আইনি সহায়তা

আইনি সহায়তা এখানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কো্টের অভিজ্ঞ এডভোকেট দ্বারা সকল প্রকার জিজ্ঞাসা ও সকল প্রকার প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেওয়া হয়।

16/07/2013

আমাদের সংবিধানে মূলত ‘পিছিয়ে পড়া’ জনগোষ্ঠির জন্য বিশেষ ব্যাবস্থা- ‘কোটা’র কথা বলা হয়েছে। উপজাতি বা আদিবাসীদের মধ্যে যারা আদতে পিছিয়ে পড়া তাদের কাছে আদৌ এই কোটার সুফল যাচ্ছে কিনা তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। এমনকি এটা নিয়ে কোন ফলোআপ স্ট্যাডি হয়েছে বলেও আমাদের জানা নেই। ‘পিছিয়ে পড়া’ বলতে আসলে কাদেরকে বোঝানো হয়েছে তাও পরিষ্কার নয়।

কিছু ক্ষেত্রে তুলনামূলক বিচারে দেখা গিয়েছে পাহাড়ে বসবাসীদের মধ্যে প্রায় সব জাতিগোষ্ঠি এমনকি বাঙ্গালীরাও বাস্তবে পিছিয়ে পড়া। কিন্তু সেখানে তাদের জন্য কোটা সুবিধা নেই।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কিংবা তাদের সন্তানগণ সংবিধানে উল্লেখিত ‘পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির’ অন্তর্ভূক্ত নয় কিন্তু তারা কোটার বিশেষ সুবিধা ভোগ করেন। এটা নিয়ে কিছুটা বিতর্কও হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এর সাংবিধানিক যৌক্তিকতা নিয়েও। চিন্তা করলে আমরা এর পেছনে একটা যুক্তি পাই তা হলো ‘সম্মাণজনক’ বিশেষ সুবিধা। মুক্তিযোদ্ধারা নিঃসন্দেহে দেশের সূর্যসন্তান। রাষ্ট্রের জন্মলগ্নে তাদের বিশাল আত্নত্যাগে তাঁরা আমাদেরকে ঋণী করেছেন। আমাদের কাছে তারা দাবী না করলেও আমাদের অবশ্যই দায়িত্ব আছে তাদের জন্য সামর্থানুযায়ী কিছু করার। এটা তাদের আত্নত্যাগের সামান্য প্রতিদান বা স্বীকারোক্তি মাত্র। যদিও আমরা তাদের দাবী যতটা সম্ভব পূরণ করার চেষ্টা করি। আমরা আমাদের ভালবাসা এবং কৃতজ্ঞতা পাশে তাদের আবদ্ধ করি।

এমনকি তাদের এই আত্নত্যাগ কিছু অধিকারের জন্ম দেয়, যা রাষ্ট্রের কাছে তাদের প্রাপ্য। এই ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের কোন দ্বিমত নেই। তাঁদেরকে রাষ্ট্রের অন্যতম সম্মাণজনক ব্যক্তিত্বে পরিণত করে তাদের সুযোগ-সুবিধা আরো বাড়ানো যেতে পারে।

কিন্তু আপত্তিটা হলো তাঁদের সন্তানদের সুযোগ সুবিধা দেয়ার জায়গা হিসেবে কেন বিসিএস বা রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোকে বেছে নেয়া হবে। সুযোগ সুবিধা তো অন্য কোথাও দেয়া যেতে পারে। আমরাতো কোটায় কাউকে পরিক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় বানিয়ে দিতে পারিনা?

সম্মানের খাতিরে সম্মাণজনক জীবনধারনের বিষয় নিশ্চিত করতে পারি। বিশেষ সুবিধা দিয়ে তাদের বিভিন্ন চাকুরীর ব্যবস্থা করতে পারি। কেন তাদের প্রথম শ্রেণির চাকুরীই দিতে হবে? এখানে তো অন্যের বৈষম্যের ব্যাপারটি চলে আসে। যার বাবার বয়স মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০-২০ বছর ছিল এবং এরকম নানা কারণে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেনি এমনকি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাও করেনি তাকে রাষ্ট্র কোন অপরাধে এই বঞ্চনার শিকার করছে?

মুক্তিযোদ্ধারা যদি দেশের প্রয়োজনে নিজেদের জীবনের ঝুকি নিয়ে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করতে পারেন, তবে তাঁদের সন্তানদের একটু কষ্ট করে পড়ালেখা করে মেধার ভিত্তিতে প্রথম শ্রেণির চাকুরী নিতে অসুবিধা কোথায়?

আমাদের তো মনে হয়… মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের এব্যাপারে স্বউদ্যেগী হয়ে আন্দোলন করা দরকার। কারণ তারা জানে যে তারা এমন এক অযৌক্তিক সুবিধা ভোগ করছে যার ফলে অনেক শিক্ষার্থী শুধূ বঞ্চিতই হচ্ছে না, কখনো কখনো তারা প্রচন্ড ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে মুক্তিযোদ্ধা এমনকি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করছে। যা সামগ্রিকভাবে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতিগঠনে দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

যেই দেশে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট টাকায় বিক্রির ঘটনা প্রমাণিত, সেই দেশে এই সমস্যা সমাধানের পূর্বে মুক্তিযোদ্ধা কোটা কীভাবে যৌক্তিক হতে পারে?

• কাউকে বিশেষ বিবেচনায় পাশ করানো যেতে পারে, কিন্তু প্রথম, দ্বিতীয় করাটা কতটা অযৌক্তিক?

• আমরা চাইলে যে কাউকে সম্মাণ দেখাতেই পারি, কিন্তু তাই বলে অন্যকে বৈষম্য করে?

• একজনকে বৈষম্য করে কীভাবে অন্যের অধিকার বাড়াতে পারি?

জাতি হিসেবে আর কতদিন আমরা এই অযৌক্তিক গন্তব্যের দিকে যাত্রা অব্যহত রাখব ??????

16/07/2013

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মামলার রায় কাল

13/07/2013

প্রতি বছর ৩১ মে “বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস” ঢাকঢোল পিটিয়ে পালন করা হলেও ধূমপান বিরোধী আইনের সঠিক বাস্তবায়নের অভাবে বাংলাদেশে ধূমপায়ীর সংখ্যা প্রতিবছর আশংকাজনক হারে বাড়ছে। ধূমপান বিরোধী বিভিন্ন সংগঠনের দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার ধুমপান বিরোধী আইনকে আরও জনমুখী করে সংশোধন আনেন। যা গত এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখ সংসদে পাশ হয়।

13/07/2013

খুন করা সবচেয়ে বড় ফৌজদারী অপরাধ। বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী খুনের শাস্তি সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত হতে পারে। তবে এ বিধানেরও কিছু ব্যতিক্রম আছে।

Self Defenceদণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী যদি কাউকে খুন করা হয় তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

তবে এ ধারাটি তখনই প্রয়োগ করা যাবে যখনঃ
১) যদি কোন লোক আপনার উপর এমন আঘাত করতে উদ্ধ্যত হয় যার ফলে ন্যায় সঙ্গতভাবেই আপনার এরূপ আশংকার সৃষ্টি হয় যে, আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে সে আঘাতকে প্রতিহত না করলে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।
২) যদি কোন লোক আপনাকে এমন আঘাত বা আক্রমণ করে যার ফলে ন্যায় সঙ্গতভাবেই এরূপ আশাংকার সৃষ্টি হয় যে, সে আঘাত বা আক্রমণের ফলে আপনার গুরুতর আহত হওয়া অনিবার্য।
৩) আপনি যদি স্ত্রীলোক হন এবং আপনাকে যদি কেউ ধর্ষণ করতে আসে। (অর্থাৎ স্ত্রীলোক তার ইজ্জত রক্ষার্থে ধর্ষণে উদ্ধত লোকের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারেন।)
৪) যদি কেউ কোন অস্বাভাবিক কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আঘাত বা হামলা করে।
৫) যদি কোন লোক কোন শিশু বা নারীকে অপহরণের উদ্দেশ্যে আঘাত বা হামলা করে।
৬) যদি আপনাকে কেউ বেআইনীভাবে আটক করতে উদ্যত হয় এমন পরিস্থিতিতে আপনার ন্যায়সঙ্গতভাবে আশংকা হয় যে, আপনি আটক হলে সরাসরি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে আপনি আর উদ্ধার হতে পারবেন না, তখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যাবে।

এইতো গেল দেহরক্ষার ক্ষেত্রে আপনার খুন করার অধিকার। আর সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে আপনাকে খুন করার অধিকার দেয়া হয়েছে দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় ।

এ ধারায়ও আপনার কষ্টার্জিত সম্পত্তিতে যদি-
১) দস্যুদের দ্বারা লুন্ঠনের উপক্রম হয়,
২) রাত্রিকালে আপনার গৃহে কেউ বেআইনী প্রবেশ করে,
৩) কোন গৃহ, তাঁবু বা যানবাহনে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়, যদি সে গৃহ, তাঁবু বা যানবাহন কোন মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে,
৪) যদি কোন লোক চুরি করার উদ্দেশ্যে আপনার গৃহে অনধিকার প্রবেশ করে। চুরি করার সুবিধার জন্য আপনাকে গুরুতর আঘাত করতে উদ্ধত হয় এবং আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ না করলে আপনার মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য, প্রভৃতি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত ক্ষমতা আইন আপনাকে দিয়েছে।

তবে আইন এও বলেছে (দঃ বিঃ ৯৯ ধারায়) আত্মরক্ষার জন্য যতদুর পর্যন্ত ক্ষতিসাধন করা প্রয়োজন তার বেশী ক্ষতি সাধন করা যাবে না।

13/07/2013

এই পেইজ টি LIKE দিন আর উপকৃত হন

এখানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কো্টের অভিজ্ঞ এডভোকেট দ্বারা সকল প্রকার জিজ্ঞাসা ও সকল প্রকার প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেওয়া হয়।

Address

Dhaka
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনি সহায়তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share