Hassan & Associates

Hassan & Associates Income Tax, Company Law and Business Service provider in Bangladesh

📣কেনা জমি বা ফ্ল্যাটের পরবর্তীতে বিক্রি করা হলে ক্রেতা/বিক্রেতার কাছ থেকে ডেভেলপার কোনো অর্থ আদায় করতে পারবে না 🕹️বিস্তা...
18/11/2025

📣কেনা জমি বা ফ্ল্যাটের পরবর্তীতে বিক্রি করা হলে ক্রেতা/বিক্রেতার কাছ থেকে ডেভেলপার কোনো অর্থ আদায় করতে পারবে না 🕹️

বিস্তারিত :-

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, এর প্রজ্ঞাপন নং ২৫.০০.০০০০.১২৩.২২.০০৪.২৫.৮৭৫, তারিখ: ২৭ কার্তিক ১৪৩২/ ১২ নভেম্বর ২০২৫।

রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার কর্তৃক সাফ কবলা দলিলমূলে বিক্রীত ও হস্তান্তরিত ভূমি অথবা ফ্ল্যাট পরবর্তীতে পুনঃবিক্রয় বা হস্তান্তরের সময় বিক্রয়, হস্তান্তর বা নামজারির অনুমোদনকালে বিক্রেতা/ ক্রেতাদের হয়রানি ও দুর্ভোগ দূরীকরণের লক্ষ্যে সরকার নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে:

রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার কর্তৃক সাফ কবলা দলিলমূলে বিক্রীত ও হস্তান্তরিত ভূমি অথবা ফ্ল্যাট পরবর্তীতে পুনঃবিক্রয় বা হস্তান্তরকালে বিক্রয়, হস্তান্তর বা নামজারির অনুমোদনের নামে ক্রেতাদের হয়রানি এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত বিধায় কোনো ডেভেলপার ভূমি বা ফ্ল্যাটের পরবর্তী হস্তান্তরকালে বিক্রয় অনুমোদন প্রদান, নামজারি বা অন্য যে কোনো নামেই হোক না কেন, ক্রেতা/বিক্রেতার কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় করতে পারবে না। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই আদেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এবং রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১১ সহ প্রচলিত অন্যান্য আইন এবং এতদসংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারীকৃত এ প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হবে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
ড. মোঃ নুরুল আমিন
উপসচিব।

14/06/2025

ব্যাংক চেক - জেনে রাখুন

13/02/2025

বন্টননামা দলিল

ভূমি বিষয়ক বিভিন্ন জরুরী তথ্য জেনে রাখা ভালঃ১//“নামজারী” কাকে বলে?ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির ন...
30/01/2025

ভূমি বিষয়ক বিভিন্ন জরুরী তথ্য জেনে রাখা ভালঃ

১//“নামজারী” কাকে বলে?

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

২//“জমা খারিজ”কাকে বলে?

যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

৩//“খতিয়ান” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…

৪//“পর্চা” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

৫//“মৌজা” কাকে বলে?

যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।

৬//“তফসিল” কাকে বলে?

জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

৬//“দাগ” নাম্বার কাকে বলে?
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।

৭//“ছুটা দাগ” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

৮//“খানাপুরি” কাকে বলে?

জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

৯//“আমিন” কাকে বলে?

ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

১০//“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?

ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

১১//“খাজনা” ককে বলে?সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।

১২//“দাখিলা” কাকে বলে?

ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।

১৩//DCR কাকে বলে?

ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

১৪//“কবুলিয়ত” কাকে বলে?

সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

১৫//“নাল জমি” কাকে বলে?

২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।

১৬//“খাস জমি” কাকে বলে?

সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।

১৭//“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?

হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।

১৮//“ওয়াকফ” কাকে বলে?

ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে

১৯//“মোতয়াল্লী” কাকে বলে?

যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।

২০//“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?

হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।

২১//“ফারায়েজ” কাকে বলে?

ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।

২২//“ওয়ারিশ” কাকে বলে?

ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

২৩//“সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

২৪//“পয়ন্তি” কাকে বলে?

নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

২৫//“দলিল” কাকে বলে?

যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।

ওয়ারিশ সনদ কি? কিভাবে পাবেন ও কোথায় ব্যবহার করবেন। 👈👇কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার  স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি তার উত্তরা...
25/10/2024

ওয়ারিশ সনদ কি? কিভাবে পাবেন ও কোথায় ব্যবহার করবেন। 👈👇
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারদের মধ্যে তার ব্যক্তিগত আইন অনুসারে বণ্টন করা হয় কিন্তু এ জন্য ঐ ব্যক্তির উত্তরাধিকার কারা বা ওয়ারিশ কারা তা জানার প্রয়োজন হয়। আর এই বিষয়টি নির্ধারণ করার জন্য স্থানীয় পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন অথবা আদালত এই ওয়ারিশ সনদ প্রদান করে থাকে।

চলুন এই বিষয়ে বিস্তারিত দেখে নেয়া যাক।

ওয়ারিশ সনদ 🇧🇩🇧🇩

🔰ওয়ারিশ সনদ কি?

কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারদের মধ্যে তার ব্যক্তিগত আইন অনুসারে এবং দেশিয় আইন বণ্টন করা হয়। এখন দেখা যায় স্থানীয় ভাবে একজন ব্যক্তির উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশ কে তা সবাই জানলেও অফিস আদালত বা প্রতিষ্ঠান তো তা জানে না আবার দেখা যায় এক ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী ও সন্তান থাকলে, মৌখিক ভাবে কাউকে ত্যাজ্য করলে বা পরিবারের কাছ তেকে দুরে থাকে তার প্রকৃত উত্তরাধিকার কারা তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে,তাই যাতে ভবিষ্যতে কোন সমস্যা না হয় এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন অথবা আদালত থেকে কারা সেই মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশ সেই সম্পর্কে এটি সনদ নেওয়ার প্রয়োজন হয় আর এটি-ই হচ্ছে ওয়ারিশ সনদ।

🔰কেন?

কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পরে তার প্রকৃত ওয়ারিশানের সংখ্যা, ধরন (ছেলে না মেয়ে), অবস্থা ইত্যাদি জানতে এই সনদ প্রদান করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে আমাদের বর্তমান জাতীয় পরিচয় পত্র বা অন্যান্য সার্টিফিকেট ব্যবস্থা কিছু দিন আগেও ছিল না তাই এই সনদের প্রয়োজন পরে আবার অন্য দিকে বর্তমান ব্যবস্থায় অনেক ভুল ভ্রান্তি থাকে বা আপডেট থাকে না কিম্বা কিছু স্থানে বাস্তব চিত্র হয়তো সার্টিফিকেট বা সরকারি তথ্যের সাথে অমিল থাকতে পারে তাই এই বিষয় গুলো পরিষ্কার করতে ওয়ারিশ সনদ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

🔰কোথায় দরকার হয়?

✅ জমি-জমা বা সম্পত্তি বাটোয়ারায়

✅ নামজারি করতে

✅ আইনগত অধিকার আদায়ে

✅ ঘোষণমূলক মোকদ্দমায়

✅ ব্যাংক- বীমায় মৃত ব্যক্তির অর্থ থাকলে

✅ পেনশন তুলতে । – ইত্যাদি

🔰কিভাবে পাবেন?

ওয়ারিশ সনদ সাধারণত স্থানীয় পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র । যা একজন মৃত ব্যক্তির আইনি উত্তরাধিকার/ওয়ারিশদের স্বীকৃতি দেয় ।

আবার ওয়ারিশ সনদ দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমেও পাওয়া যায়। সাধারণত অর্থ ও অস্থাবর সম্পত্তির দেনা – পাওনা, ব্যাংক-বিমা ইত্যাদির সুষ্ঠ হিসাব পাওয়া জন্য ও যাতে করে ভবিষ্যতে কোন ধরনের ঝামেলা না হয় সে জন্য দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে ওয়ারিশ সনদ নেওয়া হয়।

🔰এ সনদের জন্য কি কি লাগবে?

# ওয়ারিশগণের ১ কপি ছবি (সত্যায়িত)
# মৃত্যু সনদ ১ কপি (সত্যায়িত)
# মেয়র.সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান এর তদন্ত প্রতিবেদন
# সংশ্লিষ্ট বাজার চৌধুরী/হেডম্যান এর তদন্ত প্রতিবেদন।

🔰খরচ :

সাধারনত ৫০-১০০ টাকা প্রয়োজন হয়, এটা পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিশোধ ভেদে আলাদা হয়ে থাকে তবে এটা খুব বেশি হয় না।

🔰ওয়ারিশ সনদ কেন দরকার?

সনদটি উত্তরাধিকারগণকে তাদের নামে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরিত আছে কিনা, বা উত্তরাধিকার যোগ্য কতটুকু সম্পদ আছে তা সত্যায়ন করে থাকে। উত্তরাধিকারী/ সুবিধাভোগীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সনদটি ইস্যু করা হয়। ওয়ারিশ সনদ কার্যকরী, কিন্তু সব সময় এর বলে মৃতের সম্পদে উত্তরাধিকার নাও পাওয়া যেতে পারে। সাথে প্রয়োজন, একটি মৃত্যু সনদ এবং অনাপত্তি সনদ।

মনে রাখবেন স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিশোধ থেকে সনদ নিলেই হয় আর অর্থ সংক্রান্ত ও অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে আদালত থেকে এই সনদ গ্রহণ করতে হয়।

করদিবস, আর্থাৎ ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে কি কি বিষয় বিবেচনা করতে হবে ?কিভাবে জরিমানা ও কর পরিগণনা করতে ...
25/10/2024

করদিবস,
আর্থাৎ ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে কি কি বিষয় বিবেচনা করতে হবে ?
কিভাবে জরিমানা ও কর পরিগণনা করতে হবে?

আয়কর রিটার্নে ঋণ বা Loan দেখানোর পদ্ধতি  :-
07/10/2024

আয়কর রিটার্নে ঋণ বা Loan দেখানোর পদ্ধতি :-

জিরো রিটার্ণ সবার জন্য না, সব ক্ষেত্রে জিরো রিটার্ণ প্রযোজ্যও নয়।😉 প্রথমেই একটি কৌতুক হয়ে যাক,ক্রেতা-পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেব...
05/10/2024

জিরো রিটার্ণ সবার জন্য না, সব ক্ষেত্রে জিরো রিটার্ণ প্রযোজ্যও নয়।
😉 প্রথমেই একটি কৌতুক হয়ে যাক,
ক্রেতা-পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেব, একটা ভাল কোয়ালিটির প্যারাশুট দিন। সময়মত খুলবে তো?
বিক্রেতা-১০০% গ্যারান্টি!, আর না খুললে নিয়ে আসবেন, পাল্টে দেব। ভরসা রাখুন.........
বর্তমানের বেশিরভাগ নব্য করদাতাগন এরকম গ্যারান্টি’র প্যারাশুটেরই যোগ্য।
এনারাই সবচেয়ে বেশি ধরা খায়, ভবিষ্যতেও বহু জন এভাবেই ধরা খাবেন।
কেউ যদি নিজের সর্বনাশ নিজেই ডেকে নিয়ে আসে, সেক্ষেত্রে আমাদের কি কিছু করার আছে?

👉 সতর্ক করার জন্য পোষ্ট দিলেও অনেকে নেগেটিভ কমেন্টস করেন, যেন আমরা ডর ক্যা বিজনেস শুরু করে কিছু পয়সা কামিয়ে নেওয়ার ধান্দা করছি।
মানুষদের সচেতন করার জন্য পোষ্ট দেওয়া আর ফাঁদে ফেলা এক নয়-এটা বর্তমান জেনারেশনের অনেকেই বোঝেন না, বুঝতে আগ্রহী নন।

👉 অনেকেরই ব্যাংক লোন/মোটর গাড়ি/সঞ্চয়পত্র/ডিপিএস/এফডিআর/সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জমি/বাড়ি রয়েছে, কারো কারো করযোগ্য আয় রয়েছে, বেতন থেকে অফিস প্রতি মাসে ট্যাক্স প্রদান করেছে, অথচ সেই বছর জিরো রিটার্ন সাবমিট করেছেন।
আবার অনেকে তো এক কাঠি সরেস-বিদেশে যাবেন এজন্য গত তিন বছরের জিরো রিটেন একবারে সাবমিট করে দিতে হবে। ব্যাংকে নাই ৫ লক্ষ টাকা, অথচ পূর্বের ব্যাংক ব্যালান্স ২০ লক্ষ টাকা দেখিয়ে জিরো রিটার্নস সাবমিট করে দিতে হবে। এটা না হলে তো উনারা বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রসেস শুরু করতে পারছেন না।
কিছু খুচরা ব্যবসায়ী তো জিরো রিটার্ন করাতে চান, উদ্দেশ্যে ব্যাংক থেকে যত খুশি লোন নিতে পারবেন। কেউ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নেবেন- চাই জিরো রিটার্ন।
অনেকের তো আবার পূর্বের সাবমিট করা ভুলে ভরা রিটার্ন সংশোধন করাতে চান কিন্তু সেটার পদ্ধতির জটিলতায় যেতে রাজি নন।

👉 প্রায় সবারই একই আবদার জিরো রিটার্ন করে দিতে হবে, না হলে শুধু শুধু আপনাদের সম্মানী ফি কেন দেব? আইনের অনেক নিয়ম কানুন আপনাদের জানা আছে, প্লিজ ট্যাক্স কমিয়ে/শূনে করে দিন,আগামী চার-পাঁচ বছরে ট্যাক্স যাতে না আসে সেইভাবে ফাইল করে দিন।

👉 চরম বাস্তবতা হল ভুলভাল রিটার্ন তৈরি এবং জমা দেবার ক্ষেত্রে শীর্ষে বর্তমানে দলিল লেখকগন এবং ব্যংকের ক্রেডিট কার্ড ইস্যু, সঞ্চয়পত্র এবং লোন সেকশনের কর্মকর্তাগন, আয়কর সম্পর্কে না জেনেই, ঠান্ডা মাথায় বুঝে শুনে, ভুল তথ্যের রিটার্ণ/জিরো রিটার্ন তৈরি করে দেন।
এছাড়া অদক্ষ রিটার্ন প্রস্তুতকারীরা তো একবার রিটার্ন তৈরি করে দিয়েই খালাস, পরবর্তী বছরের রিটার্ন তো আর তাদের সমন্বয় করতে হয় না, নিরুপায় হয়ে করদাতাগণ আমাদের কাছে ছুটে আসেন, ওনাদের ফিলাপ করা রিটার্ণ দেখে মাঝে মাঝে মনে হয় এত বছর লেখাপড়া করে কি শিখলাম?
👉 এক পেইজের রিটার্ন/জিরো রিটার্ণ-দিন দিন নব্য করদাতাদের সাধনার বস্তু হয়ে উঠেছে, যেকোন মূল্যেই এনারা এক পেইজের রিটার্ন/জিরো রিটার্ণ পেতে চান।
পূর্বের ব্যাংক লোন/মোটর গাড়ি/সঞ্চয়পত্র/ডিপিএস/এফডিআর রয়েছে, নিজ নামে জমি বা বাড়ি রয়েছে, অথচ অনুরোধ করেন এক পেইজের রিটার্ণ। এক পেইজের রিটার্নেই যদি সব তথ্য দেওয়া যেত তবে, NBR ১১ পেইজের রিটার্ণ ফর্ম প্রকাশ করত না।
সবচেয়ে বেশি ভুক্তভুগীরা আসেন অডিট আটকা যাওয়ার পরে, অথচ এনারা সঠিকভাবে রিটার্ন জমা দিলে অডিট ফেস করতে হত না। একমাত্র ভুক্তভোগীরাই অডিট এর মর্ম উপলব্ধি করতে পারবেন।
পরিশেষে গ্রুপের সম্মানিত করদাতা, ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, ট্যাক্স লইয়াদের কাছে সবিনয়ে জিজ্ঞাসা, আয়কর আইনের কোন ধারা/অনুচ্ছেদ/পেইজে জিরো রিটার্ন সম্পর্কে বলা আছে জানাবেন প্লিজ।
তবুও ভালো কিছুর প্রত্যাশায়.........

বি:দ্র: মেধা,শ্রম এবং সময় ব্যয় করে প্রতিটি রিটার্ন ফাইল তৈরি করতে হয়, তাই রিটার্ণ তৈরি করাতে সম্মানী প্রদান করতে হবে। স্বশরীরে সাক্ষাতে রিটার্ন বুঝে নিন, নিরাপদ থাকুন।

যে সমস্ত কারণে আয়কর রিটার্ন পুণ:উন্মোচন হতে পারে :
11/09/2024

যে সমস্ত কারণে আয়কর রিটার্ন পুণ:উন্মোচন হতে পারে :

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নক...
14/07/2024

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

চাকরিজীবীদের জন্য রিটার্ন প্রদানের বাধ্যবাধকতা।বর্তমানে বেশ কিছু ক্ষেত্রে রিটার্ন প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সরকারি সকল...
13/07/2024

চাকরিজীবীদের জন্য রিটার্ন প্রদানের বাধ্যবাধকতা।
বর্তমানে বেশ কিছু ক্ষেত্রে রিটার্ন প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সরকারি সকল চাকরিজীবীদের জন্য এই রিটার্ন প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, এই রিটার্ন প্রদান ছাড়া সরকারি সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন উত্তোলন করতে পারবেন না।
এছাড়াও দেখা যায় বেসরকারি চাকরিজীবীরাও তাদের কর্মস্থলে রিটার্ন প্রদান প্রমাণপত্র প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রিটার্ন প্রমাণপত্র ছাড়া কর্মস্থলে বেতন নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।
তাছাড়া বর্তমানে অনেক সেবাও এই রিটার্ন প্রদান প্রমাণপত্র ছাড়া করা অসম্ভব।
তাই আজই আপনার রিটার্ন সময়মতো প্রদান করুন। আপনার এই কাজে পাশে রয়েছি আমরা এবং আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমরা বদ্ধপরিকর।

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী করতে গিয়ে সাধারণ জনগন যে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।!!!কারণ, এসি ল্যান্ড অফিস বন্টননামা দলিল ছ...
12/07/2024

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী করতে গিয়ে সাধারণ জনগন যে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।!!!

কারণ, এসি ল্যান্ড অফিস বন্টননামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী দিচ্ছেন না।
কি কি সমস্যা দেখে নিন এক পলকেঃ

#সমস্যা নং-১ঃ ওয়ারিশদের মধ্যে রেজিষ্ট্রি বন্টননামা দলিল নাই। নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-২ঃ এক বা একাধিক ওয়ারিশ দেশের বাহিরে থাকেন সেকারণে বন্টননামা দলিল করা যাচ্ছে না। অতএব, অন্যদেরও নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-৩
একাধিক ওয়ারিশদের মধ্যে একজন দাগে দাগে হিস্যানুসারে নামজারী চাইলে নামজারী হচ্ছে না। কারণ নির্দিষ্ট কোন দাগে দখল সেটা এসি ল্যান্ড অফিস নির্ধারণ করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৪
কোন একজন ওয়ারিশ কয়েকটি খতিয়ানের প্রাপ্য জমি কিন্তু সে একটি নির্দিষ্ট খতিয়ান থেকে তার প্রাপ্য অংশ বিক্রি করে ফেলেছেন। এখন তার বন্টননামা দলিল করার সুযোগ নাই। অতএব অন্য ওয়ারিশরা নামজারী করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৫
দখল সূত্রে কোন ওয়ারিশ দামী জমিতে দখলে আছেন। অতএব সে এখন বন্টননামা করবেন না। একারণে অন্য ওয়ারিশরাও নামজারী করতে পারছেন না।

এসব সমস্যার কারণে আদালতে বন্টন মামলা বেড়েই চলছে। অতএব মামলা মোকদ্দমা এড়িয়ে চলুল। নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করুন।

Address

154/4, West Rampura, WAPDA Road, Zhilkanon
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801713257629

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hassan & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hassan & Associates:

Share

Category