28/08/2023
আসসালামু আলাইকুম
কোম্পানি, সোসাইটি/ফাউন্ডেশন/ট্রাস্ট, পার্টনারশিপ ফার্ম, ট্রেড অর্গানাইজেশন, অলাভজনক কোম্পানি ইত্যাদি রেজিস্ট্রেশন, শেয়ার হস্তান্তর, শেয়ার বরাদ্দ, কোম্পানি বিলুপ্তিকরন, বার্ষিক রিটার্ন দাখিল, TIN, ট্যাক্স, ভ্যাট, ইমপোর্ট - এক্সপোর্ট লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স (শুধুমাত্র ঢাকায়), ট্রেডমার্কসহ যেকোনো বিষয়ে আইনগত পরামর্শের জন্য ফোনে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন।
০১৭১৪-০২২২৯৮ (whatsapp)
লিমিটেড কোম্পানী নিবন্ধন প্রক্রিয়া / How to register a Limited Company In Bangladesh
বাংলাদেশে প্রচলিত কোম্পানী আইন অনুযায়ী দুই ধরনের কোম্পানী রয়েছে- ১. প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী এবং ২. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ জন এবং উর্ধে ৫০ জন পার্টনার পর্যন্ত হতে পারে, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে নিম্নে ৭ জন এবং সর্বোচ্চ যেকোন সংখ্যার পার্টনার থাকতে পারে।
সম্প্রতি কোম্পানী আইনের সংশোধনীতে One Person Company (OPC) বা শুধু মাত্র একজন ব্যক্তির দ্বারা একটি কোম্পানী খোলার বিধান রাখা হয়েছে। একক মালিকানার কোম্পানিতে সর্বনিম্ন ২৫ লক্ষ টাকা পেইড আপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে।
অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital):
কোন একটা কোম্পানী শুরুর সময় ঐ কোম্পানীর সর্বোচ্চ মূলধনের যে সীমা নির্ধারন করা হয় এবং অনুমোদন করা হয় সেটাই হল ঐ কোম্পানির অথরাইজড ক্যাপিটাল; অনুমোদিত মূলধনের উপর ভিত্তি করে রেজিস্ট্রেশন ফিস নির্ধারিত হয়।
পরিশোধিত মূলধন (Paid up Capital) : অনুমোদিত মূলধন এর সমান বা এর কম টাকা যা হলো সকল ডিরেক্টরদের সর্বমোট বিনিয়োগের পরিমাণ এবং যেটি কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে জমা করতে হয় সেটি হলো পরিশোধিত মূলধন। পরিশোধিত মূলধন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যে কোন সময় উত্তোলন করা যায়।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন বা (সংঘ স্মারক) এ কোম্পানি কি কি ধরনের ব্যবসা করতে পারবে এ সম্পর্কে বর্ণনা থাকে।
এবং
আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশনে (সংঘ বিধি) কোম্পানি পরিচালনার নিয়মাবলী যেমন কিভাবে কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ নির্বাচিত হবে, সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা এবং বিশেষ সভা কিভাবে কখন আহ্বান করতে হবে, কিভাবে নতুন সদস্য নেয়া যাবে, কিভাবে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করা যাবে, কিভাবে লভ্যংশ বন্টন করা হবে, কিভাবে কোম্পানিটি বন্ধ করা যাবে এসব বিষয়গুলো বিশদভাবে বর্ণনা করা থাকে।
ভবিষ্যৎ ঝক্কি ঝামেলা ও ভুল ভ্রান্তি এড়াতে এ সংক্রান্ত কাজ অবশ্যই কোম্পানি আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন একজন লাইসেন্স প্রাপ্ত আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পন্ন করিয়ে নিন। একটি ভুলের কারণে কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারে। তাই, দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে দূরে থাকুন।
লেখাটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
ধন্যবাদান্তে
অ্যাডভোকেট মোঃ রাশিদুল হাসান কয়েছ
জয়েন্ট সেক্রেটারি, কোম্পানি আইনজীবী সমিতি
ঠিকানা - ৬৮-ক, উত্তর বিশিল, রোড নাম্বার ১০, মিরপুর- ১, ঢাকা।
অথবা - শাহ্ আলী টাওয়ার, ৩৩ কাওরান বাজার, ঢাকা।
মোবাইল : +৮৮০১৭১৪০২২২৯৮ (WhatsApp)
(২ ঘন্টা আগে ফোন করে আসুন)।