Vision Law Counsel

Vision Law Counsel Vision Law Counsel is a full service law firm in Bangladesh aiming to provide honest, effective Lawyer & Law Firm

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ বিঘা।৬০.৫ কাঠা = ১ একর।========...
07/12/2022

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা। = ৪৩৫৬ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ স্কয়ার বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ স্কয়ার বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ স্কয়ার বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ স্কয়ার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ স্কয়ার বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ স্কয়ার বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ স্কয়ার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ স্কয়ার বর্গফুট

Ctd

আসসালামু আলাইকুম।শুরু হয়ে গেল নভেম্বর মাস। ৩০ নভেম্বর এর আগেই আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দিন।আপনি কি আয়কর রিটার্ন তৈরি, দাখি...
01/11/2022

আসসালামু আলাইকুম।
শুরু হয়ে গেল নভেম্বর মাস। ৩০ নভেম্বর এর আগেই আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দিন।

আপনি কি আয়কর রিটার্ন তৈরি, দাখিল এবং আয়কর মামলা নিয়ে টেনশনে আছেন?
# আপনার আয়কর সক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা সমাধানে আমরা আছি আপনার পাশে।
# আয়কর রিটার্ন তৈরি এবং যাচাইয়ের জন্য আমাদের রয়েছে আধুনিক ব্যবস্থা।
আয়কর বর্ষ ২০২২-২৩ এ রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন-

ব্যক্তিগত তথ্য:
১/ E-TIN এর ফটোকপি।
২/ NID ফটোকপি।
৩/ P.P সাইজ ছবি ১ কপি।

চাকুরির তথ্য:
1/ Salary certificate.
2/ Bank statement from 01/07/2021 to 30/06/2022.
3/ Provident fund information (if any).

ব্যবসার তথ্য :
১/ ট্রেড লাইসেন্স।
২/ বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় এবং আয় বিবরণী।
৩/ সম্পদ এবং দায় বিবরণী।
৪/ ব্যাংক স্টেটমেন্ট ০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২ পর্যন্ত।
বিনিয়োগের তথ্য:
১/ DPS (যদি থাকে)
২/ Insurance certificate (যদি থাকে)
৩/ Share market Investment (যদি থাকে)
৪/ সঞ্চয়পত্র (যদি থাকে)

সম্পদ এবং দায় বিবরণী :
১/ House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
২/ Land, Car, Furniture, Electronics etc(যদি নিজ নামে থাকে)
৩/ Bank Loan (যদি নিজ নামে হয়)

বি:দ্র: যদি আগে রিটার্ন দিয়ে থাকেন তাহলে ঐ রিটার্ন এর একটি ফটোকপি অবশ্যই লাগবে।
পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন

প্রিয় ব্যবসায়ী বন্ধুগন,আসালামুয়ালাইকুম।আপনারা অত্যন্ত পরিশ্রমের সাথে নিজের ব্যবসার প্রসারের জন্য আন্তরিকতার ভাবে কাজ করে...
18/09/2022

প্রিয় ব্যবসায়ী বন্ধুগন,
আসালামুয়ালাইকুম।
আপনারা অত্যন্ত পরিশ্রমের সাথে নিজের ব্যবসার প্রসারের জন্য আন্তরিকতার ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যবসায় শুরু করার ক্ষেত্রে সব থেকে থেকে চ্যালাঞ্জিং হলো কাগজপত্র সঠিক রেখে শুরু করা। ব্যবসার শুরুতেই সবার আগে প্রয়োজন হয় ট্রেড লাইসেন্স। যারা ইতিমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স করেছেন তাদের একটি তথ্য দেয়ার জন্য লিখছি-
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নঃ
 আপনার ট্রেড লাইসেন্স আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে নবায়ন করুন। অন্যথায় জরিমানা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে।

 তাই জরিমানা ও আইনি ঝামেলা এড়াতে ৩০ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স, IRC, ERC সহ সকল ধরনের লাইসেন্স নবায়ন করে ফেলুন।
আপনাদের সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।
ধন্যবাদ

Prepare your "Tax Return File" with the most professional, reliable & fastest-growing tax consultancy firm !!!   Tax Ass...
10/08/2022

Prepare your "Tax Return File" with the most professional, reliable & fastest-growing tax consultancy firm !!!
Tax Assessment
Tax Planning
Tax Preparation
Tax Submission
FREE Review of Your Last Tax Return
To schedule an appointment contact us !!!
Hotline : 01705124690 ||| 01929991888
Messenger : makslawfirmbd

যাদের টিন আছে তাদের আয়কর রিটার্ন দেয়া ব্যধতামূলক,তা না হলে জরিমানা গুনতে হবে। এমন কি জেল হাজত হতে পারে। এ কথাটি যেমন সঠি...
10/08/2022

যাদের টিন আছে তাদের আয়কর রিটার্ন দেয়া ব্যধতামূলক,তা না হলে জরিমানা গুনতে হবে। এমন কি জেল হাজত হতে পারে। এ কথাটি যেমন সঠিক, তেমনি ২০২২-২০২৩ বাজেটে আসছে কিছুটা পরিবর্তন। যেমন- কোন ব্যাক্তি তার যে কোন প্রয়োজনে যদি TIN Registration করে থাকেন এবং সে যদি এখন পর্যন্ত Income Tax Return submit না করে থাকেন তাহলে সেই ব্যাক্তির জন্য ২০২২-২০২৩ অর্থ বছর হচ্ছে সূবন্ সুযোগ। সেই ব্যাক্তি ২০২২-২০২৩ অর্থ বছর থেকে Income Tax Return Submit korle তাকে আর গুনতে হবে না বিগত বছরগুলোর জরিমানা।
২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের আয়কর রিটার্ন নিয়ে সম্যাসায় ও চিন্তায় আছেন, কীভাবে কী করবেন ? maks law firm সর্বোচ্চ সহায়তায় আছে আপনার সাথে।
★★আয়কর কী?
আয়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সও্বার আয় বা লভ্যাংশের উপর প্রদেয় কর। সাধারণভাবে যদি বলি,কর হচ্ছে রাষ্ট্রের সকল জনসাধারণ স্বার্থে রাষ্ট্রের ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রদও বাধ্যতামূলক অর্থ।
★★ আয়কর রির্টান দাখিল করতে কি কি লাগবে-

১) নতুন করদাতা হলে আপনার একটি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি (প্রতিষ্ঠান প্রধান বা প্রথম শ্রেণীর গেজেটেও কর্মকতা বা যে কোন টিআইএনধারী কতৃক সত্যায়িত,প্রতি ৫ বছর পর পর ব্যক্তি করদাতাকে তার সত্যায়িত ছবি রির্টানের সাথে জমা দিতে হবে।
২)NID এর কপি,
৩)E-TIN এর কপি,
৪)টিডিএস স্ট্যাটমেন্ট এর কপি
৫)অতিরিক্ত কর পরিশোধের সমথর্নে চালান বা পে- অর্ডার ব্যাংক ড্রাফট এর কপি
৬)বেতন বিবরনী
৭)স্যালারি একাউন্টের স্ট্যাটমেন্ট
৮)আপনার যদি কোন ডিপোজিট স্কীম থেকে থাকে তবে তাদের আয় বছরের স্ট্যাটমেন্ট
৯)আপনার কোন বিনিয়োগ থেকে থাকলে তার স্বপক্ষে দলিলাদি
১০)গত আয় বছরে দাখিলকৃত আয়কর রির্টান এর প্রাপ্তি স্বীকার পএের কপি।
★★আয়কর রির্টান জমা দেওয়ার সময়-
কোম্পানি ব্যতীত অন্যান্য সকল শ্রেণীর করদাতার ক্ষেত্রে প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ ননভেম্বর এই ৪ মাস সময়সীমার মধ্যে আয়কর রির্টান দাখিল করতে হয়।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রির্টান জমা দিতে না পারলে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে উপ কর-কমিশনার এর কাছে সময়ের আবেদন করতে পারবেন।
★★আয়কর রির্টান জমা না দিলে কোন সম্যাসায় পড়বেন কীনা বা কী সম্যাসা হতে পারে?
যদি কোন ব্যক্তির টিআইএন নম্বর থাকলে অর্থ কর দেবার উপযুক্ত হোন অথবা না হোন অর্থ বছর শেষে তার বার্ষিক আয় ব্যয়ের একটি খতিয়ান অথ্যৎ আয়কর রির্টান জমা দিতে হবে রাজস্ব বোর্ড।
যদি কোন ব্যক্তি সময়মত আয়কর রির্টান দিতে ব্যর্থ হন এক্ষেত্রে অধ্যাদেশ অনুযায়ী এক হাজার টাকা অথবা আগের বছরের আয়করের দশ শতাংশ জরিমানা করা যাবে। এ দুটির ভেতরে যটি পরিমাণে বেশি সেই অংকটি পেনাল্টি হতে পারে।
★★ কোম্পানি রির্টান
প্রতিটি প্রাইভেট ও পাবলিক লিঃ কোম্পানির জন্য প্রতি বছর আয়কর রির্টান জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।কিন্তু নতুন কোম্পানিগুলো সঠিক সময়ে আয়কর রিটার্ন না দেওয়ার জন্য পরবর্তীতে অনেক সম্যাসার সম্মুখীন হতে হয়।প্রতিটি প্রাইভেট ও পাবলিক লিঃ কোম্পানির করণীয় সঠিক সময়ে আয়কর রির্টান দাখিল করা।
★★★কোম্পানি রির্টান জমার সময়সীমা
কোম্পানি রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় নির্ভর করে কোম্পানির আয় বছরের শেষ তারিখের উপর, তবে সাধারণত কোম্পানির জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় হল ১৫ জানুয়ারী পর্যন্ত।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোম্পানি আয়কর রিটার্ন দাখিল না করিলে কোম্পানি আর্থিক জরিমানা গুনতে হবে।
★★কোম্পানি রিটার্ন জমা দিতে যা লাগবে -
১)কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি
২) কোম্পানির ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেটের কপি
৩) কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আটিকেলস এর কপি
৪) কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্সের কপি
৫)কোম্পানির সব পরিচালকের TIN সার্টিফিকেটের কপি
৬)কোম্পানির আয় ব্যয়ের রসিদপর কপি
উপরোক্ত কাগজপএগুল থেকে তথ্য নিয়ে একটি অডিট রিপোর্ট তৈরি করতে হবে, তা অবশ্যই একজন স্বীকৃত CA দ্বারা স্বাক্ষর করাতে হবে।
★★★ ব্যক্তিগত ও কোম্পানির আয়কর রিটার্ন নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন কিভাবে কি করবেন।আয়কর রির্টানের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে আপনার পাশে আছে

13/06/2022

অধিকাংশ করদাতার মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা "আয় না থাকলে রিটার্ন দিতে হয় না"। এটি ভুল। "ট্যাক্স দেয়া" এবং "রিটার্ন দাখিল করা" এই বিষয় দুটি সম্পূর্ণ আলাদা। করযোগ্য আয় না থাকলে ট্যাক্স দিতে হবে না কিন্তু বার্ষিক রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।

টিআইএনের দিন শেষ, রিটার্ন না দিলে মিলবে না সেবাদেশের সামর্থ্যবান মানুষকে করের জালে আনতে বেশ কিছু সেবা গ্রহণে কর শনাক্ত ন...
29/05/2022

টিআইএনের দিন শেষ, রিটার্ন না দিলে মিলবে না সেবা

দেশের সামর্থ্যবান মানুষকে করের জালে আনতে বেশ কিছু সেবা গ্রহণে কর শনাক্ত নম্বর (টিআইএন) থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। বর্তমানে প্রায় ৪০ ধরনের সেবা নিতে হলে টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক।

২০১৪ সালে যখন ১৩ ডিজিটের ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (ই-টিআইএন) চালু করা হয় তখন ২৫ ধরনের সেবায় ই-টিআইএন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। যার মধ্যে ছিল- বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি, জমি ক্রয়, ব্যবসা নিবন্ধন সনদ (ট্রেড লাইন্সেস), আমদানি, রপ্তানিসহ ২৫টি সেবা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে নতুন নতুন সেবা যুক্ত হতে থাকে।

প্রতিবছরই বাজেটে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার তালিকায় নতুন নতুন খাত যুক্ত করা হয়। সর্বশেষ ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটেও বেশ কিছু সরকারি সেবা বা কাজের ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়।

তবে আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থবছর থেকে শুধুমাত্র টিআইএন সার্টিফিকেট দিয়ে ওইসব সেবা নেওয়া যাবে না। প্রস্তাবিত বাজেটে টিআইএন এর স্থলে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার রশিদ (প্রাপ্তি স্বীকার বা জমা স্লিপ) বা ট্যাক্স সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। অর্থাৎ প্রায় ৪০ ধরনের সেবা পেতে হলে রিটার্ন জমা না দেওয়ার বিকল্প থাকবে না করদাতাদের।

এর প্রধান লক্ষ্য বর্তমানে নিবন্ধিত প্রায় ৮০ লাখ টিআইএনধারীকে করনেটের আওতায় আনা। করের আওতা বৃদ্ধি করতে ও প্রত্যক্ষ কর আদায়ে আরও গতি আনতে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যা অর্থমন্ত্রণালয়সহ নীতি নির্ধারক পর্যায়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যদিও এনবিআরের এমন উদ্যোগ হঠাৎ করে আসেনি। টিআইএনধারীদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়লেও করদাতাদের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রবণতা তেমন বাড়েনি কিংবা এনবিআরও করদাতাদের বাধ্য করার মতো কঠিন কোনো পদক্ষেপে যায়নি। বর্তমানে প্রায় ৮০ লাখ ব্যক্তি টিআইএন নিবন্ধন নিলেও আয়কর রিটার্ন জমা দেন মাত্র সাড়ে ২৬ লাখ করদাতা।
এ বিষয়ে আয়কর বিভাগের এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়নের শুরুতে এনবিআর থেকে দেশের সব কর অঞ্চলগুলো নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে সুপারিশ চাওয়া হয়, কীভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিলের পরিমাণ বাড়ানো যায়। প্রায় সব কর অঞ্চল থেকে সুপারিশে বলা হয় আইন অনুসারে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও লোকবল সংকট ও করভীতির কারণে প্রকৃতপক্ষে তা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। তাই সবচেয়ে সহজ ও প্রকৃষ্ট পদ্ধতি হবে যদি টিআইএনের পরিবর্তে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তি স্বীকারকে বাধ্যতামূলক করা হয়। তাহলে করদাতারা বাধ্য প্রয়োজনীয় সব সেবা পেতে ঠিকই রিটার্ন জমা দেবেন। এর ফলে আয়কর রিটার্ন দাখিল অন্ততপক্ষে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

সরকারি যেসব সেবা বা কাজের ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক

সার্বিকভাবে প্রায় ৪০ ধরনের কাজে টিআইএন প্রয়োজন হয়। যার মধ্যে রয়েছে- গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ-সংযোগ নিতে টিআইএন বাধ্যতামূলক, মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসা; মোবাইল ব্যাংকিং; পরিবেশক এজেন্সি; বিভিন্ন ধরনের পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল সরবরাহ, সিকিউরিটি সার্ভিস। এমনকি আমদানি-রপ্তানির বিল অব এন্ট্রি জমা দিতে হলেও টিআইএন প্রয়োজন।

বিশেষ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে যেমন- ঋণপত্র স্থাপন; রপ্তানি নিবন্ধন সনদ নেওয়া; সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছ ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বা পুনর্নিবন্ধন; দরপত্র জমা; অভিজাত ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ; বিমা জরিপ প্রতিষ্ঠান; জমি, ভবন ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন; মোটরসাইকেল-বাস-ট্রাকের মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস নবায়ন; চিকিৎসক, প্রকৌশলী, হিসাববিদসহ বিভিন্ন ধরনের পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য; কোম্পানির পরিচালক ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার; বিবাহ নিবন্ধনকারী বা কাজি; ড্রাগ লাইসেন্সধারী ইত্যাদি।

জাতীয় সংসদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলেও টিআইআন বাধ্যতামূলক। এছাড়া রয়েছে বাণিজ্যিক ভবনের নকশা অনুমোদনে; বাণিজ্য সংগঠনের সদস্য; ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিলে; ক্রেডিট কার্ড থাকলে; বাণিজ্যিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংযোগ চাইলে টিআইএন থাকতে হবে। আবার ছেলেমেয়েদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়াতে চাইলে অভিভাবকের টিআইএন প্রয়োজন।

dhakapost

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই টিআইএন লাগে। এমনকি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাদের বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি, তাদেরও কর শনাক্তকরণ সনদ বাধ্যতামূলক। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও টিআইএন বাধ্যতামূলক।

চলতি অর্থবছরে যোগ করা হয় দুই লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র ক্রয় কিংবা গ্রামে বা শহরে বাড়ির নকশা অনুমোদনে টিআইএন বাধ্যতামূলক। এছাড়া সমবায় সমিতির রেজিস্ট্রেশন নিতেও টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়।

এর আগে করের আওতা বৃদ্ধি ও আয়কর ফাঁকি বন্ধ করতে মোটরযান ও নৌ-যান, সব ধরনের ট্রেড লাইসেন্স এবং ঠিকাদার তালিকাভুক্তি কিংবা নবায়নে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করতে সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ ১০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দিয়েছিল এনবিআর। এনবিআর চেয়ারম্যান ২০২১ সালের ৩১ মার্চ এনবিআর থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠিগুলো দেন বলে জানা গেছে। এছাড়া করের আওতা বাড়াতে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সিটি করপোরেশনের ডাটাবেজ সংগ্রহ করে রিটার্ন না দেওয়া ব্যক্তিদের খোঁজার উদ্যোগও নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

রিটার্ন জমা না দিলে আয়কর আইনে যেমন শাস্তি

প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সর্বশেষ সময় ৩০ নভেম্বর। ওই দিনকে আয়কর দিবসও বলা হয়। এ সময়ের মধ্যে করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়। কেউ এ সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে না পারলে লিখিত আবেদন করে সময় নেওয়া যায়। এক্ষেত্রে নির্ধারিত করের সঙ্গে প্রতি মাসে আরও ২ শতাংশ সুদ দিতে হয়। কিন্তু সময়ের আবেদন না করে কেউ রিটার্ন না নিলে সুদের পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাকে জরিমানা দিতে হয়। ১ ডিসেম্বর থেকে এ জরিমানার তারিখ গণনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে আয়কর অধ্যাদেশের ১২৪ ধারায় বলা আছে, করদাতা যদি কোনো কারণ ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন দাখিল না করেন, আবার এজন্য অনুমোদনও না নেন, সে জন্য তার পূর্ববর্তী বছর প্রদেয় করের ১০ শতাংশ বা ১ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বড় অংক ওই পরিমাণ অর্থ জরিমানা হবে। সেই সঙ্গে যতদিন দেরি হবে, প্রতিদিনের জন্য ৫০ টাকা হারে বাড়তি মাশুলও গুনতে হবে।

৭৩-এ ধারায় বলা আছে, ৩০ নভেম্বরের পর কর কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে দেরিতে রিটার্ন জমা দিলেও ২ শতাংশ বিলম্ব সুদ দিতে হবে।

আরএম/জেডএস

13/01/2022

মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলার রায়
৩১ জানুয়ারি, ২০২২

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বা মূসক-৯.১ VAT Online সিস্টেমে জমা দিয়েছেন কি?যে কোন নিবন্ধিত ব্যবসা প্রত...
05/01/2022

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বা মূসক-৯.১ VAT Online সিস্টেমে জমা দিয়েছেন কি?

যে কোন নিবন্ধিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিমাসের ক্রয়-বিক্রয় তথ্য দিয়ে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

জমা না দিলে ১% সুদ সহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

একটি সতর্কবাণী, যারা এখনো ভ্যাট, ম্যানুয়ালি রিটার্ন জমা দিচ্ছেন তারা 31 শে ডিসেম্বর 2021 তারিখের মধ্যে পূর্বের ম্যানুয়ালি জমাকৃত রিটার্ন অনলাইনে সাবমিট না করলে 65 নাম্বার নোটের ব্যালেন্সের টাকা তামাদি হয়ে যাবে। সার্কুলার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। বিস্তারিত জানতে........

Office Address:
গ-৩/১, শাহজাদপুর গুলশান, ঢাকা-১২১২।
মোবাইলঃ 01705124690
(তথ্য সূত্র: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন এর ধারা ৮৫ (উপধারা ১ এর চ))

03/11/2021

৩০ নভেম্বর / ২০২১ ট্যাকস রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। যারা রিটার্ন দাখিল করেন নি, তাড়াতাড়ি দাখিল করেন। না হয় জরিমানার শিকার হবেন। আমাদের সহযোগিতাও নিতে পারেন

Address

Gha-3/C, Shajadpur, Gulshan
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vision Law Counsel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Vision Law Counsel:

Share