15/09/2026
আয়েশা (রা.)-এর কোনো সন্তান ছিল না।
মারিয়াম (আ.)-এর কোনো জীবনসঙ্গী ছিল না।
ফাতিমা (রা.)-কে আর্থিক অনটনের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
আসিয়া (আ.) ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ব্যক্তির সাথে জীবন কাটিয়েছিলেন।
খাদিজা (রা.) ৪০ বছর বয়সে তাঁর শ্রেষ্ঠ জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছিলেন।
আর আল্লাহ তাআলা তাঁদের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নারী হিসেবে মনোনীত করেছেন।
এই কথাগুলোর সবচেয়ে সুন্দর শিক্ষা হলো—আল্লাহ কারও জীবনকে আমাদের মাপকাঠিতে বিচার করেন না। কারও জীবনে সন্তান না থাকা, কারও একাকীত্ব, দারিদ্র্য, কঠিন দাম্পত্য বা দেরিতে জীবনসঙ্গী পাওয়া—এসবের কোনোটিই আল্লাহর কাছে একজন নারীর মর্যাদা কমিয়ে দেয় না।
বরং কখনো কখনো যে জীবনটা বাইরে থেকে অসম্পূর্ণ মনে হয়, সেটাই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন হয়ে ওঠে।
তাই নিজের জীবনের কোনো অপূর্ণতা দেখে নিজেকে ব্যর্থ ভাবার দরকার নেই।
তাই ধৈর্য ধরো, দোয়া করে যাও, আর নিজের জীবনের সঙ্গে অন্যের জীবনের তুলনা করা বন্ধ করো।
তোমার সময়, তোমার পরীক্ষা, তোমার রিজিক—সবকিছুরই আল্লাহর কাছে নির্দিষ্ট সময় আছে।
হয়তো তোমার “কেন?”-এর উত্তরটা এখনো আসেনি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আল্লাহ তোমাকে ভুলে গেছেন।
Collected.........