Golden Key Property Bazar

Golden Key Property Bazar GK Property Bazar is an online real estate market place where you can buy, rent and sell your property.

রাজউক পূর্বাচলে সেক্টর -০৩ তে ০৮ (১২ পয়েন্ট কম) প্লট বিক্রয় হবে। ১২ ফিট উচু বাউন্ডারী করা, ওয়াসার পানির লাইন নেওয়া আছে।
12/05/2026

রাজউক পূর্বাচলে সেক্টর -০৩ তে ০৮ (১২ পয়েন্ট কম) প্লট বিক্রয় হবে।
১২ ফিট উচু বাউন্ডারী করা, ওয়াসার পানির লাইন নেওয়া আছে।

জমি কেনার আগে আসুন বর্তমান রেজিষ্ট্রেশন খরচ কত সেটা জেনে নেই...বর্তমানে জমি রেজিস্ট্রেশনের খরচ এলাকা এবং জমির মূল্যের ওপ...
09/05/2026

জমি কেনার আগে আসুন বর্তমান রেজিষ্ট্রেশন খরচ কত সেটা জেনে নেই...
বর্তমানে জমি রেজিস্ট্রেশনের খরচ এলাকা এবং জমির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
২০২৪-২৬ সালের সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, একটি জমি রেজিস্ট্রেশন করতে প্রধানত কয়েকটি ধাপে সরকারি ফি দিতে হয়। চলুন বর্তমান খরচের একটি চিত্র দেখে নেওয়া যাক।
প্রথমত, রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমির দলিলে উল্লিখিত মোট মূল্যের ১% জমা দিতে হয়। তবে জমির মূল্য যদি খুব কম হয়, তবুও সর্বনিম্ন ফি নির্ধারণ করা থাকে। এটি সরাসরি পে-অর্ডারের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
দ্বিতীয়ত, স্ট্যাম্প ডিউটি বা স্ট্যাম্প শুল্ক হিসেবে দিতে হয় মোট মূল্যের ১.৫%। এটি আগে ৩% ছিল, যা সরকার বিনিয়োগ সহজ করতে কমিয়ে এনেছে। এছাড়া জমিটি যদি সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার মধ্যে হয়, তবে ২% স্থানীয় সরকার কর দিতে হয়। জেলা পরিষদের ক্ষেত্রে এটি ১%।
তৃতীয়ত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উৎসে কর (Gain Tax)। এলাকাভেদে এটি ১% থেকে ৫% পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম বা নারায়নগঞ্জের কমার্শিয়াল এরিয়াতে এই করের হার বেশি। তবে কৃষি জমির ক্ষেত্রে বা গ্রাম এলাকায় এই কর তুলনামূলক অনেক কম।
চতুর্থত, এছাড়াও কিছু ছোট ফি রয়েছে যেমন ই-ফি (১০০ টাকা), এন-ফি (প্রতি ৩০০ শব্দে ১৬ টাকা), এবং এনএন-ফি বা নকল নবিশের ফি। হলফনামার জন্য ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হয়। সব মিলিয়ে গড়ে মোট মূল্যের ৮% থেকে ১০% খরচ হতে পারে।
পঞ্চমত, জমিটি যদি হেবা বা দানপত্র দলিল হয়, তবে খরচ অনেক কম—মাত্র ১০০ টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি ও নির্দিষ্ট কিছু ফি দিয়ে এটি করা সম্ভব। কিন্তু সাধারণ বিক্রয় দলিলের ক্ষেত্রে সরকারি মৌজা রেট বা প্রকৃত বিক্রয় মূল্য (যেটি বেশি) তার ওপর ভিত্তি করেই খরচ হিসেব করা হয়।
পরিশেষে, দলিল করার আগে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা একজন অভিজ্ঞ মহরারের কাছ থেকে বর্তমান 'মৌজা রেট' জেনে নিন। কারণ সরকার প্রতি বছর বা নির্দিষ্ট সময় পর পর এই রেট এবং করের হার পরিবর্তন করতে পারে। জমি রেজিষ্ট্রেশনের আগে সঠিক হিসেব জেনে টাকা বহন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
♻️ [জমাজমি সংক্রান্ত আপডেট সব তথ্য পেতে আমার এই পেইজটিতে 👍 Like অথবা Follow দিয়ে সাথেই থাকুন]।
#জমি_রেজিস্ট্রেশন #জমির_হিসাব #দলিল_রেজিস্ট্রেশন #সচেতন_নাগরিক #জমি_জমা #সরকারি_ফি

05/05/2026
জমি নিষ্কণ্টক (ঝামেলামুক্ত) রাখার ১০টি মূল শর্ত১. খতিয়ানের ধারাবাহিকতাজমির CS, SA, RS, BS এবং সর্বশেষ ডিজিটাল খতিয়ানে মা...
04/05/2026

জমি নিষ্কণ্টক (ঝামেলামুক্ত) রাখার ১০টি মূল শর্ত

১. খতিয়ানের ধারাবাহিকতা
জমির CS, SA, RS, BS এবং সর্বশেষ ডিজিটাল খতিয়ানে মালিকানার ধারাবাহিকতা ঠিক থাকতে হবে।

খতিয়ানে নামের বানান বা তথ্যে কোনো ভুল থাকা চলবে না।

২. বৈধ ও রেজিস্ট্রিকৃত দলিল
জমি ক্রয়ের মূল দলিল এবং আগের মালিকদের বায়া দলিলের ধারাবাহিকতা থাকতে হবে।

দলিলটি অবশ্যই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধিত হতে হবে এবং কোনোভাবেই জাল হওয়া চলবে না।

৩. হালনাগাদ নামজারি (Mutation)
দলিল সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ে নিজের নামে মিউটেশন বা নামজারি করিয়ে নিতে হবে।

৪. নিয়মিত খাজনা পরিশোধ
জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে এবং সর্বশেষ বছরের পরিশোধিত রশিদ থাকতে হবে।

৫. নকশা ও জমির পরিমাণ
খতিয়ান, দলিল এবং সরজমিন নকশায় জমির দাগ নম্বর, অবস্থান এবং আয়তন হুবহু এক হতে হবে।

৬. ওয়ারিশি সম্পত্তির বণ্টননামা
পৈতৃক সম্পত্তির ক্ষেত্রে সকল ওয়ারিশের নাম থাকতে হবে।

সম্ভব হলে একটি রেজিস্ট্রিকৃত বণ্টননামা থাকতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে জমি বিক্রি করলে তা পরবর্তীতে বাতিল হতে পারে।

৭. মামলা বা আপত্তি মুক্ত
জমিতে কোনো দেওয়ানি মামলা, ভূমি অফিসে কোনো আপত্তি বা জালিয়াতির কোনো অভিযোগ থাকা যাবে না।

৮. একাধিক বিক্রয় যাচাই
একই জমি বিক্রেতা আগে অন্য কারো কাছে বিক্রি করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

৯. বাস্তব দখল ও ব্যবহার
কাগজপত্রে নাম থাকার পাশাপাশি জমির ভৌত দখল (বেড়া, চাষাবাদ বা স্থাপনা) আপনার অধীনে থাকতে হবে।

১০. সরকারি রেকর্ডের সাথে মিল
আপনার হাতের কাগজপত্রের সাথে ভূমি অফিসের রেকর্ড এবং সরকারি ওয়েবসাইট (land . gov . bd) এর তথ্যের মিল থাকতে হবে।

পরামর্শ:
আপনি যদি নতুন জমি কিনতে চান, তবে এই ১০টি পয়েন্টের একটি তালিকা করে দাতা বা বিক্রেতার কাছ থেকে সব কাগজ বুঝে নিন। কোনো একটি পয়েন্টে গরমিল থাকলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।

-শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন। অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন-
ধন্যবাদ।

বায়না দলিল করার আগে যা জানা দরকার -
03/05/2026

বায়না দলিল করার আগে যা জানা দরকার -

28/04/2026

সঠিকভাবে দলিল তল্লাশি দিতে এই ৪টা বিষয় অবশ্যই অনুসরণ করুন—
১. দাতা-গ্রহীতার নাম দিয়ে খোঁজা
প্রথমে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দাতা (Seller) ও গ্রহীতার (Buyer) নাম দিয়ে রেকর্ড খুঁজতে হবে।
২. মৌজার নাম ও দাগ নম্বর দিয়ে তল্লাশি
শুধু নাম নয়—মৌজা ও দাগ নম্বর মিলিয়ে নিশ্চিত হতে হবে জমিটা আসলেই একই কিনা।
৩. দাতার টিপসই বই (Thumb Impression Book) চেক করা
এখানে দাতার আসল টিপসই থাকে—
👉 এতে বোঝা যায় দলিলটি সত্যি নাকি জাল!
৪. দলিল লেখক ডায়েরি যাচাই করা
দলিল লেখকের ডায়েরিতে প্রতিটি দলিলের এন্ট্রি থাকে—
👉 এখানেও মিলিয়ে দেখতে হবে তথ্য ঠিক আছে কিনা।
📢 মনে রাখবেন—
এই ৪টা ধাপ ঠিকভাবে না মানলে দলিল থাকলেও জমি হারাতে পারেন!
👉 তাই জমি কেনার আগে “তল্লাশি” নিজে বুঝে করুন অথবা অভিজ্ঞ লোক দিয়ে করান।
✍️ পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন

মিরপুর ডিওএইচএস সংল্গন স্বপ্ননগর আবাসিক এলাকায় রেডি কর্ণার ১৫৪৫ বর্গফুটের রেডি ফ্ল্যাট + কারপার্কিং বিক্রয় হবে।
12/10/2025

মিরপুর ডিওএইচএস সংল্গন স্বপ্ননগর আবাসিক এলাকায় রেডি কর্ণার ১৫৪৫ বর্গফুটের রেডি ফ্ল্যাট + কারপার্কিং বিক্রয় হবে।

100% Ready * South Facing, Single Unit Per Floor, 2100sft. At Uttara sector 10.Wake up to the refreshing skyline of Utta...
25/12/2024

100% Ready * South Facing, Single Unit Per Floor, 2100sft.
At Uttara sector 10.

Wake up to the refreshing skyline of Uttara’s prestigious neighbourhood, where you could enjoy true residential environment. Don’t be afraid to keep the windows open, let fresh air and natural light in all over your home, Urban Cascade is designed and being constructed that way.
> ⁠South Facing, Single Unit Per Floor, 2100sft.
> 10.5 Feet Floor Height.
> Tall and Wide Windows. 6’4’’X5’
> ⁠⁠Spacious Kitchen
> Eco Friendly Materials are Being Used To Minimise The Heat and Noise.
> Cross Ventilation.
> State of The Art Rooftop Design.
> 24 Hours Lift Facilities.
> School, College, Hospital, University, Mosque, Grocery, Walkway All The Social Amenities are within 2-10Mins Walking Distance.
> Metro Station Within Walking Distance (upon completion).
Project Address: Road 05, Sector 10, Uttara, Dhaka.

06/07/2024

আমাদের অনেক প্রবাসী ভাই-বোন-বন্ধু আছেন, যারা প্রবাসে থেকেও দেশের মাটিতে নিজের নামে জমি ক্রয় করতে চান৷

আসলেই কি সম্ভব?
হ্যাঁ, অবশ্যই আপনি একজন প্রবাসী হয়েও সঠিক আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের নামে জমি ক্রয় করতে পারবেন খুব সহজ উপায়ে ৷

তার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হলোঃ
জমি ক্রয়ের পূর্বে আপনাকে কিছু পদ্ধতি অনুসরন করা জরুরী প্রবাস থেকে জমি ক্রয়ের পদ্ধতি

(১) জমি কেনার আগে আপনাকে অবশ্যই সেই এলাকার বর্তমান বাজার মূল্য কেমন তা জানা দরকার, সেটা আপনার বিশ্বস্ত নিকটতম আত্মীয়র মাধ্যমেও খোজ খবর নিতে পারবেন ৷
(২) আবার কোন লোভনীয় বিজ্ঞাপনের খপ্পরে পরে দালালের মাধ্যমে জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকবেন ৷ এতে আপনার কস্টার্জিত অর্থ বিফলে যাবার সম্ভাবনা থাকবে ৷
(৩) জমি কেনার জন্য আপনার নিকটতম আত্মীয় বা বিশ্বস্ত কোন ব্যক্তি বাছাই করুন ৷ তার মাধ্যমে জমি বিক্রেতা বা দাতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি ভালোভাবে যাচাই করতে হবে, জমি নিয়ে কোন বিরোধ বা মামলা মোকদ্দমা আছে কিনা জানতে হবে ৷ সব কিছু ঠিক থাকলে জমি ক্রয়ের উপযোগী হবে ৷ আবারো বলছি, এমন বিশ্বস্ত ব্যক্তি বেছে নিন ৷ নয়তো বা দেখা যাবে জমিটি আপনার নামে ক্রয় না করে অন্যের নামে ক্রয় করা হয়েছে গেছে৷ তখন দেশে এসে আফসোস করতে হবে ৷
(৪) জমি ক্রয় করার জন্য সঠিক মূল্য নির্ধারিত হলে, আপনার প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র যেমন- জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে ৷
(৫) এর পর আপনার বিশ্বস্ত সেই ব্যক্তি একজন দক্ষ দলিল লেখক বা আইনজীবির মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করবেন ও উপস্থিত থাকবেন ৷
(৬) এখন যিনি দাতা অর্থাৎ জমি বিক্রয় করবেন তার সকল কাগজপত্র জমির মালিনাকা পর্চা, নকশা, ওয়ারিশ সনদ, ভায়া দলিল যদি থাকে ভায়া দলিল সমূহ, নামজারী খতিয়ান, হাল সনের খাজনা পরিশোধের দাখিলা অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে ৷
উপরোক্ত কাগজপত্র উপস্থাপনের পর দলিল লেখক আইজীবি দলিল প্রস্তুত করে সম্পাদন করবেন এবং সাব- রেজিস্ট্রী অফিসে সাব রেজিস্ট্রার বরাবর দলিল দাখিলের মাধ্যমে আপনার নামে জমি রেজিস্ট্রী করবেন ৷

দ্রষ্টব্যঃ যেহেতু আপনি একজন প্রবাসী তাই আপনার ক্রয়কৃত জমি সিটি করর্পোরেশন বা পৌরএলার হলেও টিন সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হবে না ৷

20/05/2024

FAR CALCULATION: সবাই টাইমলাইনে রাখুন
চাকরি জিবনে আপনার গুরুত্ব বেরে জাবে

FAR'' কিভাবে বের করবেন ???
আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করি তাদের ফার জানা খুব দরকার। ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন । টাকা- পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই । কিন্তু আপনি জানেন কি ? আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী । কারন একটা ভবন বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র ফার নিয়ে আলোচনা করবো আজকে।
FAR জানার সুবিধাঃ
১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায় ।
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব করতে পারবেন অংক করে ।
FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ
মনে করি,
ভূমি- ৫ কাঠা,
রোড- ২০ ফুট,
ফার- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র ফার লিখে কত কাঠার জন্য কত ফার সেটা উল্লেখ থাকে কিন্তু হিসাব থাকে না । অনেক বড় বড় পণ্ডিত মার্কা ইঞ্জিনিয়াররাও ফারের হিসাব পারে না। তাই আপনি যদি ফারের হিসাব শিখে রাখেন তাহলে বুক চাপড়ে নিজেকে নিয়ে গর্ব করতেই পারেন । কারন ফারের হিসাব জানা অনেকটা আর্থিক বিষয়ে জড়িত । যেহেতু, ভালো চাকরি করতে চাইলে ফার জানতেই হবে।)
Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far
= 5 katha x 3.5 (far 3.5)
= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)
= 3600x3.5
=12600 sqft
Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5% ( এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)
= 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sqft.
Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground floor + 5.6 floor
= 1+ 5.6 floor
= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা) ।
এই হিসাবে প্রায় সাত তলা কিন্তু সাত তলা না করাই ভালো যদি ভুমিকম্প থেকে বাঁচাতে চান এবং সারা এলাকাতে আপনার বাড়িটি যদি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে সেটা চান !!!
মনে রাখবেনঃ
***এই গাণিতিক হিসাবটা কেউ কাউকে শেখায় না। একমাত্র এই গাণিতিক হিসাব জানার কারনে আপনার বেতন বেড়ে যাবে। বসের কাছে কদর বেড়ে যাবে । হয়ত আপনার কাছের বন্ধুর কাছে বেশ কবার শিখতে চেয়েছেন কিন্তু সে আপনাকে আজকাল করে ঘুরাতে থাকবে। কিন্তু আজকে আমি আপনাদের একদম ফ্রিতে দিয়ে দিলাম । আমি চাই, আমার দেশের প্রতিটা ইঞ্জিনিয়ার দেশের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হোক ।
* বইতে সব কিছুর বিস্তারিত মাপ দেয়া আছে । কেউ যদি এখানে পাঁচ কাঠার পরিবর্তে অন্য কাঠা ব্যবহার করে সেক্ষেত্রে হিসাব ভিন্ন হবে।
* কখনো কাঠার পরিমান কম বেশি হলে এই হিসাবে দশমিক দিয়ে কোন সংখ্যা নাও আসতে পারে সেক্ষেত্রে যা এসেছে তাই ব্যবহার করুন । এবং নিজে সুস্থভাবে বেঁচে থাকুন ।
* গুগলে সার্চ করেও ফার সম্পর্কিত এই হিসাবটা আপনি পাবেন না । বাংলায় এবং ইংরেজিতে লেখা একমাত্র লেখা এটা ।
এই ধরনের আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো এবং শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন।

10/12/2023

বাড়ি নির্মাণ Soil Test সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা :-
সয়েল টেস্ট কী ?
কেন কি ভাবে সয়েল টেস্ট করা হয় ?
Soil Test করতে খরচ কেমন হয় ?
‘Soil Test’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘মাটি পরীক্ষা’। নিজের জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজে যখন যাবেন, একজন প্রশিক্ষিত স্থপতি এবং প্রকৌশলী আপনার কাছে প্রথমেই দুটি জিনিস চাইবেন। এর একটি হচ্ছে জমির ডিজিটাল সার্ভে। আর দ্বিতীয়টি হলো এই ‘সয়েল টেস্ট’।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিভাষায় একে কখনো বলা হয় Soil Test আবার কখনো বলা হয় Sub Soil Investigation। যে কোনো ধরনের স্থাপনার কাজের আগে জমির সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধুমাত্র ভবন তৈরিই নয়, ব্রিজ বা কালভার্ট, হাইওয়ে বা দুই লেন বা তার চেয়ে বেশি চওড়া পাকা রাস্তা, রেলপথসহ সব ধরনের কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও মাটি পরীক্ষা অপরিহার্য। যেকোনো স্থপতিই আপনাকে জানাবেন যে নকশার কাজে হাত দেবার পূর্বে অবশ্যই সয়েল টেস্ট করাতে হবে। কিন্তু কেন এই পরীক্ষণ এতটা গুরুত্বপূর্ণ?
প্রথমত, মাটির Bearing Capacity বা ভার বহনের ক্ষমতা নকশার আগেই বুঝে নিতে হয়। এই Soil Test এর মাধ্যমেই এই ক্ষমতা সম্পর্কে সুক্ষাতিসুক্ষ ধারণা পাওয়া সম্ভব।
দ্বিতীয়ত, ভবনে ঠিক কী ধরনের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হবে সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেয়া যায় জমির মাটি পরীক্ষার ফলাফল থেকেই।
মাটির ক্ষমতা বেশি হলে অনেক ক্ষেত্রে অগভীর ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হয়। যদি ক্ষমতা কম হয় সেক্ষেত্রে পাইলিংয়ের মতো গভীর ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করা হতে পারে।
Bearing Capacity এবং Foundation type দুটিই ফলাফলে উল্লেখ করা থাকে। এর সাথে SPT, মাটির ধরন, মাটির বিভিন্ন স্তরের বিবরণ, মাটিতে উপাদানের উপস্থিতিসহ বোরিং পয়েন্ট লে-আউট ও উল্লেখ থাকে এই ফলাফল। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই পরীক্ষা না করলে ফাউন্ডেশনের নকশা করা প্রায় অসম্ভব। সঠিক ফাউন্ডেশনের অভাবে ভবনের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মধ্যে রয়েছে:
স্থাপনা মাটিতে দেবে যাবার সম্ভাবনা।
ফাউন্ডেশন দেবে বা বেকে যাওয়ার ফলে বা অতিরিক্ত চাপের কারণে ফাটল তৈরি হতে পারে।
ভূমিকম্পের প্রভাবে মাটি সরে যাওয়া সম্পর্কে ধারণা বা জ্ঞান এর অভাব রয়ে যেতে পারে।
বন্যার সম্ভাবনা ও মাটিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি সম্পর্কেও জ্ঞান না থাকতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণভাবে মাটির ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে ৯-১০ টন হয়ে থাকে। অনেকে ছোট ভবনের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষা না করেই ভবন তৈরি করতে পারেন, কারণ ভবনের ভার এর চেয়ে বেশি হওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে ভবিষ্যৎ নির্মাণ এর সম্ভাবনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই এই পরীক্ষণ করানো উচিত।
একটি Soil testing set এ এই পরীক্ষাগুলি সাধারণত পাওয়া যায়:
1.Classification,
2.Particle size distribution
3.Moisture content determination
4.Specific gravity
5.Liquid limit and plastic limit test
6.Moisture content
7.particle size and specific gravity tests.
সাধারণত Soil Testing এর জন্য আলাদা কোম্পানি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে জমির সার্ভে কোম্পানি লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে এটি করতে পারেন। আপনি আপনার জমির নকশায় নিযুক্ত স্থপতি ও প্রকৌশলীর কাছ থেকে এরকম দক্ষ কোম্পানির সন্ধান পেতে পারেন। বাংলাদেশে জমির মাটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তার নাম ‘ওয়াশ বোরিং’ পদ্ধতি। এখানে যা যা করা হয় তা অনেকটা এরকম:
পানির সাহায্যে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি নলকে চাপ প্রয়োগ করে মাটিতে প্রবেশ করানো হয়।
প্রতি পাঁচ ফিট বা দেড় মিটার পর পর ঘাত সংখ্যা ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
প্রতি পাঁচ ফিট পর পরবর্তী দেড় ফিট পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে যে পরিমাণ আঘাত করতে হয় তা সাধারণত বিবেচনায় নেয়া হয় না। এর পরের ১২ ইঞ্চি মাটির ভিতরে পাইপ প্রবেশ করাতে প্রয়োজনীয় আঘাত এর সংখ্যাকেই বলা হয় N এর মান।
সাধারণত N এর মান ১৫ এর কম হয়ে থাকে। তবে ১৫ এর বেশি হলে মাটি শক্ত বলে বিবেচনা করা হয়। N এর মান অনুসারে মাটির ভার বহন ক্ষমতা অনেকটা এরকম :-
>
> ২ বা কম খুবই নরম মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ২-৫ টন/প্রতি বর্গ মিটারে)
> ৫-৯ মাঝারি মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ৫-১০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে )
> ৯-১৭ শক্ত মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ১০-২০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে )
> ১৭-৩৩ খুবই শক্ত মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ২০-৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে )
> ৩৩ বা উপরে কঠিন মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা
৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে বা বেশি )
জমির মালিক হিসাবে সচেতন থাকা উচিত যেন জমির মাপ অনুসারে সুষমভাবে সঠিক সংখ্যায় বোরিং হোল করার মাধ্যমে soil test এর মান নিয়ন্ত্রন করা হয়।
জমির মাপ বোরিং হোল এর সংখ্যা :-
তিন কাঠা পর্যন্ত ৩টি
তিন থেকে পাঁচ কাঠার মধ্যে ৫টি
পাঁচ থেকে ১০ কাঠার মধ্যে ৮টি
১০ কাঠার উপরে ১২টি
> স্বাভাবিকভাবে কিছু কিছু বিষয় Soil Test খেয়াল রাখছেন কিনা তাও নিশ্চিত হয়ে নিন:
১. চাপ প্রয়োগকারী হাতুড়ির ওজন ৬৩.৫ কেজি হতে হবে।
২. কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে এটিকে আঘাতের সময় নামিয়ে আনতে হবে।
৩. প্রতি ৫ ফিট পর পর আলাদা নমুনা সংগ্রহ করতে হবে এবং তাদের আলাদা আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে।
৪.প্রতিটি ক্ষেত্রে N এর মান আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
৫.মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফিট পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করতে হবে।
Soil Test খরচ কেমন?
বাড়তি খরচের ভয়ে অনেক জমির মালিকেরা Soil Test করতে চান না। অথচ মোট নির্মাণ ব্যয় এর তুলনায় Soil Testing এর খরচ প্রায় নগণ্য। ধরে নিন আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে ও আপনি FAR বা MGC মেনে যদি একটি ছয় তলা বাড়ি তৈরি করতে চান আপনার নির্মাণ ব্যয় হতে পারে চার থেকে সাড়ে চার কোটি টাকার মতো। অথচ বাংলাদেশে খুব ভালো মানের কোম্পানির মাধ্যমে Soil test করাতে আপনার খরচ হতে পারে সর্বোচ্চ ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। এই খরচের কারণেই নিশ্চিত হতে পারে আপনার ভবনের নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও সঠিক ফাউন্ডেশনের যাচাই ও বাছাইয়ে প্রকৌশলীর যথাযথ আস্থা।

Address

Lalmatia
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golden Key Property Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category