Tax & Legal Care Consultancy

Tax & Legal Care Consultancy Law Firm in Bangladesh.

We are capable of meeting the demands of the growing world of divergent legal , Individual And Corporate Income Tax issues and maintain high professional standards.

25/07/2020

কাজী ফয়েজুর রহমান:

দেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। উচ্চচর বিচার বিভাগ তথা সুপ্রিম কোর্ট এবং অধস্তন বিচার বিভাগ বা নিম্ন আদালতসমূহ। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আবার রয়েছে দুইটি বিভাগ। একটি উচ্চ আদালত বা হাইকোর্ট এবং অপরটি আপীল বিভাগ। এছাড়া অধস্তন আদালতের মধ্যে দেওয়ানি, ফৌজদারি ও ট্রাইব্যুনাল এই তিন ধরণের আদালত রয়েছে। বিচারিক এখতিয়ারের ওপর ভিত্তি করে অধস্তন আদালতসমূহ আবার নানা ভাগে বিভক্ত।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠভাগে বিচার বিভাগের ধরণ ও এখতিয়ার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এ ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ অর্থাৎ আপীল বিভাগ ও হাইকোর্টের বিচারিক ক্ষমতা, আদালত পরিচানলায় প্রশাসনিক বিধি প্রণয়ন, বিচারক নিয়োগ পদ্ধতি, বিচারকের ক্ষমতা ও উক্ত পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা আছে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পরিচ্ছেদে যথাক্রমে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল বিষয়ে বলা আছে।


আদি সংবিধান অনুযায়ী অধস্তন আদালতসমূহ তত্ত্বাবধায়ন ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হাইকোর্টের। যদিও পরবর্তীতে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীতে ‘আদালত’ শব্দটি ‘আদালত ও ট্রাইব্যুনাল’ শব্দগুলো দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। হাইকোর্টের সহজ বাংলা ‘উচ্চ আদালত’ সকলেরই জানা। সংবিধানে সুপ্রিম কোর্টকে সর্বোচ্চ আদালত বলা হলেও হাইকোর্টের বাংলা হিসেবে উচ্চ আদালত ব্যবহার করা হয়নি। তবু হাইকোর্টের বদলে উচ্চ আদালত ব্যবহারে কোন দ্বিমত নাই। কিন্তু সংবিধানে স্পষ্টভাবে হাইকোর্টের অধীনস্ত আদালতসমূহকে অধস্তন আদালত বলা হলেও গণমাধ্যমে সংবাদের ক্ষেত্রে নিম্ন আদালত ব্যবহার নিয়ে আইনজীবী, আইন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই দ্বিমত পোষণ করেন। যুক্তি হচ্ছে যেহেতু সংবিধানে ও আইনে সুস্পষ্টভাবে ‘অধস্তন আদালত’ বলা আছে সেহেতু ‘অধস্তন’ এর স্থলে ‘নিম্ন’ শব্দটি ব্যবহার করা অগ্রহণযোগ্য এবং আইনসম্মত নয়।

পাঠক এ পর্যায়ে চলুন ‘অধস্তন’ শব্দের অর্থ কি তা জেনে নেওয়া যাক। ‘অধস্তন’ একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ অধীন, নিম্ন, অবর, অপ্রধান, অধঃস্থ। মাঝে মাঝে ছোট বোঝাতেও অধস্তন শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সে অর্থে উচ্চ আদালতের অধীনে থাকা আদালতসমূহকে নিম্ন আদালত বলতে বাধা নাই। অন্তত বাংলা ভাষাতে নাই।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যদি নিম্ন আদালত বলা যেত তবে সংবিধানে কেন অধস্তন ব্যবহার করা হয়েছে? এর উত্তর হচ্ছে প্রথমত ভাষাগত মাধুর্যতা বজায় রাখতে কিংবা সংবিধান প্রণয়নকারীদের নিম্ন এর বদলে অধস্তন শব্দটি রুচিসম্মত কিংবা বেশি পছন্দ হয়ে থাকতে পারে।


কেউ আবার বলতে পারেন সুপ্রিম কোর্টের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালত ব্যবহার করা হয়েছে সে অনুযায়ী অধস্তনকে নিম্ন আদালত বলা গেলে সেটা উল্লেখ নাই কেন? এ প্রশ্নের জবাবে বলতে চাই হাইকোর্টের পরিবর্তে সংবিধানের কোথাও উচ্চ আদালত ব্যবহার করা না হলেও হাইকোর্টের বদলে ‘উচ্চ আদালত’ শব্দটি ব্যবহার সর্বজন স্বীকৃত। এছাড়া সংবিধান দেশ পরিচালনার ব্যাকরণ, ভাষা ব্যাকরণ নয় যে সমার্থক শব্দের সমাহার থাকবে।

এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হচ্ছে, কোন ব্যক্তি মারা গেলে, মৃত্যুর সংবাদে না ফেরার দেশ, দেহত্যাগ, ইন্তেকাল, মৃত্যুবরণ, পরলোকগমন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এখন যদি না ফেরার দেশ আবার কি? এই দেশ কোথায় অবস্থিত? স্বাধীন নাকি পরাধীন? জাতীয় পতাকা আছে না নাই? থাকলে রং কি? তাদের ভাষা কি? সেখানে গিয়ে মানুষ কি করে? জাতীয় প্রশ্ন করলে প্রতিউত্তরে প্রশ্নকর্তার নিকট পাল্টা প্রশ্নে জানতে চাওয়া হবে আপনি কি পাগল? অথবা ছেলেমানুষি করছেন কেন? আবার দেখুন মৃত্যুকে কেউ বরণ করে? নববর্ষ, বধূবরণ ঠিক আছে, মৃত্যুকে কে বরণ করতে চায়?

এমন হাজার স্বীকৃত সমার্থক শব্দ নিয়ে অনর্থক আলোচনা হতে পারে। তাতে কোন ফায়দা হবে না। শব্দ হয় ব্যাকরণ সম্মত। আইন সম্মত শব্দ হয়না। আইনের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহত শব্দকে এক দৃষ্টিতে হয়তো আইনি শব্দ বা পরিভাষা বলা যেতে পারে কিন্তু উক্ত শব্দের সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা অগ্রহণযোগ্য কিংবা বে-আইনি বলা যাবে কি?

কাজী ফয়েজুর রহমান: বার্তা সম্পাদক; ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডটকম।

18/04/2019

নুসরাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের আইনি সহায়তা না দেয়ার জন্য শপথ নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। একই সঙ্গে নুসরাত, তনুসহ সারাদেশের যৌন নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামিদের আইনি সহযোগিতা করবে না বলে মানববন্ধনে শপথ নেন আইনজীবীরা।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির চত্বরে বুধবার (১৭ এপ্রিল) আইনজীবী রাইটার্স ফোরামের পক্ষে আয়োজিত মানববন্ধনে এ শপথ করেন তারা।

অনুষ্ঠানে নুসরাতের ঘটনায় জড়িতদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকেও আসামি করার দাবি তোলেন আইনজীবীরা। তারা বলেন, এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় জড়িত আসামিদের রাজধানীর মুক্তমঞ্চে জনতার সামনে হত্যা করা হোক- যাতে এমন নির্মম আচরণ কোনো নারীর সঙ্গে করার সাহস না পায়।

আইনজীবীরা বলেন, আমরা নারী নির্যাতন আইনের সঠিক প্রয়োগ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি, আমার বোন, আমার মেয়ে নাতনিসহ পরবর্তী প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার জন্য। কারণ নারী নির্যাতন ইভটিজিং, যৌন হয়রানি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে নারীরা কোথাও নিরাপদ নয়। এমনকি নারীরা প্রথমে নিজের ঘর থেকেই নিগৃহীত হয়ে নির্যাতনের শিকার হয়।

নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার সঙ্গে সঙ্গে ওই থানার ওসি অভিযোগ না নিয়ে নুসরাতকে হয়রানি করেছিল তাকে মামলায় আসামি হিসেবে চার্জশিটভুক্তের দাবি তোলেন তারা।

আইনজীবীরা বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নোটিশ করা ছাড়া আর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি সিরাজ উদ দোলাকে সহযোগিতাকারী ওসির বিরুদ্ধে।

এই পুলিশ অফিসারকে চাকরি থেকে বহিষ্কার ও শাস্তির দাবি তুলে আইনজীবীরা বলেন, দেশে বহু মেধাবী ভালো চরিত্রের শিক্ষার্থী রয়েছে তাদের এই ওসির জায়গায় চাকরির ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি। এতে দেশে অপরাধীর সংখ্যা কমবে, তার মতো কুচক্রী ওসিও আর সরকারি চাকরিতে থাকবে না।

মানববন্ধনে নুসরাত, তনুসহ সারাদেশের যৌন নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামিদের আইনি সহযোগিতা করবে না বলে শপথ নেন আইনজীবীরা। পাশাপাশি আইনের শাস্তির বিধান থাকলেও আসামিদের বিরুদ্ধে সঠিক ও কার্যকর শাস্তি না হওয়াই দেশজুড়ে তনু ও নুসরাতের মতো মেয়েরা ধর্ষিতা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মানববন্ধনে অ্যাডভোকেট সাহিদা বেগমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট কাজী সাজোয়ার হোসেন, সাবেক জেলা জজ বদরুল ইসলাম, সুরাইয়া বেগম, আঞ্জুমান আরা বেগম, রেবেকা সুলতানা ও আব্দুল খালেক।

28/03/2019

চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের সকলেরই কিছু না কিছু ধারনা থাকা উচিত।

কেননা এ আইনে মামলা দায়েরের পদ্ধতি একটু ভিন্ন । আমাদের দেশে চেক ডিজঅনারের মামলার পদ্ধতি সম্পর্কে বহু ভুল ধারণা রয়েছে। ফলে দেখা যায় পদ্ধতিগত কারণে অনেকের মামলার অধিকারই নষ্ট হয়ে যায়। চেকের মামলা করতে ৩ (তিন) বার চেক ডিজঅনার করাতে হয় মর্মে একটি ভুল ধারণা আমাদের দেশে সর্বসাধারণে প্রচলিত রয়েছে। । এটা একটা প্রচলিত নিয়মে পরিনত হয়েছে। যা একটা অত্যন্ত ভুল পরামর্শ। প্রকৃত পক্ষে আইনে এ ধরণের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এ ব্যাপারে এন.আই এ্যাক্টের বিধান মতে চেক ৬ মাসের মধ্যে যেদিন ডিজঅনার হবে সে দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে লিগ্যাল ডিমান্ড নোটিশ প্রদানের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ কোন ব্যক্তি যদি তার কোন ঋণ বা দায় হতে অব্যাহতি পেতে তার ব্যাংক একাউন্ট হতে পাওনাদার ব্যক্তিকে কোন পরিমাণ টাকা প্রদানের জন্য চেক কাটেন বা ইস্যু করেন কিন্তু চেকটি নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করা হলে ব্যাংক কর্তৃক চেকটি ডিজঅনার হয়ে ফেরত আসে তাহলে নেগোশিয়েবল ইনষ্ট্রুমেন্ট এ্যাক্টের ১৩৮ ধারার বিধান অনুযায়ী দেনাদারের বিরুদ্ধে ফৌজদারী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সরাসরি মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়। ১৪০ ধারায় ফার্মের অংশীদার ও কোম্পানীর সংশ্লিষ্ট পরিচালকগণ চেক প্রতারণার মামলায় আসামী হবেন।
চেক ডিজঅনারের মামলায় কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়:-
চেকের মেয়াদ: চেকে প্রদত্ত তারিখ হতে এর মেয়াদ ৬ (ছয়) মাস। এ ছয় মাসের মধ্যে কমপক্ষে একবার কিংবা সুষ্পষ্ট কারণে একাধিকবার উক্ত চেক নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করা যেতে পারে। নূন্যতম ১ বার ডিজঅনার হওয়ার কথা বলা হয়েছে বেশী কতবার তা সীমা বর্ণিত না হলেও ৬ মাসের মধ্যে যতবার ইচ্ছা করা যায়। তবে এর যথেষ্ঠ কারণ থাকতে হবে। কোন অজুহাত ছাড়া বার বার চেক ডিজঅনার করা যাবে না।
যে দিন চেকটি ডিজঅনার হয়েছে সে তারিখ থেকে বা সর্বশেষ ডিজঅনারের তারিখ থেকে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারী ব্যক্তি বা ফার্মকে চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ফেরৎ রশিদ সহ রেজিষ্ট্রার্ড লিগ্যাল ডিমান্ড নোটিশ প্রদান করতে হবে।
ধারকের পক্ষে তার আইনজীবী কিংবা চেকটির ধারক (হোল্ডার) নিজেও উক্ত নোটিশ দিতে পারেন। তবে এখানে সতর্ক থাকতে হবে যেন নোটিশটির আইনগত ত্র“টি না থাকে। কেননা এটি পরবর্তীতে মামলা দায়েরের ভিত্তি হবে। তাই চেকের মামলা সম্পর্কে অভিজ্ঞ আইনজীবী হতে পরামর্শ গ্রহণ করা উত্তম। বর্তমান সংশোধিত বিধান মতে ৩ ভাবে নোটিশ দেয়া যায়- (১) সরাসরি নোটিশ হস্তান্তরের মাধ্যমে (২) রেজিঃ ডাক যোগে লিখিত নোটিশ (৩) দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে। নোটিশে চেকের উল্লেখিত টাকা পরিশোধের জন্য চেক প্রদানকারী ব্যক্তি কিংবা ফার্মকে নোটিশ প্রাপ্তির দিন হতে টাকা আদায়ের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিতে হবে। দেনাদারের সর্বশেষ জানা সঠিক ঠিকানায় নোটিশ দিলে তা প্রাপক গ্রহণ না করলে, ফেরত আসলে/ প্রত্যাখান করলে তাতে মামলার কোন ক্ষতি হবে না। তবে আইনের বিধান হচ্ছে লিখিতভাবে নোটিশ দিতেই হবে এবং নোটিশে প্রাপককে টাকা আদায়ের জন্য নোটিশ প্রাপ্তির দিন হতে ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিতে হবে। এর আগে মামলা করা যাবে না। নোটিশ গ্রহণ বা প্রত্যাখানের দিন থেকে উক্ত সময় গননা হবে।
নোটিশটি গৃহীত কিংবা প্রত্যাখান হওয়ার তারিখ হতে ১(এক) মাস অতিবাহিত হওয়ার পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সি,আর, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
১৩৮ ধারার সীমাবদ্ধতা: নেগোশিয়েবল ইনষ্ট্রুমেন্ট এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারা শুধু মাত্র ব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতারণার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। চেক ডিজঅনারের মামলায় সঠিক সময়ে চেক ডিজঅনার না করা, সঠিক সময়ে নোটিশ প্রেরণ না করা ও সঠিক সময়ে আদালতে নালিশ দায়ের না করায় মামলাটি প্রাথমিকভাবে খারিজ হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ বিজ্ঞ আদালত মামলাটি এ সকল কারণে আমলে গ্রহণ না করতে পারেন। নেগোশিয়েবল ইনষ্ট্রুমেন্ট এ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলায় উল্লেখিত সময় বা দায়েরের মেয়াদ কোন অবস্থাতেই কিংবা যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখিয়ে হ্রাস বৃদ্ধি করা যায় না।
১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনারের মামলায় অপরাধীর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ এক বৎসর মেয়াদের যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ড অথবা চেকে বর্ণিত অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত পরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ড প্রদান।

সংগৃহীত

Address

Road 9 Mirpur Dohs
Dhaka
1216

Telephone

+8801554331885

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax & Legal Care Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Tax & Legal Care Consultancy:

Share

Category