Law Lab

Law Lab Law Lab is a criminal and constitutional law chamber. It also provides legal assistance on land and other civil matters.
(2)

এই পেজ এর উদ্দেশ্য সাবলীল ভাষায় জনসাধারণের সামনে আইনি সমাধান তুলে ধরা। সমকালীন আইনি আলোচনায় অংশগ্রহণ করে আশু সমাধান নজিরসহ উপস্থাপন করা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণালব্ধ ফলাফল স্ট্যাটাস, ছবি, অডিও-ভিডিও ও লেকচার এর মাধ্যমে প্রকাশ করা।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।ঈদ মোবারক।
20/03/2026

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।

সুপ্রীম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা: একটি আইনি পর্যালোচনা
15/03/2026

সুপ্রীম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা: একটি আইনি পর্যালোচনা

ডেপুটি কমিশনার কখনোই জেলা প্রশাসক নয়
08/03/2026

ডেপুটি কমিশনার কখনোই জেলা প্রশাসক নয়

“জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫” এবং “জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫”: সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি বিশ্লেষণ
01/03/2026

“জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫” এবং “জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫”: সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি বিশ্লেষণ

21/02/2026

ছায়া মন্ত্রীসভা বা শ্যাডো ক্যাবিনেট কী?
এটি কীভাবে কাজ করে?

সুদর্শন সিং ওয়াজিরকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে অভিযুক্ত করা হয়। তার নাম প্রথম এফআ...
15/02/2026

সুদর্শন সিং ওয়াজিরকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে অভিযুক্ত করা হয়। তার নাম প্রথম এফআইআরে ছিল না। তৃতীয় সম্পূরক চার্জশিটে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়। অতিরিক্ত সেশনস জজ ২০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি (Discharge) দেন। অব্যাহতির বিরুদ্ধে দিল্লি সরকার হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করে এবং অব্যাহতি আদেশের উপর স্থগিতাদেশ (stay) চান। হাইকোর্ট একতরফাভাবে (ex parte) ডিসচার্জ আদেশে স্থগিতাদেশ দেন এবং নির্দেশ দেন যে, সুদর্শনকে আত্মসমর্পণ করে জেলে যেতে হবে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুদর্শন সুপ্রীম কোর্টে আপিল করেন।

আদালতের সম্মুখে মূল প্রশ্ন হলো হাইকোর্ট কি রিভিশন মামলার প্রেক্ষিতে অব্যাহতি আদেশের উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে? বিশেষ করে একতরফাভাবে স্থগিতাদেশ দিয়ে কি অভিযুক্তের স্বাধীনতা হরণ করা যায়?

সুপ্রীম কোর্ট বলেন, অব্যাহতি আদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রদানের ফলে ব্যক্তি আর অভিযুক্ত থাকেন না এবং তার স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। অব্যাহতি আদেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া একটি অত্যন্ত কঠোর ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ, কারণ এতে অভিযুক্তের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়। কেবলমাত্র দুর্লভ ও ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে, যখন অব্যাহতি আদেশ প্রাথমিকভাবে (prima facie) সম্পূর্ণরূপে ভ্রান্ত বা বিকৃত (perverse) বলে প্রতীয়মান হয়, তখনই স্থগিতাদেশ দেওয়া যেতে পারে। একতরফা (ex parte) স্থগিতাদেশ সাধারণত দেওয়া উচিত না। অভিযুক্তকে না শুনে তার স্বাধীনতা হরণ করা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। হাইকোর্ট যদি রিভিশন চলাকালীন অভিযুক্তের উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই চান, তাহলে সরাসরি কারাবাসে পাঠানোর পরিবর্তে আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৯০ অনুযায়ী জামিনের শর্ত আরোপ করতে পারেন।

সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ এবং আত্মসমর্পণের নির্দেশ বাতিল করেন। হাইকোর্টকে রিভিশন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। আপিলকারীকে সেশনস কোর্টে হাজির হয়ে জামিন দিতে বলা হয়, যাতে রিভিশন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার উপস্থিতি নিশ্চিত থাকে।

রমনা থানার একটি দুর্নীতি ও প্রতারণা সংক্রান্ত মামলার সূত্রে সাবেক মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তাসহ কয়েকজন বেসরকারি ব্যক্তি (...
01/02/2026

রমনা থানার একটি দুর্নীতি ও প্রতারণা সংক্রান্ত মামলার সূত্রে সাবেক মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তাসহ কয়েকজন বেসরকারি ব্যক্তি (বর্তমান আবেদনকারীরা) অভিযুক্ত হন। অভিযোগ ছিল যে, সরকার কর্তৃক অধিগৃহীত একটি বাণিজ্যিক মূল্যবান জমি বেআইনিভাবে শিল্প প্লট হিসেবে রূপান্তর করে কম দামে বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার ফলে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়। আবেদনকারীরা ওই শিল্প প্লটের বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে মামলায় জড়িত হন। তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল হলেও বিশেষ জজ আদালত তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা আমলে গ্রহণ করেননি। এই পর্যায়ে আবেদনকারীরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ ধারায় হাইকোর্টে মামলা quashment এর আবেদন করেন, যা হাইকোর্ট ডিভিশন খারিজ করেন। হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে লিভ টু আপীল দায়ের করা হয়। আপীল বিভাগ বলেন যে, ফৌজদারি কার্যধারা শুরু হয় তখনই, যখন উপযুক্ত আদালত অভিযোগের ওপর আনুষ্ঠানিকভাবে আমল গ্রহণ করে। আমল গ্রহণের পূর্বে কোনো কার্যধারাকে সাধারণত “pending proceeding” বলা যায় না এবং সে কারণে এই পর্যায়ে ৫৬১এ ধারায় মামলা quashment এর আবেদন প্রিম্যাচিউর। হাইকোর্টের quash করার ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত এবং তা কেবল আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধের জন্য, অত্যন্ত বিরল ও ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য।

25/01/2026
বিদ্যমান আইনে বিবাহ ও ফলাফল পর্ব: একমুসলিম বিবাহ
19/01/2026

বিদ্যমান আইনে বিবাহ ও ফলাফল
পর্ব: এক
মুসলিম বিবাহ

এ বছর Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এবং Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance...
17/01/2026

এ বছর Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এবং Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 প্রণয়নের মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ কে যুগোপযোগী এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে উল্লেখযোগ্য সংশোধনী আনা হয়েছে।

১) ম্যাজিস্ট্রেটের সাজা দেওয়ার ক্ষমতা:
ধারা ৩২ সংশোধনের মাধ্যমে ম্যজিস্ট্রেট আদালতের অর্থদন্ড প্রদান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এখন সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা; দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সর্বোচ্চ দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড প্রদান করতে পারবে।
২) গ্রেপ্তার সংক্রান্ত বিধান:
সাধারন গ্রেপ্তার:
গ্রেপ্তার সংক্রান্ত নতুন ধারা ৪৬ক, ৪৬খ, ৪৬গ, ৪৬ঘ, ৪৬ঙ সংযুক্ত করা হয়েছে। এই ধারাগুলোর গুরত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো নীচে উপস্থাপন করা হলোঃ
• গ্রেপ্তার করার সময়, গ্রেপ্তাররকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য যে কোনো ব্যক্তি তার পরিচয় প্রকাশ করবে।
• গ্রেপ্তার সময় গ্রেপ্তার স্মারক তৈরী করবে, যা একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে। (গ্রেপ্তার স্মারক সংক্রান্ত ফরম ৫ নং তফসিলে সংযুক্ত করা হয়েছে)
• বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারকে যতদ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তার সম্পর্কে অবহিত করতে হবে এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ইচ্ছাপোষণ করলে, তাকে ১২ ঘন্টার মধ্যে তার পছন্দমতো আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করার অথবা নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ প্রদান করতে হবে। [ধারা ৪৬ক]
• গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সরকারি রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি লিপিবদ্ধ করা হবে, যেখানে গ্রেফতারের কারণ, তথ্যদাতা বা অভিযোগকারীর নাম ও বিবরণ, ক্ষেত্রমত যাকে গ্রেফতারের বিষয়ে অবহিত করা হইয়াছে সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি যে কর্মকর্তার হেফাজতে আছেন তার নাম ও বিবরণ উল্লেখ থাকবে। [ধারা ৪৬খ]
ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেপ্তার: ধারা ৫৪ সংশোধন করে পূর্বে যেখানে ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করা যেত, সেখানে এখন ১১ টে ক্ষেত্রে করা যাবে। মূলত এই ধারার প্রথম ক্লজটাকে ভেঙে এখন তিনটি ক্লজ করা হয়েছে এবং এগুলোর বিস্তারিত প্রয়োগ আরো নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
ধারা ৫৪ক নতুন করে সংযুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেপ্তার করলে, গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অবশ্যই তার গ্রেপ্তারের কারন জানাতে হবে।
এরপর ধারা ৬৭-র পরে নতুন ধারা ৬৭ক সংযুক্ত করা হয়েছে। কোন কর্মকর্তা যদি কাউকে গ্রেপ্তার করার সময় গ্রেপ্তার সংক্রান্ত বিধানবলী ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলাবশত মান্য না করে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত, যার সামনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে উপস্থাপন করা হয়েছে, উক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সার্ভিস রুলস অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
৩) সমন জারী:
ধারা ৬৯ সংশোধন করে প্রচলিত সমন জারির পদ্ধতির পাশাপাশি এসএমএস, ভয়েস কল এবং ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সেবার মাধ্যমেও সমন জারি করার বিধান যোগ করা হয়েছে। ধারা ৭০ থেকে পুরুষ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ পরিবারের যেকোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির নিকট সমন জারি করা যাবে।
৪) আটক সংক্রান্ত বিধান: ধারা ১৬৭(২)-এ নতুন শর্ত সংযুক্ত করা হয়েছে। কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন নির্দিষ্ট মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সর্বমোট পনেরো দিনের বেশি সময়ের জন্য পুলিশ হেফাজতে (police custody) আটক রাখার অনুমতি দিতে পারবেন না। এর বেশি কাউকে আটক রাখার প্রয়োজন হলে তাকে স্বশরীরে অথবা ইলেকট্রনিক ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে (judicial custody) আটকের আদেশ দিতে পারবেন। এখানে বিচারিক হেফাজত বলতে পুলিশ হেফাজত ব্যতিত অন্য যেকোনো হেফাজতকে বুঝাবে।
উপধারা ২ক সংযুক্ত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে রিমান্ডে পাঠানোর আগে এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষার আদেশ দিতে পারে এবং মেডিকেল রিপোর্টে যদি অভিযুক্তকে নির্যাতন করার আলামত পাওয়া যায় তাহলে তিনি আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
ধারা ১৬৭ক সংযুক্ত করা হয়েছে। অন্য কোন মামলায় আটক কাউকে shown arrest দেখাতে কি কি নিয়ম পালন করতে হবে তা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরো বলা হয়েছে যে, পুলিশ ফরোয়ার্ডিং দেখে যদি মনে হয় প্রতিরোধমূলক কোন আইনে আটক দেখানোর জন্যে আটক করা হয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবে না।
৫) অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন:
পুলিশ প্রতিবেদন সংক্রান্ত ধারা ১৭৩-এর পর ধারা ১৭৩ক সংযুক্ত করা হয়েছে। এই ধারামতে, কোন মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট অথবা তদন্ত তত্ত্বাবধানকারী সমমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন। দাখিলকৃত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদনে যদি প্রকাশ পায় যে কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সেই প্রতিবেদন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন এবং এমন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল, যদি সন্তুষ্ট হন, উক্ত অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
৬) তদন্তের সময়:
তথ্য প্রাপ্তির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। তা করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার ডায়েরিতে বিলম্বের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন, নির্দিষ্ট কারণ ও প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করবেন। দাখিলকৃত আবেদন বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশের মাধ্যমে তদন্তের সময় যুক্তিসংগত বলে বিবেচিত পরিমাণে বৃদ্ধি করতে। [ধারা ১৭৩খ]
৭) মিথ্যা, তুচ্ছ বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
ধারা ২৫০ সংশোধন করে কেউ মিথ্যা, তুচ্ছ বা হয়রানিমূলক অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ক্ষতিপূরনের পরিমান ৫০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়া এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থদন্ডের পরিমান ও বৃদ্ধি করে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।
৮) অবৈধ সমাবেশের অপরাধ আপসযোগ্য:
ধারা ৩৪৫-এ সংশোধন করে দন্ডবিধির ১৪৩ ধারায় বর্ণিত অবৈধ সমাবেশের অপরাধকে আপসযোগ্য করা হয়েছে।
৯) জামিন সংক্রান্ত বিধান:
ধারা ৪৯৮-এ উপধারা ২ সংযুক্ত করা হয়েছে। যেকোনো আদালত অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি প্রদানকালে তার পলায়ন রোধ করা বা তার সদাচরণ নিশ্চিত করার জন্য যুক্তিসংগত ও ন্যায়সঙ্গত শর্ত আরোপ করতে পারবে মর্মে বিধান যোগ করা হয়েছে।
এখন থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বশরীরে, অথবা তার আইনজীবীর মাধ্যমে, অথবা অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে বেইল বন্ড দাখিল করতে পারবেন। [ধারা ৪৯৯(৩)]

Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 প্রণীত হয় ৮ই মে ২০২৫ ইং তারিখে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রচ...
06/01/2026

Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 প্রণীত হয় ৮ই মে ২০২৫ ইং তারিখে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রচলিত দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো নীচে আলোচনা করা হলোঃ
১) মোকদ্দমা দায়ের
• আরজিতে কী কী থাকতে হবে তা দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১-এ বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে এখানে বিধি ১-এর উপবিধি ‘খ’ এবং ‘গ’ পরিবর্তন করে বাদী বিবাদীর নাম, বিবরণ ও বাসস্থানের ঠিকানার পাশাপাশি তাদের ফোন বা মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID) এবং ই-মেইল এড্রেস থাকলে তা উল্লেখ করার বিধান করা হয়েছে।
• এছাড়া কার্যবিধির ধারা ২৬-এ, নতুন বিধান যোগ করে হয়েছে যে, আরজিতে বর্ণিত সকল তথ্য এখন থেকে হলফনামা দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।
২) সমন জারী
আদেশ ৫ বিধি ৯(৩)-এ সামান্য পরিবর্তন করে ফ্যাক্স এবং ই-মেইলের পাশাপাশি এসএমএস, ভয়েস কল এবং ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সেবার মাধ্যমেও সমন জারি করার বিধান করা হয়েছে।
৩) সাক্ষীদের পরীক্ষা
আদেশ ১৮-তে বিধি ৪-এর পরে নতুন বিধি ৪ক যোগ করা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে বাদী বা বিবাদীমামলার আরজি বা লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্যানুসারে মৌখিকভাবে বক্তব্য প্রদান বা অস্বীকার করতে বাধ্য হবেন না। প্রত্যেক ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দি হলফনামার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে এবং পরবর্তীতে তাকে জেরা করা যেতে পারে এবং প্রয়োজন হলে পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করা যেতে পারে।
৪) আদালতের দৈনিক কার্যতালিকা
আদেশ ১৮, বিধি ২০-এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য দশটির বেশি মামলা নির্ধারণ করবে না; যার মধ্যে চারটি আংশিক শুনানিকৃত মামলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে (peremptory stage) দুই শতটির বেশি মামলা রাখবে না। আর নিষ্পত্তির ফলে যখন চূড়ান্ত পর্যায়ের মামলার মোট সংখ্যা একশ চল্লিশ-এর কমে নেমে আসে, তখন আদালত সাধারণত মামলার দায়েরের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করবে।
৫) ডিক্রিজারি সংক্রান্ত বিধানবলি
ক) জীবিকা ভাতা (Subsistence Allowance):
ধারা ৫৭, ধারা ৫৮ উপধারা ১-এর প্রথম শর্তের ৪ নং ক্লজ এবং আদেশ ২১, বিধি ৩৯-এর বিধানবলী বাতিল করার মাধ্যমে Subsistence Allowance সংক্রান্ত বিধানবলি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
খ) অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে গ্রেফতারে বা হেফাজতে নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা
• পূর্বে অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রিজারির মোকদ্দমায় নারীদের দেওয়ানি কারাগারে আটকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ছিল। বর্তমানে শুধুমাত্র বয়স্ক, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাকে গ্রেফতার করায় নিষেধাজ্ঞা বিধান করা হয়েছে। [ধারা ৫৬]
• এছাড়া যে দায়িক নাবালক, অপ্রকৃতস্থ বা যোগ্য আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত বা মূল দায়িকের উত্তরাধিকারী হিসেবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রতিস্থাপিত, তার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক সংক্রান্ত বিধানবলি প্রযোজ্য হবে না মর্মে বিধান করা হয়েছে। [আদেশ ২১, বিধি ৩০ক (৩)]
গ) অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি জারির বিশেষ বিধানসমূহ
আদেশ ২১ বিধি ৩০ এর পর ৩০ক সংযুক্ত করার মাধ্যমে এই বিশেষ বিধানসমূহ যোগ করা হয়েছে।
• ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রির অপরিশোধিত সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থের জন্য আদালত দায়িককে সর্বোচ্চ ছয় মাসে বা অর্থ পরিশোধ হওয়া, যেটা আগে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারবে।
• যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকা দায়িক রায়ের মোট অর্থের কমপক্ষে ২৫% জমা দেয় এবং বাকি অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য একটি বন্ড প্রদান করে, আদালত তাকে মুক্তি দেবে। তবে দায়িক যদি বন্ডে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী বাকি অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে দেওয়ানি কারাগারে আরও সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত আটক রাখার আদেশ দিতে পারবে।
• দায়িক যদি এই নিয়ম অনুযায়ী দেওয়ানি কারাগারে সম্পূর্ণ বা আংশিক সময়ের জন্য আটক থাকে, তবুও তিনি অপরিশোধিত অর্থ পরিশোধের দায় থেকে মুক্ত হবেন না।
ঘ) ডিক্রিজারির আদেশ
a. আদেশ ২১-এ বিধি ১০৪ সংযুক্ত করা হয়েছে। এখন ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ করতে পারে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে।
৬) বিবিধ
• ধারা ৩৫ক-এ বর্ণিত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবির ক্ষেত্রে প্রদত্ত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২০ হাজার থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার করা হয়েছে।
• আদেশ ৯, বিধি ১৩-র অধীনে একপাক্ষিক (ex parte) ডিক্রি একক বিবাদীর আবেদনে একবারের বেশি রদ করা যাবে না।
• আদেশ ৪১, বিধি ২১-র অধীনে কোনো আপিল একবারের বেশী পুনঃশুনানী করা যাবে না।
• আদেশ ৪১ বিধি ৩০(২) সংযুক্ত করা হয়েছে। আপিলের শুনানি শুরু হলে কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকলে এবং রেকর্ডে থাকা নথিপত্রের ভিত্তিতে আপিলের বিষয়বস্তু নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হলে, আপিলকোর্ট লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে সঙ্গে সঙ্গে বা আদালতের নির্ধারিত দিনে উন্মুক্ত কোর্টে রায় ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

২৫ মার্চ, ২০২৫ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অধিকতর সংশোধনকল্পে রাষ্ট্রপতি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশো...
31/12/2025

২৫ মার্চ, ২০২৫ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অধিকতর সংশোধনকল্পে রাষ্ট্রপতি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করেন। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে উক্ত আইনে উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন আনা হয় যা সংক্ষিপ্ত এবং সহজবোধ্যভাবে নীচে উপস্থাপন করা হয়েছে।
1. সংজ্ঞা: এই সংশোধনী দ্বারা ধারা ২-এ নতুন তিনটি দফা যথাক্রমে ‘ছছ’, ‘ছছছ’ এবং ‘ঞঞ’ সংযুক্ত করে বলাৎকার, মারাত্মক জখম এবং যৌনকর্মকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
2. দন্ডের পরিমানে পরিবর্তন:
• ধারা ৪-এর অধীনে দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তিস্বরূপ প্রদত্ত অর্থদন্ডের পরিমান বৃদ্ধি করে অনূর্ধ্ব ১ লক্ষ টাকাকে অনূর্ধ্ব ১০ লক্ষ টাকা এবং অনূর্ধ্ব ৫০ হাজার টাকাকে অনূর্ধ্ব ৫ লক্ষ টাকায় রুপান্তর করা হয়েছে।
• ধারা ৯-এর অধীনে ধর্ষনের শাস্তিস্বরূপ প্রদত্ত অর্থদন্ডের পরিমান বৃদ্ধি করে অন্যূন ১ লক্ষ টাকা থেকে পরিবর্তন করে অনধিক ২০ লক্ষ টাকায় রূপান্তর করা হয়েছে।
• ধারা ৯ উপধারা ৪-এ নতুন দফা ‘গ’ সংযুক্ত করা হয়েছে। কোন ব্যাক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শরীরের কোন অঙ্গ, ধারালো অস্ত্র, রাসায়নিক পদার্থ, বা অন্য কোন উপকরণ ব্যবহার করে কিংবা অন্য কোনভাবে নারী বা শিশুর যৌনাঙ্গ বা স্তনে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করলে, উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা এবং অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান করা হয়েছে।
• ধারা ৯ উপধারা ৫-এ পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন ধর্ষনের শাস্তিস্বরূপ প্রদত্ত অর্থদন্ডের পরিমান বৃদ্ধি করে অন্যূন ১০ হাজার টাকা থেকে পরিবর্তন করে অনধিক ৫০ হাজার টাকায় রূপান্তর করা হয়েছে।
• ধারা ১১-এর দফা ‘ক’ পরিবর্তন করে নতুন দফা ‘ক’ এবং ‘কক’ করা হয়েছে। যৌতুকের জন্যে মৃত্যু ঘটানোর একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড থেকে পরিবর্তন করে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড করা হয়েছে এবং মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্যে নির্ধারিত একমাত্র শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড থেকে পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড করা হয়েছে।
• ধারা ১১-এর দফা ‘গ’-তে যৌতুকের জন্যে সাধারণ জখম করার শাস্তি অনধিক ৫ বৎসর কিন্তু অন্যূন ২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড করা হয়েছে যা পূর্বে ছিল অনধিক ৩ বৎসর কিন্তু অন্যূন ১ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড।
• ধারা ১৭-তে নতুন উপধারা ৩ সংযুক্ত হয়েছে। এখন এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারবে এবং প্রয়োজন মনে করলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক ২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।
3. ধর্ষন সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন:
• ধারা ৯-এ ‘পুরুষ’ শব্দটি পরিবর্তন করে ‘কোন ব্যক্তি’ সন্নিবেশিত হয়েছে। অর্থাৎ এখন শুধু পুরুষ নয় যেকোন লিঙ্গের ব্যক্তি ধর্ষনের জন্যে অভিযুক্ত হতে পারে এবং শাস্তি পেতে পারে। এই ধারায় ধর্ষনের ফলে গুরুতর জখমের শাস্তি সনযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অর্থদন্ডের পরিমাণে পরিবর্তন আনা হয়েছে যা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে।
• এছাড়া উপধারা ৬ সংযুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে এই ধারায় অর্পিত আরোপিত অর্থদন্ড ক্ষতিপূরণ হিসাবে অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা, ক্ষেত্রমত, তাহার আইনগত উত্তরাধিকারীকে প্রদান করার বিধান করা হয়েছে।
• ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলা তদন্ত করার সময়ে প্রশাসনিক আদেশে কোন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বদলি করা যাবে না মর্মে বিধান করা হয়েছে। [ধারা ১৮]
• ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার বিচারকার্য ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের তারিখ হতে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে। [ধারা ২০(৩ক)]
• কেবল ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল উপযুক্ত মনে করলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে পারবে। [ধারা ২০(৯)]
4. বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম: ধারা ৯খ সংযুক্ত করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। নারীর সাথে আস্থাভাজন সম্পর্ক আছে এমন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।
5. অপরাধের তদন্ত: এই আইনের অধীন কোন অপরাধের অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে ধরা না পরলে, সেক্ষেত্রে অপরাধের তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়কাল সংশোধনীর পূর্বে ৬০ কার্য দিবস ছিল। [ধারা ১৮(১)(খ)]
6. আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার: ধারা ২১ প্রতিস্থাপন করে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের নতুন পদ্ধতি ঢুকানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের যদি বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার গ্রেফতার বা তাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াবার জন্য পলাতক আছেন বা আত্মগোপন করেছেন এবং তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার তারিখ হতে পরবর্তী ২০ দিনের মধ্যে উক্ত অনুপস্থিত বা পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করার জন্যে তথ্যপ্রযুক্তির যে কোন উপযুক্ত মাধ্যমে বা একটি বাংলা দৈনিক জাতীয় খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা বা অন্যবিধ যুক্তিসংগত যে কোন উপায়ে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ জারি করে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তার অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারবে।
7. থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব: অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব সংক্রান্ত নতুন ধারা ২৫ক সংযুক্ত করা হয়েছে। কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করবেন এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। কোন অফিসার ইনচার্জ শুধু এই যুক্তিতে কাউকে ফিরিয়ে দেবে না যে ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটেছে।
8. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল: শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করার বিধান সংযুক্ত করা হয়েছে। সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করবে। [ধারা ২৬ক]
9. আপীল: এখন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। পূর্বে এই সময়সীমা ছিল ৬০ দিন। [ধারা ২৮]
10. সুরক্ষা ও ভাতা: ধারা ৩২খ সংযুক্ত করে তদন্তাধীন বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা কোন সাক্ষীকে নিরাপত্তা বা সুরক্ষা প্রদান এবং মামলায় আগত সাক্ষীদের যাতায়াত ও সময়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ যুক্তিসংগত পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ ও প্রদান করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদান করা হয়েছে।
11. ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান: নতুন ধারা ৩৫ সংযুক্ত করে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে এই আইনের ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ (যৌতুকের জন্যে সাধারন জখম) বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

Address

Flat No. A-4, House No. 95, Road No. 9/A, Dhanmondi
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801765932323

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Lab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Law Lab:

Share

Category