14/09/2026
খসড়া “নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের অবহিত করতে খাদ্য মন্ত্রণালয় (MoFL), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (MoC), বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় (MoWCA), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (MoST), আইন মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (MoHFW), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP), শিল্প মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় (MoSW), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি এর (BFSA) ৩০ কর্মকর্তা উপস্থিতিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA) এবং সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (CLPA)-এর উদ্যোগে আজ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে “জনস্বাস্থ্য ও বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় প্যাকেটজাত খাদ্যের সম্মুখভাগে খাদ্য লেবেলিং” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, Vital Strategies, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন (NHF) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়কের সম্মুখভাগে সহজবোধ্য ও দৃশ্যমান পুষ্টিগত তথ্য প্রদর্শন বা সম্মুখভাগে খাদ্য লেবেলিং (FOPL) কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সরকারি কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
সেমিনারে প্রস্তাবিত “নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) খসড়া প্রবিধানমালা, ২০২৬ চুড়ান্তকরণ”, সম্মুখভাগে খাদ্য লেবেলিংয়ের জনস্বাস্থ্যগত গুরুত্ব, ভোক্তার তথ্য জানার অধিকার এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রস্তাবিত প্রবিধানমালায় খাদ্যপণ্যের মোড়কের সামনের অংশে অতিরিক্ত চিনি, সোডিয়াম (লবণ) ও সম্পৃক্ত চর্বি-সংক্রান্ত তথ্য প্রদর্শনের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
“স্বাগত বক্তব্য এবং বাংলাদেশে প্যাকেটজাত খাদ্যে ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং (FOPL)-এর প্রেক্ষাপট, অগ্রগতি ও বর্তমান পরিস্থিতি” বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, সদস্য, (খাদ্য শিল্প ও উৎপাদন), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) প্রতিরোধের একটি নীতিগত হাতিয়ার হিসেবে ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সামিনা ইসরাত, প্রোগ্রাম অফিসার, খাদ্যাভ্যাসজনিত ঝুঁকি বিষয়ক কার্যক্রম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আন্তজার্তিক অভিজ্ঞতা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, সচিব, সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা, জনাব এ.এন.এম. নাজিম উদ্দিন, জনাব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার—সদস্য, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী, জাতীয় হৃদরোগ ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব মো. সাফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
কার্যকর FOPL ব্যবস্থা ভোক্তাদের খাদ্যপণ্যের পুষ্টিগত তথ্য সহজে বুঝতে এবং সচেতনভাবে খাদ্য নির্বাচন করতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ভোক্তার তথ্য জানার অধিকার এবং অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জনস্বাস্থ্যবান্ধব ও ভোক্তাবান্ধব খাদ্য লেবেলিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।