Center for Law and Policy Affairs-CLPA Trust

Center for Law and Policy Affairs-CLPA Trust For the development and wellbeing CLPA Trust (Center for Law and Policy Affairs) has mandate to ensure people policy for the development and wellbeing.

CLPA started in 2008 working on local and national level policy and registered as a Non-profit organization in 2016. CLPA team believes in ensuring sustainable development and work towards to support and formulate national law and policy. On the spirit, CLPA works with community level with the support from professionals and community based organizations takes learning and successes to national level by adopting bottom to top level approach.

খাদ্য মোড়কে স্বাস্থ্যসতর্কবার্তা থাকা শিশুদের মধ্যে  স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।            ...
24/08/2026

খাদ্য মোড়কে স্বাস্থ্যসতর্কবার্তা থাকা শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬ জারি, প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইতিবাচক উদ্যোগপ্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলা ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উ...
24/08/2026

ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬ জারি, প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইতিবাচক উদ্যোগ
প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলা ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের দায়বদ্ধ করতে ‘উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব নির্দেশিকা ২০২৬ জারি করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি জারি করা এ নির্দেশিকা প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইতিবাচক উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স-সিএলপিএ। একইসঙ্গে নির্দেশিকা জারির করায় মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে তারা। আজ সোমবার ( ২৪ আগস্ট ২০২৬) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিএলপিএ মনে করে, প্লাস্টিক পণ্যের জীবনচক্র শেষে সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব শুধু সরকার বা সাধারণ জনগণের ওপর না রেখে উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের ওপর অর্পণ করা ‘দূষণকারী দায় বহন করবে’ (Polluter Pays Principle) নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ। এর ফলে প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবহার-পরবর্তী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর দায় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নির্দেশিকায় প্লাস্টিক পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস, পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তকরণ ও নিবন্ধন, বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়নের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা এবং বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিএলপিএ মনে করে, এসব ব্যবস্থা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পুনঃচক্রায়ন ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে উঠবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্লাস্টিক দূষণ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, পানি ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও একটি ক্রমবর্ধমান হুমকি। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য নদী, খাল, জলাশয় ও সমুদ্রে প্রবেশের ফলে দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত ক্ষতি সৃষ্টি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদক ও বাজারজাতকারীদের তাদের পণ্যের ব্যবহার-পরবর্তী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বের আওতায় আনা একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ।
তবে সিএলপিএ মনে করে, নির্দেশিকা জারির পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি, স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়ন ব্যবস্থার অবকাঠামো উন্নয়ন এবং এ কাজে নিয়োজিত অপ্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্য সংগ্রাহকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সিএলপিএ আরও মনে করে, নির্দেশিকার বাস্তবায়ন পর্যায়ক্রমে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়নের লক্ষ্যমাত্রা আরও উচ্চাভিলাষী করা এবং প্লাস্টিক দূষণ কমাতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। উৎপাদনকারী ও ব্র্যান্ড মালিকদের দায়িত্বশীল উৎপাদন, পরিবেশবান্ধব নকশা এবং পুনঃব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নযোগ্য পণ্যের ব্যবহার বাড়াতেও উৎসাহিত করতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সরকার সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬-এর কঠোর, স্বচ্ছ ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই ও চক্রাকার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আইনগত পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।

24/08/2026

সিএলপিএ’র বিবৃতি- ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬ জারি, প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইতিবাচক উদ্যোগ

প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলা ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের দায়বদ্ধ করতে ‘উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (Extended Producer Responsibility—EPR) নির্দেশিকা ২০২৬’ জারি করায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ) এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
সিএলপিএ মনে করে, প্লাস্টিক পণ্যের জীবনচক্র শেষে সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব শুধু সরকার বা সাধারণ জনগণের ওপর না রেখে উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের ওপর অর্পণ করা ‘দূষণকারী দায় বহন করবে’ (Polluter Pays Principle) নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ। এর ফলে প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবহার-পরবর্তী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর দায় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নির্দেশিকায় প্লাস্টিক পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস, পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তকরণ ও নিবন্ধন, বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়নের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা এবং বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিএলপিএ মনে করে, এসব ব্যবস্থা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পুনঃচক্রায়ন ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে উঠবে।
প্লাস্টিক দূষণ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, পানি ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও একটি ক্রমবর্ধমান হুমকি। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য নদী, খাল, জলাশয় ও সমুদ্রে প্রবেশের ফলে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত ক্ষতি সৃষ্টি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদক ও বাজারজাতকারীদের তাদের পণ্যের ব্যবহার-পরবর্তী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বের আওতায় আনা একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ।
তবে সিএলপিএ মনে করে, নির্দেশিকা জারির পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি, স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়ন ব্যবস্থার অবকাঠামো উন্নয়ন এবং এ কাজে নিয়োজিত অপ্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্য সংগ্রাহকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সিএলপিএ আরও মনে করে, নির্দেশিকার বাস্তবায়ন পর্যায়ক্রমে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃচক্রায়নের লক্ষ্যমাত্রা আরও উচ্চাভিলাষী করা এবং প্লাস্টিক দূষণ কমাতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। উৎপাদনকারী ও ব্র্যান্ড মালিকদের দায়িত্বশীল উৎপাদন, পরিবেশবান্ধব নকশা এবং পুনঃব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নযোগ্য পণ্যের ব্যবহার বাড়াতেও উৎসাহিত করতে হবে।
সিএলপিএ আশা করে, সরকার সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬-এর কঠোর, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই ও চক্রাকার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আইনগত পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬ প্লাস্টিক দূষণ কমাতে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক নীতিগত উদ্যোগ। এই উদ্যোগের জন্য সিএলপিএ সরকারকে অভিনন্দন জানাচ্ছে এবং এর কার্যকর বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল উদ্যোগে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।

প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা সংযুক্ত করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার দাবিতে রাজবাড়ীতে খাদ্যমন্ত্রী বরাবর...
24/08/2026

প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা সংযুক্ত করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার দাবিতে রাজবাড়ীতে খাদ্যমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজবাড়ী জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও রাজবাড়ী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর মন্ডলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত অ্যাডভোকেসি শেষে তার মাধ্যমে খাদ্যমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
ডাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম (লিন্টু) স্মারকলিপিটি প্রদান করেন। এ সময় পায়াক্ট বাংলাদেশের ম্যানেজার মুজিবুর রহমান খান জুয়েল, শাপলা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজার খোরশেদ আলম এবং দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি শেখ রাজীব উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ডাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারে এসব উপাদানের পরিমাণ সম্পর্কে ভোক্তাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ভোক্তাদের সচেতন করতে খাদ্যপণ্যের মোড়কে লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ সহজে বোঝা যায়, এমন স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিত। এর মাধ্যমে ভোক্তারা খাবার কেনার আগে পণ্যের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
স্মারকলিপিতে প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা লিপিবদ্ধ করার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

খসড়া প্রবিধানমালা-২০২৬ দ্রুত চূড়ান্ত করে তা কার্যকর করার দাবিতে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগ...
24/08/2026

খসড়া প্রবিধানমালা-২০২৬ দ্রুত চূড়ান্ত করে তা কার্যকর করার দাবিতে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বেসরকারি সেবামূলক সংস্থা মৌমাছি, ‘সুন্দরবন ফাউন্ডেশন’, প্রভা, প্রান্তিক যুব সংঘ এবং শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থা-এর যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করে সিটিজেন নেটওয়ার্ক’। এতে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, তরুণ স্বেচ্ছাসেবী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।
সমাজকর্মী পল্টু বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, খসড়া প্রবিধানমালা-২০২৬ দ্রুত চূড়ান্ত করা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘসূত্রতার কারণে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনিশ্চয়তা ও তীবৃ হতাশা তৈরি হচ্ছে। আর কালক্ষেপণ না করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রবিধানমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেনের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন দেশ টিভির প্রতিনিধি শরিফুল্লাহ কায়সার সুমন, নির্বাহী পরিচালক মৌমাছি সুশান্ত মল্লিক, চ্যানেল ২৪ এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আমেনা বিলকিস ময়না, নির্বাহী পরিচালক প্রভা শাম্মী আক্তার কুমকুম, সভাপতি প্রান্তিক যুব সংঘ হৃদয় মন্ডল, নির্বাহী পরিচালক শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থা শিহাব সিদ্দিকী।

প্লাস্টিক পণ্যের দায়িত্ব শুধু ভোক্তার নয়প্লাস্টিক পণ্য বাজারে ছাড়লেই উৎপাদনকারীর দায়িত্ব শেষ নয়। পণ্য ব্যবহারের পর সৃষ্ট...
22/08/2026

প্লাস্টিক পণ্যের দায়িত্ব শুধু ভোক্তার নয়

প্লাস্টিক পণ্য বাজারে ছাড়লেই উৎপাদনকারীর দায়িত্ব শেষ নয়। পণ্য ব্যবহারের পর সৃষ্ট বর্জ্য সংগ্রহ, পুনঃচক্রায়ন ও ব্যবস্থাপনাতেও উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের দায়িত্ব নিতে হবে।

ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬

গভীর শোক ও সমবেদনাআন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক, বিশিষ্ট চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ল...
21/08/2026

গভীর শোক ও সমবেদনা

আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক, বিশিষ্ট চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, লেখক ও গবেষক ডা. খায়রুল ইসলামের (৬৭) ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর দীর্ঘদিনের অসামান্য অবদান, গবেষণা ও লেখালেখি দেশের স্বাস্থ্যখাতকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর মৃত্যু জনস্বাস্থ্য অঙ্গন ও দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ধৈর্য ও শক্তির সঙ্গে মোকাবিলা করার তৌফিক দান করুন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

 # শোকবার্তাসেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি এফেয়ার্স-এর পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক, সাবেক ডিন এবং ...
19/08/2026

# শোকবার্তা

সেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি এফেয়ার্স-এর পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক, সাবেক ডিন এবং দেশের ওষুধ শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ **অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক**-এর মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।

অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক ছিলেন দেশের নিরাপদ খাদ্য ও ওষুধ গবেষণার ক্ষেত্রে একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। ওষুধ শিক্ষা ও গবেষণায় তাঁর অসামান্য অবদান দেশের জনস্বাস্থ্য ও উচ্চশিক্ষার অঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিক্ষা, গবেষণা ও জনস্বাস্থ্য খাতে যে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

২০২৬ সালের ১৩ আগস্ট তাঁর ইন্তেকালে আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও তাঁর অসংখ্য শিক্ষার্থীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

**আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।**

**সেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি এফেয়ার্স**

17/08/2026
জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় খাদ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নিশ্চিতের আহ্বানসেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারী...
17/08/2026

জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় খাদ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নিশ্চিতের আহ্বান

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আনিসুর রহমান খোকন বলেন, “জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে খাদ্যের মোড়কে সহজবোধ্য ও কার্যকর স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। ভোক্তাকে বিভ্রান্ত না করে পণ্যের পুষ্টিগত ঝুঁকি সম্পর্কে প্রতিটি প্যাকেটজাত খাদ্যে স্পষ্ট তথ্য দেওয়ার জন্য জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “প্যাকেটজাত খাদ্য, বেভারেজ, ড্র্রিংকসের মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত বিষ খাচ্ছি। এসব খাবার থেকে নতুন নতুন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে জনস্বাস্থ্য ও দেশের স্বার্থে আমাদেরকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপদ খাদ্য নিরাপদসহ সবার সাথে কাজ করতে হবে। দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন করে শিক্ষককেও যদি নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে জানানো যায় তাহলে সব শিশুদের সচেতন করা সম্ভব হবে। তাহলে আমরা ভবিষ্যতে এর ইতিবাচক ফল পাবো।”

সেন্টার ফর ল’ অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ), পাবলিক হেলথ ল’ ইয়ার্স নেটওয়ার্ক ও সিটিজেন নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন অতিরিক্ত চিনি, সোডিয়াম (লবণ) ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ অতিপ্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাদ্যের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ঝুঁকি তৈরি করছে। এ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ভোক্তার অধিকার রক্ষায় সঠিক খাদ্য নির্বাচনের অধিকার নিশ্চিত এবং অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ফ্রন্ট অফ প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা জরুরি। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার ৭১ শতাংশ। আর এসব রোগের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত চিনি, সোডিয়াম (লবণ) ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মোঃ শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের হেড অব প্রোগ্রাম ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, ডাব্লিউ বিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী ও সিএলপিএ এর কনসালটেন্ট অধ্যাপক ড. আ ফ ম সারোয়ার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমইউ এর ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথের চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুল হক এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএলপিএ এর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিএলপিএ এর হেড অব প্রোগ্রাম আমিনূল ইসলাম বকুল। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন সিএলপি এর সিনিয়র পলিসি অ্যানালিস্ট কামরুন্নিছা মুন্না।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, ভাইটাল স্ট্যাটেজিসের পরামর্শক আমিনুল ইসলাম সুজন, ডাব্লিউ বিবি ট্রাস্টের হেড অব প্রোগ্রাম সৈয়দ অনন্যা রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট মমতাজ মেী, বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি অব হেলথ সাইন্সের সহযোগী অধ্যাপক পলাশ চন্দ্র বণিক, চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের শাহ ইসবাত আজমেরি, নারী পক্ষের সৈয়দা সালমা পারভিন ও জাইকার পরামর্শক ড. মাহফুজুর রহমান ভুঁইয়া।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাদ্যের নিয়মিত গ্রহণ এসব রোগের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি। বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের মধ্যে অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য, মিষ্টিজাতীয় পানীয় ও ফাস্টফুডের জনপ্রিয়তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে। ফলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্যের মোড়কের তথ্য এমন হতে হবে, যা সাধারণ ভোক্তা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বুঝতে পারেন। জটিল পুষ্টি তথ্য, বিভ্রান্তিকর দাবি বা পণ্যের প্রচারণামূলক উপস্থাপনার পরিবর্তে অতিরিক্ত চিনি, সোডিয়াম ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়গুলো সামনের অংশে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

তারা আরও বলেন, এফওপিএল কেবল একটি লেবেলিং ব্যবস্থা নয়, এটি ভোক্তার তথ্য জানার অধিকার, নিরাপদ খাদ্য নির্বাচনের অধিকার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত হাতিয়ার। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিবেচনায় বাংলাদেশে এমন একটি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, যা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ, স্থানীয় খাদ্যাভ্যাস এবং জনস্বাস্থ্যের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সেমিনারে কার্যকর এফওপিএল বাস্তবায়নের জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক পুষ্টিমান নির্ধারণ, সহজবোধ্য ও দৃশ্যমান স্বাস্থ্য সতর্কবাণী, বাধ্যতামূলক প্রয়োগ, শক্তিশালী বাজার নজরদারি, আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কার্যকর শাস্তি এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Address

Flat-A3, House-49, Road-13, Block-D, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801855600100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Center for Law and Policy Affairs-CLPA Trust posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Center for Law and Policy Affairs-CLPA Trust:

Shortcuts

Share