Xplore & Xpose

Xplore & Xpose Astonishing mirror of reallity.
(2)

05/09/2026
বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে জনবল নেবে ব্রুনাই। পৃথক সাত পদে মোট ৬৮ জন পু...
01/09/2026

বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে জনবল নেবে ব্রুনাই। পৃথক সাত পদে মোট ৬৮ জন পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।

এরই মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ ক্ষেত্রে আবেদনের সময় আছে মাত্র দুই দিন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
সরকারি মাধ্যম : বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)

কর্মস্থল : ব্রুনাই

পদের সংখ্যা : ৭ পদে ৬৮ জন

পদের বিবরণ BIMT

প্রার্থীর ধরন : পুরুষ
বয়স : ২০-৫০ বছর

চাকরির ধরন : চুক্তিভিত্তিক (২ বছর)।

তবে চাকরি নবায়নযোগ্য
অভিজ্ঞতা : ইংরেজি ও মালয় ভাষায় অভিজ্ঞ প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আবেদন ফি : প্রতিটি পদের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। এবং ট্রানজেকশন আইডি দিয়ে আবেদন নিশ্চিত করতে হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া : আগ্রহী প্রার্থীরা বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) এই https://brms.boesl.gov.bd/ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

সূত্রঃ কালেরকন্ঠ

01/09/2026

শুধু ইভেন্ট অ্যাক্টিভেশনে কাজ করলেই কি হবে?

জেনে নিন আসলে আপনি কী করছেন, শুধু কমিশন খাওয়া নয়! ক্যারিয়ার গড়তে শিখুন।

29/08/2026

YAMAHA CAREER in Product Management

19/08/2026

অন ফায়ার 🔥

উদয়ের পথে শুনি কার বানি, ভয় নাই তার ভয় নাই। নিঃশেষে প্রান যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই!বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ...
19/08/2026

উদয়ের পথে শুনি কার বানি, ভয় নাই তার ভয় নাই। নিঃশেষে প্রান যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই!

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশে ফিরে আসেন জহির রায়হান। কিন্তু দেশে ফিরেই শুনেন তার বড় ভাই কায়সার ৩ দিন আগে থেকে নিখোঁজ।
চারদিকে তখন বুদ্ধিজীবিদেরকে ধরে ধরে হ*ত্যা করা হচ্ছিল। ভাইকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন বলে তিনিও ভাইয়ের জন্যে মুষড়ে পড়েন, পাগলের মতো এখানে ওখানে খুঁজতে থাকেন।
কিন্তু খুঁজে আর পান না।
নিজের ভাইকে খুঁজতে গিয়েই জহির রায়হান গঠন করেন বেসরকারি বুদ্ধিজীবী তদন্ত কমিটি। সেই কমিটির হয়ে প্রচুর দুর্লভ এবং গোপনীয় তথ্য হাতে আসা শুরু করে তার।

এরপর ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার প্রেসক্লাবে এসে সবার সামনে ওপেনলি ঘোষণা দেন-
বুদ্ধিজীবী হ*ত্যাকান্ডের নীলনকশা উদঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বহু গোপন নথিপত্র এবং দলিল আমার কাছে আছে যা প্রকাশ করলে শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভায় ঠাঁই নেয়া অনেক আওয়ামী লীগের নেতাদের কুর্কীর্তি ফাঁস হয়ে যাবে।
শুধু তাই না- দেশের গরিব জনগণরা যখন জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করছিল আওয়ামী লীগের বহু নেতারা তখন ভারতের পতিতালয়ে এবং বিলাসবহুল হোটেলে আমোদ -ফুর্তি করেছিল। সেইসব তথ্যপ্রমাণ তার কাছে ছিল।
তাছাড়া যুদ্ধের পর ভারতীয় বাহিনীরা কিভাবে এদেশ থেকে লুটপাট করে অস্ত্র, ধান, গম, টাকা-পয়সা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল সেগুলোর ডকুমেন্টসও তার কাছে ছিল। এতসব প্রমাণ হাতে নিয়েই ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে বড় পর্দায় ফিল্ম শো করে জনগণকে সেগুলো দেখাতে চান তিনি।

তিনি প্রমাণ করে দিতে চেয়েছিলেন কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী হ*ত্যার সাথে ভারতীয় বাহিনী এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাহিনীরাও জড়িত ছিল। তার এ গোপন নথির বিষয়ে জানতে পেরে ভয় পেয়ে যায় শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভার নেতারা।

৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সবকিছু ফাঁস করতে চেয়েছিলেন জহির রায়হান আর সেদিন সকালেই রফিক নামের অজ্ঞাত একজনের ফোন আসে তার কাছে। টেলিফোনে জহির রায়হানকে বলা হয়- আপনার বড়দা মিরপুর ১২ নাম্বারে বন্দি আছে। যদি বড়দাকে বাঁচাতে চান তাহলে এক্ষুণি মিরপুরে চলে আসুন। একমাত্র আপনি আসলেই বাঁচাতে পারবেন।
বড় ভাইকে বাঁচানোর খবর শুনে হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে পড়েন জহির রায়হান। এভাবে বহুদিন কেটে যায় কিন্তু
তারপর আর খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। এমনকি লা*শটা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

অথচ সন্ধ্যায়ই প্রেসক্লাবে সবকিছু ফাঁস করার কথা ছিল তার। তার আগেই কৌশলে গুম করে ফেলা হয় তাকে।
একদিকে বড় ভাই শহিদুল্লা কায়সার অন্যদিকে জহির রায়হানও গুম হওয়ায় পরিবারের লোকজন তখন মুষড়ে পড়ে।
পরিবারের লোকজন পত্র-পত্রিকায় লিখতে থাকে, বিভিন্ন নেতাদের দ্বারস্থ হতে থাকে। এভাবে বিষয়টা নিয়ে চারদিকে তোলপাড় শুরু হতে থাকে।

এজন্যে একদিন জহির রায়হানের বড় বোন নাসিমা কবিরকে ডেকে নিয়ে শেখ মুজিব বলে- জহিরের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে এরকম চিৎকার করলে তুমিও কিন্তু নিখোঁজ হয়ে যাবা।
এটা নিয়ে নাসিমার সাথে শেখ মুজিবের অনেকক্ষণ যাবত বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। কিন্তু শেখ মুজিব তখন ক্ষমতাবান হওয়ায় অসহায় নাসিমা আর কিছু বলার সাহস পায়নি।
টেলিফোন করে জহির রায়হানকে যে রফিক ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তাকে নিয়েও যখন পত্রিকায় লেখালেখি শুরু হলো তখন তাকে নাগরিকত্ব দিয়ে পুরো পরিবারসহ আমেরিকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল যাতে মূল ঘটনাটা কেউ আর জানতে না পারে।

পরে সেটা নিয়েও সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হলে আওয়ামী সরকার চাপে পড়ে জহির রায়হানের
নিখোঁজ হওয়া নিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।
এরপর ১৯৯৯ সালে দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সাক্ষাৎকারে জহির রায়হানের মেজো ছেলে অনল রায়হান বলেছিল- বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকার ভুয়া তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটি কোন কাজই করেনি, কেননা কাজ করলে তারাই ধরা পড়ে যেত।
বাবাকে হারিয়ে একাই একাই বহু বছর বাবার খোঁজ করেছিল অনল রায়হান। কিন্তু পায়নি।
ওই বছরই মিরপুর ১২ নাম্বার সেকশনে একটা মসজিদ বানানোর জন্যে খননকাজের সময় মানুষের গু*লিবিদ্ধ হাড়গোড় এবং মাথার করোটি পাওয়া যায়।

একবুক আশা নিয়ে অনল রায়হান দৌঁড়ে ছুটে গিয়েছিল সেগুলো তার বাবার কিনা দেখার জন্যে। কিন্তু ওই এরিয়াটা তখন ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সেনাবাহিনীদের তত্ত্বাবধানে ছিল।
ওরা কাউকেই ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। হতভাগা অনল রায়হানও বাবার শেষচিহ্নটুকু আর পায়নি।
এভাবেই শেখ মুজিব এবং ভারতের কূটকৌশলী পরিকল্পনায় ধামাচাপা পড়ে যায় সাহসী লেখক জহির রায়হানের গুম হওয়ার ইতিহাস।

জহির রায়হান লোকটা ছিলেন অসীম সাহসী এবং নিতান্তই দেশপ্রেমিক একজন।
যুদ্ধের সময়ও প্রচন্ড অর্থকষ্টে দিন কেটেছিল তার। একটু ভালোমন্দ খাওয়ার মতো টাকাপয়সা ছিল না পকেটে।
কোনরকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার করতেন।
কিন্তু তবুও তার সিনেমা "জীবন থেকে নেয়া" থেকে যত টাকা আয় হয়েছিল পুরোটাই বাংলাদেশ সরকারের তহবিলে দিয়েছিলেন শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের জন্যে।
এই মানুষটা এতটাই মেধাবী ছিলেন যে বুকভর্তি ক্ষুধা আর পকেটে মাত্র ৬ আনা নিয়েই দুর্দান্ত সব সিনেমা বানিয়ে ফেলতে পারতেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশটাকে উঁচুতে নিয়ে যেতে, সিনেমা দিয়ে সব সত্য সবার সামনে তুলে ধরতে। কিন্তু সেই সত্য তুলে ধরাটাই কাল হয়েছিল তার।

এই মানুষটা বেঁচে থাকলে যুদ্ধের অসংখ্য লুকায়িত ইতিহাস এবং ঘটনা জানতে পারতাম আমরা।
অথচ সেসব সত্য ঘটনা উন্মোচন করতে চাওয়ায় সাহসী এই মানুষটাকেই চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি আমরা।
আজকে এই অসীম সাহসী লেখকের জন্মদিন। এই দিনেই মায়ের কোল আলো করে জন্মেছিলেন তিনি।
তার ইচ্ছে ছিল ছোট্ট বাংলাদেশটাকে পুরো বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিবে, দেশের জনগণ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। অথচ আফসোস!

এই দেশপ্রেমিক মানুষটাকেই গুম করে ফেলা হলো।

কথা লাউড ও ক্লিয়ার
19/08/2026

কথা লাউড ও ক্লিয়ার

ছবিটা যে জিনিসটি নিশ্চিতভাবে দেখাচ্ছে, সেটি হলো দৈনিক ইত্তেফাকের ১৫ আগস্ট ১৯৭৪-এর প্রথম পৃষ্ঠা। অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে, বঙ্গবন...
10/08/2026

ছবিটা যে জিনিসটি নিশ্চিতভাবে দেখাচ্ছে, সেটি হলো দৈনিক ইত্তেফাকের ১৫ আগস্ট ১৯৭৪-এর প্রথম পৃষ্ঠা। অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে, বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকা অবস্থাতেই, ১৫ আগস্ট বাংলাদেশে একটি স্বাভাবিক কর্মদিবস/তারিখ হিসেবে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। ছবিতে উপরে তারিখটি “বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট ১৯৭৪”—এবং প্রধান শিরোনাম ছিল “ভারত স্বাধীন হল”।

কিন্তু এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আছে:

শুধু এই পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠা দেখে বলা যায় না যে ১৫ আগস্ট ১৯৭৪ বাংলাদেশে “সরকারি ছুটি” ছিল। সরকারি ছুটির প্রমাণের জন্য সেই বছরের সরকারি গেজেট/ছুটির প্রজ্ঞাপন দরকার। আমি এখন পর্যন্ত যে সরকারি নথি খুঁজে পেয়েছি, তাতে ১৯৭৪ সালের ১৫ আগস্টকে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের কারণে বাংলাদেশের সরকারি ছুটি হিসেবে নিশ্চিত করার মতো সরাসরি প্রমাণ পাইনি।

আরেকটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ—বাংলাদেশে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি করা হয়েছিল অনেক পরে। জাতীয় শোক দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা ১৯৭৬ সালে এবং ১৯৯৬ সালে এটি সরকারি ছুটির মর্যাদা পায়; ২০২৪ সালে সেই সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়।

তাই আপনার মূল বক্তব্যটাকে আমি এভাবে লিখলে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং তথ্যনির্ভর মনে করি:

১৫ আগস্টের ইতিহাস নিয়ে আমাদের আরও গভীরভাবে গবেষণা করা দরকার।
১৯৭৪ সালের ১৫ আগস্টের এই পত্রিকার প্রথম পাতায় চোখ রাখুন—সেদিনের প্রধান শিরোনামই ছিল ‘ভারত স্বাধীন হল’। আজকের প্রেক্ষাপটে একই তারিখকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের ইতিহাসের এই অদ্ভুত সমাপতন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করে।

তবে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দলিলও খুঁজতে হবে—১৯৭২–৭৫ সালের সরকারি ছুটির গেজেট, রাষ্ট্রীয় নথি এবং সমকালীন সংবাদপত্র।

ইতিহাস আবেগ দিয়ে নয়, দলিল দিয়ে পুনরায় পড়া দরকার। কারণ বাংলাদেশের জন্মের পর থেকেই আমাদের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নেওয়া হয়েছিল! সেটা জানা আমাদের সবার অধিকার।

১৫ আগস্ট: দলিল কী বলছে?
১️। ১৫ আগস্ট ১৯৪৭, ভারতের স্বাধীনতা দিবস

ভারত ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ স্বাধীনতা লাভ করে এবং সেই তারিখটি ভারতের জাতীয়/সরকারি ছুটির দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অর্থাৎ ১৫ আগস্টের মূল ঐতিহাসিক পরিচয় বাংলাদেশের নয়, ভারতের স্বাধীনতা দিবস।

২️। ১৯৭২, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বছর

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম দিকের সরকারি ছুটির তালিকা নিয়ে যে অনলাইন আর্কাইভ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে এটি বর্তমান সময়ের পুনর্গঠিত/ডিজিটাল ক্যালেন্ডার, ১৯৭২ সালের মূল সরকারি গেজেটের স্ক্যান নয়। তাই এটিকে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে নেওয়া ঠিক হবে না।

অর্থাৎ ১৯৭২ সালের মূল সরকারি গেজেট আরও খুঁজে দেখা প্রয়োজন।

৩️। ১৯৭৩ গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশনা অধিদপ্তরের আর্কাইভে ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ গেজেটের নথি পাওয়া যায়। সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১৯৭৩ সালের ছুটির তালিকার নথিও রয়েছে। কিন্তু আমি যে নথিটি যাচাই করতে পেরেছি, সেখানে ১৫ আগস্টকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ সরকারি ছুটি ঘোষণা করার প্রমাণ পাইনি।

এটা গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ “১৫ আগস্ট বাংলাদেশে সরকারি ছুটি ছিল”—এই দাবির জন্য শুধু পত্রিকার তারিখ যথেষ্ট নয়; সরকারি ছুটির গেজেট দরকার।

৪️। ১৫ আগস্ট ১৯৭৪, আপনার ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ

আপনার ছবিটি ১৯৭৪ সালের ১৫ আগস্টের দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

সেখানে দেখা যাচ্ছে:

“ভারত স্বাধীন হল”

এবং তার নিচে ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সংবাদ/ছবি রয়েছে।

এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল—কারণ ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জীবনের মাত্র তৃতীয় বছরে ১৫ আগস্টের পত্রিকার প্রথম পাতায় ভারতের স্বাধীনতা দিবস একটি প্রধান সংবাদ হিসেবে উপস্থিত ছিল।

কিন্তু এখান থেকে সরাসরি বলা যাবে না যে—

“ভারতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশে ১৫ আগস্ট সরকারি ছুটি ছিল।”

এর জন্য ১৯৭৪ সালের সরকারি ছুটির মূল গেজেট প্রয়োজন।

৫️। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ — ইতিহাসের মোড়

এর ঠিক এক বছর পর, ১৫ আগস্ট ১৯৭৫, শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হন।

অর্থাৎ একই তারিখ—

ভারতের স্বাধীনতা দিবস → ১৫ আগস্ট

আর

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড → ১৫ আগস্ট ১৯৭৫

এই দুই ঘটনা একই তারিখে সংঘটিত হওয়া নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

৬️। এরপর ১৫ আগস্টের নতুন রাষ্ট্রীয় পরিচয়

১৫ আগস্টকে “জাতীয় শোক দিবস” হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে এবং ১৯৯৬ সালে এটি সরকারি ছুটির মর্যাদা পায়।

অর্থাৎ এখানে একটা পরিষ্কার chronological distinction আছে:

১৯৪৭ → ভারতের স্বাধীনতা দিবস

১৯৭২–৭৪ → স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাথমিক রাষ্ট্রীয় সময়; ১৫ আগস্টকে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত করে বাংলাদেশের সরকারি ছুটি ছিল—এমন সরাসরি গেজেট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি

১৫ আগস্ট ১৯৭৫ → শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড

১৯৭৬ → ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক পালনের সূচনা

১৯৯৬ → জাতীয় শোক দিবস + সরকারি ছুটি

২০০২ → ছুটি/রাষ্ট্রীয় observance বাতিলের উদ্যোগ

২০০৮ → আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন

২০২৪ → ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল

তাহলে আপনার ছবির আসল “প্রশ্ন” কোথায়?

আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি “ষড়যন্ত্র প্রমাণিত” বলা নয়।

বরং প্রশ্নটা হলো:

কেন ১৫ আগস্ট—যে তারিখটি ১৯৪৭ সাল থেকেই ভারতের স্বাধীনতা দিবস! স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে পরবর্তীতে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি তারিখে পরিণত হলো?

আরও একটি প্রশ্ন:

১৯৭২–১৯৭৫ সালের বাংলাদেশের সরকারি ছুটির মূল গেজেটগুলোতে ১৫ আগস্টের অবস্থান কী ছিল?

এই প্রশ্নের উত্তর গেজেট দিয়ে বের করা সম্ভব হয়তো! তবে মাদ্দা কথা আমরা ভারতের টার্গেট শুরু থেকেই ছিলাম এবং তা বংশ পরম্পরায় এদ্দুর এসেছে।

একটা পরিবারের হাতে যেতে পারে অর্ধেক জ্বালানি বাজার, বিপিসির হাতে সময় রইল মোটে ৪৮ ঘণ্টা...সিএনজি স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো ...
08/08/2026

একটা পরিবারের হাতে যেতে পারে অর্ধেক জ্বালানি বাজার, বিপিসির হাতে সময় রইল মোটে ৪৮ ঘণ্টা...

সিএনজি স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো ড্রাইভারটা দামটা জানেন। রাতারাতি বদলে যাবে না, এই ভরসাটুকুই তার একমাত্র সম্বল।

জ্বালানি তেলের দাম ঠিক করে রাষ্ট্র। বাড়ে, কমে। কিন্তু দোকান থেকে হঠাৎ উধাও হয় না। এই ভরসাতেই চলে কোটি মানুষের সংসার, বাসভাড়া, ক্ষেতের সেচ।

সেই ভরসাতেই এবার হাত পড়তে যাচ্ছে।

বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কোম্পানি চেয়েছে অর্ধেক পরিশোধিত জ্বালানি তেল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমদানি-বিক্রির অনুমতি। সিদ্ধান্ত নিতে বিপিসি সময় পাচ্ছে মাত্র দুইদিন।

এলপিজির বেলায়ও ঠিক এই পথেই হেঁটেছিল দেশ। লাইনে দাঁড়ানো সেই মানুষগুলো আজও বাড়তি দাম গুনে যাচ্ছেন।

জ্বালানি তেল এলপিজি নয়। এটা ভাতের প্লেটের দাম, ওষুধ আনার খরচ, সন্তানের স্কুলের ট্যাক্সিভাড়া সবকিছুর ভেতরে লুকিয়ে থাকে।

সামনের দুই দিনে যে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার, তার দাম কি কোটি মানুষকে গুনতে হবে বছরের পর বছর?

লেখা: Hossain Thoufique Ifthekher
ছবি: চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চিল্লায়া কন ঠিক কিনা ?
08/08/2026

চিল্লায়া কন ঠিক কিনা ?

Address

Dhaka

Telephone

+8801670754747

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Xplore & Xpose posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category