Mr. Lawyer

Mr. Lawyer Law Firm

 #মুসলিম_উত্তরাধিকার_আইন এর বিধানমতে সম্পত্তি বন্টনের নিয়ম:-  #ফারায়েজ মুসলিম আইনে উত্তারাধিকার সম্পত্তি বন্টনের জন্য সু...
21/02/2026

#মুসলিম_উত্তরাধিকার_আইন এর বিধানমতে সম্পত্তি বন্টনের নিয়ম:- #ফারায়েজ

মুসলিম আইনে উত্তারাধিকার সম্পত্তি বন্টনের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াসের উপর প্রতিষ্ঠিত। মুসলিম আইনে মোতাবেক সম্পত্তি বিলি বা বন্টনের নিয়মে ফারায়েজ বলে। মুসলিম স্কুল অব ল এর বিভিন্ন শাখায় সম্পত্তি বন্টনের আলাদা নিয়ম প্রচলিত আছে। যেহেতু আমাদের দেশে সুন্নি মুসলমানদের অনুসারী বেশী কাজেই, নিম্নে হানাফী আইন মোতাবেক উত্তরাধিকার উল্লেখ করা হল-

হানাফি আইনমতে মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন এর খরচ পরিচালনা, ঋণ পরিশোধ, উইল বা অছিয়ত করে থাকলে সে ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে, তা জীবিত উত্তরাধিকারদের মধ্যে নিম্নের পদ্ধতি অনুযায়ী বণ্টিত হবে।

হানাফি আইনে প্রাথমিক উত্তরাধিকারী মোট- ৬ জন, যারা কখনো সম্পত্তির ওয়ারিশ প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হয় না।

যথা-
(১) পিতা

(২) মাতা

(৩) স্বামী

(৪) স্ত্রী

(৫) পুত্র

(৬) কন্যা।

বর্নিত এই ৬ জন উত্তরাধিকারীর অংশ এবং অন্যন্যদের অংশ নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে বন্টিত হবে-

পিতা: -
(মৃত ব্যক্তির সম্পদের উপর তাঁর পিতা ৩ (তিন) প্রকারে সম্পদঃ

১। মৃত ব্যক্তির পুত্র, পুত্রের পুত্র কিংবা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যত নিচেই হোক না কেন যদি থাকে, তবে মৃত ব্যক্তির পিতা পাবেন সম্পদের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬)।

২। মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র, পুত্রের পুত্র কিংবা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যত নিচেই হোক যদি না থাকে, কেবল কন্যা থাকে; তবে মৃত ব্যক্তির পিতা মোট সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন এবং কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে তাও পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকে, তবে মৃত ব্যক্তির বাকী অংশীদারদের দেয়ার পর অবশিষ্ট সকল সম্পত্তি পিতা পাবেন।

মাতা: -
(মৃত ব্যক্তির মাতা ৩ (তিন) ভাবে সম্পদ পাবেন):

১। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, থাকে অথবা যদি পূর্ণ, বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন থাকে; তবে মাতা মোট সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন।

২। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে এবং যদি একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকে; তবে মাতা তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে অথবা কমপক্ষে দুইজন ভাইবোন না থাকে এবং যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অংশ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তার তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) মাতা পাবেন।

স্বামী:-
(স্বামী ২ (দুই) ভাবে মৃত স্ত্রীর সম্পত্তি পাবে):

১। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান-সন্ততি থাকে তবে স্বামী পাবে এক চতুর্থাংশ।

২। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান-সন্ততি না থাকে তবে স্বামী পাবে অর্ধেক সম্পত্তি।

স্ত্রী:-
(মৃত স্বামীর সম্পত্তি ২ (দুই) ভাবে পাবে):

১। যদি মৃত ব্যক্তির এবং তাঁর স্ত্রীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তবে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ (১/৮) পাবেন।

২।যদি মৃত ব্যক্তি এবং তাঁর স্ত্রীর সংসারে কোন সন্তান না থাকে তাহলে স্ত্রী মোট সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ (১/৪) পাবেন।

পুত্র: -
পুত্র সকল ক্ষেত্রেই মৃত ব্যক্তির সম্পদ পেয়ে থাকে। এছাড়া, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি সকলের অংশ ভাগের পর অবশিষ্ট সকল অংশ পুত্র-কন্যারা পাবে। এক্ষেত্রে পুত্র যে পরিমান সম্পত্তি পাবে, কন্যা তার অর্ধেক পরিমাণ পাবে। তবে যদি কন্যা না থাকে, বাকী সম্পত্তি সম্পূর্ণ অংশ পুত্র পাবে।

কন্যা: -
মৃতের কন্যা ৩ (তিন) নিয়মে মৃতের সম্পদ পেয়ে থাকে, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির একজন কন্যা থাকে, তবে সে সম্পদের দুইভাগের একভাগ (১/২) পাবে।

২। যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে, তবে সব কন্যা একত্রে তিন ভাগের দুই ভাগ সম্পত্তি পাবে।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র-কন্যা উভয়েই থাকে, তবে পুত্র যে পরিমাণ সম্পত্তি পাবে, কন্যা তাঁর অর্ধেক পাবে।

দাদা: -
পিতার পিতা অর্থাৎ পিতামহ বা এর যত উপরে হোক না কেন, নিম্নলিখিত ভাবে মৃতের সম্পত্তি পাবে-

১। মৃতের পিতা জীবিত থাকলে দাদা সম্পত্তি পাবে না।

২। মৃতের পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকলে দাদা মোট সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

৩। মৃতের পুত্র সন্তান না থাকলে বা পুত্রের সন্তান (এভাবে নিচের দিকে) শুধু কন্যা হলে কন্যা সন্তানের সংগে দাদা মোট সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে এবং কন্যা বা পুত্রের কন্যাদের অংশ প্রদানের পর যা বাকী থাকবে, দাদা আসাবা হিসেবে তাও পাবে।

৪। মৃতের কোন সন্তান বা সন্তানের সন্তান (এভাবে নিচের দিকে) না থাকলে, অন্যান্যদের দেওয়ার পর দাদা আসাবা হিসেবে বাকী সমুদয় সম্পত্তি পাবে।

নানী ও দাদী: -
প্রকৃত নানী ও দাদী (যত উপরেই হোক)

১। নানী বা দাদীগণ মৃতের সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

২। মৃতের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে নানী বা দাদীগণ কোন সম্পত্তি পাবে না।

পুত্রের কন্যা: -
পুত্রের কন্যা বা পুত্রের পুত্রের কন্যার অবস্থা (এভাবে যত নিচেই হোক) নিম্নলিখিত ধরনের হবে-

১। মৃত ব্যক্তির কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যা কোন সম্পত্তি পাবে না।

২। মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা জীবিত থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ কোন সম্পত্তি পাবে না।

৩। মৃত ব্যক্তির একটি মাত্র কন্যা থাকলে মৃত পুত্রের কন্যাগণ (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

৪।পুত্রের কন্যা একজন হলে সম্পত্তির দুই ভাগের একভাগ পাবে।

৫। পুত্রের কন্যার সংখ্যা একাধিক হলে সকলে মিলে সম্পত্তির তিন ভাগের দুই ভাগ পাবে।

৬। মৃত ব্যক্তির পুত্রের পুত্র বা তার পুত্র (যত নিচে হোক) থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ পুত্রের সাথে আসাবা হিসেবে সম্পত্তি প্রাপ্ত হবে এবং কন্যা, পুত্রের অর্ধেক সম্পত্তি পাবে।

বৈপিত্রেয় ভাই: -
বৈপিত্রেয় ভাই তিন ভাবে মৃতের সম্পত্তি পাবে, যথা-

১। একজন হলে (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

২। দুই বা ততোধিক হলে (১/৩) তিন ভাগের এক ভাগ পাবে।

৩। মৃতের সন্তান বা পুত্রের সন্তান (এভাবে যত নিচে হোক)l

Mr. Lawyer

16/02/2026

রমজান মাসজুড়ে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

08/02/2026

দায়িত্ব ছাড়া পুরুষ আর ধৈর্য ছাড়া নারী, দুজনই পারিবারিক কলহে কারিগরি ভূমিকা পালন করে। পরিবার শুধু আবেগের আদান-প্রদান নয়, বরং মানসিক সাহচর্য, নির্ভরতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি জটিল অনুভূতির জায়গা যা মানুষের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে একেকজনের কাছে একেক রকম কিন্তু একই রকম অনুভূতিকে পরিচর্যার জন্য দরকার হয় একজন নিরহংকারী ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের। সমস্যা তাকেই শোনানো উচিত যার সমাধানের যোগ্যতা আছে, সে পরিবারের বড় অথবা ছোট সদস্য হউক না কেনো।

#জেলাওদায়রাজজআদালত
゚viralシfypシ゚viralシalシ #আইনওবিচার #সুখীমানুষ #পজিটিভিটি #জীবনেরকথা #পারিবারিক #নির্ভরতা

06/02/2026

দেশ বিএনপি চালাবে না কি জামায়েত ইসলাম চালাবে তা ভেবে তোমার কোন লাভ নাই,
তোমার তো তোমার বউয়ের কথা মতোই চলতে হবে বোঝো নাই ব্যাপারটা🤣🤣

25/01/2026

প্যারোল কী
প্যারোল শব্দটি ফরাসি, এর শাব্দিক অর্থ প্রতিশ্রুতি। আইনের পরিভাষায় এর মানে শর্তের অধীনে মুক্তি দেওয়া। নির্দিষ্ট কোনো শর্তসাপেক্ষে কোনো আসামিকে সাময়িকভাবে মুক্ত থাকার সুযোগ দেওয়াকে প্যারোল বলা হয়।
বাংলাদেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্যারোল–সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করে। বন্দীরা কারাগারে যে কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকে, সেই কারা অধিদপ্তর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
প্যারোলে মুক্তির নীতিমালা বিভিন্ন সময় হালনাগাদ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ নীতিমালাটি করা হয় ২০১৬ সালের ১ জুন। এটি এখনো কার্যকর রয়েছে বলে কারা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
জুয়েল যে জেলার কারাগারে রয়েছেন, সেই যশোর জেলা প্রশাসনের তথ্য বাতায়নে এখনো ২০১৬ সালের নীতিমালাটি পাওয়া যাচ্ছে।
প্যারোলের অনুমতি কে দেন
নীতিমালা অনুসারে কারাবন্দীদের প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা জেলা প্রশাসকের, তিনি একই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো বন্দী জেলার কোনো কেন্দ্রীয়/জেলা/বিশেষ কারাগার/সাব জেলে আটক থাকলে ওই জেলার অভ্যন্তরে যেকোনো স্থানে মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন।
অন্যদিকে কোনো বন্দী নিজ জেলায় অবস্থিত কোনো কেন্দ্রীয়/জেলা/বিশেষ কারাগার/সাব জেলে আটক না থেকে অন্য জেলায় অবস্থিত কোনো কেন্দ্রীয়/জেলা/বিশেষ কারাগার/সাব জেলে আটক থাকলে গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনা করে মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন।
কখন প্যারোলে মুক্তি পাওয়া যায়
নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভিআইপি বা সব শ্রেণির কয়েদি/হাজতি বন্দীদের কাছের আত্মীয় যেমন মা–বাবা, শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও আপন ভাই-বোন মারা গেলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।
এ ছাড়া আদালতের আদেশ কিংবা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্তে প্যারোলে মুক্তির প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্দীকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।
কতক্ষণ মুক্ত থাকা যায়
মুক্তির সময়সীমা কোনো অবস্থাতেই ১২ ঘণ্টার বেশি হবে না বলে নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। এটাও বলা আছে যে নিরাপত্তা ও দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ সময় নির্ধারণ করবেন।
এ ছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার মুক্তির সময়সীমা কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা রাখে।
মুক্ত বন্দীর পাহারায় কে থাকে
প্যারোলে মুক্ত বন্দীকে সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহারায় রাখতে হবে বলে নীতিমালায় বলা হয়েছে। কারা ফটক থেকে পুলিশ প্যারোলে মুক্ত বন্দীকে গ্রহণ করেন। অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যেই আবার কারাগারে বুঝিয়ে দেন।
জুয়েলের ক্ষেত্রে কী হয়েছিল
জুয়েল হাসানের চাচাতো ভাই সাগর ফারাজী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুয়েলের স্ত্রী ও সন্তান মারা যাওয়ার পর আমরা কারাগারে যোগাযোগ করি। কিন্তু প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি।’
এ নিয়ে সমালোচনা ওঠার পর বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন প্রথম আলোর প্রশ্নে বলেন, ‘প্যারোলের একটি আবেদন নিয়ে এসেছিল। তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। যেহেতু সে আছে যশোরের কারাগারে, আবেদন করতে হবে সেখানকার (যশোরের) জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে।’
বিষয়টি জুয়েলের স্বজনদের বুঝিয়ে বলা হয়েছিল বলে দাবি করেন মো. বাতেন।
এদিকে সমালোচনার মুখে যশোর জেলা প্রশাসন প্যারোলে জুয়েলের মুক্তি না পাওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়।
তাতে বলা হয়, আবেদনের পরও প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি, এ ধরনের তথ্যও মিথ্যা। কারণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর বরাবর প্যারোলে মুক্তিসংক্রান্ত কোনো আবেদনই করা হয়নি।
যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক হাসান প্রথম আলোকে বলেন, জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক কেউ কোনো ধরনের আবেদন করেননি।
প্যারোলের আবেদন না থাকার পরও পরিবারের মৌখিক আবেদনে মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে কারা ফটকে জুয়েলকে স্ত্রী-সন্তানের লাশ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয় বলে যশোর কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের নতুন নির্দেশনা
20/01/2026

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের নতুন নির্দেশনা

Happy New Year
01/01/2026

Happy New Year

12/12/2025

বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগ। সব নাগরিক যেন এই ডিজিটালাইজেশনের সুবিধা ভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

11/12/2025

#চেক_ডিজঅনার হলে করণীয়:

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেন এবং অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি হিসেবে একে অপরকে ব্যাংক চেক প্রদান করে থাকি। পরবর্তীতে দেখা যায় যে চেক দিছে তার ব্যাংক একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা নাই।

#চেক_ডিজঅনার কি?
চেক ডিজঅনার বলতে টাকা উঠোনোর জন্য ব্যাংকে চেক জমা দেয়া হলে ওই চেকটির বিপরীতে টাকা প্রদান করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অস্বীকৃতিকে বোঝাবে।

#কী কী কারণে ডিজঅনার হয়?
অপর্যাপ্ত তহবিল, চেকের মেয়াদ উত্তীর্ণ, প্রদানকারীর স্বাক্ষরের মিল না থাকা, টাকার পরিমাণ অংকে এবং কথায় মিল না থাকা, ইত্যাদি।

#চেক_ডিজঅনার মামলা করার পদ্ধতি কি?
👉 প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে চেক ডিজঅনার করে নিয়ে আসতে হবে। চেকটি নগদায়ন করার পর ৬ মাসের মধ্যে ডিজঅনার করতে হবে।

👉 এরপর চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিয়ে উকিল নোটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে।

👉 উকিল নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। তারমানে সবমিলিয়ে ৩ মাসের মধ্যে চেক ডিজঅনারের মামলা করতে হবে।

🟥 Negotiable Instruments Act অনুযায়ী ৩ মাসের মধ্যে মামলা করতে না পারলে দন্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় যেকোনো সময় মামলা করা যাবে।

#অর্থঋণ_মোকদ্দমার

লায়লা ও নাফিসাকে হ/ত্যা, সামনে এলো আঁতকে ওঠার মতো তথ্য!ঢাকার মোহাম্মদপুরে মা লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে...
09/12/2025

লায়লা ও নাফিসাকে হ/ত্যা, সামনে এলো আঁতকে ওঠার মতো তথ্য!
ঢাকার মোহাম্মদপুরে মা লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার নেপথ্যের কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে, তাদের সুরতহাল প্রতিবেদনে আঁতকে ওঠার মতো তথ্য এসেছে।
দুজনের সুরতহালে দেখা যায়, নিহত আফরোজার শরীরজুড়ে ৩০টি জখমের চিহ্ন। আর তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ (১৫) গলায় চারটি গভীর আঘাতের ক্ষত।
এরমধ্যে আফরোজার বাম গালে ৩টি, থুতনিতে ৪টি, গলার নিচে বাম পাশে ৫টি, বাম হাতে ৩টা, বাম হাতের কব্জিতে ১টি, ডান হাতের কব্জিতে ২টি, বুকের বাম পাশে ৯টি, পেটের বাম পাশে ২টা ও তলপেটের নিচে একটি জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
অপর দিকে নাফিসার বুকের দুই পাশে ৪টি গভীর ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারালো ছুরিকাঘাতে ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এমন সুরতহাল সাম্প্রতিক সময়ে তারা দেখেননি। হত্যার ধরন ও নৃশংসতা দেখে ঘাতককে প্রশিক্ষিত বলে ধারণা করছেন তারা।
পুলিশের একটি সূত্রে জানায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বাসা তল্লাশি করে বাথরুমে একটি চাইনিজ সুইচ গিয়ার ও একটি ধারালো চা/কু পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছুরি দুটি দিয়ে মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।
হাতে গ্লাভস পরে মা-মেয়েকে হত্যা, সবশেষ যা জানা গেলো
এদিকে ভবনের একাধিক সিসিটিভি ভিডিও বিশ্লেষণ করে পুলিশ বলছে, গৃহকর্মী আয়েশাকে খুনের দিন (সোমবার) সকাল ৭টা ৫২ মিনিটে কালো বোরকা পরে ওই বাসায় প্রবেশ করতে দেখা দেখে। এরপর ৯টা ৩৬ মিনিটে স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে তাকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
নাফিজার বাবা এ জেড আজিজুল ইসলাম বলেন, ভবনের তত্ত্বাবধায়ক ও নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে চার দিন আগে ওই গৃহকর্মীকে কাজে নেন। সকালে এসে বাসার কাজ করে চলে যেত। এরমধ্যে রোববার বাসার মূল দরজার চাবি হারিয়ে যায়। সন্দেহ হলেও গৃহকর্মীকে কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, মেয়েটির পরিচয় ও ফোন নম্বর চেয়েছিলাম। কিন্তু সে বলেছিল, আগুনে পুড়ে তার মা-বাবা মারা গেছেন। সে-ও আগুনে দগ্ধ হয়েছিল। এসব বলে পরিচয় ও ফোন নম্বর দেয়নি।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেছেন, আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পেয়েছি, সেসব যাচাই বাছাই চলছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি, হত্যার আগে পরে তার উপিস্থিতি ও অ্যাকটিভিটিজ বিশ্লেষণ করে পরবর্তি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাব।
আরটিভি/আরএ
Copied from: https://rtvonline.com/

08/12/2025

জেনে নিন #মামলার #কোর্ট_ফি নির্ধারণ পদ্ধতি:
================================

মামলা মোকদ্দমা পরিচালনার জন্য আদালতকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে কোর্ট ফি দিতে হয়। এই ফি আইনজীবী ফিয়ের বাইরে মামলা দায়েরের খরচ। মামলা দায়েরের খরচ নির্ধারণ করা হয় কোর্ট ফিস অ্যাক্ট, ১৮৭০ (সংশোধনী ২০১০), এবং ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০-এর এসআরও নাম্বার ৩২৬-আইন/২০১০ অনুযায়ী।

কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতিবছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কোর্ট ফি দুই ধরনের-
১. #মূল্যমান_অনুসারে_কোর্ট_ফি,
২. #নির্ধারিত_কোর্ট_ফি।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে মোকদ্দমার মূল্যমানের ওপর বা দাবির মূল্যমানের ওপর ভিত্তি করে কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

আবার কখনো কখনো মোকদ্দমার মূল্যমানের ওপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না, বরং একটি ফি নির্দিষ্ট করা থাকে।

কোর্ট ফি সাধারণত নেয়া হয় স্ট্যাম্পের মাধ্যমে। তবে যেখানে স্ট্যাম্প না পাওয়া যায় সেখানে নগদ বা রশিদের মাধ্যমেও কোর্ট ফি পরিশোধ করা যায়।

একেক পদ্ধতিতে কোর্ট ফির মূল্য নির্ধারণ করা হয় তার আগে বিষয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। কীভাবে করা হয় নিচে তা সংক্ষেপে দেয়া হলো।

কোর্ট ফি নির্ধারণের সাধারণ পদ্ধতি :
-----------------------------------
কোনো মোকদ্দমার মূল্যমানের ওপর বা দাবির মূল্যমানের ওপর কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

তায়দাদের ওপর ২% এবং উক্ত ২% এর ওপর ১৫% ভ্যাট- এভাবেই কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ মোট (২% + ২% এর ১৫%= কোর্ট ফি)

#মানি_স্যুট বা #অর্থঋণ_মোকদ্দমার #কোর্ট_ফি নির্ধারণ পদ্ধতি :
-----------------------------------------
মানি স্যুট বা অর্থঋণ মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কোর্ট ফি হলো ৩০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ কোর্ট ফি হবে ৫০,০০০ টাকা।

#দেওয়ানি_মোকদ্দমা_কোর্ট_ফি :
--------------------------------
দেওয়ানি মোকদ্দমার সর্বনিম্ন কোর্ট ফি হবে ৩০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ কোর্ট ফি হবে ৪০,০০০ টাকা।

#সাকসেশন_মোকদ্দমা_কোর্ট_ফি:
-----------------------------------
সাকসেশন উত্তরাধিকার মোকদ্দমায় ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি। পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ১% এবং পরবর্তী ১৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ২%।

যেমন : কোনো মোকদ্দমার তায়দাদ ধরি ১৫,০০,০০০ টাকা। এর কোর্ট ফি হবে ১৫,০০,০০০ টাকার ২%=৩০,০০০ টাকা ৩০,০০০ টাকার ১৫%= ৪,৫০০ টাকা। মোট কোর্ট ফি লাগবে ৩০,০০০+৪,৫০০=৩৪,৫০০ টাকা।

যে কোন আইনী পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

07/12/2025

বাংলাদেশে হেবা (দানে সম্পত্তি দেওয়া) সম্পর্কিত আইন মূলত বাংলাদেশ সিভিল কোড (১৯৬০) এবং ইসলামিক শরিয়া আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ইসলামী আইন অনুসারে, হেবা হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি বা সম্পত্তির কোনো অংশ, বিনিময় ছাড়াই, অন্য কাউকে দান করেন। তবে, বাংলাদেশে হেবা সম্পর্কিত আইনগুলি কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও বিধি অনুসরণ করে।

বাংলাদেশে হেবা সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী:

1. হেবার প্রকার: হেবা সাধারণত দুটি প্রকারের হতে পারে—

হেবা মুতালাকা (অবাধ হেবা): এতে কোনো শর্ত থাকে না, এবং সম্পত্তি প্রাপ্ত ব্যক্তির মালিকানা সুনিশ্চিত হয়ে যায়।

হেবা মুরাব্বা (শর্তযুক্ত হেবা): এতে কিছু শর্ত থাকে, যেমন দাতা যদি জীবিত থাকেন, তাহলে তিনি কিছু শর্তের অধীনে সম্পত্তি দিতে পারেন।

2. হেবার শর্তসমূহ:

হেবা সম্পন্ন করতে দাতার ইচ্ছা, সম্পত্তি প্রদান, এবং গ্রহীতার গ্রহণ প্রয়োজন।

হেবার দলিলটি অবশ্যই লিখিত হতে হবে, এবং এটি স্বাক্ষরিত ও নথিভুক্ত করতে হবে।

হেবার দলিলের পরিপালন নিশ্চিত করতে সম্পত্তির স্থানান্তর (যেমন ভূমি বা বাড়ি) করতে হবে।

3. কারা হেবা পেতে পারেন:

সন্তান: একজন বাবা তার সন্তানকে হেবা দিতে পারেন, এবং এতে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

স্বামী-স্ত্রী: স্বামী বা স্ত্রী একে অপরকে হেবা দিতে পারেন।

অন্য নিকট আত্মীয়: ভাই-বোন, চাচা-চাচি, মামা-খালা ইত্যাদির প্রতি হেবা দেওয়া যেতে পারে।

অন্য কেউ: এমনকি কোনো অপ্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি বা বন্ধু থেকেও হেবা গ্রহণ করা সম্ভব, তবে এর জন্য স্পষ্ট উদ্দেশ্য থাকতে হবে।

4. হেবার আইনি জটিলতা:

বাংলাদেশের আইনে, হেবা প্রদান সম্পন্ন হওয়ার পর, সেই সম্পত্তির মালিকানা গ্রহীতার হয়। তবে, যদি দাতা পরবর্তী সময়ে তাকে প্রতারণা বা অন্য কোনো কারণে সম্পত্তি ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

5. আইনিভাবে হেবা চ্যালেঞ্জ:

এক্ষেত্রে, কেউ যদি মনে করেন যে হেবা দানটি তার বিরুদ্ধে হয়েছে বা অবৈধ, তবে তারা আদালতে এটি চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।

এছাড়া, ইসলামিক আইন অনুযায়ী হেবা দেওয়ার শর্ত এবং বিধি রয়েছে, যা কিছু ক্ষেত্রে আরও কঠোর হতে পারে। এজন্য, হেবা দেওয়ার পূর্বে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 15:00 - 22:00
Sunday 09:30 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr. Lawyer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share