Trademark Design Copyright Registration BD

Trademark Design Copyright Registration BD Digital creator

ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স । এটি অনুমোদন রাষ্ট্রের কাছ থেকে নেয়া হয় । ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য ...
02/08/2025

ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স । এটি অনুমোদন রাষ্ট্রের কাছ থেকে নেয়া হয় । ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স । আমাদের দেশে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী আছেন, যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন । কিন্তু এটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধী । ব্যবসার লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতি পত্র । তাই আপনার বৈধ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক ।
আপনি যদি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক । প্রশ্ন হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করবেন? সাধারণত সিটি কর্পোরেশন, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা জেলা পরিষদ থেকে এটি প্রদান করা হয় । শুধুমাত্র ব্যবসার উদ্দেশ্যে ট্রেড লাইসেন্স করা যায় । ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কে না জানার কারণে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়ে থাকেন । প্রথমে আমরা জানবো-

কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করবেন?

আবেদনের যোগ্যতা ১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশী বয়সে যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন । তবে তাকে অবশ্যই কোন না কোন ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকতে হবে ।
যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন । ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে দু’টি বিষয়ে সিন্ধান্ত নিনঃ
যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচনের জন্য ব্যবসার অবস্থান নির্ধারণ এবং
ব্যবসার প্রকৃতি নিরূপণ ।
আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করুন । যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান সিটি কর্পোরেশন এলাকা যেমনঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশালে হয় তা হলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে ।
যাদি আপনার ব্যবসার অবস্থান কোন মিউনিসিপ্যাল (পৌরসভা) এলাকায় হয়ে থাকে তাহলে এ এলাকার মিউনিসিপ্যাল কর্তৃপক্ষ হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরম ।

ট্রেড লাইসেন্স কি?

ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়ম

ধাপ–১: নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে ।
ধাপ–২: প্রতিষ্ঠান/কারখানা/কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিক্যালস আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
ধাপ–৩: প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান/কারখানা কোম্পানি’র পার্শ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
ধাপ–৪: প্রতিষ্ঠান/কারখানা/কোম্পানি’র পার্খবর্তী অবস্থান/স্থাপনার মানচিত্রের অনাপত্তিনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
ধাপ–৫: কারখানা/সি,এন.জি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিক্ষোরক অধিদপ্তর/ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
ধাপ–৬: আবেদনাকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
ধাপ–৭: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০/- টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাস্পে অঙ্গীকারনামা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
ধাপ–৮: প্রতিষ্ঠান প্রেস/পত্রিকা হলে ডিক্লারেশন পত্র আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে |
ধাপ–৯: ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হাল নাগাদ ট্যাক্সের রশিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ায় চুক্তিপত্র/রশিদ আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
যাবতীয় কাগজপত্র দাখিলের পর করপোরেশন -এর ইন্সপেক্টর প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করার পর নির্দিষ্ট পরিমান ফি আদায় করে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করবেন ।
ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হয় , ট্রেড লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে ।
ট্রেড লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ হবে আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী । এটা যেকোনো বিভাগীয় শহর বা আপনার সিটি কর্পোরেশন অথবা সংশ্লিষ্ট পৌরসভা উপজেলা পরিষদ অথবা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে এই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবেন ।
ধরন বা ক্যাটাগরি নির্বাচন :
আপনি যখন ব্যবসা শুরু করতে চাইবেন, তখন আপনাকে ব্যবসার ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে । আপনি যদি ভুল ক্যাটেগরী নির্বাচন করেন তাহলে পরবর্তীতে বিভিন্ন সমস্যা সম্মুখীন হতে পারেন । ২০১৬ সালের গেজেট অনুযায়ী ২৯৪ টি ক্যাটাগরিতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয় । ভালোভাবে আপনার ব্যবসার প্রকৃতি বিবেচনা করে নির্ধারিত ক্যাটেগরী নির্বাচন করতে হবে ট্রেড লাইসেন্স ধরন খুঁজে পেতে ক্লিক করুন- ট্রেড লাইসেন্স ধরন
ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
সাধারণ ব্যবসার এর ক্ষেত্রে (General Business License)
দোকান ভাড়ার চুক্তি পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোদের এর ফটোকপি, আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।
ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ১৫০/৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে ।
ফ্যাক্টরির/কারখানা এর ক্ষেত্রে (Factory / factories in the case of a trade license)
পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি ।
প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/লোকেশন ম্যাপ।
প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা ।
ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র ।
ঢাকা সিটিকর্পোরেশন এর নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গিকারনামা ১৫০/৩০০ টাকারজুডিশিয়ার স্ট্যাম্প এ স্বাক্ষরিত।
অনান্য ব্যবসায়ের জন্য ট্রেড লাইসেন্সঃ
• সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স: ভাড়ার রশিদ অথবা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি, এবং হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের কপি।
• শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স: উপরোক্ত সবগুলি ডকুমেন্টসমূহ, এবং এর সাথে-
– পরিবেশ সংক্রান্ত অনাপত্তি পত্র
– প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র
– অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র
– ডি.সি.সি. র নিয়মাবলি মেনে চলা হবে এমতে ১৫০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারপত্র
– ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
• ক্লিনিক অথবা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন।
• লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে:
– মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল
– সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন
• ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে – ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি
• রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে – মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স
• অস্ত্র ও গোলাবারুদের ক্ষেত্রে – অস্ত্রের লাইসেন্স
• ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে – ড্রাগ লাইসেন্সের কপি
• ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে – সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি
…………..ইত্যাদি…………..

ট্রেডমার্ক প্রতীক কি?ট্রেডমার্ক প্রতীক হল এমন চিহ্ন যা কোনো পণ্য বা সেবাকে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সাথে সম্পর্কিত করে চ...
31/07/2025

ট্রেডমার্ক প্রতীক কি?
ট্রেডমার্ক প্রতীক হল এমন চিহ্ন যা কোনো পণ্য বা সেবাকে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সাথে সম্পর্কিত করে চিহ্নিত করে।
নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড প্রতীক “R” ® :
যদি কখনো কোনও মার্ক, লোগো বা নকশার পাশে একটি বৃত্তের মাঝে “R” ® থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক। আমাদের দেশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ট্রেডমার্ক নিবন্ধন দিয়ে থাকে। অ-নিবন্ধিত ট্রেডমার্কে “R” ® প্রতীক ব্যবহার করা একটি ফৌজদারি অপরাধ, এক্ষেত্রে রাষ্ট্র স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করতে পারে। আমাদের দেশে এমন নজীর আছে।
TM প্রতীক :
পণ্যের ক্ষেত্রে ইংরেজি অক্ষর TM ব্যবহার হয়। মূলত TM (Trademark) হচ্ছে অ-নিবন্ধিত পণ্যের ট্রেডমার্ক প্রতীক। প্রকৃত পক্ষে একটি পণ্য নিবন্ধিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পণ্যটি ক্রেতা বা ভোক্তার সাথে পরিচিত (ব্যান্ডিং) করার জন্য TM প্রতীক ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ এটি কোন পণ্য বা ব্র্যান্ডকে মানুষের সাথে পরিচিত করানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
TM প্রতীক (™) হলো একটি ট্রেডমার্ক প্রতীক যা কোনো শব্দ, প্রতীক বা নকশা যা কোনো পণ্য বা সেবার সাথে সম্পর্কিত, সেটির ট্রেডমার্ক অধিকার দাবি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটিকে প্রায়ই একটি ছোট হাতের "tm" হিসেবে পণ্যের নামের উপরে বা পাশে লেখা হয়।
আরও সহজে বললে, TM প্রতীক ব্যবহার করে বোঝানো হয় যে, এই শব্দটি বা চিহ্নটি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির বা ব্যক্তির ট্রেডমার্ক, এবং এটি অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না যদি না তারা এই ট্রেডমার্কের মালিকের অনুমতি নেয়।
এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা TM প্রতীক সম্পর্কে জানা দরকার:
• অনিবন্ধিত ট্রেডমার্ক:
TM প্রতীক মূলত অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মানে হল যে, এই চিহ্নটি এখনও সরকারিভাবে নিবন্ধিত নয়।
• নিবন্ধনের প্রস্তুতি:
TM প্রতীক ব্যবহার করে বোঝানো হয় যে, এই ট্রেডমার্কটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়েছে বা ভবিষ্যতে করা হবে।
• অন্যদের সতর্ক করা:
এই প্রতীক ব্যবহার করে অন্যদের সতর্ক করা হয় যে, এই চিহ্নটি একটি নির্দিষ্ট পণ্যের বা সেবার ট্রেডমার্ক এবং এটি ব্যবহারের আগে মালিকের অনুমতি নেয়া উচিত।
সংক্ষেপে, TM প্রতীক হলো একটি ট্রেডমার্ক অধিকারের দাবি, যা কোনো পণ্য বা সেবার জন্য ব্যবহার করা হয়, এবং এটি সাধারণত অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
SM প্রতীক :
পণ্যের ক্ষেত্রে TM এর মতোই অ-নিবন্ধিত সেবার ক্ষেত্রে SM (Service Mark) প্রতীক ব্যবহার করা হয়। সেবা বলতে হাসপাতাল, হোটেল, বিমান পরিসেবা , কোচিং সেন্টার, Visa credit card services, doctors, lawyers, mechanics, banks, insurance companies ইত্যাদি।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম :
আমাদের দেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন দিয়ে থাকে শিল্প মন্ত্রণালয়। দেশে প্রচলিত ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির বিশেষ কিছু নিয়ম অনুসরণ করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের যে কেউ ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারেন। প্রাথমিকভাবে আবেদন থেকে নিবন্ধন পর্যন্ত ধাপ চারটি। আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ;
ট্রেডমার্ক আবেদন ও নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া :
ধাপ-০১: আবেদন
ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট আবেদন ফরম বা টিএম-০১ ফরমে সঠিকভাবে তথ্য পূরণ করে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরে জমা দিতে হবে।
কে আবেদন করতে পারবে?
মালিকানা আছে এমন যে কেউই ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য নিজে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। বিদেশী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই এজেন্টে/আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
ধাপ-০২: আবেদন পরীক্ষা
আবেদনের তথ্য এবং আবেদন-কৃত মার্কটি আইনের সাথে বা পূর্ববর্তী আবেশিত বা নিবন্ধিত কোন মার্কের সাথে মিল আছে কিনা-ইহা যথাযথভাবে পরীক্ষা করেন সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্ক পরীক্ষক। যদি মার্কটির ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয় তাহলে রেজিস্টার ট্রেডমার্ক টিএমআর-১২ ফরমে আবেদনকারীকে উহা অবহিত করবেন। আবেদনকারী মার্কের স্বপক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন বা নিজে/আইনজীবীর মাধ্যমে শুনানির দাবী করিতে পারিবেন। দাখিল-কৃত জবাব বা শুনানি সন্তোষজনক অথবা যদি কোন প্রকার ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত না হয় তাহলে আবেদনকারীর মার্কটি ট্রেডমার্ক জার্নালে প্রকাশের জন্য অনুমতি লাভ করবে।
ধাপ-০৩: জার্নালে প্রকাশ
আবেদনকারীর মার্কটি জার্নালে প্রকাশ করার অর্থ হচ্ছে যদি দেশ-বিদেশের কোন ব্যক্তি বর্ণিত মার্কের বিষয়ে ক্ষুব্ধ বা সাংঘর্ষিক মনে করেন তাহলে আপত্তিকারী যেন আবেদনকারীর মার্কটির নিবন্ধনের বিরোধিতার সুযোগ পায়। আবেদনকারীর মার্কটি ট্রেডমার্ক জার্নালে প্রকাশে ২ মাসের সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি (বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে) নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিরোধিতার আবেদন (অপোজিশন কেস) দাখিল করতে পারবেন। মামলার ফলাফল নিবন্ধন আবেদনকারীর বিপক্ষে গেলে নিবন্ধনের আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে এবং ফলাফল নিবন্ধন আবেদনকারীর পক্ষে হলে নিবন্ধন প্রদানের লক্ষ্যে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
ধাপ-০৪: নিবন্ধন
জার্নাল প্রকাশের পর যদি কোন বিরোধিতার আবেদন না হয় অথবা বিরোধিতার মামলাটির ফলাফল নিবন্ধনের পক্ষে হয় তাহলে বর্ণিত মার্কটি ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রি-ভুক্ত হবে এবং আবেদনকারী এইমর্মে একটি রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট লাভ করবেন। রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ আবেদনের তারিখ হতে ৭ বছর এবং পরবর্তী প্রতি ১০ বছর অন্তর অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত (এমনকি উত্তরাধিকার সূত্রে) উহা নবায়ন করা যাইবে।
………………

ট্রেডমার্ক কেন করতে হয় ?ট্রেডমার্ক হলো একটি স্বতন্ত্র নাম, চিহ্ন বা প্রতীক যা একটি কোম্পানির পণ্যকে অন্য যেকোনো কোম্পানি...
30/07/2025

ট্রেডমার্ক কেন করতে হয় ?
ট্রেডমার্ক হলো একটি স্বতন্ত্র নাম, চিহ্ন বা প্রতীক যা একটি কোম্পানির পণ্যকে অন্য যেকোনো কোম্পানির পণ্য থেকে আলাদা করতে এবং তাদেরকে একটি স্বতন্ত্র পণ্য বা পরিসেবা হিসেবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।

11/01/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trademark Design Copyright Registration BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share