Advocate Md Azad Hosen

Advocate Md Azad Hosen যে কোন প্রকার আইন সেবা প্রদান করা হয়

মোঃ আজাদ হোসেন
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট চেম্বারঃ এনেক্স এক্সটেনশন বিল্ডিং, রুম নং- ৮০৫, ( ৮ম তলা), সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন।
কুমিল্লা চেম্বারঃ আইনজীবী সমিতি ভবন, রুম নং-৫২৩, হল রুম নং- ৪ ( ২য় তলা), জজ কোর্ট, কুমিল্লা।

সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ...
17/09/2024

সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা-

ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা;

ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য, তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন;

ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা;

ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা;

ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দী ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা;

ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন;

ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা;

ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা;

ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা;

ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা;

ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশদানের ক্ষমতা;

ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা;

ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা;

ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রবে ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা;

ধারা ১৪২ : জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা;

উল্লিখিত ক্ষমতা ছাড়াও, যে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সরকার এবং সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারের মধ্যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

14/02/2023

একবার এক পর্যটক মেক্সিকোয় গেলেন; জেলেদের মাছের খুব প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন,
“আচ্ছা, মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”
“বেশিক্ষণ না” জেলেদের এক কথার উত্তর।
“তাহলে আপনারা আরও বেশি সময় দিয়ে আরও বেশি মাছ ধরেন না কেন?” লোকটা প্রশ্ন করেন। জেলেরা বলেন, "আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়"।
“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” লোকটা জিজ্ঞাসা করে। জেলেরা জবাব দেয়,
“আমরা ঘুমায়, মাছ ধরি, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, বৌয়ের সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই…”। পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে বলেন,
“আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনাদেরকে আরও বেশি সময় দিয়ে মাছ ধরতে হবে, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনতে হবে। ”
“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।
“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় দুটা, তিনটা বা আরও বেশি নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে, সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছেড়ে মেক্সিকোর রাজধানী, আমেরিকার লসএঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন। ”
“এসব করতে কত সময় লাগবে?” জেলেদের প্রশ্ন।
“কুড়ি/পঁচিশ বছর তো লাগবেই।” জবাব দেয় পর্যটক।
“তারপর” জেলেরা প্রশ্ন করে।
লোকটা হেসে জবাব দেয়, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”
“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা সবিস্ময়ে প্রশ্ন করে। পর্যটক তখন জবাব দেন,
“আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন…,”। তখন জেলেরা বলেন,
“সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি। তাহলে এই বিশ/পঁচিশ বছরের এই কষ্টের জীবনের মানে কী?”
সংগৃহীত

01/02/2023

# আইনপেশা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!!

# অর্থ ঋণ আদালতের বয়নামা / বিক্রয় সনদ রেজিস্ট্রিঃ

আদালত কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করলে ক্রেতা বরাবর একটা সনদ ইস্যু করে। যাকে প্রচলিত বাংলায় বয়নামা, প্রমিত বাংলায় বিক্রয় সার্টিফিকেট এবং ইংরেজিতে Sale Certificate বলে। উক্ত বিক্রয় সনদ বা বয়নামা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করতে হয়।

অর্থ ঋণ আদালত আইন ২০০৩ অনুযায়ী বন্ধকী সম্পত্তিটি কয়েকবার নিলাম দেয়ার সুযোগ থাকে। এগুলোকে মোটের উপর ২ ভাগে ভাগ করা যায়।

১. ব্যাংকে নিলাম
২. আদালতের নিলাম

১. ব্যাংক নিলামঃ
- ১২(৩) ধারা
- ৩৩(৫) ধারা
- ক্ষেত্র বিশেষে ৩৩(৭) এর মালিকানা সনদ থাকা অবস্থায় নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় হতে পারে

২. আদালতের নিলামঃ
- ৩৩(১) ধারা
- ৩৩(৪) ধারা

এই দুই ধরণের নিলাম এর ক্ষেত্রে হস্তান্তর দলিলের আলাদা আলাদা নাম এবং রেজিষ্ট্রেশন খরচ আছে।

ব্যাংকের নিলাম হলে সেটা হবে 'সাফ কবলা' / Sale Deed. আর কোর্টে নিলাম হলে সেটা হবে বয়নামা / বিক্রয় সার্টিফিকেট / Sale Certificate.

* ব্যাংকের নিলামের ক্ষেত্রে একটা সাধারণ বিক্রয় দলিল বা সাফ কবলার মতো রেজিস্ট্রেশন খরচ প্রযোজ্য হয়। যা বর্তমানে প্রায় দলিলের ভ্যালু/ পণমূল্য/বিক্রয়মূল্যের ৯.৫০%। ( রেজিস্ট্রেশন ফি, উৎস কর, স্থানীয় সরকার কর, ভ্যাট ইত্যাদি মিলে)।

* অর্থ ঋণ আদালতের নিলাম এর ক্ষেত্রে বয়নামা / সেল সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রিতে শুধু স্ট্যাম্প ফি (বর্তমানে ১.৫%) প্রযোজ্য হয়। অন্য কোন ফি প্রযোজ্য হয় না। ( সূত্র- রেজিস্ট্রেশন এর শিডিউল অব চার্জ এর ফিস মুক্ত দলিল এর তালিকার ১৯ নং দফা এবং স্ট্যাম্প ডিউটির শিডিউল অব চার্জ এর ১৮ নং সিরিয়াল এ বর্ণিত)

* অর্থ জারি মোকদ্দমায় যদি নিলাম ফেইল হয় অর্থাৎ ৩৩(১) এবং ৩৩(৪) ধারার নিলামে সম্পত্তি বিক্রয় না হয়, সেক্ষেত্রে, আদালত, ডিক্রিদার ব্যাংক এর আবেদন এর প্রেক্ষিতে, ভোগ-দখল এবং বিক্রয় এর নিমিত্তে সনদ প্রদান করে থাকে যা ৩৩(৫) ধারার বিধান মোতাবেক হয়। একে ভোগদখলের সনদ বলে। উক্ত ৩৩(৫) এর সনদ টি রেজিস্ট্রেশন করার কোন প্রয়োজন নাই। ব্যাংক ৩৩(৫) এর সনদ নিয়ে আদালতের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি দখল নিয়ে নিলাম এর মাধ্যমে বিক্রয় করতে পারে। আবার যদি ৩৩(৫) ধারার নিলামও ফেইল করে তথা বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় না হয়, তাহলে ব্যাংক চাইলে আদালতে আবেদন করে উক্ত সম্পত্তির মালিকানা চাইতে পারে। সেক্ষেত্রে, ব্যাংক এর আবেদন এর প্রেক্ষিতে অর্থ ঋণ আদালত একটা মালিকানা সনদ প্রদান করে। যা ৩৩(৭) ধারা মোতাবেক করা হয়। উক্ত ৩৩(৭) ধারার সার্টিফিকেটকে ' মালিকানা সনদ ' বলে।

* এই ৩৩(৭) ধারার ব্যাংকের ' মালিকানা সনদ' টি রেজিস্ট্রেসন করতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রেও রেজিষ্ট্রেশন ফি প্রযোজ্য হবে না। (সূত্র - অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ৩৩(৮) ধারা)

মোট কথা অর্থ ঋণ আদালত আইন, রেজিস্ট্রেশন এক্ট, স্ট্যাম্প এক্ট অনুযায়ী নিম্ন লিখিত দুই ধরণের নিলাম এর ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ফি ব্যাতীত কোন ফি লাগবে না।

১. ৩৩(১) ধারার বয়নামা/ সেল সার্টিফিকেট
২. ৩৩(৪) ধারার বয়নামা/ সেল সার্টিফিকেট

এবং ৩৩(৭) এর সনদ এর ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ফিও লাগবে না!

আমার এই জানাটাকে কেউ চ্যালেঞ্জ জানালে খুশি হবো। প্লিজ এই বিষয়ে কেউ কিছু জানলে কাইন্ডলি জানাবেন।

এই তথ্যগুলো তুলে ধরার পিছনে একটা কারণ আছে। আরেকদিন বলবো। আমি সাধারণত লিগ্যাল ইস্যু নিয়ে ডিবেট এ কোন দিন হারিনি। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে খুব বাজে এটিচুডের শিকার হইছি একটা সরকারি অফিসে। আমাকে কথা বলতেই দেয়নি। যেটা আমি কোনভাবেই মানতে পাচ্ছি না। এই বিষয়ের শেষ দেখেই ছাড়বো।


Courtesy : Gobinda chandra das

কাউকে বিশেষ প্রয়োজনে নিজের যে ক্ষমতা তা দেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ধরা যাক আপনার কিছু সম্পত্তি রয়েছে ঢাকার বাইরে। কিন্তু আপ...
11/12/2022

কাউকে বিশেষ প্রয়োজনে নিজের যে ক্ষমতা তা দেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ধরা যাক আপনার কিছু সম্পত্তি রয়েছে ঢাকার বাইরে। কিন্তু আপনি এই জমি দেখাশোনা ও বিক্রি করার জন্য নিজে ঢাকার বাইরে যেতে পারছেন না। আপনি ইচ্ছা করলে যে কাউকে জায়গাজমি দেখাশোনার দায়িত্ব দিতে পারেন। শুধু জমিজমা-সংক্রান্ত নয়, যেকোনো কাজ আপনার অনুপস্থিতিতে সম্পাদনের জন্য ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। কিন্তু কীভাবে ক্ষমতা দেবেন।

যা করণীয়
কোনো দায়িত্ব বা ক্ষমতা অর্পণের জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা আমমোক্তারনামা করতে হবে। তা হতে হবে লিখিত। এটি একটি আইনগত দলিল। যাকে মোক্তার নিয়োগ করা হলো তিনি মূল মালিকের পক্ষে কোনো সম্পত্তির দান, বিক্রি, হস্তান্তর, রক্ষণাবেক্ষণ, বন্ধক রাখা, খাজনা ইত্যাদি কাজ করে থাকেন। এতে মোক্তারনামা দলিলে এসব বিষয়ে শর্ত স্পষ্ট করে লেখা থাকতে হবে যে তাঁকে পাওয়ার দেওয়া হলো তিনি কী কী করতে পারবেন কিংবা পারবেন না।
সাধারণত মোক্তারনামা দুই প্রকার। একটি হচ্ছে সাধারণ মোক্তারনামা, যাকে আমমোক্তারনামা বলা হয়। আরেকটি হচ্ছে খাস মোক্তারনামা, যা বিশেষ মোক্তারনামা। সাধারণত মোক্তারনামা মোক্তারদাতার পক্ষে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়, কিন্তু বিশেষ মোক্তারনামা সম্পাদন করতে হয় নির্দিষ্ট কাজের জন্য। সাধারণত আমমোক্তারনামা যেগুলো জমিজমা হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত নয়, সেগুলো নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে নোটারি করে নিলে হয়। কিন্তু জমিজমা-সংক্রান্ত মোক্তারনামা অবশ্যই রেজিস্ট্রি করাতে হবে, না হলে এর আইনগত ভিত্তি থাকে না। রেজিস্ট্রেশন দলিল সম্পাদনের তিন মাসের মধ্যে করতে হবে। কোনো মামলা-মোকদ্দমা পরিচালনার ক্ষেত্রেও পাওয়ার অ্যাটর্নি নিয়োগ করা যায়। এ ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি লাগবে। দলিলের ধরন বুঝে নির্দিষ্ট টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তা সম্পন্ন করতে হবে। কোন দলিল কত টাকার স্ট্যাম্পে করতে হবে তা জেনে নিতে হবে। বর্তমানে যেকোনো দলিল হস্তান্তর, ক্রয়-বিক্রয়, উন্নয়ন এবং ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা—উভয়ের ছবি দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিদেশে অবস্থান করলে
বিদেশে বসবাস বা অবস্থানরত কোনো ব্যক্তি কাউকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে চাইলে দূতাবাসের মাধ্যমে দলিল সম্পন্ন ও প্রত্যয়ন করে পাঠাতে হবে। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তা সত্যায়িত করাতে হবে।

সতর্কতা
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রধান যে বিষয়ে তা হচ্ছে, যে ব্যক্তিকে মোক্তার করা হচ্ছে, তিনি কতটা বিশ্বস্ত, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা। অনেক সময় দেখা যায়, মোক্তার নিজের নামে কিংবা প্রতারণামূলকভাবে জায়গাজমি হস্তান্তর বা বিক্রি করে দেন। তখন মূল মালিক বিপদে পড়েন। এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমাও কম হয় না। তাই দলিলের শর্তগুলো স্পষ্ট করে লেখা থাকতে হবে। যাঁকেপাওয়ার দেওয়া হলো তাঁর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখাও মালিকের দায়িত্ব।

মোক্তারনামা বাতিল
যেকোনো সময় সাধারণ মোক্তারনামা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল বা প্রত্যাহার করা যায়। যে অফিসে রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল, সেই জেলায় রেজিস্ট্রারের বরাবর মোক্তারনামা বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া যে মোক্তারনামা নোটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, তা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমেই বাতিল করতে হবে।
লেখক: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

20/10/2022
বাহাদুর চা
03/10/2022

বাহাদুর চা

27/08/2022

অপরুপ টাংগুয়ার হাওর, তাহেরপুর, সুনামগঞ্জ।

27/07/2022

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ 👌

১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।

৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।

৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।

৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।

৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।

৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।

৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।

১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

*জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া।
সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!!!

19/07/2022

হায়রে মজার চুলকানি ঃ
ট্রেনের কামরায় গাদাগাদি ভিড়। এক ভদ্রলোক একটি অ্যাটাচি নিয়ে উঠলেন। তিনি হকার নন। অধ্যাপক টাইপ চেহারা।

প্রশ্ন করলেন -- আচ্ছা পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজদৌলার পরাজয়ের কারণ কি?

সকলেই চুপ করে শুনতে থাকলেন তার কথা। কেউ কোনও কথা বলছেন না দেখে তিনি আবার শুরু করলেন --
পলাশীর প্রান্তরে সেদিন নবাব সিরাজদৌলার সৈন্য ছিল অনেক। লর্ড ক্লাইভের সৈন্য অল্প সংখ্যক থাকা সত্বেও নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। আপনারা বলবেন যে জগৎ শেঠ, মীর জাফরদের গদ্দারির কারণে নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস সবটাই সত্য নয়। সত্য ইতিহাস জানতে হবে।

একজন কৌতূহলী যাত্রী জানতে চাইলেন -- তবে সত্য ইতিহাসটা কি?

সত্য ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। ক্লাইভ দূরবীন দিয়ে নবাবের সৈন্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করলেন। পলাশীর আম বাগান তখন শূন্য। মীর জাফর তার আয়ত্তাধীন সৈন্য নিয়ে কেটে পড়েছে। ক্লাইভ তো অবাক। নবাবের সৈন্যরা তবে গেলো কোথায়? নিশ্চয়ই কোনও চাল খেলেছে।

হঠাৎই নজর পড়লো আমগাছের দিকে। একটি ডাল নড়ে উঠল। ক্লাইভ এবার দেখল যে নবাবের সৈন্যরা আমগাছের ডালে ডালে বসে আছে। নিচ দিয়ে যেতে গেলেই তারা গেরিলা আক্রমণ করবে বলে প্রস্তুত।

ক্লাইভ কাছাকাছি না গিয়ে দূর থেকে কামান আর বন্দুক তাক করলো। ফলন্ত গাছ থেকে আমের সাথে সাথে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল নবাবের সৈন্য। আহ!

ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিতে যাদু ছিল। সকলেই মন দিয়ে শুনছিলেন তার কথা। তিনি আবার বলে উঠলেন --
নবাবের সৈন্যরা সকলেই ইংরেজদের হাতে মারা পড়লেন, কিন্তু আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আমগাছের ডাল সেদিন নড়ে উঠল কেন? কি ছিল ষড়যন্ত্র?

যাত্রীদের সকলের মনে প্রশ্ন জেগে উঠল। তাই তো, আমগাছের ডাল নড়ে উঠল কেন? গাছের ডাল না নড়লে তো ক্লাইভের নজরে আসত না সৈন্যদের অবস্থান!

ভদ্রলোক বললেন --
কেন নড়ে উঠেছিল গাছের ডাল? কে বলতে পারবেন?

যথারীতি সকলেই চুপ করে থাকলেন। ভাব গতিক এমন যে; আমরা জানি না, আপনিই বরং বলে দিন।

তিনি তখন এটার্চি খুললেন। একটি জিনিস বার করে সকলকে দেখিয়ে বললেন --
ডাল নড়ে ওঠার কারণ ছিল -- চুলকানি। দাদ। চর্মরোগ। বড় মারাত্মক এই রোগ, বুঝলেন? নবাবের এক সৈন্যের ছিল চুলকানি। এই চুলকানির জন্যই সেদিন ডাল নড়ে উঠেছিল। ডাল না নড়লে ক্লাইভ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।

আমি এনেছি চুলকানির মলম। মাত্র ত্রিশ টাকা দাম।

😁😁😁😁..(সংগৃহীত)

অনেক ঘাটাঘাটি করে এ বিষয়ে জানতে পারলাম ❤️🕋সৌদি আরব ও বাংলাদেশের চাঁদ বিষয়ক সমস্যা🌔⌚মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় বিভিন্ন ঘটনার ...
10/07/2022

অনেক ঘাটাঘাটি করে এ বিষয়ে জানতে পারলাম ❤️

🕋সৌদি আরব ও বাংলাদেশের চাঁদ বিষয়ক সমস্যা🌔⌚

মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় বিভিন্ন ঘটনার জন্য চাঁদের উপর নির্ভরশীল। তার প্রধান কারণ হল, ইসলামিক সকল ঘটনা হিজরী বর্ষপঞ্জির উপর ভিত্তি করে তৈরি। হিজরী বর্ষপঞ্জি মূলত চন্দ্র মাসের উপর নির্ভর করে তৈরি। এই মাসের উপর ভিত্তি করে বছরের হিসেব হয়।

প্রতিবছরই এ নিয়ে অনেক অনেক প্রশ্ন দেখি যে, সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশ বা ভারতীয় উপমহাদেশের সময়ের পার্থক্য ২.৫-৩ ঘণ্টা হলেও, রমজান বা কোরবানির ঈদ কেন সাধারণত একদিন পর হয়? সামান্য কিছু সময়ে তো দিন বদলে যায় না!

আসলে বিষয়টা বুঝতে হলে পৃথিবী, চন্দ্র, সূর্যের গতির বিষয়ে কিছু ধারণা থাকা আবশ্যক। সাথে এটাও জানতে হবে যে, চাঁদের গতির সাথে প্রচলিত সময়ের বেশ পার্থক্য রয়েছে।

# সৌরবর্ষ

প্রথমে সৌরবর্ষ নিয়ে কথা বলি। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসি ১ বছরে। যেটাকে আমরা বলি ১ সৌর বছর। এটা সংঘটিত হয় পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে। এটা একটা একক। এই একককে ৩৬৫ দিনে ভাগ করা যায়। কেননা পৃথিবী নিজের চারদিকে ১ দিনে ঘুরতে পারে এবং বছরে সেটা ৩৬৫ বার প্রায়। এই গতির নাম আহ্নিক গতি। তো, এই ১ দিনকে আবার হিসেবের সুবিধার্থে ২৪ ঘণ্টায় ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটা ভাগ হচ্ছে সক ঘণ্টা। এই ঘণ্টাকে আবার মিনিট, সেকেন্ড ইত্যাদি ক্ষুদ্র এককে ভাগ করা হয়েছে হিসেবের সুবিধার্থে। এই পর্যন্ত পড়ার পরে কোথাও কি চাঁদকে খুঁজে পেয়েছেন? অর্থাৎ দিনরাত্রির হিসেবে চাঁদ কি কোথাও আছে? তারমানে বোঝা যাচ্ছে এই ঘণ্টার হিসেবেও চাঁদকে ব্যবহার করা যাবে না।

# চন্দ্রবর্ষ

চাঁদের পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে গড়ে প্রায় ২৯.৫৩ দিন। ফলশ্রুতিতে চন্দ্রমাস হয় ২৯ বা ৩০। মজার ব্যাপার হল, চন্দ্রমাস নির্দিষ্ট নয়। ফলে মুসলিমদেরকে রমজান ও ঈদ পালন করতে চাঁদ দেখতে হয়। এই অনির্দিষ্টতার কারণে চন্দ্রবছরও আলাদা হয়। কোন বছর ৩৫৪, আবার কোন বছরে ৩৫৫ দিন হয়। অর্থাৎ এটি গ্রেগরীয় বা সৌরবর্ষ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অনন্য। এবং এখানেও সূর্যের কোন কাজ নিজ। যদিও চন্দ্রবর্ষে সূর্য ডোবার পর নতুন দিন গণনা শুরু হয়। অর্থাৎ রাত আগে আসে, তারপর দিন।

আসা করছি বিষয় দুটো পরিষ্কার। তবে এবার মূল বিষয়ে আলোচনা করা যাক।

# সময়ের বিশাল তারতম্য

শুরুতে যেই প্রশ্নটা ছিল সেটাই আবার আলোচনা করি। হিসেব অনুযায়ী সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ ৩ ঘণ্টা এগিয়ে। এতে বরং বাংলাদেশ ৩ ঘণ্টা আগে চাঁদ দেখবে। কিন্তু তা তো হয়ই না, উল্টো সৌদি আরবে একদিন আগে রমজান, ঈদ শুরু হয়ে যায় সাধারণত।

এর উত্তরের সঙ্কেত উপরে খানিকটা দিয়েছিও। সমস্যা হল, আমরা সৌর ও চন্দ্রের হিসেবকে মিলিয়ে ফেলি। সৌর হিসেবে সৌদি আরবের সাথে আমাদের পার্থক্য মাত্র ৩ ঘণ্টা হলেও চন্দ্রের হিসেবে সৌদি আরব ও আমাদের পার্থক্য ২১ ঘণ্টার! কি, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা। এটা কিভাবে হল, বুঝতে পারছেন না নিশ্চয়ই? চলুন জেনে নিই বিষয়টা।

পৃথিবীর গতির কথা তো জানিই। পৃথিবী নিজের অক্ষের চারিদিকে পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরে চলেছে প্রতিনিয়ত। যার আহ্নিক গতি বলি। গতিটা সহজে বোঝা যাবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিক বা অ্যান্টি ক্লকওয়াইজ (Anti Clockwise) বললে। চাঁদ তো ধীরে ধীরে আবর্তন করছে। ফলশ্রুতিতে প্রতিদিন পশ্চিম দেশ সবার আগে চাঁদের উন্মোচন দেখতে পায়। আমরা তো জানিই, সূর্যোদয় হয় পূর্ব থেকে? তবে চাঁদের ক্ষেত্রে উল্টো। যদিও চাঁদ পূর্বে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়, তবুও পশ্চিমারা চাঁদের আলো সবার আগে পায়।

কেন এক দেশে চাঁদ দেখা গেলেও অন্য দেশে দেখা যেতে দেরি হতে পারে। কেননা খালি চোখে চাঁদকে দেখতে হলে চন্দ্র আর সূর্যের মাঝে ১০.৫ ডিগ্রি কোণ থাকতেই হবে। এবং যে পরিমাণ দূরত্ব অর্জন করলে এই কোণ তৈরি হবে, সে পরিমাণ যেতে যেতে চাঁদের ১৭ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লেগে যায়। এ কারণেই আজ আমেরিকাতে চাঁদ দেখে গেলেই যে বাংলাদেশেও দেখা যাবে, সেটা ভুল ধারণা। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই কোণ অর্থাৎ ১০.৫ ডিগ্রি অর্জন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দেখা যাবে না। একই বিষয় সৌদি আরব ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও। এই সংকট কোণকে ইলঙ্গেশন (Elongation) বলে। তাই চাঁদের বয়স কত সেটা আদৌ আসল কথা নয়, সেই কোণ হয়েছে কিনা সেটার উপর নির্ভর করে চাঁদ দেখা যাবে কিনা।

ফলে আমরা সৌদি আরব থেকে ৩ ঘণ্টা সূর্যের হিসেবে এগিয়ে থাকলেও, চাঁদের হিসেবে ২১ (২৪-৩=২১) ঘণ্টা পিছিয়ে আছি। ২১ ঘণ্টা প্রায় ১ দিন। অর্থাৎ আমরা প্রায় একদিন পিছিয়ে আছি। সেজন্যই সৌর বছরের হিসেবে একদিন পরে চাঁদ দেখি। তবে চন্দ্র বছরের কথা বললে আমরা সবাই একই দিনেই সব করি। তাই কারো এমনটা ভাবার কিছু নেই যে সবাই ভিন্ন দিনে রমজান বা ঈদ পালন করে। সবাই একই দিনেই পালন করে। কিন্তু সেটা যদি ইংরেজি বর্ষপঞ্জি দিয়ে যাচাই করেন, সেটা নিতান্তই বোকামি হবে। শেষ কথা হল, চন্দ্রবর্ষ অনুযায়ী পুরো পৃথিবীর সকলেই একই দিনে রমজান, ঈদ পালন করে। শুধু টাইমজোন (Timezone) আলাদা বলে এমনটা মনে হয়।

আশা করছি, পরিস্কার হয়েছে বিষয়টা। ধন্যবাদ পড়ার জন্য। ঈদের শুভেচ্ছা।🕋

30/05/2022

ব্যাংকে জমা রাখা টাকা আপনার মৃত্যুর পরে কে পাবে?

ঐতিহাসিক রায়ঃ

মৃত ব্যক্তির ব্যাংকে জমাকৃত টাকা নমিনি পাবেন না, এ অর্থ উত্তরাধিকারী পাবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার এ রায় ঘোষণা করা হয়। বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এসময় আদালতে এ বিষয়ে দায়ের করা রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এমআই ফারুকী।
মামলার বিবরণীতে দেখা যায়, ২০১৪ সালের মার্চে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি ডিরেক্টর শহিদুল হক চৌধুরী তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নমিনি করে ৩০ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র রাখে। পরে শহিদুল হক মারা গেলে তার দ্বিতীয় স্ত্রী পুরো টাকা একাই ভোগ করতে চাইলে মৃত শহীদুলের প্রথম পক্ষের সন্তানরা টাকা দাবি করে মামলা করে। তবে নিম্ন আদালত রায় দেন, নমিনি যে সেই টাকা পাবে।
এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করলে, রোববার মৃত ব্যক্তির ব্যাংকে থাকা টাকা নমিনি নয়, উত্তরাধিকারীরা পাবেন বলেন রায় দিলেন আদালত। আদালতে রিভিশন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, সঙ্গে ছিলেন সাদেকুর রহমান ও নাজনীন নাহার। অন্যপক্ষে (মৃত ব্যক্তির দ্বিতীয় স্ত্রী) ছিলেন আইনজীবী বি এম ইলিয়াস কচি ও মাকসুদুল ইসলাম।
রায়ের পর আইনজীবী নাজনীন জানান, “সঞ্চয়পত্রের মালিকের নমিনি ট্রাস্টি হিসেবে থাকবে, মালিক মারা গেলে নমিনি ওই অর্থ উত্তোলনের অধিকারী হবেন ও উত্তরাধিকার আইন অনুসারে মৃত ব্যক্তির সাকসেসরদের (উত্তরাধিকারী) মধ্যে তা বণ্টন করবেন।”
নমিনি যদি উত্তরাধিকারী হন, তবে তিনি ওই অর্থের মালিকানা পাবেন বলে রায় দিয়েছে আদালত; অন্যত্থায় নয়। প্রচলিত আইনে নমিনি ও উত্তরাধিকারী বিষয়ে স্পষ্ট বলা রয়েছে জানিয়ে অ্যাডভোকেট নাজনীন বলেন, “প্রচলিত ধারণা, নমিনিই সঞ্চয়পত্রের অর্থের মালিকানা পাবে। হাই কোর্টের রায়ের ফলে এখন বিষয়টি আরও স্পষ্ট হল।”
নমিনির ভূমিকা কি ছিল আগে :
ব্যাংক, ইন্সুরেন্স ইত্যাদির ক্ষেত্রে নমিনির ভুমিকা হল ট্রাস্টির মত। অর্থাৎ নমিনির কাজ হল যখন একাউন্ট হোল্ডার মারা যাবেন তখন নমিনি ওই একাউন্ট সম্পর্কিত যাবতীয় কাজ করবেন (যেমনঃ একাউন্ট এ রক্ষিত টাকা তুলবেন।) এবং সম্পত্তিটি একাউন্ট হোল্ডারের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন করে দিবেন।
এই ক্ষেত্রে অনেকেই একটি ভূল করে থাকেন । সেটা হল অনেকেই ভাবেন যে, নমিনি হল ওই একাউন্ট এর মালিক। এই ধারনা সম্পূর্ন ভূল। নমিনি হল ওই একাউন্ট এর হেফাজতকারী মাত্র। তিনি মৃত ব্যক্তির পক্ষে একাউন্ট পরিচালনাকারী মাত্র। মৃত ব্যক্তির টাকা বন্টিত হবে সাকসেসন আইন অনুযায়ী। নমিনি যদি মৃত ব্যক্তির উত্ত্রাধিকারী না হন তবে কোন অবস্থায় তিনি সম্পত্তির দাবিদার নন।
সাকসেসন আইন অনুযায়ী নমিনি যদি কোন টাকা পাওয়ার অধিকারী হন তবে তিনি তা এমনিতেই পাবেন। নমিনি হওয়ার কারনে তিনি অন্য কোন বিশেষ অধিকার ভোগ করবেন না।

ঐতিহাসিক এই রায়ের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রমের একটি নতুন ধারা সৃষ্টি হবে। ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশগন তার সম্পত্তি যথাযথভাবে পাবে।

Address

Supreme Court Of Bangladesh
Dhaka
1100

Telephone

+8801814367956

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md Azad Hosen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Md Azad Hosen:

Share