22/05/2026
শিশু রামিসার উপর পৈশাচিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটি হৃদয়বিদারক এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের ব্যর্থতাকে প্রমাণ করে। একই সাথে এমন ধরনের সকল অপরাধকে সমূলে ধ্বংস করতে মাদক, চলচ্চিত্রের নোংরা প্রচারনা এবং মাঠপর্যায়ের ওপেন অসামাজিক কার্যকলাপকে প্রতিহত করা জরুরী।।।
একই সাথে আইন ও বিচার বিষয়ে নিম্নোক্ত কথাগুলো পড়ুন ও শুনুন।
-
দেশের মানুষের সৌভাগ্য যে, তারা একজন দক্ষ, মানবিক ও বিবেকবান এ্যাটর্নি জেনারেল পেয়েছেন। স্যারের প্রতিটা কথার সাথে সহমত।
পর কথা হলো-
ঢাকা বার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের কোন আইনজীবী যেন না দাড়ায়। তাহলে সরকারের উচিত তার জন্য আইনজীবী দেওয়া। অপরাধী হিসেবে তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করা সরকারি দায়িত্ব। একসাথে সামাজিক দায়বদ্ধতায় কোন আইনজীবী তার হয়ে দাড়াতে না চাইলে - সরকারের দায়িত্ব তার জন্য কথা বলার উকিল দেওয়া।
নিশ্চয়ই তার অপরাধের প্রমাণ যেহুতু নিশ্চিত সুতরাং এখানে তারজন্য শত উকিল দাড়ালেও তার সুযোগ হবে না তাইনা।
এই ঘটনা মর্মান্তিক এবং বারের এই সিদ্ধান্ত বিবেকবান। কিন্তু দায়টা এখানে সরকারের উভয় দিকটাই দেখার। প্রমাণ নিশ্চিত করা, শাস্তি দেওয়া, দ্রুত করা, এবং আসামীর জন্যও আইনী অপশন ওপেন রাখা।
সর্বোপরি, আজও কিন্তু তনু'র বিচার শেষ হয়নি! এমন বহু ঘটনা আছে। দায়টা সরকারের। তারা তা পালন করেনি ঠিকমত কখনোই, কেউই।
সর্বোপরি, এই যে এত এত অন্যায় একটার পর একটা ঘটে চলে কেন হচ্ছে? এদেশে মাদক এবং এমন সব আচার-আচরণ কে কারা প্রমোট করতেছে?
ঐ ছেলে তো নেশাগ্রস্ত। সম্ভবত তার ওয়াইফও নেশাগ্রস্ত। হয়তো দেখা যাবে আরো লোক ছিলো যারা জানালা দিয়ে পালিয়েছে অসম্ভব কি?
আমাদের চলচ্চিত্র ইদানীং কি শিখাচ্ছে? তারা যতটা সম্ভব ততোটাই আকর্ষণীয় করে মাদক ও এই ধরনের বিহেভিয়ারগুলোকে প্রচার করতেছে। বিশেষত ওয়েব সিরিজগুলোতো আরো।
বিদেশের চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক মানের। তাদের চলচ্চিত্রেও বোধহয় এতটা মোহগ্রস্ত চারিত্রিক অবক্ষয়কে শো করা হয়না।
এটি সামষ্টিক পরিবেশের কর্মফল। এই পরিবেশ ঠিক করার দায় সরকারের, ধর্মীয় পন্ডিদদের। মাদকের সস্তা বিস্তার এবং চলচ্চিত্রের নোংরা প্রচারনা বন্ধ করা না গেলে- এমন ঘটনা কমবে বলে মনে হয়?
একদিকে তুমুলভাবে মাদকের বিস্তার ঘটাবেন আর চলচ্চিত্রে নোংরা প্রচারনা চালাবেন অপরদিকে চাইবেন অন্যায় না ঘটুক- এটি অসম্ভব!
#শিশুর সুরক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট নিজ পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশী সকলের আচার-আচরণ কে নোটিশ করা জরুরী। এদের ভিতর বড়দের কেউই যদি অন্যায় স্বভাবের সাথে জড়িত থাকে- হোক তা পরিবারে অথবা প্রতিবেশী কেউ- সেখানের শিশুরা নিরাপদ নয়।
শিশু সুরক্ষায় সামাজিক দায়বদ্ধতার অবনতি চরম আকার ধারন করেছে। বিশেষত পরিবারগুলোর ভিতরেই।