07/03/2024
এটা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিনা আমাদের এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ স্টাফকে গ্রেফতার করা হয়েছে, হাজার হাজার শ্রমিকের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, শতশত রেস্টুরেন্ট কোন নোটিশ ছাড়াই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কোন প্রকার তদারকি না করেই, আমি এর তীব্র নিন্দা খোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।আমি কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছিনা, বেইলি রোডে আগুন কি আমরা শ্রমিকরা লাগিয়ে দিছি? ভবনের নকশা কি আমাদের শ্রমিকেরা করেছে?রেস্টুরেন্টের মালিক কি আমরা শ্রমিকরা? আমরা শ্রমিকরা কি এখানে কোন ইনভেস্ট করেছি? আমাদের রান্না করা খাবার খেয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কেউ কোথাও কি নিহত হয়েছে? তাহলে আমাদের উপর কেন এত জুলুম করা হচ্ছে? আগুন পুড়ে তো সাধারণ মানুষের চেয়ে আমাদের স্টাফরাই বেশি মারা গেছে,, মিডিয়ায় যে ১৫/১৬ এর নাম ঠিকানা আসছে বাকি ৩০/৩৫ জনের নাম ঠিকানা তো কোন মিডিয়ায় দেখলাম না, কারণ তারা ছিল সবাই শ্রমিক, তাদের জিবনের কোন মুল্য নেই অথচ তারা চাইলেই আগুন লাগার সাথে সাথেই তারা নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারত, কিন্তু আমরা আমাদের গেস্টদের নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করতে গিয়েই আমাদের নিজেদের জিবন বিলিয়ে দিতে হয়েছে। This is hospitality Sector
আমাদের এই সেক্টরে সবসময়ই আমাদের গেস্টদের নিরাপত্তার কথাটা সবার আগেই শিখানো হয়, তাই তারা সব সময়ই নিজেদের জিবনের চেয়ে গেস্টদের জিবনের কথা ভাবে ফলসরুপ এত শ্রমিক এর প্রান হানি,এত কিছুর পরও এখন সেই আমাদেরকেই অকারণে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তার কারণ আমরা নরম আমরা কোন কথা বলিনা আমরা রাস্তায় নেমে বাস ভাংচুর করিনা, রাস্তা অবরোধ করিনা কিন্তু এখন আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, আর দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে আমাদের ৩০ লাখ শ্রমিক রাস্তায় নামতে যেকোনো সময় প্রস্তুত থাকবে, অচিরেই আমাদের সকল শ্রমিকদের বিনা শর্তে মুক্তি দিতে হবে, অভিযানের নামে আর একটা রেস্টুরেন্টও বন্ধ করা যাবে না, সামনে রোজা ও ইদ এই সময়ে শ্রমিকদের বেকার বানাবেন না তাহলে পরিস্থিতি অনেক ভয়াবহ হবে। আগুনে পুড়ে আমাদের যত শ্রমিক মারা গেছে তাদের তালিকা করে প্রতিজনকে তিন কোটি টাকা করে খতি পুরন দিতে হবে , সেই সাথে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রকৃত দোষি ব্যাক্তিদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত বিচার করতে হবে।
আহবানে শেফ আহসান হাবীব সভাপতি শেফ ইউনিটি বাংলাদেশ।