এডভোকেট লিংকন চৌধুরী

এডভোকেট লিংকন চৌধুরী যে কোনো প্রকার আইনগত সহযোগিতা / পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
আইনজীবী,
📞 01782-179661
(1)

😜
16/05/2026

😜

RIP
26/04/2026

RIP

পঞ্চগড়ের সোনাহার বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সি নিশাত ইসলাম তার এলাকার এমপির সমালোচনা করে ফেসবুকে লিখে...
25/04/2026

পঞ্চগড়ের সোনাহার বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সি নিশাত ইসলাম তার এলাকার এমপির সমালোচনা করে ফেসবুকে লিখেন, “গাঞ্জা খেয়ে পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গেলে যা হয়। এই গাঁজাখোর নাকি আমাদের এলাকার এমপি।”

এটার কারণে দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালামকে দিয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করে এই কলেজ ছাত্রকে জেলে পাঠিয়েছে বিম্পি সরকার।

এখনো বরগুনায় চিফ হুইপের আক্রোশের শিকার এক্টিভিস্ট হাসান নাসিম মুক্তি পায়নি। এরমধ্যে আরেক তরুণ আটক!

বরিশাল স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে মুদির বাজার করতে বাহিরে গেলে দোকানদারের সাথে হয় পরিচয় সেখান থেকেই প্রেম,মাঋে মাঋেই তাক...
06/04/2026

বরিশাল স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে মুদির বাজার করতে বাহিরে গেলে দোকানদারের সাথে হয় পরিচয় সেখান থেকেই প্রেম,মাঋে মাঋেই তাকে দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসতো স্ত্রী। এলাকাবাসী বুজতে পেরে গতকাল তাদের হাতে-নাতে আটক করে বেঁধে রাখেন।

31/03/2026

অনেকেই মনে করেন দেনমোহর শুধু বিচ্ছেদের পর দিতে হয়, এটা নারীর প্রাপ্য অধিকার। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি বলবো, নিজের অধিকার জানুন।

28/03/2026

"ধর্ষণের শিকার নারী ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পেতে ধর্ষণের চেষ্টাকারীকে হত্যা করলে তা খুন বলে গণ্য হবে না"

চট্টগ্রাম শহরের নিউ মার্কেট মোড়ে এক যুবক তার নিজের গ*লা নিজে কে*টে ফেলেছে।কারণ নাকি তার বউ তার কাছে বেশি দামের জুতা কিনত...
06/03/2026

চট্টগ্রাম শহরের নিউ মার্কেট মোড়ে এক যুবক তার নিজের গ*লা নিজে কে*টে ফেলেছে।কারণ নাকি তার বউ তার কাছে বেশি দামের জুতা কিনতে চেয়েছিল,তার সামর্থ্যে পারেনি।পরে কিনে দিবে বলেও রাজি হয়নি।সে ক্ষোভে ঐ যুবক এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে।মানুষের উচিত সহনশীল হওয়া,সামর্থ্য অনুযায়ী পা বাড়ানো।।

ঘটনা ঘটেছে নরসিংদী জেলায়।
26/02/2026

ঘটনা ঘটেছে নরসিংদী জেলায়।

24/02/2026

পরিবারের মধ্যে বন্টনামা দলিল করার নিয়ম:
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগির জন্য একটি বন্টননামা দলিল করতে হয়, যেখানে মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, সম্পত্তির দলিল, এবং সকল ওয়ারিশের লিখিত সম্মতি আবশ্যক; এটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখে রেজিস্ট্রি করতে হয় এবং এর জন্য যথাযথ ফি প্রদান করতে হয়, যা ভবিষ্যতে বিবাদ এড়াতে ও নামজারির জন্য অপরিহার্য।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

➡️ মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ (Death Certificate): যার সম্পত্তি বন্টন হবে, তার।

➡️ ওয়ারিশ সনদ (Succession Certificate): সকল ওয়ারিশের।

➡️ সম্পত্তির মূল দলিল: বন্টন করা হবে এমন সম্পত্তির।

➡️ সকল ওয়ারিশের সম্মতিপত্র: প্রত্যেকের স্বাক্ষরসহ।

➡️ বন্টনামা দলিলের খসড়া: সম্পত্তির বিবরণ ও অংশ উল্লেখসহ।

পদ্ধতি:
খসড়া তৈরি: একজন আইনজীবীর সহায়তায় একটি বন্টনামা দলিল তৈরি করুন, যেখানে সম্পত্তির প্রতিটি অংশ ও ওয়ারিশদের নাম স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।

স্ট্যাম্প পেপারে লেখা: দলিলটি উপযুক্ত মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।

সকল ওয়ারিশের স্বাক্ষর: সকল ওয়ারিশ (বা তাদের বৈধ প্রতিনিধি) দলিলের উপর স্বাক্ষর করবেন।

রেজিস্ট্রেশন: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে, যা (1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন) অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।

ফি জমা: রেজিস্ট্রেশন ফি, ই-ফি, এন-ফি ইত্যাদি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আইনের প্রয়োগ: 《১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩(খ)》 ধারা অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টননামা দলিল করা হয়।

উদ্দেশ্য: এটি ওয়ারিশদের মধ্যে ভবিষ্যতে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ এড়াতে এবং নামজারির (Mutation) জন্য একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

আইনি বাধ্যবাধকতা: বন্টনামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করা কঠিন, তাই এটি রেজিস্ট্রি করা জরুরি।

উৎস কর: বন্টনামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য হয় না (উৎস কর বিধিমালা, ২০২৪ অনুযায়ী) সংগৃহীত।
©©

23/02/2026

চেকের মামলা থেকে খালাস পাওয়ার আইনি ফাঁকফোকরসমূহ!

চেকের মামলার প্রাণ হচ্ছে ‘বৈধ দায়-দেনা’। চেকটি অবশ্যই কোনো ‘বৈধ দায় বা ঋণ’ পরিশোধের জন্য হতে হবে। যদি আসামী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি কোনো টাকা ধার করেননি বরং চেকটি চুরি হয়েছিল, জোর করে নেওয়া হয়েছিল বা সিকিউরিটি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এবং

কোনো পাওনা নেই, তবে তিনি খালাস পেতে পারেন। (ইমরান রশিদ বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য)।

কাজেই চেক ডিসঅনার মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের জেরা এবং সাফাই সাক্ষী দিয়ে আসামী তার নির্দোষিতা প্রমাণ করতে পারে। চেকের ১৩৮ ধারার মামলাতে আসামীপক্ষ থেকে যে সমস্ত ডিফেন্স নিয়ে আসামী খালাস পেতে পারেন, তার মধ্যে অন্যতম-

১। মামলাটি যদি সঠিক আদালতে দায়ের না করা হয়ে থাকে

২। চেক ডিসঅনার হওয়ার আগেই যদি মামলা দায়ের হয়

৩। ৪৩ ধারা মতে চেকের যদি কোন কলাম পূরণ না করা হয়ে থাকে

৪। ৫৮ ধারা মতে চেকটি প্রতারণামূলকভাবে বা চুরি করে মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে

৫। আসামীকে যদি ১৩৮ ধারার নোটিশ না দেয়া হয়ে থাকে

৬। আসামীকে টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ দিন সময় দেয়া না হয়ে থাকে

৭। নালিশী দরখাস্তে মামলা উদ্ভব হওয়ার কারণ উল্লেখ না থাকলে

৮। মামলাটি আইন নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে দায়ের হয়ে না থাকলে

৯। চেকটি ৬ মাসের মধ্যে নগদায়নের জন্য জমা না হয়ে থাকলে

১০। চেকটি ০৬ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ডিসঅনার হলে

১১। ১৩৮ ধারার শর্তাবলী পালিত না হলে

১২। মামলা দায়েরের আগেই বাদীর দাবীকৃত টাকা আসামী নগদে পরিশোধ করে থাকলে

১৩। চেকে উল্লিখিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা নোটিশে দাবি করলে সেটি আইনের চোখে ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে

আবার চেকের উপর ওভাররাইটিং থাকলে কিংবা টে¤পারিং করে তর্কিত চেকের টাকার অংক পরিবর্তন করলেও আসামী খালাস পাবে। এক্ষেত্রে ভারতের পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্ট ২০১০ সালে ডিসিআর ১ নং ভলিউমের ১০৮ পৃষ্ঠায় একটি দারুন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আবার আসামীর স্বাক্ষর, টাকার অংক এবং পেয়ীর নাম ভিন্ন হাতের লেখা হলে এন.আই এ্যাক্টের ৩ (ই) ধারার বিধান অনুসারে এটাকে ইস্যুয়েন্স অব চেক বলা যাবে না। সেই চেক আইনানুগভাবে বৈধ হবে না। এ বিষয়ে ৫৬ ডিএলআর ৬৩৬ পৃষ্ঠায় একটি দারুন সিদ্ধান্ত আছে।

এছাড়া নোটিশটি আসামীর সঠিক ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে কি-না। যদি আসামী প্রমাণ করতে পারেন তিনি নোটিশ পাননি এবং এটি ভুল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে, তবে তিনি সুবিধা পাবেন।

আমমোক্তারনামা বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি সংক্রান্ত ত্রুটি থাকলে আসামী ডিফেন্স নিতে পারেন। যদি পাওনাদার নিজে মামলা না করে অন্য কাউকে দিয়ে মামলা করান এবং সেই ব্যক্তির কাছে সঠিক এবং যথাযথ 'পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি' থাকতে হবে। আইনিভাবে যদি পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ভুল থাকে, তবে মামলার গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। ক্ষমতাপত্রটি পাওয়ার অব এ্যাটর্নি এ্যাক্ট, ২০১২ এর ২(৭) ধারা অনুযায়ী সাধারণ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি আইন অনুযায়ী সম্পাদিত হতে হবে। দ্যা স্ট্যাম্প এ্যাক্ট, ১৮৯৯ এর প্রথম তফসিলের ৪৮(বি) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ক্ষমতাপত্রটি ১৫০০/-টাকার স্ট্যাম্পড পেপার ড্র না হলে ক্ষমতাপত্রটি আইনানুগভাবে সম্পাদিত হয়নি বলে ধরে নেয়া হবে। কাজেই আইনগতভাবে বাদীর উপর আমমোক্তারনামা সম্পাদিত না হওয়ায় দায়েরকৃত নালিশী মামলাটি আইনগতভাবে অচল এবং বেআইনি হতে পারে।

আর যদি চেকটি কোনো কোম্পানির হয়, তাহলে মামলায় কোম্পানিকে আসামী করা বাধ্যতামূলক। শুধু কোম্পানির এমডি বা ম্যানেজারকে আসামী করে কোম্পানিকে আসামী না করলে মামলাটি টেকনিক্যাল কারণে খারিজ হতে পারে।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন ধন্যবাদ.
©

🥲
19/02/2026

🥲

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এডভোকেট লিংকন চৌধুরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share