Juris Lab

Juris Lab It's an official page of Juris Lab.

*পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা *                           ঈদ মোবারক 🌙🌙🌙
10/04/2024

*পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা *
ঈদ মোবারক 🌙🌙🌙

14/12/2023

এবছর চল্লিশ হতে যাচ্ছি। এই চার দশকে শেখা কয়েকটি "মহাসত্য*" নীচে উল্লেখ করছি-

Written by: Mashroof Hossain, 28th BCS (Police)

অনুলিখন: কিছু এডিট আছে আমার সঙ্গে মিলিয়ে।

১) টাকাপয়সা প্রচন্ড দরকারী জিনিস। পুরুষ মানুষের পকেটে টাকা না থাকলে তার সাথে মানুষ রাস্তার কুকুরের চেয়েও খারাপ আচরণ করে।

২) বেশিরভাগ মানুষ অকৃতজ্ঞ, স্বার্থপর, সুবিধাবাদী, সুযোগ সন্ধানী।

৩) অধিকাংশ মানুষ অপরাধ করেনা সাহসের অভাবে। এভরিবডি ইজ আ পটেনশিয়াল ক্রিমিনাল।

৪) মানুষ কাজ থাকলে আপনারে পঞ্চাশ বার কল করবে, কাজ শেষ হবার পর কল করে এটুকুও জানাবেনা যে কাজটা হয়ে গেসে।

৫) মানুষ প্রচন্ড দুর্বল প্রাণী। সবচেয়ে বড় গাধা সেই ব্যক্তি যে ভাবে লাইফ তার কনট্রোলে আছে, কারণ কনট্রোল পাল্টাইতে এক সেকেন্ডও লাগেনা।

৬) মানুষের জীবনের কোনো উদ্দেশ্য নাই আসলে। মৃত্যুকে ভুলে থাকা, দু:খময় এ জীবনকে নানারকম ছলাকলায় সাজিয়ে তোলাই তার উদ্দেশ্য। একেকজন এইটা একেক ভাবে করে।

৭) মানুষ খুবই নিকৃষ্ট প্রাণী। পশুপাখিরা মানুষের চাইতে অনেক বেশি মানবিক।

৮) কোনো কারণ ছাড়াই কিছু মানুষ আপনাকে তার সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে ঘৃণা করবে। আপনি তাদের কোনো ক্ষতি করেন নাই, জানেনও না যে এদের অস্তিত্ব আছে, তাও কোনোভাবে এরা আপনাকে চেনে এবং ঘৃণা করে।

৯) অপরের অপমান দেখে মানুষ যে আনন্দ পায়, নিজের শ্রেষ্ঠ সাফল্যেও এমন আনন্দ সে পায়না।

১০) নিজেরটা নিজে করে খাইতে না পারলে কেউ আপনাকে দেখবেনা, পরিবার সবার আগে বিরক্ত হবে।

১১) বন্ধু বলে কিছু নাই, আপনার বন্ধু আপনি নিজে। পুরাটাই স্বার্থ। অনেক দিনের পুরানো বন্ধু ফোন করে পিরীতের আলাপ শুরু করার মানে ধরে নিবেন একটু পরেই আপনারে কোনো কাজের কথা বলবে।

১২) শুধুমাত্র একে অপরের ভালো দিক দেখে প্রেম করলে পস্তাবেন। বরং একে অপরের সবচেয়ে খারাপ দিকের সাথে মানায় নিতে পারেন কিনা এইটা দেখে প্রেম করলে ওইটা টিকবে।

১৩) লাইফে দুইটা জায়গায় ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না, প্লিজ। ১) প্রফেশন চুজ করতে ২) পার্টনার চুজ করতে। এর মধ্যে প্রথমটা ভুল করলে পোষায় হয়ত নেয়া যায়, দ্বিতীয়টায় ভুল করলে লাইফ শেষ।

১৪) পৃথিবীটা একটা খুবই কুৎসিৎ জায়গা, এই কুৎসিৎ জায়গাতে টিকে থাকতে হইলে আপনাকে নিজের একটা সুন্দর জগৎ বানায়ে নিতে হবে। এই জগৎটা দূর্গের মত আপনাকে বাইরের কলুষতা থেকে রক্ষা করবে। আমার ক্ষেত্রে এই জগৎটা হচ্ছে কুরআন আর ইসলামিক বই।

১৫) বেশিরভাগ সময়ে যেইটা ভাববেন, ওইটা হবেনা। কোনো প্ল্যান কাজ করবেনা। মানে, করলেও যেভাবে চান ওইভাবে হবেনা। হবে আল্লাহর প্ল্যানে।

১৬) রাতে শান্তির ঘুম, দুশ্চিন্তাহীন একটা বোরিং দিন- এই দুইটা জিনিস অমূল্য সম্পদ।

১৭) শরীরের এবং মনের যত্ন নিন। এই দুইটা জিনিস ছাড়া আপনার কিছুই নাই।

১৮) এই ভয়ঙ্কর পৃথিবীতে কিছুটা শান্তি পাবেন একটা কাজ করলে- আপনার চাইতেও অসহায় কারো সাধ্যমত উপকার করলে। লোকদেখানো, ক্যামেরায় ছবি তুলে ফেসবুকে দেয়া উপকার না, কোনো কিছু পাওয়ার আশা না করে সত্যিকারের উপকার। এই অন্ধকার পৃথিবীরে অসহায়ের পাশে একটু দাঁড়ানোর মত শান্তি আর কোথাও নাই।

[ *এইগুলা একেবারেই ব্যক্তিগত মতামত। একমত হবার বাধ্যবাধকতা নাই]

নিয়োগ প্রাপ্ত বিচারকদের মধ্যে পাঁচজন জুডিসিয়াল সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন বাকি ৬ জন আইনজীবী। শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে নবনিযুক্ত...
31/07/2022

নিয়োগ প্রাপ্ত বিচারকদের মধ্যে পাঁচজন জুডিসিয়াল সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন বাকি ৬ জন আইনজীবী। শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে নবনিযুক্ত এসব বিচারকের নিয়োগ কার্যকর হবে।

14/08/2020

University reopen hoyar por Juris lab er activities niye ki bhabsen? opinion share koren

ধন্যবাদ স্টার এক্সপ্রেস❤❤❤
19/04/2020

ধন্যবাদ স্টার এক্সপ্রেস❤❤❤

ডেস্ক নিউজ – বর্তমান দেশের দিকে তাকালে মনে হয় মানবতা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে, অপকর্ম করার পরও অসৎ মানুষের পাশে দা...

10/01/2020

What’s up? Juris Lab er activities kemon colse?

এ্যাডভোকেটশীপ এনরোলমেন্ট-২০১৯
27/08/2019

এ্যাডভোকেটশীপ এনরোলমেন্ট-২০১৯

আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ হয় স্বাভাবিক নিয়মেই। তবে আইনজীবী হতে হলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ পেতে হয়। অবশ্য আইনজীব...

02/08/2019

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রকাশিত গতকালকের নোটিশ সংক্রান্ত অথবা রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত কোন বিষয়ে কনফিউশান থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারুন।

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে ঢাকা জজ কোর্টের  #১৬/এ, কোর্ট হাউজ স্ট্রিট (গনির হোটেলের ৫ম তলায়) আমাদের আইন সহায়তা ক...
28/05/2019

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে ঢাকা জজ কোর্টের #১৬/এ, কোর্ট হাউজ স্ট্রিট (গনির হোটেলের ৫ম তলায়) আমাদের আইন সহায়তা কেন্দ্রের পথচলা শুরু হলো এমাস থেকে। এখন থেকে যেকোনো আইনি সহযোগিতা নিতে সরাসরি চলে আসতে পারুন আমাদের আইন সহায়তা কেন্দ্রে। যেসকল সেবা পাবেন তা নিম্নরূপ---

👉বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সার্বিক সহযোগিতা।
👉 হতদরিদ্র এবং নারী ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় সহযোগিতা।
👉 মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় সঠিক দিকনির্দেশনা ও মামলা পরিচালনা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম।
👉পারিবারিক জটিলতায় আপোষ-মীমাংসার জন্য করণীয় এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান।
👉 সর্বোপরি আইন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে আন্তরিক পরিবেশে সমস্যা সমাধান করা।

ইদানীং প্রায়শই  #শিক্ষানবীশ_আইনজীবীদের দুঃখাবহ পোস্ট চোখে পড়ছে, সেই প্রেক্ষাপটেই আজকে আমার এই লেখাটি। আমরা হয়তো অনেকেই অ...
11/05/2019

ইদানীং প্রায়শই #শিক্ষানবীশ_আইনজীবীদের দুঃখাবহ পোস্ট চোখে পড়ছে, সেই প্রেক্ষাপটেই আজকে আমার এই লেখাটি। আমরা হয়তো অনেকেই অবগত আছি, আইন পেশা একটি অত্যন্ত সুপ্রাচীন এবং অভিজাত পেশা। ব্রিটিশ আমলে যেসকল পরিবার বনেদী এবং ধনাঢ্য ছিলো কেবল মাত্র তারাই সুদূর বিলেতে গিয়ে আইনের উপর উচ্চতর ডিগ্রী নিতে এই উপমহাদেশ থেকে পাড়ি জমাতে সক্ষম ছিলো। তারমানে হচ্ছে কেবলমাত্র বিত্তশালীরাই আইন পেশায় প্রবেশের সুযোগ পেত। তবে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের যাত্রা শুরু হবার পর এবং ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশে) কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের যাত্রার সূচনা হবার ফলে সুদূর বিলেত গমনের প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে হ্রাস পেতে শুরু করে। পরবর্তীতে নব্বই দশকের শুরুতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাস কোর্স) আইন বিভাগ চালু হবার পর অনেকেই আইনের উপর ডিগ্রী নিতে থাকেন এবং অবাধে আইন পেশা গ্রহণ করতে শুরু করেন। মূলত সম্মান এবং অর্থ দুই দিক থেকেই এই পেশাটি অতুলনীয়ও বটে। বর্তমানে অর্ধ শতাধিকের উপর (সরকারি এবং বেসরকারি) বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগ থাকার ফলে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করাটা অনেকটা জলবৎ তরলং হয়ে গিয়েছে। যেকারণে মধ্যবিত্ত নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকেই এখন এই পেশায় অনেকের বিচরণ ঘটছে বটে। সমস্যা হচ্ছে, নব্বইয়ের দশক কিংবা আরো আগে আইন পেশা গ্রহণ করা যতটা সহজ ছিল এখন এই একবিংশ শতাব্দীতে এই পেশা গ্রহণ করা ততটাই কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এই পেশা গ্রহণ করার পূর্বে এখন অনেকগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হচ্ছে, এরমধ্যে অন্যতম ---
১) পরিবারের আর্থিক অবস্থা (শিক্ষানবীশ আইনজীবী থাকাকালীন সময়ে পরিবার থেকে আর্থিক সমর্থন পেতে হবে)।
২) ধৈর্য্য, কথিত আছে ধৈর্য্যের ফল সুমিষ্ট হয় (আইন পেশায় এই প্রবাদ বাক্যটি হাজারভাগ সত্য)।
৩) শেখার মানসিকতা (এই পেশায় শেখার কোন শেষ নেই, আমাদের সাথের অনেক সিনিয়র আইনজীবীকে বলতে শুনি এখনো অনেককিছু শেখার বাকী রয়ে গিয়েছে!)
৪) দক্ষতার উন্নয়ন (বলা হয়ে থাকে একজন দক্ষ আইনজীবীকে মক্কেল খুঁজতে হয় না বরং মক্কেলরাই দক্ষ আইনজীবী খুঁজে নেয়)।
৫) অনেক সময় শিক্ষানবীশ আইনজীবী এমনকি জুনিয়র আইনজীবীরা সিনিয়রের লাখোলাখো টাকার আয় দেখে নিজে তা পাবার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে টাকা কামানোর ধান্ধায় পাগলপ্রায় হয়ে যেতে বাধ্য হন (যা সঠিক নয়)
৬) সর্বোপরি আদালত প্রাঙ্গণে হাজারো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তবেই এ পেশায় আসা উচিৎ বলে ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি।
সর্বোপরি আমি মনে করি বর্তমান সময়ে আদালত প্রাঙ্গণের অজস্র সমস্যা, সীমিত সুযোগ এবং সামগ্রিক পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে চলতে পারার মানসিকতা থাকলেই কেবল এ পেশা গ্রহণ করা উচিৎ অন্যথায় অন্য পেশা বেছে নেয়াটাই উত্তম। সবার সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করছি।

লেখক-
মোঃ তারেক-উল-আলম
এডভোকেট
ঢাকা জজ কোর্ট।

24/12/2018

এতো অপেক্ষা, এতোটা ক্লান্তিকর যাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটলো গতকাল সন্ধ্যায়! দীর্ঘ চারটি বছরের নিদারুণ বিষাদিত অধ্যায়ের যবনিকাপাত! কয়েক মাসের জন্য ২০১৫ সালের পরীক্ষাটা না দিতে পারার প্রায়শ্চিত্ত যে এতোটা দীর্ঘায়ত হবে ভাবি নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আইনজীবী হওয়াটা তেমন অসাধ্য কোন বিষয় নয়, যেসকল ছাত্রছাত্রী নিয়মিত ক্লাস করে এবং পাঠ্যপুস্তক ঠিকঠাক মতো অধ্যয়ন করে তাদের প্রথম বারেই হয়ে যাবার কথা। কিন্তু আইনজীবীদের অভিভাবক বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অযাচিত, অযৌক্তিক সময়ক্ষেপণ এই সহজ বিষয়টাকে দুরূহ করে ফেলেছে। যেকারণে, আমরা যারা এবার তালিকাভুক্ত হতে পেরেছি তাদের উচ্ছাসের মাত্রাটা একটু বেশী বৈকি। ভবিষ্যৎতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল যথাসময়ে আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণ পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের জীবনের মহামূল্যবান সময় রক্ষার্থে অহেতুক কালক্ষেপণ করা থেকে নিজেদের বিরত রাখবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আর অভিনন্দন জানাচ্ছি সেসকল সহযোদ্ধাদের যারা অসীম ধৈর্য্য আর সীমাহীন আর্থিক টানাপোড়নে থেকেও কোর্টের বারান্দায় নিদারুণ কষ্ট শিকার করে আজকে সফল হয়েছেন।

#অ্যাডভোকেট মোঃ তারেক-উল-আলম
এলএল,বি (অনার্স), এলএল,এম (মাস্টার্স) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জেলা ও দায়রাজজ আদালত ঢাকা।

অবশেষে প্রকাশিত হলো বহুল প্রত্যাশিত গেজেট। এখন থেকে বার কাউন্সিলের এডভোকেটশীপের MCQ-তে একবার উত্তীর্ণ হলে আর MCQ না দিয়ে...
19/12/2018

অবশেষে প্রকাশিত হলো বহুল প্রত্যাশিত গেজেট। এখন থেকে বার কাউন্সিলের এডভোকেটশীপের MCQ-তে একবার উত্তীর্ণ হলে আর MCQ না দিয়ে পরবর্তী ২ বার রিটেন দেয়ার সুযোগ থাকবে। এবার যারা MCQ-তে উত্তীর্ণ হয়ে রিটেনে অকৃতকার্য হয়েছে তারা সরাসরি রিটেন দিতে পারবে। ধন্যবাদ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Juris Lab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share