মর্ণ ডিউ ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার

১০. ডানকানের ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার

১১. আর আর ডিউ ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার

১২. দিঘী ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার

১৩. প্রাণের লাচ্ছা সেমাই

১৪. ডুডলি ব্র্যান্ডের নুডলস

১৫. টেস্টি তানি তাসকিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডার

১৬. প্রিয়া সফট ড্রিংক পাউডার

১৭. ড্যানিশ ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া

১৮. প্রাণের হলুদের গুড়া

১৯. ফ্রেস ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া

২০. এসিআই পিওর ব্র্যান্ডের ধনিয়া গুড়া

২১. প্রাণ ব্র্যান্ডের কারী পাউডার

২২. ড্যানিস ব্র্যান্ডের কারী পাউডার

২৩. বনলতা ব্র্যান্ডের ঘি

২৪. পিওর হাটহাজারির মরিচের গুড়া

২৫. মিষ্টিমেলার লাচ্ছা সেমাই

২৬. মধুবনের লাচ্ছা সেমাই

২৭. মিঠাই এর লাচ্ছা সেমাই

২৮. ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই

২৯. এসিআইয়ের আয়োডিনযুক্ত লবণ

৩০. মোল্লা সল্টের আয়োডিনযুক্ত লবণ

৩১. কিং ব্র্যান্ডের ময়দা

৩২. রূপসা ব্র্যান্ডের দই

৩৩. মক্কা ব্র্যান্ডের চানাচুর

৩৪. মেহেদি ব্র্যান্ডের বিস্কুট

৩৫. বাঘাবাড়ী স্পেশালের ঘি

৩৬. নিশিতা ফুডসের সুজি

৩৭. মধুযুলের লাচ্ছা সেমাই

৩৮. মঞ্জিল ফুডের হুলুদের গুড়া

৩৯. মধুমতি ব্র্যান্ডের আয়োডিন যুক্ত লবণ

৪০. সান ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া

৪১. গ্রীনলেনের মধু

৪২. কিরণ ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই

৪৩. ডলফিন ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া

৪৪. ডলফিন ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া

৪৫. সূর্য ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া

৪৬. জেদ্দা ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই

৪৭. অমৃত ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই

৪৮. দাদা সুপারের আয়োডিন যুক্ত লবণ

৪৯. তিনতীরের আয়োডিনযুক্ত লবণ

৫০. মদিনা, স্টারশীপের আয়োডিনযুক্ত লবণ

৫১. তাজ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ

৫২. নূর স্পেশালের আয়োডিন যুক্ত লবণ

Address

33 Kader Arked, 6th Floor( Opposite Teachers Training College), Dhanmondi
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when K And K Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share